ইনসাইড বাংলাদেশ

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন শিগগির

প্রকাশ: ০৩:৫৪ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দ্রুতই প্রতিবেদন দেয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন প্রকাশ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিআইডি প্রধান বলেন, মামলাটি আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। রিজার্ভ চুরির সঙ্গে যে তিন-চারটি দেশের সংযোগ রয়েছে সেসব দেশের কাছে আমরা তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছি।

জড়িত সকল দেশ থেকে তথ্য আসলেই দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


রিজার্ভ চুরি   কেন্দ্রী ব্যাংক   তদন্ত   প্রতিবেদন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ্য করে জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের (আইটিএফসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে তার সরকার গভীর সমুদ্রে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য আমাদের বিনিয়োগ দরকার।

দেশের বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বিনিয়োগযোগ্য পরিবেশ বিরাজ করছে। আমাদের কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

সরকার প্রধান গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্য উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সিইও হানি সালেম বলেন, অবকাঠামো, আইসিটি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আইটিএফসি সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশংসাও করেন তিনি।

ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি চমৎকার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হানি সালেম।

সৌজন্য সাক্ষাতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।

গ্যাস উত্তোলন   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   আইটিএফসি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার দাবি সংসদে

প্রকাশ: ১০:১৬ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, মানুষ একটা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে আছে। দ্রব্যমূল্যের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সুপারভিশনও নেই। মানুষ খুব অসহনীয় জীবনযাপন করছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ মুজিবুল হক বলেন, মাত্র নির্বাচনটা গেল, আজকেই সরকার বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে ৩৪ থেকে ৭০ পয়সা বাড়িয়েছে। গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। কারণ বলা হয়েছে- ডলারের ডিভ্যালুয়েশন এবং ভর্তুকি কমানো।

মুজিবুল হক বলেন, আমরা জানি না বিদ্যুতের পার ইউনিট উৎপাদনে বা কিনতে সরকারের গড়ে কত খরচ হয়। সব সময় বলে আসছেন হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ভর্তুকি কমাতে হবে। আগামী তিন বছরে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি কমাবেন। কমাবেন কমান। কিন্তু কিভাবে কমাবেন? জনগণ নিষ্পেষিত, বাজারে যেতে পারছে না। বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়া মানে এর সঙ্গে অনেক জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাবে। কারণ বিদ্যুতের মাধ্যমে অনেককিছু উৎপাদন করা হয়। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছেন। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ অনেক ফ্যাক্টরি যেগুলো গ্যাস নির্ভর সেখানে গ্যাস দিতে পারছেন না সার্বক্ষণিক। সেখানে আবারও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছেন।

তিনি বলেন, জনগণ অনেক আশা করে মাত্র এক মাস আগে একটি সরকার নির্বাচিত করল আর সে সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো রমজান মাসের সামনে বিদ্যুতের দাম, গ্যাসের দাম কিভাবে বাড়ায়? এটা অসহনীয়। আমি আমাদের দলের পক্ষ থেকে সরকারকে অনুরোধ করব অন্ততপক্ষে গ্যাসের দাম এবং বিদ্যুতের দামটা এ মুহূর্তে বৃদ্ধি করবেন না। সরকার একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আসুক, মানুষ একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আসুক ইকোনমি একটা নরমাল অবস্থায় আসুক তখন আপনারা চিন্তা করেন। এখন অন্তত চিন্তাটা বাদ দেন। মূল্যবৃদ্ধিটা প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানান তিনি।

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি   মুজিবুল হক চুন্নু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

একুশে বইমেলার সময় বাড়লো ২ দিন

প্রকাশ: ০৯:৫২ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

অমর একুশে বইমেলার সময় আরও দুইদিন বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার সময়-সীমা দুদিন বাড়ানোর আবেদনে অনুমোদন দিয়েছেন। তাই বইমেলা আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

এর আগে বইমেলা দুই দিন বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। এই অনুরোধ করে প্রতিষ্ঠানটি মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমির মহাপরিচালককে চিঠিও দিয়েছে। এতে আগামী ১ ও ২ মার্চ যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করে সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল পাল বলেন, মেলার স্টল বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হওয়ার কারণে এবং প্রথম দিকেই বৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রকাশকরা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এজন্য প্রকাশকদের চাওয়া মেলা যেন দুদিন বাড়ানো হয়।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গায় মেলা হচ্ছে এবার। অংশ নিচ্ছে ৬০১টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। মাসব্যাপী এ মেলার প্রতিপাদ্য ঠিক হয়েছে ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।’ 

একুশে বইমেলা   বাংলা একাডেমি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার কূটনীতি নিয়ে দ্য ডিপ্লোম্যাটের নিবন্ধ

প্রকাশ: ০৯:২৮ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছেন শেখ হাসিনা। নির্বাচনের পরেই ভারত, চীন এবং রাশিয়াসহ বেশ কয়েকটি এশীয় এবং মিত্র দেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা পেয়েছেন শেখ হাসিনা। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মতো শক্তিশালী পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলো প্রায় নীরব থেকেছে।

নির্বাচনের এক মাস পর শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছ থেকে সহযোগিতার চিঠি পান। এরপর গত সপ্তাহের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে।

নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও মার্কিন অবস্থানের এই পরিবর্তন শুধু ওয়াশিংটনের ইচ্ছার ফল নয়, বরং শেখ হাসিনার কূটনৈতিক দক্ষতারও ফল এটি। বন্ধুত্ব অর্জনের জন্য শেখ হাসিনা দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন।

শেখ হাসিনা এখন পর্যন্ত চার মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে পঞ্চম মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। শেখ হাসিনার এই সফল রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের রাস্তাটি কেমন ছিল? কীভাবে তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক হিসেবে নিজের জায়গাকে শক্তিশালী করেছেন?

আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন শেখ হাসিনা। দলের ইতিহাসে অন্য কোনো রাজনীতিবিদ এত দীর্ঘকাল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেননি। আওয়ামী লীগে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন একজন নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। একইসঙ্গে জনসাধারণের কাছেও মুখ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন শেখ হাসিনা। ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখা হয় তাকে।

যাইহোক, রাজনীতিতে শেখ হাসিনার উত্থান মসৃণ ছিল না। ১৯৮১ সালে নির্বাসন থেকে ফেরার পর, বিভক্ত আওয়ামী লীগকে একত্র করা তার জন্য ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২১ আগস্ট বোমা হামলায় আইভি রহমানসহ দলের বেশ কয়েকজন নেতার হত্যার ফলে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। তদুপরি, তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসকের থেকেও নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন তিনি। এসব বাধা সত্ত্বেও, দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং এর চূড়ান্ত পুনরুত্থানের পথ প্রশস্ত করার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

আ.লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা দ্য ডিপ্লোম্যাটকে বলেছেন, ‘পনেরো বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা সহজ কীর্তি নয়। বিশেষত যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বহু অভিযোগ রয়েছে। হাসিনা তার এক দশকের শাসনামলে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে দমন করতে শক্তি প্রয়োগ করেছেন। তার সরকার ভিন্নমতের কণ্ঠকেও রুদ্ধ করেছে। গুম, খুন, গ্রেপ্তারসহ নানাভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।’

বাংলাদেশের অনেকেই বিশ্বাস করেন, শেখ হাসিনার দীর্ঘ নেতৃত্ব শুধু দলের অভ্যন্তরে এবং দেশের মধ্যে নয় বরং তা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব রাজনীতি সম্পর্কে তার বুদ্ধিদীপ্ত উপলব্ধিও তাকে দর কষাকষির করতে সাহায্য করেছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বলতে গেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তি ওবায়দুল কাদের যেমন উল্লেখ করেছেন, ‘শেখ হাসিনার প্রভাবের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক কূটনীতি। তিনি সবসময় অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেন, যা আমি মনে করি তার পররাষ্ট্রনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।’ ওবায়দুল কাদের দ্য ডিপ্লোম্যাটের সঙ্গে কথা বলার সময় এই উদ্বৃতি দিয়েছিলেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি কোভিড-১৯ সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। এই অর্থনীতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিকে শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে শেখ হাসিনার অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।

শেখ হাসিনার ভারত, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনীতিকে পরিপক্ব করেছেন। দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বড় ধরনের অর্থনৈতিক সম্পর্কও রয়েছে যা এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। চীন বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্যিক অংশীদার। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য গত বছর $১৬ বিলিয়নে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এদিকে, রাশিয়া বাংলাদেশে ১২ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প।

পশ্চিমা দেশগুলো বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান পোশাক রপ্তানির প্রধান ক্রেতা। ইউরোপ ও আমেরিকায় পোশাক রপ্তানি করে গত বছর বাংলাদেশ আয় করেছিল ৪৭ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা। বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিশ্ব অর্থনীতিতে দেশটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে স্বীকার করে। ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশ একটি ক্রমবর্ধমান আকর্ষণীয় বাজারে পরিণত হচ্ছে। গত নির্বাচনের ঠিক আগে বাংলাদেশে সফরে এসেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-ফ্রান্স এভিয়েশন জায়ান্ট এয়ারবাসের জন্য ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের মতে, ‘ভৌগোলিক অবস্থান এবং বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বাংলাদেশকে ভারত ও চীন উভয় আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। পাশাপাশি এটি বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম করার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আর শেখ হাসিনার অটল কূটনীতি আজ আমাদের বিশ্ব মঞ্চে একজন উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি করেছে।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল নীতি, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’। কয়েক দশকের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন বাংলাদেশকে অধিকতর আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সাথে আন্তর্জাতিক আলোচনায় যুক্ত হতে এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উভয় প্ল্যাটফর্মে তার স্বার্থ অন্বেষণ করতে সক্ষম করেছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) সাবেক চেয়ারম্যান মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘‘কূটনীতি ও বাণিজ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য তার সমকক্ষরা স্বীকার করেন। এ ছাড়াও, তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বৈশ্বিক সমস্যা নিয়েও খুব সোচ্চার ছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, সম্প্রতি ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলের আক্রমণকে 'গণহত্যা' বলে আখ্যায়িত করে একটি জোরালো বিবৃতি দিয়েছেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তার সরকারও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অন্যান্য দেশকে সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শেখ হাসিনা।”

বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা সুজিত রায় নন্দী শেখ হাসিনার দক্ষতার প্রশংসা করে ডিপ্লোম্যাটকে বলেন, ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণে শেখ হাসিনার দৃঢ়তার প্রশংসা করতেই হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা শেখ হাসিনাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে এবং তার লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করেছে। তিনি প্রথমে তার দলে শৃঙ্খলা এনেছেন এবং তারপরে তার যোগাযোগের শক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন। এবং এই দৃঢ়তা ও শক্তি শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে আরও ভালো করতে সাহায্য করেছে।’

শেখ হাসিনা   ডিপ্লোম্যাট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যেকোনো মূল্যে ওষুধের দাম কমাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৪৩ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

যেকোনো মূল্যে ওষুধের দাম কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য সচিবের সাথে বৈঠকের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওষুধের দাম বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ওষুধ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেকোনো মূল্যে ওষুধের দাম কমাতে হবে।

ওষুধ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে হার্টের রিংয়ের দাম কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ওষুধ ও হার্টের রিংয়ের দাম নির্ধারণেই বৈঠক বসেছে। দাম কমাতেই হবে।

আর যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসা হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযান চলছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ভুল চিকিৎসার চেয়ে চিকিৎসা না হওয়া ভালো। চিকিৎসা নেওয়া উচিত সঠিক জায়গায়।

স্বাস্থ্যখাতে নানা অসংগতি নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। বলেন, স্বাস্থ্যখাতে এতো অসংগতি, এর কোনোটার দায়ই মন্ত্রী হিসেবে এড়ানো সম্ভব নয়। দায় মাথায় নিয়েই কাজ করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী   ডা. সামন্ত লাল সেন   ওষুধের দাম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন