ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে সংসদ সদস্য পিংকু পেলেন নাগরিক সংবর্ধনা


Thumbnail

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকুকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়। এর আগে ফিতা কেটে প্রেসক্লাব ভবনের উদ্বোধন করেন, সংসদ সদস্য মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু। 

চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু।

চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সুশীল সমাজ, বাজার কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংসদ সদস্য পিংকুকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবদুর নুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  সোহেল মাহমুদ মিলন, কোষাধ্যক্ষ মো: আলা উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন দিপু, দপ্তর সম্পাদক  মো: ইমরান হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য অহিদ মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক মনির হোসেন, সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল মঞ্জু, দৈনিক সংবাদ সারাবেলা জেলা প্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান মনজু, ও দৈনিক শেয়ার বিজ ও এশিয়ান টিভি জেলা প্রতিনিধি জুনায়েদ আহম্মেদ, সময় টিভি’র ক্যামেরাপার্সন কনক ক্বারী, সাংবাদিক হাসান ও সাংবাদিক তানভীর আহাম্মেদ রিমন উপস্থিত ছিলেন। 

এদিকে প্রধান অতিথি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু আয়োজক ও নাগরিকদের দীর্ঘদিনের নানা সমস্যার কথা শুনেন ও সমাধানের আশ্বাস দেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ব্যাপারে এত উদার কেন যুক্তরাষ্ট্র?

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

হঠাৎ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউটার্ন নিয়েছে। আজ দু দিনের সফরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার। আফরিন আক্তারের এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে কোন তোলপাড় নেই, উত্তেজনা নেই। বিএনপি অন্যান্য সময় এ ধরনের উচ্চপদস্থ মার্কিন কূটনীতিকদের সফরে যেমন উচ্ছ্বসিত থাকত, এবার তাদেরকে তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সফর নিয়ে সরকারের মহলেই নানা রকম ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের পর থেকেই সরকারের সঙ্গে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করতে চাইছে। সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার বার্তা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে। আর এই ঘনিষ্ঠতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ এতই তীব্র যে, তারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলোকেও এড়িয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র বক্তৃতা, বিবৃতির মাধ্যমে তারা ড. ইউনূসের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে। ইউনুসের ব্যাপারে অন্য পদক্ষেপ গ্রহণেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনাগ্রহ। নির্বাচন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দিকে কিছু কথাবার্তা বললেও এখন নির্বাচন বিষয়টিকে এড়িয়ে যাচ্ছে। বরং বাংলাদেশের ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন এবং অন্যান্য ইস্যুগুলোকে পাশ কাটিয়ে সম্পর্কের উন্নয়নের বার্তাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রধান। 

কেন এটি হচ্ছে? বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এখন বিপরীত অবস্থানে প্রধান কারণ কি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, নতুন সরকার যেহেতু দায়িত্ব গ্রহণ করে ফেলেছে এবং নতুন সরকারের পিছনে ভারতের প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে,পাশাপাশি এমন কোনো বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি নেই, যারা জনপ্রিয়তার মাধ্যমে বা বিপুল জনসমর্থনে সরকারকে হটাতে পারে। কাজেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে যে, বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাটাই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে।অন্যদিকে সরকারও নির্বাচনের পর মনে করছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈরিতা না রেখে ব্যবসা বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়াটাই হবে সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদারতার পিছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে, এই কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে;

১. বাণিজ্যিক স্বার্থ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশে কতগুলো সুনির্দিষ্ট বাণিজ্যিক এজেন্ডা রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে বোয়িং বিমান বিক্রি করা, গভীর সমুদ্র বন্দরে তেল-গ্যাসের অনুমতি আদায় এবং বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক গুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। আর এ কারণেই তারা দেখছে যে সরকার হটানোর পরিকল্পনার চেয়ে সরকারের সাথে সম্পর্ক রাখাটাই উত্তম। আর তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য রকম মনোভাব নিয়েছে। 

২. ভারতের ভূমিকা: যেহেতু ভারত বর্তমান সরকারকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছে, আর এই কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, এই অঞ্চলে ভারতের বাইরে গিয়ে কোন কিছু করা সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদে কোন ইতিবাচক সুফল দেবে না। আর তাই তারা ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে বাংলাদেশের ব্যাপারে কোন নীতি বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চাইছে না।

৩. পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা: পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময় যে অভিজ্ঞতা হয়েছে সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় আঘাত। তারা দেখেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি কৌশল এই উপমহাদেশে আস্তে আস্তে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সেজন্য পাকিস্তানে তারা যে ঘটনা ঘটিয়েছে একই রকম পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি হোক তা তারা চায় না। কারণ এতে উপমহাদেশের পুরো নিয়ন্ত্রণ হারাবে মার্কি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের সঙ্গে তাদের একটা সম্পর্ক থাকুক এবং এই সম্পর্কের মাধ্যমে তারা তাদের বাণিজ্যিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থগুলোকে এগিয়ে নিক।

বাংলাদেশ   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র   আফরিন আক্তার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জ এসএসসি-৯৪ ব্যাচের বন্ধু সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৩:৪২ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

"চলো ফিরে যাই দুরন্ত কৈশোরে" এই শ্লোগানকে ধারণ করে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে এসএসসি- ৯৪ ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে বন্ধু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারী') সকালে উপজেলার সোহাগপুর এসকে পাইলট মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর পর ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়। অনুষ্ঠানে বেলকুচি উপজেলার এসএসসি-৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আমন্ত্রিত ছিল।  

জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সৃজনশীল নানান আয়োজন শেষে মধ্যাহ্ন বিরতি দেওয়া হয়। বিরতি শেষে বিভিন্ন খেলাধুলা, নাচ-গানের মাধ্যমে বন্ধুরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠে। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনে আনে ভিন্ন মাত্রা। সব শেষে ছিল র‌্যাফেল ড্র। 

আয়োজকরা জানান দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকায় অনুষ্ঠানে এসে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। খোঁজখবর নেন পুরনো বন্ধু এবং তাদের পরিবার-পরিজনের। অনেকেই এ সময় স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন। অনেকে বহুদিন পর প্রিয় বন্ধুকে পুনরায় কাছে পেয়ে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এভাবে অনুষ্ঠানস্থল এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্যাইবুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার বলেন, ‘বন্ধুত্বের টানে, বন্ধুর পানে আমরা ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ ৩০ বছর পর একত্রিত হয়েছি। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।


আয়োজকদের অন্যতম ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক উম্মে সালমা বলেন, ‘আমাদের এই বন্ধু সম্মেলন আনন্দ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। যারা আজ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন সবাইকে শুভেচ্ছা। এক সময় আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করলেও, জীবিকার তাগিদে অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। কেউ ঢাকা, কেউ চট্টগ্রাম- জীবনের এমনই নিয়ম। এখন হয়তো কালেভদ্রে সেসব বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়। ফলে আমরা চেয়েছিলাম এবারের ঈদের ছুটিতে সবাই একত্রিত হতে। সবাইকে পেয়ে অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা হলো।

বন্ধু সম্মেলনের অন্যতম উদ্যোক্তা টাইগার আইটি বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাশিদুল ইসলাম সিদ্দিকী রবিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহারিয়ার প্রিন্স ও কামাল অমিতভ বলেন ‘কৈশোরের বন্ধুত্ব কখনও হারায় না। কর্মব্যস্ততায় আমরা হয়তো ছেলেবেলার কথা ভুলে থাকি, কিন্তু ছেলেবেলা কখনও মুছে ফেলা যায় না। এ কারণে জীবন চলার পথে যতো মানুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব হোক না কেন, ছেলেবেলার বন্ধুত্বের মতো তারা কখনও স্মৃতিযোগ্য নয়।

জীবনে একজন হলেও প্রকৃত বন্ধুর প্রয়োজন। আর স্কুল লাইফের ফ্রেন্ডই হতে পারে সেই প্রকৃত বন্ধু। এ কারণেই আমরা সবাই মিলে চেয়েছিলাম এমন একটা আয়োজন করতে যেখানে সবাই একসঙ্গে বহুদিন পর একত্রিত হতে পারবো। এমন সফল একটি আয়োজন আমার ছেলেবেলা, আমার স্কুলজীবনকে ফিরিয়ে দিয়েছে। আমরা আরো বড় পরিসরে বন্ধুদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতে চাই। আজকে সেই স্বপ্নের পথে আমাদের চলা শুরু হলো।’ 

আয়োজকরা জানান, আমরা বেলকুচির ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে সামাজিক কার্যক্রমেও অংশ নেবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া বন্ধুদের সহায়তা, অসচ্ছল বন্ধুদের মেধাবী সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়া, বন্ধুদের যে কোনো বিপদে পাশে থাকাসহ দেশের যে কোনো দুর্যোগে মানবিক কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবে।'


এসএসসি-৯৪ ব্যাচ   বন্ধু সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কৃষক ও ভোক্তার দূরত্ব কমাতে সাকিবের ফসল ডটকম

প্রকাশ: ০৩:৩৮ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মাত্র দুজন কর্মী নিয়ে শুরু করেছিলেন যাত্রা, এখন সেখানে কাজ করেন তিন শতাধিক কর্মী। প্রথম দিন অর্ডার আসে মাত্র বিশ কেজির, কিন্তু বর্তমানে দৈনিক বেচাকেনা প্রায় ৮০ হাজার কেজি। বলছিলাম, কৃষিপণ্য বিক্রির ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফসল ডটকমের কথা।

এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা সাকিব হোসাইন। পরে মো. মামুনুর রশীদকে অংশীদার বানিয়ে নেন। প্রথম তিন মাস সাকিব ও মামুনুর নিজেরাই কৃষিপণ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে মোড়কজাত ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু হয় এই প্রতিষ্ঠানের। বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি কৃষকের উৎপাদিত সবজি কিনে নিজস্ব পরিবহনে ঢাকার সব কাঁচাবাজারে সরবরাহ করছে সাকিবের হোসাইনের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি (স্টার্টআপ)।

উদ্যোক্তা হিসেবে সাকিবের যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে। তখন তিনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন, বয়স মাত্র ১২ বছর। এক বন্ধুর বড় ভাই ছিলেন মেরিন প্রকৌশলী। চীন থেকে তিনি সাকিবকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য এনে দিতেন। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে সেগুলো বিক্রি করা হতো। এ কাজের পাশাপাশি তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শেখেন। সফটওয়্যার ও অ্যাপ তৈরি করতে তাঁর ভালো লাগত। ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি অনলাইনে ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রি করতেন।

২০১৫ সালে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় সাকিব প্রিন্ট ভ্যালি নামে আরেকটি উদ্যোগ শুরু করেন। এই উদ্যোগের কাজ ছিল ছাপাখানা ও গ্রাহকদের একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। যে বিশেষ সফটওয়্যারে এটি চালানো হতো, সেটিও তাঁর বানানো। ২০১৭ পর্যন্ত চলে প্রিন্ট ভ্যালি। মাসে তখন বিক্রি হতো তিন–চার লাখ টাকার পণ্য।

২০১৭ সালের শেষ দিকে সাকিব আলাদিন কিডস নামের একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। ওখানে তিনি বিপণন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিষ্ঠানটি পরবর্তী সময়ে শিশুদের জন্য অনলাইনে একটি বড় বাজার হিসেবে গড়ে ওঠে।

ফসল ডটকমের প্রধান কার্যালয় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ১৪টি জেলায় রয়েছেন পণ্য সংগ্রহ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলো থেকে কৃষকদের কাছ থেকে নগদ অর্থে পণ্য কেনা হয়।

করোনা মহামারির সময়ে সাকিবের ভাবনায় কৃষকদের নিয়ে কাজের আগ্রহ জাগে। গ্রাম ও শহরে কৃষিপণ্যের দামে বিস্তর পার্থক্য দেখে সিদ্ধান্ত নেন এটা নিয়ে কাজ করবেন। সাকিব দেখলেন পাঁচ টাকা পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ঢাকার কারওয়ান বাজার এবং কাপ্তান বাজারে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘুরতেন তিনি।

ঢাকার পাইকারি বাজার দেখার পর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর–অক্টোবর মাস পর্যন্ত চষে বেড়ান বাংলাদেশের ৩৮টি জেলা। সরাসরি কথা বলেন নানা পর্যায়ের সাত শতাধিক কৃষকের সঙ্গে। বোঝার চেষ্টা করেন কৃষিপণ্যের সরবরাহপ্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে। সাকিব খেয়াল করেন, কৃষকেরা তাঁদের পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। অন্যদিকে বাজারে ক্রেতা চড়া দামে পণ্য কিনছেন। সাকিব ভাবলেন, তিনি যদি ন্যায্যমূল্যে কৃষকের সব পণ্য কিনে ফেলতে পারেন, তাহলে তাঁদের অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব। সেই চিন্তা থেকেই ফসল ডটকমের জন্ম।

২০২০ সালের শেষ দিকে ফসল ডটকমের কার্যক্রম শুরু করেন সাকিব। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি কৃষকের উৎপাদিত সবজি কিনে নিজস্ব পরিবহনে ঢাকার সব কাঁচাবাজারে সরবরাহ করছে সাকিবের হোসাইনের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি (স্টার্টআপ)।

এ বিষয়ে ফসল ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ২৪ বছর বয়সী সাকিব বলেন, ‘পৃথিবীর যত বড় বড় স্টার্টআপ কোম্পানি রয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই কোনো একটা সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদেরও একটা সমস্যা থেকে “ফসল”–এর ধারণা মাথায় আসে। সমস্যাটা হলো কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া। এর সমাধানে প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে সরে এসে উদ্ভাবনী কিছু করার চেষ্টা করেছি।

সাকিব হোসাইন বলেন, প্রথম দিন মাত্র ৫ কেজি বেগুন আর ১৫ কেজি পটল—মোট ২০ কেজি সবজির চাহিদা (অর্ডার) এসেছিল। কিন্তু তিন বছরের ব্যবধানে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে বিক্রি হয় প্রায় ৮০ হাজার কেজি (৮০ টনের বেশি) সবজি।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও শুরুতে আমাদের মাত্র দুজন কর্মী ছিলেন, এখন সেখানে প্রতিদিন তিন শতাধিক কর্মী কাজ করেন। ফসল ডটকমে যে কৃষকেরা পণ্য সরবরাহ করেছেন, তাঁরা প্রচলিত বিপণনব্যবস্থার চেয়ে বেশি আয় করেছেন। পাঁচ হাজারের বেশি খুচরা দোকানদার যুক্ত হয়েছেন আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটিতে।

ঢাকার বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ফসল ডটকমের বিক্রয়কর্মীরা প্রতিদিন পণ্যের চাহিদা গ্রহণ করেন। সে অনুযায়ী ভোর পাঁচটার মধ্যে নিজস্ব পরিবহনে পণ্য পৌঁছে যায় খুচরা বিক্রেতার কাছে। শুধু ঢাকায় নয়, ফসল ডটকম দেশের ৩৫টি জেলায় পণ্য সরবরাহ করে থাকে।

ফসল ডটকমের প্রধান কার্যালয় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে। ১৪টি জেলায় রয়েছেন পণ্য সংগ্রহ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলো থেকে কৃষকদের কাছ থেকে নগদ অর্থে পণ্য কেনা হয়। শাকসবজি মোড়কজাত করার জন্য ঢাকার মহাখালীতে আছে ফসলের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র। এমন কেন্দ্র ঢাকার বাইরে আছে আরও আটটি। রাজধানীর অধিকাংশ কাঁচাবাজারে ফসল ডটকম পণ্য সরবরাহ করে। এ ছাড়া বড় বড় সুপারশপ, যেমন ডেইলি শপিং, মীনাবাজার এবং ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডা, চালডাল, দারাজ ছাড়াও প্রায় ২০০ রেস্তোরাঁয় কৃষকের পণ্য সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে ফসল।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সাকিব বলেন, ‘পরিকল্পনা একটিই। কৃষক এবং ভোক্তা—দুই পক্ষের সঠিক মূল্যায়ন। আমরা একটি লক্ষ্যে এগোচ্ছি। প্রতিবছরের জন্যই আমাদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশে এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করতে, যেটি ব্যবহার করে আমরা প্রত্যেকেই উপকৃত হব।


কৃষক   ভোক্তা   সাকিব   ফসল ডটকম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি জসীমউদ্দীন সম্পাদক বিপ্লব

প্রকাশ: ০২:১৩ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন সভাপতি ও রহমত উল্লাহ বিপ্লব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে দিবাগত রাত ২টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবীর ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিজয়ী সভাপতি জসিম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

নির্বাচিত অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি এ কে এম তৌহিদুর রহমান, মো. আবুল খায়ের, সহ-সম্পাদক ইমরান হোসেন মাছুম, মোহাম্মদ নুর হোসেন মিন্টু, পাঠাগার সম্পাদক নুর উদ্দিন সুজন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাস, অডিটর তারেক আল আমিন রিশাদ, সদস্য জামাল উদ্দিন, আবদুল আহাদ শাকিল পাটোয়ারী, আশিকুর রহমান, ইয়াহইয়া সোহাগ, আরিফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসাইন সুজন।লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জসীমউদ্দীন সম্পাদক বিপ্লব

লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন সভাপতি ও রহমত উল্লাহ বিপ্লব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে দিবাগত রাত ২টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবীর ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিজয়ী সভাপতি জসিম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

নির্বাচিত অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি এ কে এম তৌহিদুর রহমান, মো. আবুল খায়ের, সহ-সম্পাদক ইমরান হোসেন মাছুম, মোহাম্মদ নুর হোসেন মিন্টু, পাঠাগার সম্পাদক নুর উদ্দিন সুজন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাস, অডিটর তারেক আল আমিন রিশাদ, সদস্য জামাল উদ্দিন, আবদুল আহাদ শাকিল পাটোয়ারী, আশিকুর রহমান, ইয়াহইয়া সোহাগ, আরিফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসাইন সুজন।


আইনজীবী সমিতি   নির্বাচনে  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিশ্বসেরা স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই হাল করেছিলেন স্বাস্থ্যের?

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিদায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক নিজেকে বিশ্বসেরা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলে দাবি করেছিলেন। করোনা মোকাবিলায় শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করেছিলেন। রাষ্ট্রের সম্পদ উজাড় করে তাকে পাঁচ তারকা হোটেলে দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। অথচ করোনা মোকাবিলায় শুরুতে তার সীমাহীন ব্যর্থতার কথা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল, সমালোচিত হয়েছিল। করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিবকে। কিন্তু বহাল ছিলেন জাহিদ মালেক। 

যখন প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় চেষ্টায় উদ্যোগে এবং দক্ষ নেতৃত্বে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয় তখন আড়াল থেকে বেরিয়ে আসেন তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। নিজেকে দাবি করেন, করোনা মোকাবিলায় অনন্য যোদ্ধা হিসেবে, নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১০ বছর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। প্রথম পাঁচ বছর ছিলেন প্রতিমন্ত্রী, দ্বিতীয় পাঁচ বছর পূর্ণ মন্ত্রী। তার কোন প্রতিমন্ত্রী ছিল না, একাই চালিয়েছেন। তার সময়ে সাহেদ কেলেঙ্কারি হয়েছে, সাবরিনা কেলেঙ্কারি হয়েছে, মিঠু কেলেঙ্কারির ঘটনা নতুন করে শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, অরাজকতা যে কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে তার এক ঝলক দেখা যাচ্ছে এখন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ডা. সামন্ত লাল সেন, যিনি একজন সৎ নীতিবান মানুষ হিসেবে পরিচিত। তিনি আসার পরই জাহিদ মালেকের থলের বিড়াল যেন বেরিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, অন্যায় এবং দুর্নীতির বিভৎস চিত্র জনসমক্ষে প্রকাশ হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অত্যাচারে জনজীবন অতিষ্ট। এতদিন যাকে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল সেই ভয়ঙ্কর ক্ষতগুলো জনসমক্ষে বেরিয়ে আসছে একের পর এক। সামান্য সুন্নতে খতনা করতে শিশুর মৃত্যুর খবরে সারা দেশ আতঙ্কিত স্তম্ভিত। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এগুলোকে নজরে আনার কেউ ছিল না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং তার একান্ত অনুগতগণ এই সমস্ত অবৈধ ক্লিনিক থেকে বাড়তি কিছু পেয়েছেন কিনা তা নিশ্চয়ই তদন্ত করার ব্যাপার। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নাকের ডগায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এত সাফল্যের মধ্যে এত
অনিয়ম, বিশৃঙ্খলতা কীভাবে চলে সেটাই দেখার বিষয়। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার ১০ বছরের রাজত্বে কয়টি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেছিলেন সেটি যেমন প্রশ্ন, তেমনই স্বাস্থ্যখাতে যে কেনাকাটা গুলো হয়েছে তা কতটুকু যৌক্তিক সেই প্রশ্ন এখন সামনে উঠেছে। ডা. সামন্ত লাল সেনের তৎপরতার কারণে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে এখন অভিযান শুরু হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক যিনি আজীবন স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের ঠিকাদারি প্রায় পেতে চলেছেন, তিনি এতদিন কী করেছেন? জীবনে কোনদিন প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞতাহীন এই ব্যক্তি একের পর এক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাচ্ছেন। স্বাস্থ্য খাতের বারটা বাজছে তার নেতৃত্বে। এখন নতুন মন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, নতুন সচিব আনা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভূতগুলো তাড়ানোর এখনই সময়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অদক্ষ, অযোগ্য এবং দুর্নীতিবাজদের আখড়া এটা সবাই জানে। আর এ কারণেই অবৈধ ভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক, প্রাইভেট হসপিটালের অত্যাচার মানুষকে সহ্য করতে হচ্ছে। নতুন ম্বাস্থ্যমন্ত্রী সৎ, বিচক্ষণ, তিনি দায় এড়ান না এবং ক্ষতগুলোকে ধামাচাপা দেন না। নিজের সাফল্য গাথাঁ নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন না। আর এ কারণেই তার ওপর জনগণের আস্থা বেড়েছে। বিশেষ করে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি যেভাবে অনিয়ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেছেন তাতে সাধারণ মানুষের আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। আর এ কারণেই এখন প্রশ্ন উঠেছে তাহলে গত পাঁচ বছর এই ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো চলল কিভাবে। কেন তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযান চলল না। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ভালো মানুষ সেজে বড় বড় কথা বলছেন, তখন তিনি কি করেছিলেন? তিনি কি জানতেন না যে, এভাবে অবৈধ রমরমা ব্যবসা চলছে নাকি তাদের যোগসাজশে এসব হত? এই সব প্রশ্নের উত্তর এখন খুজেঁ বের করা জরুরি। না হলে নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও ব্যর্থ হবেন।


সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাহিদ মালেক   স্বাস্থ্য অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন