কোর্ট ইনসাইড

নাইকো দুর্নীতি মামলা: অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আবেদন

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ২১ মে, ২০২৩


Thumbnail বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে জমা (সাবমিট) দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই আবেদন দাখিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এর আগে, গত ১৭ মে নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। গত ১৯ মার্চ নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। 

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির অভিযোগ আনা হয়। এতে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।


নাইকো   দুর্নীতি মামলা   অভিযোগ গঠন   বৈধতা চ্যালেঞ্জ   হাইকোর্ট   খালেদা জিয়া  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৫:১৯ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন। 

ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগ এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদক বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ইমিগ্রেশনে চিঠি দিয়েছে।

জানা গেছে, ওয়াহিদা রহমানকে বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি মোবাইল কোম্পানিকে ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (মূসক) সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ক্ষমতার অপব্যবহার করে চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানির ১৫২ কোটি টাকার ভ্যাটসংক্রান্ত সুদ মওকুফের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।


সাবেক ভ্যাট কমিশনার   ওয়াহিদা রহমান   নিষেধাজ্ঞা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

পাবনায় কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশ: ০৪:২৮ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পাবনায় কলেজছাত্র আব্দুল গাফফার মাছুম হত্যা মামলায় ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারেক এ আদেশ দেন।

 

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার মিনিদিয়ার চর এলাকার নুরাল মেম্বারের ছেল আজিম উদ্দিন (৩৫), চৌহালীর বাউসা এলাকার ওহাব মোল্লার ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৮) এবং একই এলাকার মৃত মছলত সরদারের ছেলে ছাবেদ আলী (৩০) । অভিযুক্তরা রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল গাফফার মাছুম সুজানগর উপজেলার দুলাই ডা. জহরুল কামাল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট কলেজে ক্লাস চলাকালীন সময়ে মোটরসাইকেল কেনা-বেচার কথা বলে কৌশলে তাকে অপহরণ করেন চাচাতো দুলাভাই আজিম। পরদিন মাছুমের স্বজনরা তার ফোনে কল করলে অজ্ঞাত পরিচয়ে জানানো হয় মাছুমকে অপহরণ করা হয়েছে। মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন তারা।

 

পরে দুলাভাই আজিমকে সন্দেহভাজন হিসেবে তার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর আজিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মাছুমকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা করে লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেন আজিম। এ ঘটনা তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর আজিমসহ আরও ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। পরে রমজান নামের এক আসামির মৃত্যুর পরে ৩ জনের বিচার শেষে রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সরকারি কৌশুলী (পিপি) অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিপক্ষের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন এবং কামাল আহমেদ। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট হলে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।


কলেজ ছাত্র   হত্যাকাণ্ড   কারাদন্ড   যাবজ্জীবন   মামলা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আনার হত্যা: ৮ দিনের রিমান্ডে আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু

প্রকাশ: ০৩:৩১ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

এমপি আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় গ্রেপ্তার ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১১ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধানমন্ডি থেকে সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করে ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।


আনার   হত্যা   রিমান্ড   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বেনজীরের আরও ৮টি ফ্ল্যাট ও জমি জব্দের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৬:০৪ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মীর্জাসহ মেয়েদের নামে থাকা আটটি ফ্ল্যাটসহ আরও জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১২ জুন) ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর গণমাধ্যমকে বলেন, রূপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় তিন কাঠা জমি, বাড্ডায় ৩৯.৩০ কাঠা জমির ওপর দুটি ফ্ল্যাট, বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি (লিজ), স্ত্রী জিসান মির্জার নামে আদাবর থানার পিসি কালচার এলাকায় ৬টি ফ্ল্যাট ক্রোক করা হয়েছে। এছাড়া গুলশানে বাবার কাছ থেকে পাওয়া ‘পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি’ মূলে সম্পত্তিতে ৬তলা ভবন, সিটিজেন টিভিতে শেয়ার ও টাওয়ার অ্যাপারেলস (গার্মেন্টেসে) শেয়ার অস্থাবর জমি ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এর আগে, দুই দফায় বেনজীরের অঢেল সম্পত্তি ক্রোক ও ফ্রিজ করার নির্দেশ দেন আদালত। এরমধ্যে জব্দের সম্পত্তির মধ্যে ১০ কোটি ২১ লাখ টাকার ২৭৩ বিঘা জমি, ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা মূল্যের গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট, একটি প্লট, ৩০ লাখ টাকা সঞ্চয়পত্রসহ ৪টি বিও অ্যাকাউন্ট, চারটি শতভাগ মালিকানার কোম্পানি ও শেয়ার হিসেবে থাকা ১৫টি কোম্পানি রয়েছে। এসকল সম্পত্তি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা, তিন মেয়ে যথা- ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীর, জাহরা জারিন বিনতে বেনজীরের এবং তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বলে উল্লেখ করে দুদক।

বেনজীর আহমেদ   দুদক  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

অর্থ আত্মসাতের মামলায় ইউনূসের বিচার শুরু

প্রকাশ: ১১:৩৮ এএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নোবেলজয়ী অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় এ আদেশ দিলেন আদালত। বুধবার (১২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত- এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন আদেশ দেন।

বিচার শুরুর প্রতিক্রিয়ায় ড. ইউনুস গণমাধ্যমকে বলেন, “অনেক হয়রানি করছে বুঝতে পারছি। আজকে সারাক্ষণ খাঁচার মধ্যে ছিলাম। এটা কি নায্য হলো নাকি? যতদিন অপরাধ প্রমাণিত না হচ্ছে, ততদিন নিরপরাধ। একজন নিরপরাধ নাগরিককে লোহার খাঁচায় দাড়িয়ে থাকতে হবে, এটা আমার কাছে অত্যন্ত অপমানজনক।”

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, “কর ফাঁকি দেওয়ার মামলাকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসহ পশ্চিমা দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসেবে বিবেচনা করে। ঠিক সেভাবেই ড. ইউনূসের মামলা পরিচালিত হচ্ছে। দেশের যে কোনো নাগরিক আইন ভঙ্গ করলে তার যেমন বিচার হয় ড. ইউনূসেরও সেভাবেই বিচার হচ্ছে। তবে তিনি যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন তা অসত্য এবং এসব কথা বাংলাদেশের জনগণের জন্য অপমানজনক।”

গত মে দুদকের মামলায় . মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনকে জামিন দেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য জুন দিন ধার্য করা হয়। গত বছরের ৩০ মে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার আসামিরা হলেন-গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান . মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ। এছাড়াও গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কল্যাল তহবিল থেকে ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ।


মামলা   ইউনূস   বিচার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন