কোর্ট ইনসাইড

কামরুন্নাহার ফৌজদারি বিষয় পরিচালনার উপযুক্ত নন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:২৪ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মামলার সকল নথিকে পাশ কাটিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যেই ধর্ষণ মামলার আসামিকে ঢাকার তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার জামিন দেওয়ার ঘটনায় বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ বিষয়টি উল্লেখ করে রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, তিনি কোনো ধরনের ফৌজদারি বিষয় পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ ২২ নভেম্বর এ রায় দেন। ছয় পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় গতকাল বুধবার রাতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক ছিলেন মোছা. কামরুন্নাহার। রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের মামলার রায় ঘোষণার সময় তাঁর একটি পর্যবেক্ষণ সম্প্রতি বিতর্কের সৃষ্টি করে। ১১ নভেম্বর ওই মামলার রায় ঘোষণার সময় তিনি পর্যবেক্ষণ দেন, ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে পুলিশ যেন মামলা না নেয়। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়। তবে লিখিত রায়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষণ মামলা না নেওয়ার বিষয়ে কোনো কিছু উল্লেখ নেই।

১৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিচারক কামরুন্নাহারকে আদালতে না বসতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহার করে তাঁকে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠান। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে বর্তমানে সংযুক্ত এবং ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার অদ্য সকাল ৯টা ৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগে সশরীরে উপস্থিত হন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অদ্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকার ১ নং ক্রমিকের মামলায় শুনানি শেষে তার ফৌজদারি বিচারিক ক্ষমতা ‘সিজ করা হয়েছে’ মর্মে আদেশ প্রদান করেন। পূর্ণাঙ্গ রায় পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।’

আপিল বিভাগ যে মামলার বিষয়ে বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, সেটি অবশ্য রেইনট্রির ঘটনায় করা মামলা নয়। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাতিরঝিল থানায় করা ধর্ষণের অন্য এক মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের পরও আসামিকে জামিন দেন তিনি।



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না জিএম কাদের: চেম্বার আদালত

প্রকাশ: ০৬:২৪ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে  হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। 

বুধবার (৩০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

এর আগে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুলও জারি করা হয়। 

এদিন আদালতে জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। 

গত ৪ অক্টোবর জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা এবং দলটির সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। পরে ৩১ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জি এম কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

পরে শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জিএম কাদেরের পক্ষে আবেদন করেন। আবেদনে জিএম কাদেরের ওপর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রত্যাহার চাওয়া হয়।

জাতীয় পার্টি   জিএম কাদের  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জাপা’র দায়িত্ব পালনে জিএম কাদেরের বাধা নেই: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০২:৫৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিম্ন আদালদের যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ছিল সেটি আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত জিএম কাদেরের দলীয় দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা রইলো না।

নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জিএম কাদেরের করা রিভিশন আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে এদিন জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাহিদা খাতুন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কোহিনুর আক্তার লাকী ও সাবিনা পারভীন।

জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কারের পর গত ৪ অক্টোবর সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলার আলোকে জিএম কাদেরকে দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন আদালত।

৩০ অক্টোবর ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ (প্রথম আদালত) মাসুদুল হক এ আদেশ দেন।

১নং প্রতিপক্ষ (জিএম কাদের) ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বরের গঠনতন্ত্রের আলোকে পার্টির কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করতে পারেন এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করতে না পারে সে মর্মে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন আদালত।

পরে এই আদেশ প্রত্যাহারে জিএম কাদেরের আবেদন গত ১৬ নভেম্বর খারিজ করে দেন একই আদালত।

আইনজীবী শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই খারিজাদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে মিস আপিল করেন জিএম কাদের। জেলা জজ এই আবেদন শুনানির জন্য ৯ জানুয়ারি দিন রাখলেন। কিন্তু আমরা ২৪ নভেম্বর দরখাস্ত দিয়ে বললাম ৯ জানুয়ারি রাখাতে, আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। কারণ আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ আছে। অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। তাই আজেকই শুনানি করেন। আমাদের ২৪ তারিখের দরখাস্তটা জেলা জজ রিজেক্ট করে দিলেন। এর বিরুদ্ধে আমরা রিভিশন করেছি। আমরা হাইকোর্টে বলেছি ২৪ তারিখের আদেশটা অবৈধ। কোর্ট রুল দিলেন। আর ৩০ অক্টোববের নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জিএম কাদের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছর ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মশিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন। অন্যদিকে ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা অবৈধ।


জাপা   জি এম কাদের   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বাঁশখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চাম্বল ও নাপোড়া সীমান্ত ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটিকাটায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে একটি স্কেভেটর ও তিনটি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করা হয়। বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসান। 

সোমবার  (২৮ নভেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালত এর উপস্থিতি টের পেয়ে বালু ও মাটিকাটার সাথে সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যায়। 

বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট খন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, চাম্বল ৫ নম্বর ওয়ার্ডের  ছড়া থেকে অবৈধভাবে মাটিকাটার সময় একটি স্ক্যাভেটর  ও তিনটি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। এই সময় মোবাইল কোর্টের উপস্থিতি টের পেয়ে মাটিকাটার সাথে জড়িত লোকজন পালিয়ে যায়। জনস্বার্থে ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জরিমানা   বালু উত্তোলন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৩জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০৫:৫৬ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জয়পুরহাট সদরের রশিদার গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ইউনুস আলীকে হত্যার ঘটনায় মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, জেলার সদর উপজেলার রশিদার বম্বু গ্রামের মৃত সিরাজ প্রধানের ছেলে মদন (৩৫), বাচ্চা মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও আব্দুল মোতালেবের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,২০০৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের রশিদ্র বম্বু গ্রামে  মৃত দুদু মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী সরকার (৫৩) নিজ বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে গভীর নলকুপে যায়। পরদিন সকালে গভীর নলকুপের দক্ষিণ পার্শ্বে ২০০ গজ দুরে পুকুর পাড়ের বাঁশ ঝাড়েন ভিতরে স্থানীয়রা পানি সেচের ড্রেনে মাথা খুঁশিয়ে রাখা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা মর্গে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আলম সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সদর থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী  কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম মামলার তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৩সেপ্টেম্বর আদালতে ৬জনের নামে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।  এর মধ্যে মদন (৩৫), সাদ্দাম হোসেন (৩২) ও দেলোয়ার হোসেন (৩৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর হাসান আলী (৪৬), বাবু (৪৫)  এবং নাসির উদ্দিন মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে ১৫ জন সাক্ষ্য শেষে এ রায় ঘোষনা দেন।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু কায়ছার।

মামলার বাদী পক্ষের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি  ও ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত১ এর  বিচারক নুরুল ইসলাম, ৬জন আসামীর মধ্যে দুজনকে খালাস ও একজনের মৃত্যু হওয়ায় এ হত্যার এই দণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।’

যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

চট্টগ্রামে কলেজছাত্র হত্যার ২৪ বছর পর ২ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ১০:৫৮ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রামে কলেজছাত্র খুনে ২৪ বছর পর দু"জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম আদালত।

চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরায় কলেজছাত্র এম এ মাসুদ চৌধুরীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। রবিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের চতুর্থ অতিরিক্ত দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন— মো. রফিক ও আজিম উদ্দিন আহমেদ রাজা। এছাড়া অনুপ মল্লিক নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ১৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার চন্দনপুরায় দারুল উলুম মাদ্রাসার সামনে কলেজছাত্র এম এ মাসুদ চৌধুরীকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী আব্দুল হালিম প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় মাসুদের চাচা হারুন চৌধুরী অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধ কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৯ নালে ৩০ অক্টোবর পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এই মামলায় ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ১৩ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট মো. নোমান চৌধুরী জানান, কলেজছাত্র মাসুদ চৌধুরীকে হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

যাবজ্জীবন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন