ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজশাহী গলায় ফাঁস দিয়ে নারী-পুরুষের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৪:৫০ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী তানোরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তানোর পৌর এলাকার কালীগঞ্জ রাইতান বর্ষ গ্রামে পাঁচন্দর ইউিনিয়নের দুবইল সাহাপুর গ্রামে ঘটনা ঘটে। এই আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মৃতরা হলো- তানোর পৌর এলাকার কালীগঞ্জ রাইতান বর্ষ গ্রামের মৃত হনু মন্ডলের পুত্র মানিক মন্ডল (৬৪) একই উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির দুবইল সাহাপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর স্ত্রী আলেয়া (৪০)

তানোর থানা পুলিশ জানায়, মানিক তার বাড়ির পাশে একটি আম গাছের ডালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে আলেয়া তার শয়নকক্ষে তীরের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তবে মৃত মানিকের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। আর আলেয়ার লাশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেম করার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম জানান, সকাল ৬টার দিকে পৃথকভাবে আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মৃত  মানিকের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় তার লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হলেও আলেয়ার লাশ পোস্টমর্টেমের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে সেটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি বলেও জানান ওসি।


ওসি আব্দুর রহিম   আত্মহত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বেইলি রোডের ভবনটি যেন এক অগ্নিচুল্লি, আনন্দের বিপরীতে ফিরল লাশ

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রজধানীর নাগরিকদের ভালো লাগার এক অন্যতম কিংবা সুন্দর সময় কাটানোর স্থান হল বেইলি রোড। শপিং সেন্টার কিংবা রেস্টুরেন্টের সমারোহ ঘেরা এই এলাকা। সময় পেলে ছুটি যান অনেকেই। কিন্তু কে জানত! প্রাণোচ্ছল সেই জায়গাই হবে এতটা ভয়াবহ।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেইলি রোডে এমনই এক ভবনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫ জন। তারা সবাই গিয়েছিল ভাল সময় কাটাতে। অথচ ফিরতে হলো লাশ হয়ে।

এমনকি, এই বেইলি রোডের বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার (১ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ সংক্রান্ত একটি বার্তা পাঠানো হয়।

সেখানে অবস্থিত কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে রাত পৌনে ১০টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটেছে। শুরুতে ভবনের দোতলায় আগুন লাগলেও সঙ্গে সঙ্গে সেই আগুন ভবনের সব ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে ১১টা ৫০ মিনিটে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে জীবনপ্রদীপ নিভে যায় ৪৫ জনের।

জানা যায়, ব্যস্ততম সেই এলাকায় ওই ভবনে ছিল না কোনো অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। জরুরি অবস্থায় বের হওয়ারও কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আগুনে পুড়ে যত না মানুষ মারা গেছে, তার চেয়েও বেশি মারা গেছে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে। তিনতলায় ছিল কাপড়ের দোকান। বাকি সব ছিল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। যে কারণে আগুনের তীব্রতা ছড়িয়েছে ভয়াবহভাবে।

আগুন লাগার পর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিস সেখানে যায়। আগুনের ভয়াবহতা তীব্র ছিল। এরপর ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। হতাহতের ঘটনা আছে। সেটা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, ভবনটিতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বললেই চলে। আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করেছি সবাইক নিরাপদে বের করে আনার জন্য। হতাহতের ঘটনা আছে। আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে। এ ছাড়া দম বন্ধ হয়ে অনেকেই মারা গেছে। আমাদের তল্লাশি চলছে।

তবে বেইলি রোডে ছয়তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে ৩৯ জনের। বাকি ছয় জনের মরদেহ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।


বেইলি রোড   অগ্নিচুল্লি   লাশ   অগ্নিকাণ্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রেস্টুরেন্টে কান্না থামাতে গিয়ে ২ ছেলেসহ নাজিয়ার মৃত্যু

প্রকাশ: ১০:৫৬ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বেইলি রোডের আগুন লাগা ভবনের তৃতীয় তলায় দুই ছেলে আয়াত (৮) এবং আয়ানকে (৬) নিয়ে খাবার খেতে যান নাজিয়া। সেখানেই দুই সন্তানসহ আগুনে পুড়ে মারা যান তিনি।

বৃহস্পতিবার(২৯ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। 

শুক্রবার (১ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে কাছে আশিকের ফুফাতো ভাই রিফাত বর্ণনা অনুযায়ী, রাজধানীর বেইলি রোডে বসবাস করেন আশিক ও নাজিয়া দম্পতি। ব্যবসায়ী আশিক তখন বনানীতে নিজ অফিসে ছিলেন। সন্ধ্যায় স্ত্রী নাজিয়া ফোন করে বলেন, ‘বাচ্চা দুইটা কান্না করছে, কী করবো?’ বাচ্চাদের কান্না থামাতে আশিক সন্তানদের নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে যেতে বলেন। 

রিফাত বলেন, সন্ধ্যার পরে বাচ্চাদের কান্নার কথা ভাইয়াকে ফোনে জানান ভাবি। পরে ভাইয়ার (আশিক) অনুমতি নিয়ে ভাবি দুই ছেলেকে নিয়ে ওই ভবনের তৃতীয় তলায় থাকা ‘খানাস’ রেস্টুরেন্টে যান। সাড়ে ১০টার দিকে ভাবি ভাইয়াকে ফোনে জানান- রেস্টুরেন্টে আগুন লেগেছে, ছোট ছেলে আয়ানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে আর ফোনে কথা বলতে পারেননি।

রিফাত বলেন, আমরা আয়ানকে সিঁড়িতে পেয়েছি। তার মরদেহ বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছোট বাচ্চা ধোঁয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে হয়তো মারা গেছে। ভাবি আর আয়াতের মরদেহ মর্গে আছে। আমি ও অন্য আত্মীয়রা মরদেহ নিতে এসেছি।

এসময় আক্ষেপ করে রিফাত বলেন, ভাবিকে অনেক ভালোবাসতেন ভাইয়া। ১২ বছর সম্পর্কের পর দুইজন বিয়ে করেন। দুই সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ছিল। সব শেষ হয়ে গেলো।

বেইলি রোডের কেএফসি ভবনের পাশে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ভবনে আগুন লাগে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের মোট ১২ ইউনিট। এতে এখন পর্যন্ত ৪৩ জন নিহতের তথ্য মিলেছে।


মৃত্যু   বেইলি রোড   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বেইলি রোডে আগুনে নিহত ৪৫, শনাক্ত হয়নি ৬ জনের মরদেহ

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে ৩৯ জনের। বাকি ছয় জনের মরদেহ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। 

শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনের ঢাকা জেলা প্রশাসনের অস্থায়ী তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে। এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্ত হয়নি ছয় জনের মরদেহ।

তিনি আরও বলেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন ২১ জন। আর সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ২৯ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। এতে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


বেইলি রোড   আগুন   নিহত   মরদেহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অন্যদের বাঁচাতে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করলেন রেস্টুরেন্টের ক্যাশিয়ার-ওয়েটার

প্রকাশ: ০৯:৫৯ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

মোহাম্মদ আলতাফ নামের এক রেস্টুরেন্ট কর্মী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘তার দুই সহকর্মী ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। যারা অন্যদের ভবন থেকে বের হতে সাহায্য করেছিলেন; কিন্তু অন্যরা বের হয়ে যেতে সমর্থ হলেও তারা নিজেরা বাঁচতে পারেননি।’

আলতাফ আরও বলেছেন, ‘যখন সামনে আগুন লাগে এবং কাঁচ ভেঙে যায়, আমাদের ক্যাশিয়ার এবং ওয়েটার সবাইকে বের হতে সাহায্য করে। কিন্তু পরবর্তীতে তারা দু’জনই মারা যায়। আমি রান্নাঘরে যাই এবং একটি জানালা ভেঙে লাফ নিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাই।’

এদিকে, ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, বহুতল ভবনের একটি ফ্লোরে থাকা কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

মুহূর্তেই সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রেস্টুরেন্টে আসা শতাধিক মানুষ আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে থাকে। বাঁচাও বাঁচাও চিৎকারে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভবনে আটকে পড়ে যায় খেতে আসা মানুষরা।

আগুনের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিস। ১৩টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তবে উৎসুক জনতার ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসকে কাজ করতে বেগ পেতে হয়েছে। এতে নারীসহ অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ওই ভবন থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ, র‍্যাব। মোতায়েন করা হয়েছে ৩ প্লাটুন বিজিবি ও আনসার।


বেইলি রোড   আগুন   ফায়ার সার্ভিস   ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিদ্যুৎ বিল বেড়েছে প্রতি ইউনিটে সাড়ে ৮ শতাংশ

প্রকাশ: ০৯:৫৬ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গ্রাহক পর্যায়ে আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে বেড়েছে ৭০ পয়সা। 

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বিদ্যুতের দাম বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণিতে ভাগ করে নির্ধারণ করা হয়। এতে যারা কম ব্যবহার করেন, তারা সরকারের ভর্তুকি বেশি পান। আর যারা বেশি ব্যবহার করেন, তারা তুলনামূলক বেশি দাম পরিশোধ করেন।  

ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে। 

বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে মাসের বিলের ধারণাটি নেওয়া হয়েছে। এতে বাসাবাড়িতে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য বেড়েছে ইউনিটপ্রতি ২৮ পয়সা। এ গ্রাহকেরা মাসে সর্বোচ্চ ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। এটি লাইফলাইন শ্রেণি, নিতান্ত দরিদ্র মানুষ এ শ্রেণির গ্রাহক। তারা মূলত বাসায় একটি ফ্যান ও দুটি বাতি চালান। সাড়ে ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে তাদের জন্য। মাসে তাদের বিদ্যুৎ বিল বাড়তে পারে ২২ টাকা। প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরপর প্রথম ধাপ হিসেবে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য আরেকটি শ্রেণি আছে। বর্তমানে এ শ্রেণির প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৮৫ পয়সা। এখানে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি ইউনিটে বেড়েছে ৪১ পয়সা। এ গ্রাহকেরা দুটি বাতির সঙ্গে দুটি ফ্যান চালান। মাসে এ শ্রেণির গ্রাহকের বিল বাড়তে পারে ৪০ টাকা। এ শ্রেণির প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের নতুন দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা।

দ্বিতীয় ধাপে আছে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা। তাদের বাসায় একাধিক বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে ছোট পরিবারের কেউ কেউ একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও (এসি) ব্যবহার করতে পারেন। এ শ্রেণিতে বেড়েছে ৫৭ পয়সা। এতে মাসে ১২২ টাকা বিল বাড়তে পারে। ৬ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে প্রতি ইউনিটের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ টাকা ২০ পয়সা।

তবে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ইউনিটপ্রতি বেড়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। তারা বাসায় একাধিক এসিসহ বিদ্যুৎ–চালিত অনেক যন্ত্র ব্যবহার করেন। মাসে তাঁদের ব্যবহার ৬০০ ইউনিটের বেশি। মূলত বিত্তবানেরা এ শ্রেণির গ্রাহক। তাদের জন্য সরকারের কোনো ভর্তুকি নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচের চেয়ে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেনেন তাঁরা। বর্তমানে তাদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১৩ টাকা ২৬ পয়সা। ১০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে এ শ্রেণিতে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ টাকা ৬১ পয়সা। এতে তাঁদের মাসের বিল ১ হাজার ৪৪৩ টাকা বাড়তে পারে।

এর বাইরে কৃষিকাজের সেচে ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৪৩ পয়সা। এ ক্ষেত্রে সাড়ে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে ৫০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী একজন সেচ গ্রাহকের মাসে বিল বাড়তে পারে ২৬২ টাকা। প্রতি ইউনিটের দাম ৪ টাকা ৮২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৫ পয়সা করা হয়েছে।


বিদ্যুৎ বিল   বিদ্যুৎ   জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন