ইনসাইড বাংলাদেশ

সাতক্ষীরায় এতিমখানায় রান্না ঘরে দগ্ধ মরিয়ম, নিরুপায় মা

প্রকাশ: ০৯:৫৩ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

অভাবের তাড়নায় মেয়েকে এতিমখানায় দেন দিনমজুর মা। সেখানেই রান্না করতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হয় ৮ বছরের শিশুটি। শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। এখন চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করতে পারছে না পরিবারটি।  

শিশু মরিয়ম খুলনার পাইকগাছা থানার দরগামহল গ্রামের শেখ লিটনের মেয়ে। তবে নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে লিটন এখন নিরুদ্দেশ। যোগাযোগ নেই পরিবারের কারো সঙ্গে। স্ত্রী মমতাজ বেগম এক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন হরিঢালী ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে সরকারি গুচ্ছগ্রামে।

জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর জেঠুয়া কওমিয়া মহিলা হাফিজিয়া এতিমখানা মাদরাসায় রান্নার সময় আগুনে দগ্ধ হয় শিশু মরিয়ম। শিশুটিকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল এরপর নেওয়া হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখান থেকে গত ১৫ জানুয়ারি ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে।

শিশুটির মা মমতাজ বেগম জানান, নয় মাস আগে বড় মেয়ে মরিয়মকে জেঠুয়ার এতিমখানায় দিয়েছিলাম। সেখানে থেকে লেখাপড়া শিখতো। সেখানে রান্না করার কোন বাবুচ্চি নেই। একটা মেয়ে রান্না করছিল সে গোসলে যাওয়ার আগে মরিয়মকে রান্না ঘরে রান্না দেখার জন্য রেখে যায়। সেখানে জামাকাপড়ে আগুন ধরে যায় মরিয়মের। 

তিনি বলেন, আমি দিনমজুরী করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার কোন টাকা নেই। দৈনিক ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। বিভিন্ন মানুষদের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে মরিয়মের চিকিৎসা করছি। আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মরিয়ম ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের চারতলায় শিশু ওয়ার্ডে ১৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে গলায় অপারেশন হয়েছে মেয়েটির। সুস্থ হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসক। 

মরিয়মের মামা শফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতাল থেকে কিছু ওষধপত্র দিচ্ছে। বাইরে থেকে দৈনিক অ্যালবোটিন নামের একটি ইনজেকশন কিনতে হচ্ছে তার দাম ৩৫শ টাকা। এছাড়া আনুসঙ্গিক আরও কিছু ওষধ কিনতে হচ্ছে।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিদুল হক লিটু বলেন, রান্না করতে গিয়ে আগুনে পুড়ে যায় মেয়েটি। পরিবারটি খুবই গরীব। সবার সহযোগিতায় তার চিকিৎসা চলছে। আমি নিজেও সহায়তা করেছি।

মরিয়মের চিকিৎসার জন্য কেউ সহায়তা করতে চাইলে ০১৯৪২১৫৮৬৬৯ (শিশুটির মা মমতাজ বেগম)।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আরব আমিরাত ও লন্ডন গেলেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ০৮:০৪ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং যুক্তরাজ্যের (ইউকে) উদ্দেশে শনিবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট।

এ সময় বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি), ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রপতি পত্নী ড. রেবেকা সুলতানা এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মেডিক্যাল চেকআপের সময় তার সঙ্গে থাকবেন।

আগামী ১৩ মার্চ  রাষ্ট্রপতি দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন বলে বঙ্গভবনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।


রাষ্ট্রপতি   মো. সাহাবুদ্দিন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

৩ মার্চ ১৯৭১: স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

মার্চ ১৯৭১ পশ্চিমের শাসকরা জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করার পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা পূর্ব পাকিস্তান।  আর স্বাধীনতার মাসের ০৩ তারিখে বেগবান হয় বাঙালী জাতীর গৌরবময় ঐতিহাসিক পথচলা। সেদিন ঘোষিত হয় স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা। ১৯৭১ সালের মার্চ পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।  ১৯৭১ এর এই দিনে ঘোষণা হয় পূর্ব পাকিস্তানের সাত কোটি মানুষের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম হবে বাংলাদেশ।

 এর আগে একাত্তরের পহেলা মার্চ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান হঠাৎ করে ৩রা মার্চের জাতীয় পরিষদ অধিবেশন বাতিল ঘোষণা করলে, পরিষ্কার হয়ে যায় ক্ষমতার ছাড়ছেন না তিনি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে উঠে পূর্ব বাংলা। বিক্ষোভ ঠেকাতে জারি করা হয় কারফিউ। স্বাধীনতাকামী জনতার মিছিলে পাক সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারান অসংখ্য বাঙ্গালি।

 স্বাধীনতার জন্মলগ্নের সেই দিনে, আগামীর বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় মূলনীতির রূপরেখা জানাতে, পল্টন ময়দানে জনসভা ডাকে, স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।  লাখো মানুষের সেই সভায় যোগ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর উপস্থিতিতে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের তখনকার সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ এবং সভাপতিত্ব করেন ছাত্র নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী।

সমাবেশে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ঘোষণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা গানটিই হবে জাতীয় সংগীত।

 লাখো জনতার উপস্থিতিতে ইশতেহার পাঠের পর স্বাধীনতার স্বপক্ষে শপথ নেন স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আবদুর রব আবদুল কুদ্দুস মাখন।

 জনসভায় দেয়া বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের বিভ্রান্ত না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান, একইসঙ্গে ৭ই মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বলেও জানান বঙ্গবদ শেখ মুজিবুর রহমান।  পাঁচ দশক পেরিয়েও যে ভাষণ এখন বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত মানুষের মুক্তির প্রেরণা।


৩ মার্চ ১৯৭১   স্বাধীন   বাংলাদেশ   ঘোষণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিসিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনবে কে?

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail ফাইল ছবি

আগামীকাল শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন, তাদেরকে দিক নির্দেশনা দেবেন। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদেরকে এবারই প্রথম ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে আওয়ামী লীগ সরকারের অভিপ্রায় এবং লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশনা দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, জেলা প্রশাসক হিসেবে যারা আছেন উপসচিব পদমর্যাদার সেই কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে কে? 

গত কয়েক বছর ধরে জেলা প্রশাসকদের নিয়ে নানারকম অভিযোগ উঠছে। নারী কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে সাংবাদিক পেটানো, জনপ্রতিনিধিকে অপমান করা থেকে শুরু করে দুর্নীতি নানারকম অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে জেলা প্রশাসকরা শাস্তি পাচ্ছেন মোটেও কম। যাও বা শাস্তি দেওয়া হচ্ছে সেটি আবার পরবর্তীতে মওকুফ করে দেওয়া হচ্ছে। 

একজন জেলা প্রশাসক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়লেন, তার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেল তাকে তার কর্মস্থল থেকে সরিয়ে আনা হল, শাস্তি দেওয়া হল তার ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা এবং পদাবনতি। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু এই ফৌজদারি অপরাধে তিনি সামান্য প্রশাসনিক শাস্তিতেই বেঁচে গেলেন। 

আরেকজন জেলা প্রশাসকের কাণ্ড আরও ভয়ঙ্কর। তিনি রীতিমতো মাফিয়া ডনদের মতো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করে এক সাংবাদিকের বাড়ি আক্রমণ করলেন। সাংবাদিককে পেটালেন। তারপর তাকে প্রত্যাহার করা হল বটে, তার পদাবনতি হল কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির করুণায় তিনি দণ্ড মওকুফ পেলেন। এখন তিনি বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। 

পরকীয়ার সাথে জড়িত আরেক জেলা প্রশাসককে তার কর্মস্থল তাকে ঢাকায় নিয়ে এসে শুধুমাত্র সতর্ক করা হল। 

বাংলাদেশের প্রশাসনের লোকজনের এখন জবাবদিহিতা নেই। তারা বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে গেছেন। সরকার কিছুদিন আগে আইন করেছে যে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। তাদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও আছে হাজার রকমের বাধা। ফলে অনেক জেলা প্রশাসক বা মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হয়ে উঠেছেন অপ্রতিরোধ্য। তারা যেন কাউকেই মানছেন না। বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসকরা জনপ্রতিনিধিদেরকে পাত্তা দেন না এমন অভিযোগ রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দূরত্বের খবরও এখন নতুন কিছু নয়। 

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মাঠ প্রশাসনের আমলাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এখন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। না হলে এই সরকারের রাজনৈতিক চরিত্র থাকবে না বলে অনেকে মনে করেন। জেলা প্রশাসকের প্রধান দায়িত্ব হল প্রশাসনের মধ্যে একটা সমন্বয় সাধন করা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত করা। কিন্তু জেলা প্রশাসকরা এখন জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার বাইরে। জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিবদেরকে। ফলে জেলা প্রশাসকরা প্রতিনিধিদেরকে কেয়ার করেন না। যে সমস্ত স্থানে জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতাবান বা তাদের প্রভাবপত্তি বেশি সেখানে তারা জনপ্রতিনিধিদেরকে কিছু তোয়াক্কা করেন বটে কিন্তু অন্যান্য স্থানে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাবান। আর এবারের জেলা প্রশাসক সন্মেলনে মাঠ প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনার একটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প তৈরি করতে হবে, সুনির্দিষ্ট রূপকল্প নির্দেশনা দিতে হবে। না হলে মাঠ প্রশাসন পরিণত হবে দানবে।



জেলা প্রশাসক সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিসি সম্মেলন শুরু রোববার, মেলেনি তিন প্রশ্নের উত্তর

প্রকাশ: ১০:২৮ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে রোববার (৩ মার্চ)। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ের শাপলা হলে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এবারের সম্মেলনে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ৩৫৬টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে 'জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪' নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। এতে সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ডিসি সম্মেলনের বাজেট কত? এবারের সম্মেলন কততম? ডেপুটি কমিশনারের (ডিসি) বাংলা 'জেলা প্রশাসক' হলো কীভাবে?

জেলা প্রশাসক শব্দটি অনেক আগে থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে জানালেও এর উৎস সম্পর্কে বলতে পারেননি তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তার পাশে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে জানেন কি না জিজ্ঞেস করলে তারাও নেতিবাচকভাবে মাথা নাড়েন।

এ প্রশ্নের উত্তরে এক পর্যায়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটি যারা বাংলা করেছেন তাদের কাছে জেনে নিতে পারেন।

মাহবুব হোসেন বলেন, সম্মেলনের বাজেটের বিষয়ে এই মুহূর্তে জানাতে পারছি না। তবে সর্বনিম্ন খরচে আমরা সম্মেলন অনুষ্ঠান করি।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মেলনটি প্রায় প্রতি বছর করা হয়। কিন্তু এবার কততম সম্মেলন হচ্ছে সে বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরও জানাতে পারেননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


ডিসি সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদোন্নতি পেয়ে বিসিএসের মর্যাদা পেলেন ৩৭ পরিদর্শক

প্রকাশ: ১০:১২ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ পুলিশের ৩৭ জন পুলিশ পরিদর্শককে (ইন্সপেক্টর) পদোন্নতি দিয়ে বিসিএস-পুলিশ ক্যাডার সমমর্যাদায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) করা হয়েছে। শনিবার (২ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের এই পদোন্নতি দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অবিলম্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব বরাবর যোগদানপত্র দিয়ে নতুন পদে যোগদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, মো. আনোয়ার হোসেন মিয়া- হাইওয়ে গাজীপুর, জাফর উদ্দিন আহম্মদ- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মো. দেলওয়ার হোসেন- কুমিল্লা, খোন্দকার হোসেন আহম্মদ-খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, খুলনা, মো. নজরুল ইসলাম- রাজশাহী জেলা; মো. শাহজাহান আলী, স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-২। 

মো. বাবুল উদ্দীন সরদার- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরিশাল; এ কে এম কাউসার- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নোয়াখালী; মোহাম্মদ মিজানুর রহমান- বিশেষ শাখা, মো. ইসমাইল হোসেন- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পাবনা; মো. জিয়া লতিফুল ইসলাম- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নাটোর; জিল্লুর রহমান চৌধুরী- বিশেষ শাখা।

কাজী জাহেদুল হাফিজ- রাজশাহী মহানগরী পুলিশ, রাজশাহী; মো. মতিয়ার রহমান- বিশেষ শাখা, মো. আব্দুল বাছেদ- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, মো. মাহফুজুর রহমান- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, মো. কামরুল হক- বিশেষ শাখা, মো. এনামুল হক- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নোয়াখালী; মো. কাউয়ুম শেখ- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মকবুল আহাম্মেদ- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, হবিগঞ্জ। 

মো. জাকির হোসেন মোল্লা- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ অধিদপ্তর, মো: রফিকুল ইসলাম খান- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, ঢাকা; মো: নবীর হোসেন- সিলেট মহানগরী পুলিশ, মো. তাবরেজুর রহমান সরদার- রংপুর, মো. নুরুল ইসলাম সিদ্দিক- ১৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, উত্তরা; মো. হাবিবুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পটুয়াখালী; মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, একেএম মেহেদী হাসান- স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-২, মো. আনোয়ারুল হক ভূঁঞা- বিশেষ শাখা, ঢাকা; 

শেখ মোস্তাফিজুর রহমান- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. মনজুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ; মো. শাহ আলম- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, ঢাকা; আ ম ফারুক- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, ঢাকা; মো. আমিরুল ইসলাম- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মুহাম্মদ জাকের হোসাইন- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. সাইদুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কক্সবাজার। 

পদোন্নতি   পরিদর্শক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন