ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

প্রকাশ: ০৮:৫৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছেন।
 
নিহতরা হলেন- মামলার তিন নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার বাসিন্দা রফিক মিয়ার ছেলে মো.সাব্বির হোসেন (২৮) ও মামলার পাঁচ নম্বর আসামি সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন (৩২)। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিষয়টি জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, সোমবার রাত সোয়া ১২টায় খবর পাই আলোচিত এই জোড়া খুনের  মামলার এজহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা সংরাইশ ও নবগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা এবং ডিবি পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রাত প্রায় ১টার দিকে সদর উপজেলার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের সংরাইশ বালুমহল সংলগ্ন এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের টিম পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।

এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে ওই দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, একটি পাইপ গান, পিস্তলের অব্যবহৃত গুলি, গুলির খোসা এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কুসিক ১৭নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল (৫০) ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে (৫৫)। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো পাঁচজন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীতে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা সাদাতের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৮:২৫ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail রাজধানীতে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা সাদাতের আত্মহত্যা

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নিজেদের বাসায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাদাত মাহমুদ আত্মহত্যা করেছেন। তার লাশের পাশে পাওয়া সুইসাইড নোটে জানা গেছে, হতাশা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার (২৯ জুন) দুপুরে তাঁর পরিবার বিষয়টি বুঝতে পারে। তবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বুধবার বাদ এশা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে জানাজা শেষে সাদাতকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সাদাত মাহমুদ করোনা মহামারির সময় শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফের আন্দোলনে অংশ নেওয়ার ঘটনায় ‘ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন’ করার অভিযোগ তুলে ২০২০ সালের নভেম্বরে সাদাতসহ দুই ছাত্রকে বহিষ্কার করে বেসরকারি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। একই বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর বেইলি রোডের দেয়ালে ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার সময় সাদাতসহ ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছিল রমনা থানা পুলিশ।

সাদাত মাহমুদের আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অনিক রায় বলেন, ধানমন্ডি ৯/এ-তে নিজ বাসায় সাদাত মাহমুদ আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার দুপুরে তাঁর পরিবার বিষয়টি বুঝতে পারে।

সাদাত কীভাবে আত্মহত্যা করেছেন, এসব নিয়ে তাঁর পরিবার কিছু বলেনি। তাঁরাও এ বিষয়ে কথা বলে সাদাতের পরিবারের সদস্যদের বিরক্ত করতে চাননি।

অনিক রায় আরও বলেন, ছোটবেলা থেকেই সাদাতের ট্রমাটিক অ্যাটাক হতো। দীর্ঘদিন ধরে এর চিকিৎসা চলছিল। তিনি জটিলতাগুলো অনেকটা কাটিয়েও উঠেছিলেন। তাই তাঁর আত্মহত্যাটা খুবই অপ্রত্যাশিত। আন্দোলনের কারণে তাঁকে ইউল্যাব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এটা একটা মানসিক চাপ তৈরি করেছিল। 

অনেক দিন ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেও তিনি ভর্তি হতে পারছিলেন না। তাঁর পড়াশোনা লম্বা সময়ের জন্য আটকে যায়। তবে সপ্তাহখানেক আগে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তিনি ক্লাস শুরু করেছিলেন।

সাদাত মাহমুদ সর্বশেষ স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বলে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরী জানিয়েছেন।

ছাত্র ইউনিয়ন   নেতা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিলেন ড. ইউনূস

প্রকাশ: ০৮:১৪ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়েছে ড. ইউনূস

পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়েছে করে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস। বুধবার (২৯ জুন) ইউনুস সেন্টারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.muhammadyunus.org) এসব অভিযোগের জবাব দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘এই অভিযোগগুলোর অনেকগুলো কয়েক বছর আগেও করা হয়েছিল। আমরা তখন জবাবও দিয়েছিলাম। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী একই অভিযোগ আবারও করছেন এবং এর সঙ্গে নতুন আরও অভিযোগ যুক্ত করেছেন তাই আবারও জবাব দেওয়ার প্রয়োজন হয়েছে।’

৬০ বছরের বেশি বয়সে দায়িত্বে থাকা প্রসঙ্গে এতে বলা হয়েছে, ‘শুরুতেই পরিষ্কার করা প্রয়োজন যে, গ্রামীণ ব্যাংক এমন একটি ব্যাংক যার ৭৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক এর ঋণগ্রহীতারা। একটি আলাদা আইনের মাধ্যমে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশ করে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ফলে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকেরসঙ্গে এর পার্থক্য আছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয় এর পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে একটি চুক্তির অধীনে। এই নিয়োগের জন্য কোনও বয়সসীমা আইনে বা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে উল্লেখ ছিল না।’

‘প্রফেসর ইউনূস ৬০ বছর বয়সে পদার্পণ করলে তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পরিচালনা পরিষদকে জানান যে, যেহেতু তার বয়স ৬০ বছর হয়েছে তারা একজন নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। পরিচালনা পরিষদ অন্য কোনও সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকেই দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেন। পরিচালনা পরিষদ তার বর্তমান নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবার পর তাকেই ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পুনঃনিয়োগ প্রদান করেন। সে সময় তার বয়স ছিল ৬১ বছর ৬ মাস। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিয়মিত পরিদর্শন প্রতিবেদনগুলির একটিতে এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিলে গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী প্রতিবেদনে এ বিষয়ে আর কোনও পর্যবেক্ষণ করা হয়নি’।

ড. ইউনূসের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে বলা হয়, বিদেশ ভ্রমণের জন্য তাকে কখনও জিও নিতে হয়নি, কারণ তিনি সরকারি কর্মচারী ছিলেন না। এ ব্যাপারে সরকার কোনও সময় আপত্তি তোলেনি।

ইউনুস সেন্টারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রফেসর ইউনূস তার চাকরি রক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শত্রুভাবাপন্ন আচরণ করেছেন বলে প্রধানমন্ত্রী যে অভিযোগ করছেন- বিষয়টি মোটেই তা নয়। প্রফেসর ইউনূস যা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন তা ছিল— ব্যাংকটির আইনি মর্যাদা রক্ষা। কেননা তিনি সবসময় বিশ্বাস করতেন যে আইনি কাঠামোয় তিনি বিগত সকল সরকারের সহায়তায় গ্রামীণ ব্যাংক গড়ে তুলেছিলেন তা দারিদ্র নিরসনে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যাংকটিকে সফল করে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও দাবি করা হয়, ‘২০১০ সালে প্রফেসর ইউনূস তার একজন উত্তরসূরি খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু করতে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিতকে অনুরোধ করেছিলেন। যেহেতু তিনি নিজেই একজন যোগ্য উত্তরসূরির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ ছেড়ে দিতে চাইছিলেন। অর্থমন্ত্রী  মুহিতকে লেখা প্রফেসর ইউনূসের এই চিঠি সে সময়ে দেশের সকল সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, প্রফেসর ইউনূসের বয়স ৬০ বছর অতিক্রম করে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০০১ সালে। কিন্তু সে সময়ে সরকার তার বয়স নিয়ে কোনও প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও এ-নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেনি।’

মামলায় হেরে হিলারি ক্লিনটন, টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারকে দিয়ে ফোন করানোর অভিযোগের প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের বক্তব্য, ‘গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রফেসর ইউনূসের অপসারণের সংবাদটি বিশ্বব্যাপী সংবাদে পরিণত হয়েছিল। তবে তা এ কারণে নয় যে তিনি এ পদে থাকতে চেয়েছিলেন। বরং এ কারণে যে বিশ্বব্যাপী গ্রামীণ দর্শন ও এর কর্মপদ্ধতির অনুরাগী ও অনুসরণকারীদের বিশাল কমিউনিটির কাছে এটি ছিল অত্যন্ত অবিশ্বাস্য ও হতবুদ্ধিকর একটি ঘটনা। তারা বিভিন্নভাবে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। তারা প্রফেসর ইউনূসকে তার পদে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন না, তারা এটা দেখতে চাইছিলেন যে, গ্রামীণ কর্মসূচিগুলির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। দরিদ্রদের আশার স্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে গ্রামীণকে দৃষ্টিতে দেখা হয় এটি ছিল তারই একটি বহিঃপ্রকাশ মাত্র। প্রফেসর ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের ঘটনায় বিশ্বব্যাপী যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তা একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র  বিষয়। দুর্নীতির কারণে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধে বিশ্ব ব্যাংকের সতর্ক সংকেতের ঘটনা একই সময়ে ঘটেছিল।’

এতে আরও বলা হয়, ‘পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে প্রফেসর ইউনূস চাপ প্রয়োগ করেছেন এ বিষয়টি প্রথমবার যখন উল্লেখ করা হয় তখনই প্রফেসর ইউনূস এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট বক্তব্য দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সকল মানুষের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন। তিনিও এ স্বপ্নে  বিশ্বাসী। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টির কোনও প্রশ্নই আসে না। প্রফেসর ইউনূস বলেন, আজ পদ্মা সেতুর নির্মাণ সমাপ্ত হওয়ায় দেশের মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত। দেশের সকল মানুষের সঙ্গে আমিও প্রধানমন্ত্রীকে এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিদ্বেষ পরায়ণ হয়ে প্রফেসর ইউনূস পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধে তার ‘বিশাল প্রভাব’ কাজে লাগিয়েছেন। প্রফেসর ইউনূস বিশ্ব ব্যাংকের ওপর সরাসরি চাপ প্রয়োগ না করলেও তিনি তার বন্ধু হিলারি ক্লিনটনের মাধ্যমে তা করিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন যে, একটি নামকরা সংবাদপত্রের এক সম্পাদক অর্থায়ন বন্ধে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে প্ররোচিত করতে বিশ্ব ব্যাংক কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত-গ্রহণের কঠিন জগৎ দুই বন্ধুর খেয়াল-খুশি বা একজন পত্রিকা সম্পাদকের সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার ওপর নির্ভর করে না। প্রফেসর ইউনূস যত  ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তিই হন না কেন, তার যত ‘প্রভাবশালী বন্ধুই’ থাকুক না কেন, একটি ৩০০ কোটি ডলারের প্রকল্প শুধু এ-কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে না যে, তিনি চাইছিলেন এটা বাতিল হয়ে যাক। প্রফেসর ইউনূস পদ্মা সেতু বিষয়ে বিশ্বব্যাংক বা অন্য কোনও সংস্থা বা ব্যক্তির কাছে কখনও কোনও অভিযোগ বা অনু্যোগ জানাননি। সুতরাং বিষয়টি নিতান্তই কল্পনা প্রসূত।’

গ্রামীণ ব্যাংকের ৪৭ ভাগ সুদের বিষয়ে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য মোটেই সঠিক নয়। ব্যবসা ঋণের ওপর গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ বরাবরই ২০ শতাংশ। যা একটি ক্রমহ্রাসমান সরল সুদ। এটা কখনও বাড়ানো হয়নি। বলা বাহুল্য মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি মাইক্রোক্রেডিটের সর্বোচ্চ সুদের অনুমতি দিয়েছে ২৭ শতাংশ। গ্রামীণ ব্যাংক বরাবরই সরকার নির্ধারিত সুদের হার থেকে অনেক কম সুদে ঋণ দিয়ে গেছে। এছাড়া অন্যান্য সুদের হার আরও অনেক কম। তাছাড়া যেকোনও ব্যাংকের সুদ আয়ের ওপর যে লাভ হয় তার ভাগীদার হন মালিকরা। গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক ২৫ শতাংশ সরকার আর ৭৫ শতাংশ গরিব সদস্যরা। তাই সরকার ও সদস্যরা নিয়মিত লাভ পেয়ে আসছেন। প্রফেসর ইউনূসের এতে একটা শেয়ারও নেই। তাই ৪৭ শতাংশ সুদ নিয়ে কাউকে ঠকানোর কোন সুযোগই তার নেই! প্রফেসর ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অপসারণের পরও এই ঋণ-নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।’

 ‘গ্রামীণ ব্যাংকের যত টাকা, সব কিন্তু সে (ইউনূস) নিজে খেয়ে গেছে। নইলে একজন ব্যাংকের এমডি এত টাকার মালিক হয় কীভাবে? দেশে-বিদেশে এত বিনিয়োগ করে কীভাবে?’—প্রধানমন্ত্রীর এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনূস সেন্টার বলছে, ‘প্রফেসর ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের কোনও টাকা খেয়ে ফেলেননি। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তার কর্মকালীন সময়ে বেতনের বাইরে তিনি আর কোনও অর্থ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করেননি। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্যও কোনও সময় তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা খরচ করেননি। দেশে ও দেশের বাইরে বিনিয়োগ করতে তিনি ব্যাংকের টাকা নিয়েছেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। বর্তমান সরকার দেশের সমস্ত ব্যাংকের সকল শাখা থেকে তার ব্যাংক হিসাবগুলো তদন্ত করে দেখতে আদেশ দিয়েছিল। মিডিয়াতে এই আদেশ ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। তার ট্যাক্স রিটার্নসমূহ বহুবার পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এসব তদন্তে কোনরূপ অনিয়ম কোনও কর্তৃপক্ষ খুঁজে পেয়েছে এরকম কোনও সংবাদ আমরা কখনও পাইনি। গ্রামীণ ব্যাংকের অনিয়ম খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে সরকার গঠিত একটি রিভিউ কমিটি ও একটি কমিশন বহু চেষ্টা করেও এ ধরনের অর্থ অপসারণের কোনও তথ্য বের করতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের সকল হিসাব ও আর্থিক বিষয়াদি নিরীক্ষা করে দেখে। এর কোনও রিপোর্টে প্রফেসর ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কোনও টাকা সরিয়েছেন এমন কথা বলা হয়নি। প্রফেসর ইউনূস নিয়মিতভাবে তার কর পরিশোধ করেন এবং ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেন।’

এতে আরও বলা হয়, প্রফেসর ইউনূসের আয়ের উৎস তিনটি। এগুলো হলো বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সম্মেলনে বক্তা হিসেবে প্রদত্ত ভাষণের জন্য লেকচার ফি। তিনি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী ফি প্রাপ্ত বক্তাদের অন্যতম। পৃথিবীর ২৫টি ভাষায় প্রকাশিত তার বইগুলোর রয়্যালটি। তার বইগুলোর মধ্যে কোনও কোনওটি নিউইয়র্ক টাইমস-এর বেস্ট সেলার তালিকাভুক্ত। তৃতীয় উৎস প্রথম ও দ্বিতীয় উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে তা থেকে আয়। প্রথম ও দ্বিতীয় উৎস থেকে প্রতিটি প্রাপ্তির তথ্য কর কর্তৃপক্ষের নিকট নিয়মিত জমা দেওয়া হয়। সুতরাং তার আয়ের উৎস সম্বন্ধে কিছু না জানার কোনও প্রশ্নই উঠতে পারে না। তার লেকচার ও বই থেকে প্রাপ্ত সমস্ত আয় তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে গ্রহণ করেন। ব্যাংকগুলি থেকে পাওয়া এ সংক্রান্ত ডকুমেন্ট কর কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দেওয়া হয়। ফলে তার আয়ের উৎস সরকারের অজানা একথা একেবারেই সত্য নয়।

ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে ৩ লাখ ডলার অনুদানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে বলা হয়, প্রফেসর ইউনূস কখনোই ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে কোনও অনুদান দেননি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে।

 গ্রামীণফোনের একটি  টাকাও সে গ্রামীণ ব্যাংকে দেননি বলে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে লভ্যাংশ প্রদান করার কোনও কথা ছিল না। গ্রামীণ ব্যাংক এই জয়েন্ট ভেঞ্চারের কোনও পক্ষ ছিল না। এই জয়েন্ট ভেঞ্চার গ্রামীণফোনের প্রধান অংশীদার নরওয়ের কোম্পানি টেলিনর, যা নরওয়ে সরকারের মালিকানাধীন। প্রফেসর ইউনূস কোনওকালেই গ্রামীণফোনের কোনও শেয়ারের মালিক ছিলেন না। এখনো কোনও শেয়ার নেই। শেয়ার কেনার ইচ্ছাও তার ছিল না। গ্রামীণ টেলিকম দরিদ্র নারী উদ্যোক্তাদের কাছে গ্রামাঞ্চলে ফোন সার্ভিস বিক্রি করতে ‘পল্লী ফোন কর্মসূচি’ চালু করেছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে গ্রামীণ টেলিকমই প্রথম কোম্পানি যা দরিদ্র মানুষের কাছে, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের কাছে এবং গ্রামাঞ্চলে টেলিফোন সেবা পৌঁছে দিয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোনও একটি ফাউন্ডেশনে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ দিয়েছিলেন- এক আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য সম্প্রতি এমন বক্তব্য দিয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত হবে কি না- এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা সাংবাদিক। আপনারাও তো তদন্ত করতে পারেন।  এই প্রসঙ্গ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনও ট্রাস্ট থেকে ৬ কোটি টাকা বা অন্য কোনও অঙ্কের টাকা ২০২০ সালে বা অন্য কোনও সময়  প্রফেসর ইউনূসের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়নি। তিনি কোনও ফাউন্ডেশনে ৬ মিলিয়ন ডলার অনুদানও দেননি। এটা সম্পূর্ণ একটা কল্পনাপ্রসূত এবং মানহানিকর অভিযোগ। আগেই বলা হয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলো থেকে প্রফেসর ইউনূসের ব্যাংকিং বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করেছে তাই সকল তথ্যই সরকারের কাছে আছে।

ড. ইউনূস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিপক্ষের আইনজীবীকে ড۔ ইউনূসের ১২ কোটি টাকা ঘুষ প্রদান

প্রকাশ: ০৭:৪৮ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail বিপক্ষের আইনজীবীকে ড۔ ইউনূসের ১২ কোটি টাকা ঘুষ প্রদান

শ্রমিক কর্মচারীদের আইনজীবীকে ১২ কোটি টাকায় কেনার অভিযোগ উঠেছে ড۔ ইউনূসের বিরুদ্ধে l ড۔ ইউনূসের কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা করেছিল গ্রামীণ টেলিকমের সংক্ষুব্দ শ্রমিক কর্মচারীরা l এই মামলায় এমন কিছু বিষয় উঠে আসে  যার কারণে ড۔ ইউনূসের কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকম যেকোনো উপায়ে শ্রমিক- কর্মচারীদের সঙ্গে আপোষ মিমাংসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে l এ লক্ষ্যে প্রায় তিনশো কোটি টাকা দিয়ে তার কোম্পানি শ্রমিক কর্মচারীদের সাথে আপোষ মীমাংসা করে এবং শ্রমিক কর্মচারীরা তাদের মামলা গুলো প্রত্যাহার করে নেয় l  জানা যায়, ঐ মামলাগুলোতে ড۔ ইউনূসের কোম্পানির বিরুদ্ধে এমন কিছু বেআইনি ও অনৈতিক বিষয় উঠে আসে, যেগুলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ঐ কোম্পানির কর্ণধারের বিরুদ্ধে তীব্র জনমত তৈরী হতে পারে l মূলত সেকারণেই মামলা গুলো প্রত্যাহার করাতে মরিয়া হয়ে উঠে ড۔ ইউনুস এবং সংশ্লিষ্টরা l

ড۔ ইউনূসের কোম্পানির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেয়ার পর আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে l  গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক ইউনিয়ন ফান্ড থেকে ড۔ ইউনূসের বিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলীকে  ১২ কোটি দিয়েছে গ্রামীণ টেলিকম l সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, এই টাকা মূলত ঘুষ হিসেবে দেয়া হয়েছে l 
 
আইনজীবীর মাধ্যমে শ্রমিক কর্মচারীদের আপোষ মীমাংসায় রাজি করানোর বিষয়টি প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলেও মূলত আইনজীবীদের  বেআইনি ও অনৈতিকভাবে পক্ষে রাখার উদ্দেশ্যে এবং পাশাপাশি বেআইনি ও অনৈতিক কিছু কাজ করানোর জন্য এই বিপুল টাকা দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন l

ইতোপূর্বে গ্রামীণ টেলিকমের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা  সরাসরি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শ্রমিক কর্মচারিদের দাবির বিষয়ে দেশের মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্টদের প্রভাবিত করার জন্য  ড۔ ইউনূসের কোম্পানি বিপুল পরিমান অর্থের ব্যবস্থা রেখেছে l গ্রামীণ টেলিকমের উক্ত কর্মকর্তার বক্তব্যের এই অডিও ও ভিডিও দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিল l এই নিয়ে তখন দেশে হৈচৈ পড়েছিল l বাংলাদেশী একটি  কোম্পানি কীভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে টাকা দিয়ে কেনার জন্য বিপুল পরিমান অর্থ প্রস্তুত রাখে এবং সেই কোম্পানির দায়িত্বশীল ব্যক্তি কোনোরূপ রাক ঢাক না করে সেটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করে- সেটি দেশের মানুষ গণমাধ্যমে দেখে অবাক হয়েছে l 

অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবীকে ১২ কোটি টাকা দেয়ার বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে l তারা বলছেন,  বিপক্ষের আইনজীবীকে টাকা দেয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় l উপরন্তু ১২ কোটি টাকার মতো বিপুল পরিমান অর্থ আইনজীবীর ফী হতে পারে না l তাহলে এই ১২ কোটি টাকা কেন দেয়া হলো এবং এই টাকা কারা পেলো? আইন অঙ্গনের সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, বিপক্ষের আইনজীবীকে এই বিপুল পরিমান টাকা দেয়ার ঘটনাটি একটি বেআইনি কাজ l এই বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন সহ দেশের অন্যান্য ফিনান্সিয়াল রেগুলেশন এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এবার বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতেও নিষিদ্ধ হচ্ছে মোটর বাইক!

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কে (ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে) অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য অনুমোদিত সব ধরনের যানবাহনের জন্য টোল নির্ধারণ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।  পাশাপাশি এই এক্সপ্রেসওয়ে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধের কথাও ভাবছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। ইতোমধ্যে এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

রাজধানীর সড়ক ভবনে বুধবার (২৯ জুন) সওজের সঙ্গে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশনের এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান সওজের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তবে সার্ভিস লেনে মোটরবাইক চলাচল করতে পারবে।

এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান সওজের প্রধান প্রকৌশলী।

গত ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। পরদিন সবার জন্য পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। তবে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল চলাচলের কারণে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ জুন ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতুতে নিষিদ্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল।

বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়ে  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ৭৮ উপ-সচিব

প্রকাশ: ০৯:৪৮ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ৭৮ উপ-সচিব

যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ৭৮ জন উপ-সচিব। 

বুধবার (২৯ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পদোন্নতি দিয়ে তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম-সচিব) করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র Email: sa1@mopa.gov.bd এ প্রেরণ করবেন।

যুগ্ম সচিব   পদোন্নতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন