ইনসাইড বাংলাদেশ

সড়কে মানুষ হত্যার ‘বন্দোবস্ত’ দ্রুত বন্ধ করার দাবি রবের

প্রকাশ: ০৭:৩৯ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail সড়কে মানুষ হত্যার ‘বন্দোবস্ত’ দ্রুত বন্ধ করার দাবি রবের

অপেশাদার 'চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন' গাড়ি  দিয়ে সড়কে মানুষ হত্যার 'বন্দোবস্ত' দ্রুত বন্ধের লক্ষ্যে ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। সোমবার (২৯ নভেম্বর) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ছয় দফা দাবি জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'শুধুমাত্র লাইসেন্সবিহীন 'অপেশাদার চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন গাড়ির' কারণে বছরে কয়েক হাজার মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। রাস্তায় লাইসেন্সবিহীন চালকের যান চলাচল নিষিদ্ধ করতে পারলে হাজার হাজার মানুষের জীবন সুরক্ষা পেত এবং অগণিত ছাত্র ও পবিারের স্বপ্ন নিমিষেই ধুলিস্যাৎ হতো না। অদক্ষ, অপেশাদার ও লাইসেন্সবিহীন চালকের হাত থেকে জীবন সুরক্ষা প্রশ্নে গত ৫০ বছরেও রাষ্ট্র দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

খোদ রাজধানীতে লাইসেন্সবিহীন চালক সেজে গাড়ি চালাচ্ছে নিরাপত্তা প্রহরী, সুইচ ম্যান, মশক কর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৬৫টি গাড়ির বিপরীতে চালক আছে মাত্র ৬২ জন। এতে প্রমাণ হয় রাষ্ট্রই মানুষ হত্যার বন্দোবস্ত করে রেখেছে। আধুনিক বিশ্বে এরূপ ঘটনা বিরল। 

শুধুমাত্র সদিচ্ছা থাকলেই সরকার প্রযুক্তি, পুলিশ এবং প্রশাসনের সহায়তায় অতি সহজেই লাইসেন্সবিহীন 'চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন' পরিবহন বন্ধ করতে পারে। একটি মাত্র দুর্ঘটনায় অনেক পরিবারেরই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কোন দুর্ঘটনা না ঘটে সরকারকে কাল বিলম্ব না করে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এ লক্ষ্যে রবের ছয় দফা হচ্ছে-

(১) লাইসেন্সবিহীন চালকদের গাড়ি চালানো অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে;
(২) ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানো বন্ধ করতে নিয়মিত পুলিশ চেকিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। 
(৩) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে যথেষ্ট সংখ্যক ড্রাইভারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে; 
(৪) রাস্তায় গাড়ি চালকদের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা চিরতরে বন্ধ করতে হবে;
(৫) যথেষ্ট সংখ্যক ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করে যত্রতত্র ক্রসিং বন্ধ করতে হবে এবং
(৬) নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনায় সরকারকে উদাসীনতা, নির্বিকারিত্ব ও অমনোযোগিতা পরিহার করতে হবে।

দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর উৎসমুখ বন্ধ না করে প্রশ্রয় দিলে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তাই শেষ হয়ে যায়। সড়কে চরম নৈরাজ্য ও মানুষ হত্যা বন্ধে দ্রুত ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান আ স ম রব।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জঙ্গি সন্দেহে বনানীতে আবাসিক হোটেল ঘিরে রেখেছে পুলিশ

প্রকাশ: ১০:০৮ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর বনানীতে জঙ্গি সদস্যরা অবস্থান করছে এমন সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল ঘিরে রেখেছে পুলিশ। 

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আজম মিয়া। 

তিনি বলেন, জঙ্গিরা ভেতরে আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বনানীতে একটি হোটেলে পুলিশের অভিযান চলছে। আমরা এখন অভিযানে আছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

জঙ্গি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোবাসে আগুন

প্রকাশ: ০৯:৪৬ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে একটি মাইক্রোবাসে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মাইক্রোবাসটিতে আগুন লাগে। তবে  হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার নাজমা আক্তার বলেন, সোয়া ৬টার দিকে আগারগাঁও এলাকায় মাইক্রোবাসে আগুন লাগার খবর আসে। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দুটি ইউনিট পাঠিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। 

তবে কী কারণে এবং কীভাবে আগুন লেগেছে তা তদন্তের পরই বলা যাবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নিয়ে কি হচ্ছে ওয়াশিংটনে?

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। প্রতিবছর মানবাধিকার দিবসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর পুরো বিশ্বের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি কি তা পর্যালোচনা করা হয় এবং যে সমস্ত দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ সে সমস্ত দেশের করনীয় কি, সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। গত বছর এই মানবাধিকার দিবসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তাসহ র‍্যাবের ওপর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো। এক বছর হলো এই নিষেধাজ্ঞা চলছে। আর এই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে নানারকম আতঙ্ক এখন ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশে। এবার মানবাধিকার দিবস কি এরকম কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা আসতে যাচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে যে, এবার বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে তাতে নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়া হচ্ছেনা। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বরং বাংলাদেশে গত এক বছরে মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্ষেত্রে যে ইতিবাচক পরিবর্তন গুলো হয়েছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে গত এক বছরে নতুন করে গুম হয়নি এবং সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও অনেক বেশি সহনশীল হয়েছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে। তবে যে ৭৬ জন গুমের ব্যাপারে তথ্য চেয়েছিলো সেই তথ্যগুলো সম্পর্কে এখনও বেশকিছু রহস্য রয়েছে এবং অসম্পূর্ণ বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে। গত বছর মানবাধিকার রিপোর্ট যখন প্রকাশিত করা হয় তখন বাংলাদেশ পুরোপুরি অন্ধ ছিল। তৎকালীন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এই রিপোর্টের ব্যাপারে কোনো কিছুই করেননি। তিনি বিএনপি-জামাত ঘরানার একজন কূটনীতিক ছিলেন, যার জন্য তিনি বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন অথবা ইচ্ছে করেই এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটুক সেটি কামনা করেছিলেন বলেই বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল মনে করেন। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার বাংলাদেশের দূতাবাস গভীরভাবে পুরো পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রাখছে। তাছাড়াও বাংলাদেশে একটি লবিস্ট ফার্ম নিযুক্ত করেছে, তারাও বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরেছে। তবে এবারের প্রতিবেদন বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বেশকিছু ঘটনা উল্লেখ করা হবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিশেষ করে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে বেশকিছু কথাবার্তা থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। এছাড়াও বাংলাদেশে বিনা বিচারে আটক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনের বাড়াবাড়ির বিষয়টিও উঠে আসবে। তবে গত এক বছরে মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বেশকিছু ইতিবাচক ঘটনার বিষয়টিও এবারের প্রতিবেদন আসতে পারে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে গুমের ব্যাপারে সরকারের সর্তকতা প্রশংসিত হতে পারে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল বা আইন সংশোধনের ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি না হলেও বাংলাদেশের গত এক বছরে এই আইনের যথেচ্ছ প্রয়োগ হয়নি বলেও মার্কিন কূটনীতিকরা মনে করছেন। তবে এবারের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়টি উঠে আসবে, উঠে আসবে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সকলের মত প্রকাশের অধিকারের প্রসঙ্গটিও। বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, এবারের ওয়াশিংটন থেকে যে মানবাধিকার রিপোর্টটি প্রকাশিত হবে তা অন্যান্য দেশগুলোর ওপর। প্রতিবছরই বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সমালোচনা করে থাকে, শোবো আমলেই এই সমালোচনাগুলো করে থাকে। এর লক্ষ্য এই নয় যে সরকারকে চাপে ফেলা, এর প্রধান লক্ষ্য হলো যেন মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে মানবাধিকার পরিস্থিতি সংরক্ষণে এবং মানবাধিকার উন্নয়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সেই অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করা হয় বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সূত্র জানিয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নরসিংদীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত

প্রকাশ: ০৭:১১ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নরসিংদীর রায়পুরায় মির্জারচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাফর ইকবাল মানিক সভা থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউনিয়নের শান্তিপুর বাজার সংলগ্ন শান্তিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানান, মানিক চেয়ারম্যান গ্রুপ ও ফারুক গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

শনিবার বিকেলে শান্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নদী ভাঙন বিষয়ক এক সভায় অংশগ্রহণ করেন চেয়ারম্যান জাফর ইকবাল মানিক। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সভা শেষ হওয়ার পরপরই হঠাৎ অজ্ঞাতনামা দুই যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে বুকের বামপাশে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এলাকাবাসীর ধারণা, ফারুক গ্রুপের সাথে পূর্ব বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

নরসিংদীর সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জাফর ইকবাল মানিককে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান বলেন, দুর্বৃত্তের গুলিতে চেয়ারম্যান জাফর ইকবাল মানিক নিহত হয়েছেন বলে শুনেছি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেরপুরে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

প্রকাশ: ০৫:৫৪ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শেরপুর সদর উপজেলার মুনকান্দায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার মামলার প্রধান আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।
আজ সকালে শেরপুর প্রেসক্লাবে র‍্যাব-১৪ এর কমান্ডার আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করন। তিনি জানান কুদ্দুসকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় র‍্যাব-১৪ এর সহকারী স্কোয়াড্রন লিডার এমএম সবুজ রানা উপস্থিত ছিলেন। 

জানা যায়, মাত্র ছয়মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মুনকান্দা গ্রামের দরিদ্র অটোরিক্সা চালকের স্ত্রী। ১৪ বছর বয়সের এক ছেলে আর ৭ বছর বয়সের এক মেয়ে রেখে যান ওই মহিলা। ১ ডিসেম্বর দুপুরে বৃদ্ধ মার কাছে মেয়েকে রেখে জেলা শহরে রিক্সা চালাতে যায় বাবা। ওই বৃদ্ধা নাতিকে ঘরে রেখে বাড়ীর বাইরে যায়। এসময় পার্শ্ববর্তী বাড়ীর দুই সন্তানের জনক নারী লোভী আব্দুল কুদ্দুস, ধর্ষিতার বাড়ীতে গিয়ে তাদের ঘরে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তার শাশুড়ি মালেকা বেগমের সহায়তায় সে পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন রাতে ওই শিশুকে শেরপুর জেলা হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার পর ধর্ষিতার বাবা শেরপুর সদর থানায় রাতেই ধর্ষক আব্দুল কুদ্দুস ও তার শাশুড়িকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

সটঃ  র‍্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ আশিকুর রহমান আরো বলেন, গ্রেফতারকৃত আব্দুল কুদ্দুস জিজ্ঞাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। 

ধর্ষণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন