ইনসাইড বাংলাদেশ

রামপুরায় বাসে অগ্নিসংযোগকারীকে খুঁজছে পুলিশ

প্রকাশ: ০৮:৪৫ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail রামপুরায় বাসে অগ্নিসংযোগকারীকে খুঁজছে পুলিশ

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় কারা বাসে আগুন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সুযোগসন্ধানীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করবে। 

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

মো. আ. আহাদ জানান, রামপুরায় সড়কে শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বাসচালককে আটক করেছে পুলিশ। ঘাতক বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চালকের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

আ. আহাদ বলেন, ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে। সে বর্তমানে থানায় আছে। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি পুলিশকে বলেছেন তারা ভাঙচুর বা আগুন দেননি। অন্য কেউ এসে এসব করিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয় বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এর আগে, রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসচাপায় মাঈন উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী মারা যায়। সোমরাত রাত পৌনে ১১টার দিকে রামপুরা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে ৯টি গাড়িতে আগুন দেয় স্থানীয়রা। এ সময় রাস্তা বন্ধ করে দেয় তারা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত মঈন স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি রামপুরা এলাকায় বড় হয়েছে। স্থানীয় একরামুন্নেসা স্কুলে পড়ত মঈন। সেখান থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল সে। রামপুরার তিতাস রোডে ভাড়া বাসায় থেকে চায়ের দোকান চালান মাঈনুদ্দিনের বাবা।

রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাকায় ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ঢাকায় ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী

ঢাকায় ইন্দোনেশিয়া দূতাবাসের আয়োজনে র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া'র ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এসময় মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্মারক অর্পণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান তার বক্তৃতায় দু'দেশের অর্ধশতকের গভীর  বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে দৃঢ়তর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সাথে বাংলাদেশের মানুষের  বহুকালের সম্পর্কে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পারস্পরিক বিনিয়োগ, বাণিজ্যসহ নতুন নতুন ক্ষেত্র যোগ হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে, আশাপ্রকাশ করেন সম্প্রচারমন্ত্রী।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কি চমক দেবেন?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কি চমক দেবেন?

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রী এখন ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন। সেখানে তিনি ভয়েস অব আমেরিকার কাছে গতকাল একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ভয়েজ অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান শতরূপা বড়ুয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে অবাধ নিরপেক্ষ। সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে দৃঢ়তা ছিল এবং আগামী নির্বাচন নিয়ে যে জটিলতা শঙ্কাগুলো বিভিন্ন মহল থেকে উচ্চারিত হচ্ছে তা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। প্রতিটি নির্বাচনের আগেই দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী বেশকিছু চমক দেখিয়েছেন এবং এই চমকগুলো রাজনীতির অঙ্গনে তার দূরদর্শিতা এবং বিচক্ষনতার প্রমাণ বহন করে। আগামী নির্বাচন নিয়ে যে অচল অবস্থা এবং সংকট তৈরি হয়েছে, অনেকেই মনে করেন যে প্রধানমন্ত্রী সে সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন। আর তারই একটি ইঙ্গিত তিনি ভয়েজ অব আমেরিকার সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন।

প্রশ্ন হলো, আগামী নির্বাচনে তিনি কি চমক আনবেন? ২০০৮ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সভাপতির একটা বড় ভূমিকা ছিল। এজন্য তিনি জেল, জুলুম, নির্যাতন ভোগ করেছিলেন। এক-এগারোর নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন। এই বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্যই নির্বাচনকে দূরে ঠেলে রাখা হয়েছিলো, রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হনন, তাদেরকে নির্বাচনের জন্য অযোগ্য করে দীর্ঘদিন ধরে সুশীলদের একটি রাজত্ব কায়েম করার প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছিল সেই সময়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জন্য সেই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হতে পারেনি। বরং তিনি প্রথম থেকেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন দাবি করে জনগণকে সংগঠিত করে শেষ পর্যন্ত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক চাপে মইন উ আহমেদ এবং ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে একটি নির্বাচন দিতে বাধ্য করেছেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুলের বিজয় হয় এবং এক ধরনের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করে। ২০১৩ সাল থেকেই বিএনপি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই সময়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করার ব্যাপারে অনড় ছিলেন। তবে নির্বাচনের আগে তিনি বেশকিছু চমক দেখান। তিনি সরকার এবং বিরোধী দলের সমন্বয়ে একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন। সেই সময় তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বিএনপিকে দেয়ার প্রস্তাব করেছিলেন। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তিনি চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই একের পর এক উদ্যোগ বিএনপি প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে যেটি লাভ হয়, ২০১৪ সালে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও ওই নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায় এবং প্রায় অর্ধেক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পরও ওই সংসদ পূর্ণ মেয়াদ অতিক্রম করে।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী আরেকটি চমক দেখান। ওই নির্বাচনে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ফেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এসময় বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। তখন জাতীয় নেতা ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে চান বলে ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড. কামালের এই প্রস্তাবকে লুফে নেন। অনেকে মনে করেছিলেন, শেখ হাসিনা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন, এমনকি আওয়ামী লীগের নেতারাও বলেছিলেন যে কিসের আলোচনা। কিন্তু শেখ হাসিনা এই সংলাপের সম্মতি জানিয়ে রাজনীতিতে একটি নতুন চমক সৃষ্টি করেন। সবগুলো বিরোধী দলের সাথে লাগাতার বৈঠকের পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুলভাবে বিজয়ী হয়। কিন্তু ওই নির্বাচন নিয়ে অনেক রকম সমালোচনা এবং বিএনপির পক্ষ থেকে ওই নির্বাচনের পর থেকে বলা হয় যে, বর্তমান সরকারের অধীনে তারা আর কোনো নির্বাচনে যাবে না। এবার নির্বাচন নিয়েও বিএনপি একই অবস্থানে আছে। এরকম পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচন কিভাবে হবে? সব দল কি অংশগ্রহণ করবে? বিএনপি নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত যাবে কি যাবে না ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে, এমনটি মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর বা নির্বাচনের আগে আগে নির্বাচন নিয়ে হয়তো বড় ধরনের চমক দেবেন। প্রশ্ন হলো, কি চমক তিনি দেবেন?


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অবসরের পরও অস্ত্রধারী পুলিশের নিরাপত্তা পাবেন ড. বেনজীর আহমেদ

প্রকাশ: ০৯:১৫ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail অবসরের পরও অস্ত্রধারী পুলিশের নিরাপত্তা পাবেন বেনজীর

পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) পদ থেকে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিদায় নিতে যাওয়া ড. বেনজীর আহমেদের নিরাপত্তায় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শফিকুল ইসলামের সই করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পুলিশের আইজিপি বরাবর পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ড. বেনজীর আহমেদের অবসর প্রস্তুতিজনিত ছুটিকালীন তার নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে গাড়িসহ ১/৬ ফর্মেশনে সাদা পোশাকে এসকর্ট, অস্ত্রসহ ইউনিফর্মধারী দুজন সার্বক্ষণিক দেহরক্ষী ও ১/৩ ফর্মেশনে হাউসগার্ড সার্বক্ষণিকভাবে মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা বেনজীর আহমেদের অবসরের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদকে ৩০ সেপ্টেম্বর বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ৪৩(১) (ক) অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। একই প্রজ্ঞাপনে এক বছরের জন্য তার অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) মঞ্জুর করা হয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় মাছ বড় যোগান দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীনতার পর দেশের মৎস্যসম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন মাছ হবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে মাছ ও প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সে সময় তুলে ধরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মৎস্যসম্পদ আহরণের জন্য তার সময়ে বিদেশ থেকে মাছ ধরার ট্রলার আনা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন,  বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সমুদ্র সংক্রান্ত আইন তৈরি করেছেন। এ আইনের উপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ আয়তনের সমুদ্র সীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই সমুদ্রসীমা আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে। সুনীল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রচলিত ও অপ্রচলিত মাছ, সামুদ্রিক শৈবালসহ অন্যান্য সম্পদ।

মৎস্যবিজ্ঞানের ক্ষেত্র উন্মুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে মৎস্যবিজ্ঞানের ব্যাপ্তি ও কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে দেশে গবেষণার প্রচুর সুযোগ ও বরাদ্দ রয়েছে। মৎস্যবিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মৎস্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মৎস্য খাত উদ্যোক্তা তৈরি করছে। বেকারত্ব দূর করতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচলে ভূমিকা রাখছে।

দেশে মাছের উৎপাদন ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, এক সময় বলা হত ভাতে-মাছে বাঙালি। তারপর একটা সময় বলা হত মাছের আকাল। বর্তমানে মাছের উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মৎস্য খাতে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। সরকার এ খাতে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে, উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ ফিরিয়ে এনেছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। কোন অঞ্চলে মাছের শূন্যতা দেখা দিলে জিন ব্যাংক থেকে মাছের পোনা সে অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে। ফলে দেশের কোথাও আর মাছের আকাল হবে না। এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্র পুষ্টিসমৃদ্ধ পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা এগিয়ে আসায় এটা সম্ভব হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মনির।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   শ ম রেজাউল করিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০১:৩৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নির্দেশে জমি দখল অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়
অস্বীকার করেছে চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ইটাখোলা সিংদই ফকির পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মশিউর রহমান শাহ ফকির।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের নির্দেশে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে আমার জমি দখল করে সেখানে কলাগাছ ও নতুন বাড়ীঘর নির্মাণ করে। ঘটনা জানার পর সেখানে গিয়ে দেখি কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চেয়ারম্যানের ভাইদের সহযোগীতায় বাড়ীঘর নির্মাণ করছে। আমি তাতে বাধা দিতে গেলে আমাকে আঘাত করে ও ছোড়া দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এমত অবস্থায় আমি ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এজাহার দায়েরের পরামর্শ দেয়।’

সংবাদ সম্মেলনে মশিউর রহমানের চাচা আমির আলী শাহ্ধসঢ়; ফকির, আবু বক্কর সিদ্দিক, শাহিনুর আলী, মশিউর রহমানের ভাই সাদ্দাম আলী, আরাফাত আলী, আব্দুল লতিফ, নুর আলোম ও হাবিবুল্লাহ সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগে বিষয় অস্বীকার করে ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ীর জমি-জমা নিয়ে আজকে যারা সংবাদ সম্মেলন করলো সে জমি তাদের পূর্ব পুরুষেরা আমাদের বাপ-চাচাদের দলিল করে দেয়। যার দলিল আমাদের কাছে আছে। আর গতকালকের যে জমি দখলের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না আর আমি সেখানে উপস্থিতও ছিলাম না। আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার নামে সংবাদ সম্মেলন করেছে মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, মশিউর রহমান সব-সময় আমার বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। আমাকে নির্বাচনে হারানোর জন্যে সে আমার প্রতিদ্বন্ধি হয়ে ভোটে দাড়িয়ে ১৫০ ভোট পেয়ে হেরে যায়। ভোটে হারার পর আবার আমার পিছনে লাগছে । আমি যে তার কি ক্ষতি করেছি জানি না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

নীলফামারীতে   জমি দখলের   অভিযোগ নাকচ   চেয়ারম্যান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন