ইনসাইড বাংলাদেশ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম তানজিম মুনতাকা সর্বা

প্রকাশ: ০৪:১৮ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৩৬৯ জন। এতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তানজিম মুনতাকা সর্বা। তিনি পেয়েছেন ৯২.৫ নম্বর।

আজ রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

তানজিম মুনতাকা সর্বা রাজধানীর হলিক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

এবার মেডিকেলের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন এক লাখ দুই হাজার ৩৬৯ জন। পাস করেছেন ৪৯  হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভর্তি পরীক্ষায় ছেলেদের পাসের হার ৪০.৯৮% (২০ হাজার ৪৫৭) এবং মেয়েদের পাসের হার ৫৯.০২% (২৯ হাজার ৪৬৬)।


ভর্তি পরীক্ষা   মেডিকেল   এমবিবিএস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলন দমিয়ে রাখতে বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখা হয়: জয়

প্রকাশ: ১০:২০ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ভাষা আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারান্তরীণ রেখেছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। যেখানে এসব কথা বলেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ফেসবুক পোস্টে জয় লিখেন, ‘পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসন ও শোষণের শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি জাতিসত্তা বিনির্মাণের প্রথম সোপান। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হতে না হতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের মুখের ভাষা বাংলা কেড়ে নিতে চায়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘোষণার বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলার ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হয়ে ওঠে। বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পূর্ববাংলার ছাত্র-জনতা।’

‘১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট ও হরতালের আহ্বান করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই হরতাল কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। যার ফলে তার ওপর পুলিশি নির্যাতন চালানো হয় এবং ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তারের পর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ গঠন করা হয়। সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৯ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার ফলে বঙ্গবন্ধুসহ ২৪ জন নেতাকে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়।’

‘১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু আটক থাকা অবস্থায় গোপনে বৈঠক করে ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন ও সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠনের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি ১৯৫২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জেল হাসপাতালে থেকে নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ২১ফেব্রুয়ারি হরতাল ডেকে গণপরিষদ ঘেরাও করার পরামর্শ দেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত সংঘবদ্ধ ছাত্র-জনতাকে কোনোভাবেই দাবিয়ে রাখা যায়নি। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বাংলার আকাশ-বাতাস। ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয় রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা অগণিত শহীদের রক্তে। ভাষা আন্দোলনের গতিবেগ দমিয়ে রাখতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে কারান্তরীণ রাখে। তবে জেলে অবস্থানকালেই বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রতিষ্ঠা ও রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক সপ্তাহের অনশন করেছিলেন। মায়ের ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল বীর বাঙালি জাতির লড়াই-সংগ্রাম আর বীরত্বের গৌরবগাঁথা অধ্যায়। শহীদের রক্তে রঞ্জিত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির আত্মপ্রতিষ্ঠা, আত্মবিকাশ ও আত্ম-বিশ্লেষণের দিন।’

শেষে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি?’ লিখেই ভাষাশহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান সজীব ওয়াজেদ জয়।

ভাষা আন্দোলন   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জয়পুরহাটে ট্রাক্টরের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯:৫১ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

জয়পুরহাটের সদর উপজেলায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় তামিম হোসেন (৪) নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চকশ্যাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শিশু তামিম হোসেন জেলার দোগাছী ইউনিয়নেন চকশ্যাম গ্রামের জনি হোসেনের ছেলে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার দোগাছী ইউনিয়নের চকশ্যাম গ্রামের রাস্তার পাশে বাড়ী শিশু তামিম হোসেনের। আজ বিকেলে রাস্তা পার হওয়ার সময় তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেন একটি দ্রুতগামী ট্রাক্টর। সেসময় গুরুতর আহত হয় শিশু তামিম। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা জেলারেল হাসপাতাল জয়পুরহাটে নিয়ে গেলে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তবরত চিকিৎসক।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মুঠোফোনে জানান, জেলার দোগাছী ইউনিয়নেন চকশ্যাম গ্রামের রাস্তায় ট্রাক্টরের ধাক্কায় তামিম হোসেন নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শিশু মৃত্যু   সড়ক দুর্ঘটনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

টেকনোক্রেট মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কারা?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিসভার সদস্য হতে হলে সংসদ সদস্য থাকতে হয়। তবে তার ব্যতিক্রম রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার মোট সদস্যের এক দশমাংশ অনির্বাচিত বা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকতে পারবেন। বর্তমানে নতুন যে মন্ত্রিসভা আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে এই মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৭ জন। ৩৭ জনের মন্ত্রিসভায় তিনজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগ নতুন মন্ত্রিসভায় এখন পর্যন্ত দুইজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছে। এদের মধ্যে একজন হলেন টানা তিনবারের মন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। আর অন্যদিকে এবার মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বড় চমক ডা. সামন্ত লাল সেন। এখনও টেকনোক্র্যাট কোটায় একটি মন্ত্রীর পদ খালি আছে। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, সংসদে মহিলা আসনগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর তারা মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করবে। 

বিভিন্ন সরকারি সূত্রগুলো বলছে, আরও ১০ থেকে ১২ জন নতুন মন্ত্রী মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। বিশেষ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একজন পূর্ণমন্ত্রী, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে একজন মন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একজন মন্ত্রী। এছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। 

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে নতুন কোন প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়নি। সেখানে একজন প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার বিষয়টি বিবেচিত হচ্ছে। এই মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে কারা যুক্ত হবেন তা নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে নানা রকম আলাপ আলোচনা চলছে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারাই স্বীকার করছেন যে, একমাত্র আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এ বিষয়ে কেউ কিছু জানেন না। তবে মন্ত্রিসভার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে জল্পনা কল্পনা, আলাপ আলোচনা থেমে নেই। এই আলাপ আলোচনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে কারা মন্ত্রী হতে পারেন, সেই বিষয়টি। মন্ত্রিসভায় আরও বেশি রাজনৈতিক মুখ আনার পক্ষে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ কথা বলছেন, তাদের মতামত দিচ্ছেন। বিশেষ করে রাজপথে যারা সক্রিয় ছিলেন, নেতাকর্মীদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এমন ব্যক্তিদেরকে মন্ত্রিসভায় সম্পৃক্ত করা উচিত বলে অনেকে মনে করেন। 

সরকার সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রিসভায় বেশ কিছু টেকনোক্রেট মন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন। এখন মন্ত্রিসভা যদি বড় হয় এবং সেটি যদি ৪০ এর ওপরে যায় তাহলে আরও দুজন টেকনোক্রেট মন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন বিষয়। মন্ত্রিসভায় কারা নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন এ নিয়ে বিভিন্ন আলাপ আলোচনা চলছে। এদের মধ্যে দুইজন আমলার টেকনোক্রেট মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। 

কবির বিন আনোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। পিএলআরে থাকার কারণে এবং নির্বাচনী আইনে তিন বছরের বিধিনিষেধের কারণে তিনি নির্বাচন করতে পারেননি। আবার নির্বাচনের পরপরই তার পিএলআর শেষ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি আওয়ামী লীগে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেছেন। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে নির্বাচন পরিচালনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদিও সরকারি চাকরির বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি উপদেষ্টা হতে পারেন এমন গুঞ্জন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ড. কামাল নাসের চৌধুরী উপদেষ্টা হন। এখন কবির বিন আনোয়ার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন এমন গুঞ্জন রয়েছে। টেকনোক্রেট কোটায় থাকে মন্ত্রিসভায় আনার কথা শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন হয়তো তিনি মন্ত্রিসভায় থাকবেন না। তবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তাকে দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

অন্যদিকে নির্বাচনের পরপরই বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করে আলোচনায় আছেন ড. আহমদ কায়কাউস। আহমদ কায়কাউস আসতে পারেন মন্ত্রিসভায় এমন গুঞ্জন সব মহলেই রয়েছে। যদিও আহমদ কায়কাউস তার ঘনিষ্ঠদেরকে বলেছেন যে, সহসাই সরকারের যোগদানে তার সম্ভাবনা খুবই কম। ড. কায়কাউস ছাড়াও গত মন্ত্রিসভায় যারা টেকনোক্রেট কোটায় বাদ পড়েছেন সেই দুইজনও চেষ্টা করছেন মন্ত্রিসভায় ফিরে আসার জন্য। তবে তাদের সম্ভাবনা খুবই কম।

সরকারের বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী টেকনোক্রেট কোটায় দেওয়া হতে পারে। তবে এই দুইজন মন্ত্রী কারা হবেন বা প্রধানমন্ত্রী কাদেরকে পছন্দ করবেন সেটি একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিষয় বলেও তারা মনে করছেন।

টেকনোক্রেট মন্ত্রী   মন্ত্রিসভা   ড. আহমদ কায়কাউস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ল্যাবএইডে যুবকের মৃত্যু: ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৯:১২ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর ধানমন্ডি ল্যাবএইড হাসপাতালে এন্ডোস্কোপি করাতে এসে রাহিব রেজা (৩১) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। 

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করাতে এসে একজনের মৃত্যুর ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। এরপর গতকালই (২০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পরিদর্শনের জন্য একটি টিম পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিম আগামীকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) পরিদর্শনের রিপোর্ট জমা দেবে। রিপোর্ট দেখেই আমরা সে বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ দিকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়াস্ত জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় খাতনা করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আহনাফ তাহমিন আয়হাম নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে খবর পেয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মঈনুল আহসানকে ঘটনাস্থলে পাঠান এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। পরিচালক (হাসপাতাল) দ্রুততম সময়ে মালিবাগস্ত জেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে উপস্থিত হয়ে হাসপাতালটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এক বিশেষ বিবৃতিতে বলেন, এই ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। কিছুদিন আগেও এমন একটি ঘটনা আমরা লক্ষ্য করেছি। সে ঘটনায় আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিয়েছি। তবে সেই ঘটনার পরও যারা সতর্ক হতে পারেনি, আর কারও কোনোরকম দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। দোষী প্রমাণিত হলে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির বিরুদ্ধে শুধু কঠোর ব্যবস্থাই নেয়া হবে না, ঘটনার দায়িত্বে অবহেলাকারী দোষীদেরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। যাতে পরবর্তিতে আর কোনো প্রতিষ্ঠান এরকম গুরু দায়িত্বে অবহেলা করতে সাহস না পায়। চিকিৎসায় অবহেলা পাওয়া গেলে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আয়হামে বাবার মামলার প্রেক্ষিতে সেখান থেকে একজন পরিচালক ও একজন এনেস্থেসিওলজিস্টকে পুলিশ ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করবেন ডা. সামন্ত লাল সেন।  

ল্যাবএইড   ডা. সামন্ত লাল সেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহমান বলেছেন, মহাপরমেশ্বর আমাদের প্রতিপালক। আর প্রতিপালকের সন্তুষ্টির জন্য আমরা যার যার ধর্ম বিশ্বাস থেকে তাকে স্মরণ করি। সব ধর্মের সেরা ধর্ম হলো মানুষধর্ম। এজন্য সবার উচিত প্রভুদয়াময়ের শ্রেষ্ঠ যে জীব সেই জীবের প্রতি সাহায্যের হাত প্রসারিত করা। মহাপ্রভু সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের এই দেশকে সব ধর্মের লোকেদের জন্য শান্তির জনপদ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের 'কয়রা কালিবাড়ী মন্দির' প্রাঙ্গনে ২৪ প্রহর ব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম ও নাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি।

আব্দুর রহমান বলেন, মন্দিরে যখন উলুধ্বনি হয় তখন হিন্দু ভাইয়েরা মন্দিরে ছুটে যান। আবার যখন মসজিদ থেকে প্রাণের আলো ছড়ানো সুরধ্বনি আযানের ধ্বনি শোনা যায় তখন আমরা ছুটে যাই মসজিদে। আর এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্য।'

এ সময় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্দির কমিটির সভাপতি সুবাস সাহার সভাপতিত্বে এবং মিন্টু দাসের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস, বোয়ালমারী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন, বোয়ালমারী পৌরসভার মেয়র সেলিম রেজা লিপন,উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মিরদাহ পিকুল, ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রাসেল রেজা,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটু, সাতৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২২ ফেব্রুয়ারি সূর্যোদয় হতে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দের অষ্টকালীন লীলা কীর্তন এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী মহাপ্রভুর ভোগরাগ, আরতি কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। ২৪ ফেব্রুয়ারি গঙ্গা স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হবে। গঙ্গাস্নানে দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার পুর্নার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি শ্রী মদ্ভাগবত পাঠের মধ্য দিয়ে মহানাম যজ্ঞের শুরু হয়। 

এ ব্যাপারে কয়রা কালিবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন, 'কুমার নদের তীরে কয়রা কালিবাড়ি মন্দিরের সুরম্য প্রাঙ্গণে নিখিল বিশ্ব পরিত্রাণে ২৫ তম বার্ষিকী ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম নাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন চলছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি গঙ্গাস্নান মেলা। দেশ বিদেশের কয়েক হাজার পুণ্যার্থী গঙ্গাস্নানে অংশ নেবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   আব্দুর রহমান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন