ইনসাইড বাংলাদেশ

জাতীয় আয়কর দিবস আজ

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ (৩০ নভেম্বর) জাতীয় আয়কর দিবস। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, সবাই মিলে দেব কর’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবার সারাদেশে দিবসটি উদযাপন করছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘কর আহরণে করদাতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে মুজিববর্ষের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন’।

২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে। আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো। তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর। এদিন ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।
 
নির্ধারিত সময়ের পর দুই শতাংশ হারে বিলম্ব সুদ গুনতে হবে করদাতাদের। তবে বিলম্ব সুদ পরিশোধ করে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে করদাতারা ইচ্ছে করলে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট উপ কর কমিশনার বরাবর আবেদন করা হলে তিনি করদাতাকে দুই মাস পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দিতে পারেন।

চলমান বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনসমাগমের ঝুঁকি বিবেচনায় ১৪তম আয়কর দিবসে র‍্যালি করছে না এনবিআর। তবে দিবসটি উপলক্ষে সব আয়কর অফিস সজ্জিত করা ও সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।

৩০ নভেম্বর বেলা ১১টায় এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে ‘রূপকল্প বাস্তবায়ন ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আয়করের ভুমিকা’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। সেমিনারে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আনিসুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতীয় আয়কর দিবসে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশের ব্যবস্থা করেছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও বিশেষ আয়োজন রেখেছে।
 
বর্তমানে দেশের প্রায় ৬৮ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ লাখের মতো টিআইএনধারী নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দেন বলে জানা গেছে। করদাতাদের প্রত্যাশা পূরণে এবার এক ছাদের নিচে আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে দেশের ৩১টি কর অফিসে গত ১ নভেম্বর থেকে মেলার পরিবেশে করদাতাদের সেবা দেওয়া হচ্ছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার সামনে ৭০০ দিনের চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। সে হিসেবে বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদ আয়ু আছে আর প্রায় ৭০০ দিন। এই ৭০০ দিন আওয়ামী লীগ সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে, ঘরে-বাইরে নানা ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। যেহেতু গত টানা তিন বছর সরকার পরিচালনায় শেখ হাসিনা একাই সবদিক সামলাচ্ছেন, তাই আগামী ৭০০ দিন শেখ হাসিনার জন্য চ্যালেঞ্জিং সময় হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। গতকাল জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হয়েছে। শীতকালীন অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা নিজেও এই চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন এবং তিনি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সবসময় শেখ হাসিনার সাহস, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতাই আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আগামী ৭০০ দিন কিভাবে শেখ হাসিনা জটিল-কঠিন পরিস্থিতিগুলো সামাল দেন, সেটি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে মুখ্য আলোচনার বিষয়। আগামী ৭০০ দিন তাকে কি পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে, সেটি যদি আমরা খুঁজে দেখার চেষ্টা করি তাহলে দেখব যে-

১. আন্তর্জাতিক চাপ: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক বাংলাদেশের ওপর নানা বিষয়ে দৃশ্যমান চাপ সৃষ্টি করছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৭ জন কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, সামনে আরো নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বলে কোনো কোনো মহল মন্তব্য করছেন। বাংলাদেশ থেকে যারা অবৈধ পথে নগদ অর্থ দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ করেছেন সেই সম্পদের অর্থের উৎস জানতে চাওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্যই এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, বিভিন্ন দেশ থেকে যারা নগদ অর্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ করেছে তাদের প্রত্যেককেই জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে জো বাইডেন সরকার। কাজেই, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় পার করতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই নয়, ইতোমধ্যে জাতিসংঘে র‍্যাব নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়েছে ১২টি মানবাধিকার সংস্থা। আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেও একজন এমপি র‍্যাবকে নিষিদ্ধ করার দাবি করেছেন। আর এই সবকিছু মিলিয়ে সামনের দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে। আর এই চাপ সামাল দিতে হবে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি কিভাবে এই চাপ সামাল দেন সেটাই দেখার বিষয়।

২. বিভিন্ন অপপ্রচার: গত দুই বছর ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে বিরামহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে। বিদেশে থাকা পলাতক গোষ্ঠীর বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তাদের অর্থায়নে বাংলাদেশবিরোধী বিশেষ করে সরকারবিরোধী নানারকম অপপ্রচারে লিপ্ত। এই অপপ্রচারের মাত্রাগুলো যত নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসবে তত বাড়বে। প্রশ্ন হলো, এই অপপ্রচারগুলো মোকাবেলা করে উন্নয়নের বার্তা শেখ হাসিনা কিভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিবেন বা এই অপপ্রচারগুলো যে কেবলই মিথ্যা প্রচারণা সেটি প্রতিষ্ঠা করা আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৩. সংগঠনে বিশৃঙ্খলা: নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সংগঠনের মধ্যে নানারকম বিশৃঙ্খলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দলের মধ্যে বিভক্তি প্রচণ্ড আকার ধারণ করেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিভক্তির কথা শোনা যায়। এই বিভক্তি কাটিয়ে সুশৃঙ্খল শক্তিশালী দলকে নির্বাচনের মাঠে নামানো আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৪. প্রশাসনের ভূমিকা: গত একযুগ আওয়ামী লীগের পক্ষে ছিলো প্রশাসন, এটি অনেকেই বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রশাসনের জন্য যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন। তাদের বেতন বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিপুলভাবে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও আগামী নির্বাচনের আগে এই প্রশাসন কতটুকু আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকবে, সেটি নিয়ে অনেকের মধ্যেই সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে, বিভিন্ন পর্যায়ের মাঠ প্রশাসনের মধ্যে যে সরকারবিরোধী প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

৫. দুর্নীতি: এই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যেমন অনেক উন্নতি হয়েছে, তেমন দুর্নীতির অভিযোগও উঠছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আর এই দুর্নীতির অভিযোগগুলো অধিকাংশই অতিরঞ্জিত আর মনগড়া। আর এই সমস্ত অভিযোগগুলোকে মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে আগামী নির্বাচন মোকাবেলা করতে হবে।

কাজেই, আগামী ৭০০ দিন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই নির্বাচনের মাঠে যেতে হবে শেখ হাসিনাকে।

শেখ হাসিনা   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জে ৩ ঘণ্টায়ও নেভেনি আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৩ ইউনিট

প্রকাশ: ০৭:৫৭ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে অলিম্পিক বিস্কুট ফ্যাক্টরির বিপরীতে অবস্থিত জাহিন গার্মেন্টসে লাগা ভয়াবহ আগুন তিন ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো হয় ইউনিট সংখ্যা। এদিকে অগ্নিদুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উপস্থিত হয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বন্দর উপজেলার সোনারগাঁও রোডের এ পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ফায়ার স্টেশনের ডিউটিম্যান মো. আকরাম হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিট) আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ১৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এর আগে তিনি বলেছিলেন, সোনারগাঁ থেকে তিনটি, ডেমরা থেকে দুইটি, আদমজী থেকে দুইটি, নারায়ণগঞ্জ সদর থেকে একটি, বন্দর থেকে একটি, গজারিয়া থেকে একটি, ঢাকা থেকে তিনটিসহ ১৫/১৬টি ইউনিট কাজ করছে।

আকরাম হোসেন বলেন, শুক্রবার হওয়ায় কারাখানায় ছুটি ছিল। ভেতরে কেউ আছে কি না আমরা এখনও নিশ্চিত নই। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে ইউনিট সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের মিডিয়া সেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানান, ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে জাহিন গার্মেন্টসে লাগার সংবাদ সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর প্রথম ইউনিট পৌঁছায় ১৫ মিনিটের মধ্যেই ৪টা ৪৫ মিনিটে।

এরপর একে একে আগুন নিয়ন্ত্রণে পাঠানো হয়েছে আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট। আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, তিনটি দোতলা ভবনের প্রথম এবং দ্বিতীয় তলায় আগুন জ্বলছে। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা কাজ করছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। আগুন নির্বাপণ শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে।

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ওয়ারলেসের দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মো. নাদির বলেন, ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে আমরা আগুন লাগার খবর পাই। আমাদের বিভিন্ন থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো হতাহতের খবর পাইনি।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন স্টেশনের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখন তাৎক্ষণিক হতাহত ও আগুনের সূত্রপাত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো যাচ্ছে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রায়পুরে স্ত্রীকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার


Thumbnail

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সোহেল (২৮) সহ তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের তজম উদ্দিন মিঝি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনার অভিযোগে নিহতের স্বামী সোহেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মামলার বাদী ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে জানা যায়, বিগত ১০ বছর পূর্বে  রুমা ও সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পারিবারিক যোগসাজশে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। তাদের সংসারে রিহান নামে ৮ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সোহেল নেশাগ্রস্ত হওয়ায় সবসময় স্ত্রীকে যৌতুকের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতো। গত রবিবার (২৩ জানুয়ারি) চার লক্ষ টাকা যৌতুক চাইলে স্ত্রী রুমা তাহা দিতে অস্বীকার করলে আনুমানিক রাত ৮ টার সময় পাষণ্ড স্বামী সোহেল ও তার তিন ভাই মিলে রুমাকে হাত-পা চেপে ধরে জোরপূর্বক মুখে বিষ ঢেলে দেয়। রুমার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে তাহার মা-বাবাকে খবর দিলে তাহারা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রুমাকে উদ্ধার করে প্রথমত রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করলে প্রায় ৬দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ শুক্রবার সকালে রুমা সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মেয়ে হারানো মা-বাবা রুমা হত্যাকারীদের বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, গতকাল মামলা হওয়ার পর থেকেই আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টায় ছিলাম এবং আজ সকালে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতারে সক্ষম হই। এরপরই শুনতে পেলাম রুমা মৃত্যুবরণ করেছে।

হত্যা   গ্রেফতার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট

প্রকাশ: ০৬:১২ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মদনপুরের জাহিন টেক্সটাইল নামে পোশাক কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন স্টেশনের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখন তাৎক্ষণিক হতাহত ও আগুনের সূত্রপাত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো যাচ্ছে না।

অগ্নিকাণ্ড   ফায়ার সার্ভিস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিইসিও চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন: মাহবুব তালুকদার

প্রকাশ: ০৫:২৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসায় বছরে ইসির ব্যয় ৩০-৪০ লাখ টাকা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার এ বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বিষয়ে আমার ভিন্নধর্মী অবস্থানের কারণে সিইসি তার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য চিকিৎসার বিষয় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে এহেন নিকৃষ্ট পথ বেছে নিয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচন কমিশনারদের চিকিৎসাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। সিইসি নিজেও ইসি থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অসুখের যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া আমার মৌলিক অধিকার। চিকিৎসার কারণেই আমি এখন পর্যন্ত বেঁচে আছি। নির্বাচন বিষয়ে আমার ভিন্নধর্মী অবস্থানের নিমিত্ত সিইসি তার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য চিকিৎসার বিষয় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে এহেন নিকৃষ্ট পথ বেছে নিয়েছেন।

মাহবুব তালুকদার বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা নির্বাচন ভবনে এক প্রেস কনফারেন্স করে আমার চিকিৎসার ব্যয় বছরে ৩০ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি অবশ্য খরচের প্রকৃত হিসাব প্রদান করেননি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে তিনি আরও বলেছেন, তিনি আমাকে রোগাক্রান্ত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করে বলেছেন, আমি কখনো আইসিইউতে বা কখনো সিসিইউতে থাকি। কিন্তু ইচ্ছা করলেই কেউ আইসিইউ বা সিসিইউতে থাকতে পারে না। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে বিশদভাবে অবহিত করা প্রয়োজন মনে করি।

নির্বাচন কমিশনার হওয়ার সময় থেকেই তিনি প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, ক্যানসার কালক্রমে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আমি সিঙ্গাপুর ও ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতালের চারজন চিকিৎসকের সমন্বয় গঠিত মেডিকেল বোর্ড দুই দফা শারীরিক পরীক্ষা করে আমাকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনারদের চিকিৎসাবিধি অনুযায়ী আমার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে।

তবে গত দুই বছরে আমি চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাইনি। বরং এই দুই বছরে চিকিৎসার জন্য সম্পূর্ণ নিজের খরচে আমি আমেরিকা গিয়েছি। বর্তমানে কর্মরত নির্বাচন কমিশনাররা এবং অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনাররা সবাই-ই প্রাপ্যতা ও বিধি অনুযায়ী কমিশন থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে থাকেন। কে এম নূরুল হুদা নিজেও নির্বাচন কমিশন থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন, যোগ করেন মাহবুব তালুকদার।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে ‘আরএফইডি টক’ অনুষ্ঠানে সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, তিনি (মাহবুব তালুকদার) একজন রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। উনি আসলেই অসুস্থ, শারীরিক দিক দিয়ে। তিনি কখনও আইসিইউতে, কখনও সিসিইউতে থাকেন। সিঙ্গাপুরে ট্রিটমেন্ট (চিকিৎসা) করেছেন, ভারতে ট্রিটমেন্ট করেছেন। বছরে প্রায় ৩০-৪০ লাখ টাকার ট্রিটমেন্ট করেন, এটা নির্বাচন কমিশন বহন করে।

নির্বাচন কমিশন   ইসি   মাহবুব তালুকদার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন