ইনসাইড বাংলাদেশ

‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করার বিকল্প নেই’

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ১১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ফাইনাল ওয়ার্কশপ এন্ড ফেয়ার অব আর্টিমিয়া ফর বাংলাদেশ প্রজেক্ট এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মৎস্য মন্ত্রী বলেন, আর্টিমিয়া মৎস্য খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা মাছের উৎপাদন আরও বাড়াতে পারি। এছাড়া আর্টিমিয়া উৎপাদনের মাধ্যমে আমরা বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করতে পারি। তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ড ফিশের উদ্যোগে আমাদের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে লবণ চাষের পাশাপাশি আর্টিমিয়া চাষ করা হচ্ছে যার ফলে মাছ বিশেষত চিংড়ি জাতীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমাদের যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মাছের এ ধরনের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা জরুরী বলে তিনি এসময় বলেন। তিনি আর্টিমিয়া ফর বাংলাদেশ প্রকল্পসহ এধরনের উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশের মৎস্য খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ল্ড ফিশকে ধন্যবাদ প্রদান করেন।

তিনি বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় স্থান থেকে দ্বিতীয় স্থানে উত্তরণ করেছি। আর এটি সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণেই। ২০৪১ সালে আমাদের ৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে মৎস্যমন্ত্রী আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুগান্তকারী বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে যেমনি দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তেমনি মাছ উৎপাদনেও আমরা তার নির্দেশনায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হব।



মন্ত্রী আরও বলেন,  আমাদের এই জাতি এমন এক জাতি, যে জাতি সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে, সকল বাধা, প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। এ জাতি একটি সশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন হয়েছে। এ জাতি  বাহাত্তর, তিয়াত্তর ও চুয়াত্তর সালে যে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল তা মোকাবেলা করেছে এবং আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ  উন্নয়নে বিস্ময়কর দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। 

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে আমরা যেখানে দেখতে চাই, সেখানে দেখতে হলে আমাদের এই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদকে সমৃদ্ধ করতে হবে। শুধু এই দুই খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনই নয়, এই খাত থেকে আমরা যাতে কাঙ্খিত পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি সে ব্যাপারেও আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।

তিনি ওয়ার্ল্ড ফিস ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের  অর্থায়নে আগামী দিনেও নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ তথা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠন। আর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

আর্টিমিয়া চাষ ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পলিসি সাপোর্ট প্রদানের বিষয়ে তিনি বলেন, এ খাতকে উত্তরোত্তর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে ধরনের পলিসি সাপোর্টের প্রয়োজন হবে তা অবশ্যই মন্ত্রণালয় থেকে প্রদান করা হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মোঃ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিনিধিদলের প্রধান চার্লস হোয়াইটলি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গেস্ট অব অনার হিসেবে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ জুলফিকার আলী ও বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক প্যাট্রিক সরগেলুস উপস্থিত ছিলেন। 

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা   মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   আব্দুর রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

প্রকাশ: ১০:৩৭ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশিদের জন্য কয়েক ক্যাটাগরির ভিসা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ওমান। দেশটির সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকার ওমান দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানি‌য়ে‌ছে।

এতে বলা হয়েছে, ওমান দূতাবাস ঢাকা নিশ্চিত করছে যে সম্প্রতি ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, গত বছর অক্টোবরে আরোপিত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা থেকে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে যাদের মধ্যে রয়েছে: ফ্যামিলি ভিসা, জিসিজি বা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিজিট ভিসা, ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী এবং সকল ধরনের অফিসিয়াল ভিসা এবং উচ্চ-আয়ের আর্থিক ক্ষমতা সম্পন্ন পর্যটক।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ওমান দূতাবাস উল্লেখিত শ্রেণিভুক্ত আবেদনকারীদের কাছ থেকে ভিসা আবেদন গ্রহণ করবে ও ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে রয়াল ওমান পুলিশের সাথে সমন্বয় করবে। আবেদনকৃত ভিসার পক্ষে আবেদনকারী তার যাবতীয় কাগজপত্র যথাযথ সত্যায়নপূর্বক যাচাই বাছাইয়ের জন্য দূতাবাসে জমা করতে হবে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রত্যেক আবেদনকারীর সরবরাহকৃত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ওপর নির্ভর করে এক থেকে চার সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিষয়ে দূতাবাস আশ্বস্থ করতে চায় যে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার ও ওমানী কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

ওমান দূতাবাস জানায়, ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিছক একটি অরাজনৈকিত সিদ্ধান্ত যা কৌশলগত কারণে ওমানে বিদেশি শ্রম বাজার সমীক্ষা ও পর্যালোচনার চলমান একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। বাংলাদেশ ও ওমান উভয় দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার আর এ দুই দেশের বিচক্ষণ ও সুযোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্র দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ও বহুমাত্রিক ধারায় সম্প্রসারিত হতে চলছে।

ভিসা নিষেধাজ্ঞা   ওমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পল্টনে ফায়েনাজ টাওয়ারে আগুন

প্রকাশ: ০৭:১৬ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর পল্টনে ফায়েনাজ টাওয়ারের ১০ তলায় আগুন লেগেছে। বুধবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার খবরের পর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিস্তারিত আসছে...

পল্টন   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ০৭:০৬ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনো।

বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তর কক্ষে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, কৃষি বিপণনে বৈচিত্রতা আনয়ন ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করলে দুদেশই লাভবান হবে বলে এসময় আলোচনা করা হয়। 

দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উন্নয়নের স্বার্থে সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ফিস স্টক এসেসমেন্টসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়েও এসময় আলোচনা করা হয়।

পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের আলোকে দুদেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   জাপানের রাষ্ট্রদূত   সচিবালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:৪২ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানসহ ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়াসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৫ আসামি বর্তমানে পলাতক। বিদেশে পলাতক আসামি মাওলানা তাজউদ্দীন, মো. হারিছ চৌধুরী ও রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি আছে।

তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত জোটের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮-এর ৩/৪ ধারায় মতিঝিল থানায় মামলা হয়।

সংসদে সরকারপ্রধান বলেন, মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে মোট ৫২ আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল হয়। রায় ঘোষণার আগে অভিযোগপত্রের ৫২ আসামির মধ্যে তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   তারেক রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নৌযান চলাচল বন্ধ , সেন্ট মার্টিনে খাদ্যসংকট

প্রকাশ: ০৬:২৭ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। দ্বীপে যাওয়া-আসার একমাত্র পথ নাফ নদী, তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে একের পর এক গুলিবর্ষণের ঘটনায় টানা ছয় থেকে সাত দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে বন্ধ রয়েছে নৌ চলাচল।

খাদ্য ও পণ্যবাহী বোট চলাচল বন্ধে দ্বীপে খাদ্য পৌঁছাতে না পারায় ও মজুদকৃত খাবার প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় খাদ্য সংকটে ভুগছেন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা।

কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশি নৌযান লক্ষ্য করে দফায় দফায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবাদপত্র পাঠাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাতে কাজ হচ্ছে না। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রোগীবাহী একটি স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে ১০-১২টি গুলি ছোড়া হয়। কয়েকটি গুলি স্পিডবোটে লাগলেও অল্পের জন্য যাত্রীরা প্রাণে রক্ষা পান।

এর আগে ৮ জুন দুপুরে টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনগামী পণ্যবাহী একটি ট্রলারে ৩০-৪০টি গুলিবর্ষণ করে মিয়ানমার সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাতে কেউ হতাহত না হলেও ট্রলারটির বিভিন্ন স্থানে সাতটি গুলি লাগে।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান বলেন, রাখাইন রাজ্যের নাইক্ষ্যংদিয়া থেকে দফায় দফায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় গত সাত দিন ধরে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে যাত্রীবাহী নৌযানের চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীসহ হতদরিদ্রদের ভিজিডি ও ভিজিএফ চালও সেন্ট মার্টিনে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। ওপারের গুলিবর্ষণ বন্ধ না হলে দ্বীপের ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে নাফ নদীর বদরমোকাম এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বিজিবির টহল জোরদার করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।

টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশি নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবির কাছে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়। কিন্তু গোলাগুলি বন্ধ হচ্ছে না।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, মিয়ানমারের দিক থেকে কারা গুলি ছুড়ছে, আরাকান আর্মি নাকি বিজিপি, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। সংকটের অবসান না হওয়া পর্যন্ত টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে নৌ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

নৌযান চলাচল   সেন্ট মার্টিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন