ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

প্রকাশ: ০৮:৫৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছেন।
 
নিহতরা হলেন- মামলার তিন নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার বাসিন্দা রফিক মিয়ার ছেলে মো.সাব্বির হোসেন (২৮) ও মামলার পাঁচ নম্বর আসামি সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন (৩২)। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিষয়টি জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, সোমবার রাত সোয়া ১২টায় খবর পাই আলোচিত এই জোড়া খুনের  মামলার এজহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা সংরাইশ ও নবগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা এবং ডিবি পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রাত প্রায় ১টার দিকে সদর উপজেলার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের সংরাইশ বালুমহল সংলগ্ন এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের টিম পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।

এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে ওই দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, একটি পাইপ গান, পিস্তলের অব্যবহৃত গুলি, গুলির খোসা এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কুসিক ১৭নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল (৫০) ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে (৫৫)। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো পাঁচজন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ছাগলকাণ্ড তুলে ধরা সেই ‘অ্যাকাউন্ট’ স্থগিত করেছে ফেসবুক

প্রকাশ: ১০:১৮ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ছাগল-কাণ্ড সামনে আনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সাইয়েদ আবদুল্লাহর অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে ফেসবুক। ফেসবুকের নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে সাইদের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে ফেসবুক।

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে ১২ লাখ টাকার ছাগলের বায়না করা তরুণ মুশফিকুর রহমান ইফাতের কর্মকাণ্ড, তার পরিচয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (অপসারিত) মো. মতিউর রহমানকে নিয়ে একাধিক বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন এই ঢাবি শিক্ষার্থী। যা ফেসবুকের নীতিমালা লঙ্ঘন বলে ফেসবুক জানিয়েছে তাকে।

ইফাতের ছাগলকাণ্ডের ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার মুখে ইফাতকে ছেলে নয় বলে অস্বীকার করেন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমান। কিন্তু সাইয়েদ আবদুল্লাহর অনুসন্ধান ও গণমাধ্যমের খবরে বেরিয়ে আসে এনবিআরের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান ইফাত। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে মতিউর পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে আসছে।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হারানোর বিষয়ে সাইয়েদ আবদুল্লাহ জানান, ‘পূর্বের আইডির জন্য প্রথম দিকে আপিল করা যাচ্ছিল না। এখন আপিল করার যোগ্য এবং আপিল করা হচ্ছে খুব সিরিয়াসলি। এটা খুবই টার্গেটেডভাবে ভাড়া করা লোক দিয়ে সাইবার অ্যাটাক করা হয়েছিল।’ 

তিনি বলেন, আমার পূর্বের আইডির নামে অনেকগুলো পেজ খোলা হয়েছে। আমি গতকাল রাতে Voice of saiyed Abdullah নামে একটি পেজ খুলেছি। এখন থেকে যাবতীয় আপডেট এখানে পাওয়া যাবে। পূর্বের আইডি ব্যাক পেলেও বর্তমান পেইজেই পরবর্তী সকল আপডেট পাওয়া যাবে। 


ছাগলকাণ্ড   ফেসবুক   মতিউর রহমান   এনবিআর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জামিনে মুক্তি পেলেন সেই পাপিয়া

প্রকাশ: ০৯:২৬ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া। সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে বের হন তিনি।

কুমিল্লা জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাপিয়া জামিনে কারামুক্ত হন। এর আগে দুপুরে তার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এলে তা যাচাই–বাছাই করে তাকে কারামুক্ত করা হয়। 

এর আগে কাশিমপুর কারাগারে ছিলেন পাপিয়া। সেখানে এক নারী বন্দির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এরপরই ২০২৩ সালের ৩ জুলাই তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন এবং অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তাদের কাছ থেকে ৭টি পাসপোর্ট, ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ মার্কিন ডলার এবং ৭টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি পাপিয়ার ইন্দিরা রোডের বাসায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, পাঁচটি পাসপোর্ট, তিনটি চেক, বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়।

ওই ঘটনায় পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মাদক ও অস্ত্র মামলা, গুলশান থানায় মানি লন্ডারিংয়ের মামলা, বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে (জাল টাকার) মামলা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় পাপিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের আরেক পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।

চার্জশিটে বলা হয়, অবৈধভাবে পাঁচ কোটি টাকার মালিক হন পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান। এই টাকার কথা কেউ যাতে জানতে না পারে, সেজন্য তা ব্যাংকে না রেখে বাসার খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। বাসায় এত টাকা রাখার তথ্য স্ত্রী পাপিয়াকেও জানাননি তিনি। তবে মফিজুর যখন ভারতে অবস্থান করেন, তখন পাপিয়া বাসার খাটের নিচে টাকা থাকার তথ্য জেনে যান এবং এই অবৈধ টাকা পরবর্তীতে খরচ করেন। এর মধ্যে হোটেল ভাড়া দেন তিন কোটি টাকার বেশি।

এরপর ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে অস্ত্র মামলায় ২০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পাপিয়া   শামীমা নূর পাপিয়া   কুমিল্লা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁস, এক পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করায় গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

জিসানুল হক গাজীপুর মহানগর পুলিশের বৈধ আড়ি পাতা শাখায় (এলআইসি) কর্মরত ছিলেন। সাবেক ডিএমপি কমিশনারের ব্যক্তিগত তথ্য তিনি প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জিএমপির সিটিএসবি অ্যান্ড প্রটেকশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯(১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২(১) অনুযায়ী সরকারি চাকুরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা সমীচীন মর্মে বিবেচিত হওয়ায় এতদ্বারা তাকে সরকারি চাকুরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

এর আগে, গত ১৯ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করার সুপারিশ করে একটি চিঠি দেয় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। এতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ জুন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) থেকে জাওয়াদ নির্ঝর নামের একটি ফেইসবুক আইডির একটি পোস্টে ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে নিয়ে একটি পোস্ট পাওয়া যায়। পোস্টের কমেন্ট সেকশনে জাওয়াদ নির্ঝর নামের একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের লিংক উদ্ধৃত থাকে। টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রবেশ করলে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৫৬ মিনিটে ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ইএসএএফ ফর্ম সম্বলিত একটি টেলিগ্রাম পোস্ট পাওয়া যায়। এর কিউআর কোড পর্যালোচনায় ইএসএএফটি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার এনটিএমসির এনআইপি সার্ভার থেকে এএসআই মো. আরিফ হোসেনের আইডি থেকে ডাউনলোড হয়।

এতে আরও বলা হয়, জিএমপির ডিবির (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁনের দাখিলকরা অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, জিসানুল হক তার সরকারি মোবাইল নাম্বারের হোয়্যাটসঅ্যাপ থেকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এলআইসি শাখায় কর্মরত এসআই পরিমল চন্দ্র দাসের ব্যক্তিগত হোয়্যাটসঅ্যাপে আছাদুজ্জামান মিয়ার মোবাইল নম্বরের এনআইডি চেয়ে মেসেজ দেন। এ প্রেক্ষিতে পরিমল চন্দ্র দাস সরকারী নিপ সেবা হটলাইন নাম্বারে এনআইডি সরবরাহের বার্তা দেন। বার্তা পেয়ে ওই দিন রাত ৮টা ৩৯ মিনিটে এলআইসিতে ডিউটিরত এএসআই মো. আরিফ হোসেন তার নিপ আইডি থেকে ইএসএএফ ডাউনলোড করে হটলাইনের হোয়্যাটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসআই পরিমল চন্দ্র দাসের হোয়্যাটসঅ্যাপ নাম্বারে পাঠান।

চিঠিতে বলা হয়, পরদিন পরিমল চন্দ্র দাস এটি জিসানুল হকের সরকারি মোবাইল নাম্বারের হোয়্যাটসঅ্যাপে পাঠান। উক্ত লগইন জিএমপির এলআইসিতে রক্ষিত রেজিস্টারেও পাওয়া যায়। স্পর্শকাতর তথ্য সরকারি উদ্দেশ্য ব্যতীত সংগ্রহ করা অপেশাদার সুলভ আচরণ এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড হিসেবে পরিগণিত। এ অবস্থায় জিসানুল হকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্বলিত প্রতিবেদন প্রেরণ সাপেক্ষে বর্ণিত কর্মকর্তাকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্তপূর্বক রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

আছাদুজ্জামান মিয়া   তথ্য ফাঁস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেষ কর্মদিবসে অবরুদ্ধ বুয়েটের উপাচার্য

প্রকাশ: ০৭:৩৯ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

শেষ কর্মদিবসে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর উপাচার্য ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার। পদোন্নতি নীতিমালা বহালের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে অবরুদ্ধ করেন।

সোমবার (২৪ জুন) বিকালে তাকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। 

জানা যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত গত বছরের ২৭ ডিসেম্বরের একটি সিদ্ধান্ত আজ অফিস আদেশ হিসেবে দেখানো হলে কর্মকর্তা কর্মচারীরা ফুঁসে উঠেন। বিকেল চারটা থেকে তা বাতিলের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা। উপাচার্যের শেষ কর্মদিবস হওয়ায় আজকেই এই আদেশ বাতিল চান তারা।

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স কমিটির ৫৫তম অধিবেশনের কার্যবিবারনীর প্রস্তাব নং ফ ২০৩০৭০৫ এর সিদ্ধান্ত নিম্নরূপে পরিবর্তন করে ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪০তম সভায় নিম্নবর্ণিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ঃ

(ক) ২৭-১২-২০২৩ তারিখের পরবর্তী সময়ে নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল প্রাপ্যতার জন্য বিবেচিত হবেন না।

(খ) নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে যাদেরকে পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল প্রদান করা হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকবে। নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে যাদেরকে পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল প্রদান করা হয়েছে, তাদের চাকুরী শেষ হলে/পদত্যাগ করলে/অপসারণ/ পদচ্যুত করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের অর্গানোগ্রাম বর্হিভূত পদ বিলুপ্ত হবে এবং অর্গানোগ্রামভূক্ত মূল পদ শূন্য হবে।

(গ) ২৭-১২-২০২৩ তারিখের পরবর্তী সময়ে প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল প্রদানে সরকারি নীতিমালা এবং ইউজিসি অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম প্রযোজ্য হবে। কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারী যদি সরকারি নীতিমালায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রণীত নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে প্রাপ্ত গ্রেডের চেয়ে উচ্চতর গ্রেড অথবা পদ প্রাপ্ত হন তাহলে তা প্রদান করা হবে।

(ঘ) উপরের সকল সিদ্ধান্ত উল্লেখপূর্বক অনুমোদনের জন্য ইউজিসিতে প্রেরণ করা হবে।

বুয়েট উপাচার্য   ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার   পদোন্নতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদ্মা নদীতে ডুবে প্রাণ গেল ৩ শিশুর

প্রকাশ: ০৭:২৮ পিএম, ২৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পদ্মা নদীতে গোসলে নেমেছিলেন আপন দুই ভাই সাব্বির ও সিয়াম। তাদের সাথে ছিলেন বন্ধু নুর হোসেন। সবার বয়স ১০ থেকে ১২ বছর। নদীতে গোসলে নামার পর পানির নীচে তলিয়ে যায় তারা। পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। 

 

সোমবার (২৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের ভাদুরিয়া ডাঙ্গীর পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

মৃতরা হলো, চরতারাপুর ইউনিয়নের নতুন গোহাইলবাড়ি গ্রামের আলাল প্রামানিকের দুই ছেলে নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সাব্বির হোসেন (১২) ও গোহাইলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সিয়াম হোসেন (১০) । 

 

অপরজন হলো একই ইউনিয়নের আটঘরিয়াপাড়া গ্রামের ইসলাম সরদারের ছেলে কাঁচিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নূর হোসেন (১০) । 

 

স্থানীয়রা জানান, দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশের পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায় তারা চারজন। গোসলে নাম্বার এক পর্যায়ে উচু নিচু হয়ে থাকা বালুর স্তুপের উপর দাড়াঁনোর সঙ্গে সঙ্গে বালু ধ্বসে পানিতে দ্রুত ডুবে যায়। তাদের ঢুকতে দেখে স্থানীয় লোকজন বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনরা একজনকে জীবিত উদ্ধার করে। অপর তিনজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

 

এদিকে একই এলাকার তিনজনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতের বাবা আলাল হোসেন বলেন, আমি এখন কেমন করে বেঁচে থাকব। আমিতো একেবারে এতিম হয়ে গেলাম। দুই ছেলে একইসাথে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলো।

 

চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, কয়েকজন বন্ধু মিলে পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ৪ জন তলিয়ে যায়। একজনকে বাঁচানো গেলেও তিনজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অল্প কয়েক মিনিটের ব্যবধানে একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুতে পুরো গ্রাম এখন শোকে স্তব্ধ।

 

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একসঙ্গে গোসলে নেমে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। 


পানিতে ডুবে মৃত্যু   শিশু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন