ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

প্রকাশ: ০৩:৩০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত।

চলমান বৈশ্বিক সংঘাত, আর্থিক-জ্বালানি-খাদ্যসংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে গুতেরেস এ কথা বলেন। 

গুতেরেস জানান, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে সারের কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, যা বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে আমদানির কথা বিবেচনা করতে পারে। এ বিষয়ে আব্দুল মোমেন ‘ব্ল্যাক সি গ্রেইন’ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে সার ও শস্য আমদানির মাধ্যমে খাদ্যসংকট মোকাবিলায় সহায়তা করে।

জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগানোর কথা বিবেচনা করবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়নের গতিধারার প্রশংসা করেন গুতেরেস। বাংলাদেশ আগামী বছরগুলোতে বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ সেনা ও পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক নেতৃত্বের প্রশংসা করেন গুতেরেস।

বৈঠকে সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ে গৃহীত প্রস্তাবের (রেজল্যুশন) পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা সংকটসহ তার সম্ভাব্য উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন গুতেরেস ও আব্দুল মোমেন। তাঁরা এই সংকট সমাধানে আসিয়ানের কার্যকর নেতৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মহাসচিব ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। জোর করে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাঁদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরাতে জাতিসংঘের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

গুতেরেসের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি সাবা কোরেসি, সংস্থার ডিপার্টমেন্ট অব পিসবিল্ডিং অ্যান্ড পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্সের (ডিপিপিএ) আন্ডারসেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লো ও পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁপিয়েরে ল্যাক্রুয়া সঙ্গে বৈঠক করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষভাবে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘ সভাপতির সঙ্গে ‘সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন’ বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্যোগে মন্ত্রিপর্যায়ের একটি নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।

উদ্যোগটির জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অসাধারণ নেতৃত্ব, কার্যকর সম্পৃক্ততা ও উল্লেখযোগ্য অবদানের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) চেয়ারম্যান থাকাকালে ২০২২ সালে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন ডিপিপিএর আন্ডারসেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লো।

জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি জেনারেল বৈঠকে ভবিষ্যতে সংস্থার শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে যৌথ উদ্যোগে শান্তিরক্ষী মোতায়েনে সম্প্রতি বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে স্বাগত জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন, তাঁর বিভাগ এমন উদ্যোগকে উৎসাহিত করবে, যাতে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে অন্যান্য দেশ উপকৃত হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে বাংলাদেশের অব্যাহত প্রতিশ্রুতিসহ প্রয়োজনে আরও শান্তিরক্ষী ও সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য ঢাকার প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকগুলোতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।


বাংলাদেশ   জাতিসংঘ   সমর্থন   পুনর্ব্যক্ত   পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল মঙ্গলবার তিন ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপন বা অপসারণকাজের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকার কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এলাকাগুলো হলো—মগবাজার, নয়াটোলা, মধুবাগ, তেজগাঁও, হাতিরঝিল, মীরেরবাগ, গাবতলা, গ্রিনওয়ে, পেয়ারাবাগ, ইস্কাটন (দিলু রোড-সংশ্লিষ্ট এলাকা)। এই এলাকাগুলোর সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্যই কাল তিন ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

একই সময় আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলেও জানিয়েছে তিতাস।

গ্যাস   তিতাস গ্যাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেরপুর শ্রীবরদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থী খুন

প্রকাশ: ০৪:৫৬ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

শেরপুরের শ্রীবরদীর দহের  পাড়ে সন্ত্রাসী হামলায় বিপ্লব (১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী খুন হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞেসাবাদের জন্য চার জনকে আটক করেছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারী) মধ্যরাতে ওয়াজ শুনে বাড়িতে ফেরার পথে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বিপ্লব পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার দড়িপাড়ার কাবিল মিয়ার ছেলে। সে শ্রীবরদীর দহের পাড়ের নানা হাজি আব্দুল মজিদের বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ আলী মেমোরিয়াল বিদ্যানিকেতনে লেখা পড়া করে আসছিলো। 

পুলিশ জানায়, রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারী) রাতে নিজ মামদামারি কান্দাপাড়া এবতেদায়ী মাদ্রাসায় ওয়াজ শুনতে আসে বিপ্লব। এখানেই পার্শ্ববর্তী চরশিমুলচুরার মোশাররফ হোসেন নুদার ছেলে ও স্থানীয় কিশোরগ্যাংয়ের নেতা আরিফ হোসেন গংরা বিপ্লবের সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি করে

পরে ওয়াজ শুনে নানার বাড়ি আসার পথে আরিফ ও তার সহযোগীরা বিপ্লবের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও দারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করে। আশঙ্কা জনক অবস্থায় প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়।

পরে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে সোমবার (26 ফেব্রুয়ারি) ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিপ্লবকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুলিশ সন্ত্রাসী আরিফ, মোখলেস, মনির ও ডিপটিকে আটক করেছে। 

স্বজনদের অভিযোগ,  চরশিমুলচুরায় একটি কিশোর গ্যাং গঠন করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। তারা এসব সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। 


এসএসসি   ‍খুন   কাইয়ুম সিদ্দিকী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০৪:৪৬ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আলোচিত সৎ খালা এবং দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় আইয়ুব আলী সাগর নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি') সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি আইয়ুব আলী সাগর এই মামলায় জেল হাজতে আছেন। আজ রায় ঘোষণার সময় তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। এরপর তাকে আবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।'

মামলা ও রায়ের সংক্ষিপ্ত নির্দেশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম রওশনারা খাতুন (৩০) তার দুই ছেলে জিহাদ হোসেন (১০) ও মাহিনকে (৩) নিয়ে বেলকুচি থানাধীন মরুপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী সুলতান আলী তার খোঁজ খবর নিতেন না। রওশনারা তাঁত ফ্যাক্টরিতে সুতারকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার সৎ ভাগিনা আসামি আইয়ুব আলী ঋণগ্রস্ত থাকায় ঘটনার দুইদিন আগে রওশনারার বাড়িতে এসে রওশনারার ট্রাংক ও জিনিসপত্র দেখে তার ধারণা করেন ট্রাংকের মধ্যে অনেক টাকা আছে।'

সাগর সেই টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখ রাতে রওশনারার বাড়িতে বেড়াতে আসে এবং রাতে খাওয়া দাওয়া করে রওশনারার ঘরে শুয়ে পড়ে। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর রাতে উঠে ট্রাংকের তালা খুলে ট্রাংক থেকে টাকা বের করার চেষ্টা করলে রওশনারার ঘুম ভেঙ্গে যায়।

তখন আইয়ুব আলী মসলা বাটার পাথরের শিল দিয়ে রওশনারার মাথায় আঘাত করলে রওশনারা অজ্ঞান হয়ে পড়লে সাগর তাকে গলা টিপে হত্যা করে।

এ সময় রওশনারার ৩ বছরের ছেলে মাহিন জেগে উঠে কান্নাকাটি শুরু করলে আসামি তাকেও গলা টিপে হত্যা করে। এরপর রওশনারার আরেক ছেলে জিহাদের ঘুম ভেঙ্গে গেলে আসামি তাকেও গলা টিপে হত্যা করে ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে চলে যান।'

ওই ঘটনার পর নিহত রওশনারার ভাই মো. নুরুজ্জামাল বাদি হয়ে অক্টোবরের ১ তারিখ বেলকুচি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি আইয়ুব আলী সাগর গ্রেফতারের পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জেলা ও দায়রা জজ আজ আসামির উপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন।'


ট্রিপল মার্ডার   মৃত্যুদণ্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে রাস্তার পাশে ঝোপ থেকে নবজাতক উদ্ধার

প্রকাশ: ০৪:২০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

পটুয়াখালী পৌর শহরের শের-ই বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সড়কের একটি বেসরকারি ক্লিনিকের রাস্তার অপর পাশের ঝোপ থেকে একটি ছেলে  নবজাতক শিশু উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।

রোববার (২৫ফেব্রুয়ারী) দুপুর ২টার পর ইয়ামিন নামের স্থানীয় এক যুবক শিশুটিকে দেখতে পায়। পরে স্থানীয় কাউন্সিলর ও এলাকাবাসী শিশুটিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের স্ক্যানু বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী নারগিস আক্তার বলেন,‌ ‘আমি হঠাৎ করে রাস্তার পাশে একটি শিশু পাওয়া গেছে শুনে দৌড়ে আসি। এসে দেখি রক্তমাখা একটি শিশুকে ঝোপের মধ্য থেকে স্থানীয়রা বের করছে। আমি কয়েকটি কাপড় নিয়ে সেখানে দৌড়ে গিয়ে বাচ্চাটিকে জড়িয়ে কোলে নেই’।

স্থানীয় যুবক মোঃ ইয়ামিন বলেন, ‘আমি আমার ঘরের ময়লা ফেলতে রাস্তার পাশে যাই। এ সময় একটি বাচ্চার কান্না শুনতে পেয়ে ও ঝোপের মধ্যে বাচ্চাটিকে নড়তে দেখে আশেপাশের সবাইকে ডাক দেই। এই সময় আমাদের কাউন্সিলর ও শাহীন চাচা এই দুইজন এসে আমাকে বাচ্চাটিকে বের করতে সাহায্য করে। পরে বাচ্চাটিকে নিয়ে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করি’।

পটুয়াখালী পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ শাহীন ফরাজি জানান, তার এলাকার ইয়ামিন নামের একটি ছেলে রাস্তার পাশের ঝোপের মধ্যে একটি  শিশু পরে আছে এমন কথা বললে সে বাচ্চাটির কাছে যায়। এমন সময় স্থানীয় কাউন্সিলর আলাউদ্দীন আলাল সেই স্থানে চলে আসে। তখন সবাই মিলে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলাউদ্দীন আলাল বলেন, আমি নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে শের-ই বাংলা সড়কের হিমি পলি ক্লিনিকের কাছে পৌঁছালে একটু নবজাতক শিশু রাস্তার পাশে পড়ে আছে জানতে পারি। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা দেয়ার সময় পুলিশ চলে আসে। তারাও আমাকে শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। আমি স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করি। শিশুটি এখন ভালো আছে।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ক্যানু বিভাগের সিনিয়র স্টাফ নার্স শামিমা নাসরিন জানান, একটি ছেলে নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে আসে কয়েকজন । শিশুটির অক্সিজেন লেভেল চেক থেকে শুরু করে তার স্বাস্থ্য পরিক্ষা সম্পন্ন করেন। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জসিম জানান, নবজাতকটি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং সুস্থ আছে। এছাড়া পরবর্তীতে সমাজসেবা অফিস এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।


নবজাতক উদ্ধার   মোঃ জসিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:১৪ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: সামন্ত লাল সেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে স্বাস্থ্যখাতে জিরো টলারেন্স নীতি করে দিয়েছেন। যদি কোনো ভুল চিকিৎসা বা চিকিৎসায় গাফলতি হয়, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সব চিকিৎসক খারাপ নয়, ভালো চিকিৎসকও আছে। চিকিৎসকরা কেন গ্রামে থাকতে চায় না, এবিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। গ্রামে চিকিৎসকদের সিকিউরিটি কতটুকু আছে, গ্রামে চিকিৎসকদের সিকিউরিটি দিতে পারলে তারা অবশ্যই থাকবে। সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে, চিকিৎসা সেবা যেন সারা বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিতে পারি। আমি যদি প্রতিটি হেলথ কমপ্লেক্স বা জেলার হাসপাতালগুলোকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে গ্রামগঞ্জের কোনো রোগী চিকিৎসা নিতে ঢাকা শহরে ভিড় করবে না।

প্রতিটি হেলথ কমপ্লেক্স বা জেলা হাসপাতালগুলোকে সাবলম্বী করে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে চিকিৎসা সেবা যেন সারা বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিতে পারি। লক্ষ্য একটাই, আমি যদি প্রতিটি হেলথ কমপ্লেক্স বা জেলা হাসপাতালগুলোকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারি তাহলে গ্রামগঞ্জের কোনো রোগী চিকিৎসা নিতে ঢাকা শহরে ভিড় করবে না।

প্রধানমন্ত্রী   স্বাস্থ্যখাত   জিরো টলারেন্স নীতি   স্বাস্থ্যমন্ত্রী   ডা: সামন্ত লাল সেন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন