ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

প্রকাশ: ০৮:৫৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছেন।
 
নিহতরা হলেন- মামলার তিন নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার বাসিন্দা রফিক মিয়ার ছেলে মো.সাব্বির হোসেন (২৮) ও মামলার পাঁচ নম্বর আসামি সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন (৩২)। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিষয়টি জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, সোমবার রাত সোয়া ১২টায় খবর পাই আলোচিত এই জোড়া খুনের  মামলার এজহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা সংরাইশ ও নবগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা এবং ডিবি পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রাত প্রায় ১টার দিকে সদর উপজেলার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের সংরাইশ বালুমহল সংলগ্ন এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের টিম পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।

এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে ওই দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, একটি পাইপ গান, পিস্তলের অব্যবহৃত গুলি, গুলির খোসা এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কুসিক ১৭নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল (৫০) ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে (৫৫)। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো পাঁচজন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীর নিয়মিত অগ্নিদুর্ঘটনায় শুধু দায় চাপানোর চেষ্টা

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর স্মরণে মানববন্ধনে দাঁড়ান বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা অগ্নিদুর্ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন।

রাজধানীতে বড় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেই দেখা যায়, কোনো না কোনো সরকারি সংস্থার গাফিলতি ও তদারকির অভাব ছিল। ২০১০ সালে পুরান ঢাকার নিমতলীর আগুন থেকে শুরু করে সর্বশেষ বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড চিত্রটি একই। কিন্তু কোনো ঘটনায় সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সম্প্রতি বেইলি রোডের আটতলা ভবন গ্রিন কোজি কটেজে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর পর সামনে এসেছে একই গাফিলতির চিত্র।

এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে যে মামলা করেছে তার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দোকান পরিদর্শকদের ‘ম্যানেজ’ করে ভবনে অবৈধভাবে রেস্তোরাঁ পরিচালনা করা হচ্ছিল।

পুলিশের মামলাটিতে নাম উল্লেখ করে ভবনের মালিক প্রতিষ্ঠান, রেস্তোরার মালিক ও ভবনের তত্ত্বাবধায়ককে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি কোনো সংস্থা বা সংস্থার কোনো কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিদর্শনে ভবনে অগ্নিঝুঁকির চিত্র নিয়মিতই বেরিয়ে আসে। যেমন ২০২৩ সালে তারা সারা দেশে ৫ হাজার ৩৭৪টি ভবন পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ২ হাজার ১১৮টি ভবনে ঝুঁকি খুঁজে পায়। ৪২৪টি ভবনকে তারা অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ঢাকায় বিগত পাঁচ বছরে হওয়া অন্তত ৯টি বড় অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর তদারকির দায়িত্বে থাকা সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা নিজেদের দায় অন্য সংস্থার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

কোন কোন ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার তদন্তে সরকারি সংস্থার গাফিলতির চিত্র উঠে আসে। কিন্তু তাদের ‘দায়মুক্তি’ দেওয়া হয়। এবার এভাবে দায়মুক্তি দেওয়ার সমালোচনা করলেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য এবং সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২ মার্চ) জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, ২০১৯ সালে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনের ঘটনা তদন্ত করে ৬২ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।

তিনি গতকাল সংসদে আরও বলেন, ‘আমরা সে সময় ১ হাজার ৩০০ ভবনকে চিহ্নিত করেছিলাম, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে, যে ভবনের প্ল্যান (নকশা) ঠিক নেই, যে ভবনের অধিকাংশ ফ্লোর (তলা) অননুমোদিতভাবে করা হয়েছে, সে ভবনগুলো কিন্তু ভাঙা সম্ভব হয়নি। এটাও কিন্তু একপ্রকার দায়মুক্তি দেওয়া।’

গতকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেনও সরকারি সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বলেন, রাজউকের আরও বেশি সজাগ হওয়া উচিত।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের আগুনে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৪ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। দুজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার তদন্তে সরকারি সংস্থার গাফিলতির চিত্র উঠে আসে। কিন্তু তাদের ‘দায়মুক্তি’ দেওয়া হয়।

নিয়মিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটু পেছনে ফেরা যাক তবে কি

২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টায় রাসায়নিক গুদামে বিস্ফোরণে ৭১ জনের মৃত্যু হয়।

এর এক মাস পরই বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

২০২১ সালে ঢাকার মগবাজারে একটি ভবনে এবং ২০২৩ সালে সিদ্দিক বাজার ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকার দুটি ভবনে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪৪ জন।

২০২৩ সালে ঢাকার বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট ও কৃষি মার্কেটে আগুন লাগে। এতে হতাহতের ঘটনা কম। তবে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি। ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডের আরও ঘটনা রয়েছে, সেসব ঘটনায় মৃত্যুও হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিদর্শনে ভবনে অগ্নিঝুঁকির চিত্র নিয়মিতই বেরিয়ে আসে। যেমন ২০২৩ সালে তারা সারা দেশে ৫ হাজার ৩৭৪টি ভবন পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ২ হাজার ১১৮টি ভবনে ঝুঁকি খুঁজে পায়। ৪২৪টি ভবনকে তারা অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০২০ সাল থেকে চার বছরে ফায়ার সার্ভিস ২৪ হাজার ১৯৩টি ভবন পরিদর্শন করেছে। ভবনগুলোর মধ্যে ৭ হাজার ৮০১টিতে অগ্নিঝুঁকি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০৩টি অতি অগ্নিঝুঁকিতে ছিল। সব কটি ভবন কর্তৃপক্ষকেই অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, ২০২০ সাল থেকে ঢাকায় যেসব ভবনে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সব কটিই তাদের ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় ছিল। ফলে দেখা যাচ্ছে, যথাসময়ে অগ্নিঝুঁকি নিবারণে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতি কম হওয়ার সুযোগ ছিল।

বেইলি রোডের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যুর পর ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটি যে অগ্নিঝুঁকিতে ছিল, তা তিন দফা চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন তাঁরা। কোনো ভবন কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ফায়ার সার্ভিস কেন শুধু চিঠি দেয়, কেন ভবন সিলগালা করা হয় না, সেটা জানতে চাওয়া হয়েছিল সংস্থাটির পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, অগ্নিপ্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইনে (২০০৩) তাঁদের মামলা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে বিধিমালা স্থগিত আছে।

এ কারণে চিঠি দেওয়া ছাড়া তাঁদের করার কিছু থাকে না। তিনি বলেন, ব্যবস্থা নিতে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের এপ্রিলে মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে ঢাকার ফুলবাড়িয়ার বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের চারটি বিপণিবিতান ও ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ) বিপণিবিতানে ভয়াবহ আগুন লাগে। এই পাঁচটি বিপণিবিতানই অতি ঝুঁকিপূর্ণ বলে একাধিকবার সতর্ক করেছিল ফায়ার সার্ভিস। বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সকে ১০ বার চিঠি দেওয়া হয়েছিল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকেও চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল। তবে কেউ ব্যবস্থা নেয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স ও ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা বলে কিছু ছিল না।

২০১৯ সালের পর ফায়ার সার্ভিস ঢাকার বিপণিবিতানগুলো পরিদর্শন করে ১ হাজার ৪৮টি বিপণিবিতানকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। বিপণিবিতান কর্তৃপক্ষ ও সিটি করপোরেশনকে একাধিকবার চিঠি দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এখানে দোষারোপ করে আসলে লাভ নেই। অনেক বিপণিবিতান আছে ঝুঁকিপূর্ণ, যেগুলো ভেঙে ফেলা প্রয়োজন।

কিন্তু ভবন না ভাঙার বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা নিয়ে আসে বিপণিবিতানের দোকান মালিক সমিতি। ফলে সেখানে কিছু করার থাকে না। তিনি বলেন, বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স ভাঙতে গিয়েও সিটি করপোরেশন একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল।

বেইলি রোডের আগুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) গতকাল একটি মানববন্ধন করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সেখানে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আজকে নাহিয়ান কালকে কে?’ ‘এই দায়িত্বহীনতার দায়ভার কার?’

বেইলি রোডে আগুনেও সিটি করপোরেশনের দায় রয়েছে বলে মনে করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। তাঁরা বলছেন, অনুমোদন ছাড়া ভবনজুড়ে রেস্তোরাঁ ও দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সিটি করপোরেশন ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছে।

জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটির সিইও মিজানুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার সময় নাগরিকদের সেবাটা যেন সহজ হয় সেটা চিন্তা করা হয়। চুক্তিপত্র ও সাধারণ কয়েকটি বিষয় দেখে ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হয়।

বেইলি রোডে আগুনে হতাহতের স্বজনেরা বলছেন, রাজউক কিছু দেখবে না, সিটি করপোরেশন লাইসেন্স দিয়ে দেবে, ফায়ার সার্ভিস শুধু চিঠি দেবে—তাহলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে কী করে। বেইলি রোডের আগুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) গতকাল একটি মানববন্ধন করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সেখানে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আজকে নাহিয়ান কালকে কে?’ ‘এই দায়িত্বহীনতার দায়ভার কার?’

ঢাকার মগবাজার, সিদ্দিক বাজার ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকার তিনটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তকারীদের ভাষ্যমতে, সব কটি বিস্ফোরণ ঘটে পাইপলাইনের ছিদ্র দিয়ে বের হওয়া গ্যাস জমে। এ ক্ষেত্রে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে কোন ঘটনায় কে দায়ী, তা নিরূপণ করা যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তিতাসের দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না, মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মগবাজার ও সিদ্দিক বাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার রহমতউল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দুটি মামলাতেই শিগগিরই আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

সিদ্দিক বাজারে কুইন স্যানিটারি মার্কেট হিসেবে পরিচিত সাততলা ভবনের বেজমেন্টে গত বছরের ৭ মার্চ বিস্ফোরণে ২৬ জনের মৃত্যুর পর জানা যায়, রাজউকের অনুমোদন না নিয়েই পাঁচতলা ভবন সাততলা করা হয়।

এর আগে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় রাসায়নিক গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনায় সিটি করপোরেশন, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস, বিস্ফোরক পরিদপ্তরসহ সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকির ঘাটতি উঠে এসেছিল।

চুড়িহাট্টার ঘটনায় বাবা হারানো এক ছেলে বলেন, ঘটনাটির প্রায় পাঁচ বছর হয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত শুধু মামলার বাদী হিসেবে তাঁর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে; আর কারও নয়। তিনি বলেন, মামলা কত দিন চলবে, ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয়ে রয়েছেন।

২০১০ সালে নিমতলীতে রাসায়নিক গুদাম থেকে ছড়ানো আগুনে ১২৬ জনের মৃত্যুর পরও বিভিন্ন সংস্থার গাফিলতির চিত্র উঠে আসে। তখন থেকেই বলা হচ্ছে, পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহাম্মেদ খান বলেন, অগ্নিঝুঁকিতে থাকা ভবনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে ফায়ার সার্ভিস, সিটি করপোরেশন, রাজউকসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে; তা না হলে দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

চুড়িহাট্টায় আগুনের পর পুরান ঢাকাকে রাসায়নিকমুক্ত করতে সব সংস্থার সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে অভিযান শুরু হয়েছিল। কিছুদিন পরই তা থেমে যায়।


অগ্নিদুর্ঘটনা   অগ্নিকাণ্ড   বেইলি রোড   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন

প্রকাশ: ০৮:৫৭ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ। সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে থাকছে ৩৫৬টি প্রস্তাব। আলোচনায় গুরুত্ব পাবে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ ইত্যাদি।

রোববার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ডিসি সম্মেলন-২০২৪-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেষ হবে বুধবার (৬ মার্চ)।

গতকাল শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এ কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এবারের ডিসি সম্মেলন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। গত সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ছিল। স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে জেলা প্রশাসকরা সৌজন্য সাক্ষাৎ, সদয় নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সামরিক-বেসামরিক সমন্বয় বিষয়ক অধিবেশন সংযুক্ত করা হয়েছে।

এবারের সম্মেলনে সর্বমোট অধিবেশন ৩০টি। কার্য-অধিবেশন ২৫টি (একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, একটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় এবং একটি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সদয় নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা একটি। এছাড়া অংশগ্রহণকারী কার্যালয়: একটি (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)। একই সঙ্গে ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কার্যালয় ও সংস্থা সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রায় ৩৫৬টি প্রস্তাবনা জমা পড়েছে।

প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর জনসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশি সংখ্যক প্রস্তাব পড়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে ২২টি। গত বছরও একইভাবে ডিসিরা প্রায় আড়াইশ প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো: ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম-সৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্ন্যান্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এবারের ডিসি সম্মেলনে প্রথমবারের মতো সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা বিভাগীয় কমিশনার ও ডি‌সি‌দের কাছে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। এজন্য সম্মেলনের প্রথম দিন (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ‘উন্নয়নে মাঠ প্রশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়/ বিভাগ/ কার্যালয়ের যথাযথ তৎপরতা, আন্তরিকতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৩ এ গৃহীত সিদ্ধান্তের শতকরা ৬২ ভাগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে৷ 


ডিসি সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আজ বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস

প্রকাশ: ০৮:৪৯ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস আজ রোববার (৩ মার্চ)। বিপন্ন উপকূলের বন্যপ্রাণী। একটা সময় অহরহ বন্য প্রাণীর দেখা মিললেও এখন আর বন্যপ্রাণীদের দেখা মেলেনা। এখন আর শোনা যায়না বসন্তে কোকিলের কুহূকণ্ঠের ধ্বনি। পঁচা আর মরা কোন প্রাণী খেতে শকুন কিংবা কাক আসেনা। এসব বন্যপ্রাণী এখন বিলুপ্তির পথে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, খাদ্য আর বাসস্থানের সংকট প্রকট হওয়ায় এমন সংকট দেখা দিয়েছে বলে

তারা আরও জানান, নিষ্ঠুরভাবে বন উজাড়, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং পাখি শিকারিদের ফাঁদে উপকূল থেকে বন্যপ্রাণীদের আশংকাজনকভাবে বিলুপ্তি ঘটেছে।

২০১৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ৬৮ তম সাধারণ অধিবেশনে বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ৩ মার্চ ঘোষণা করা হয়। ২০১৪ সালে প্রথম এ দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদগুলির প্রতি গণসচেতনা বৃদ্ধি করাই এ দিবসের মূল লক্ষ্য।

প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএনের গবেষণামতে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত প্রাণীর প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩১টি। তবে এ সংস্থাটির দাবি বাংলাদেশে ১হাজার ৬০০ এর বেশি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৯০টি একেবারে শেষ হওয়ার পথে।

 পরিবেশ ও প্রাণী নিয়ে কাজ করা সংবাদকর্মী মেজবাহ উদ্দিন মান্নু বলেন, বন উজাড়ের পাশাপাশি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে বেশি বয়সের গাছ না থাকা এবং খাদ্য সংকটে অস্তিত্ব সংকটে এসব বন্যপ্রাণী। সচেতনতা বৃদ্ধি করে এসব প্রাণীদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হবে সবাইকে।

এ্যানিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য মিরাজ মিজু বলেন, প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে বনাঞ্চলের ধ্বংস ও বন কর্মকর্তাদের উদাসিতায় বন উজাড় হওয়ায় অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হচ্ছে।

কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, উপকূল থেকে প্রতিবছরই কমছে বন্যপ্রাণী তবে আমরা সচেতন হলে কমে আসবে বিলুপ্তির পরিমাণ।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (উপকূলীয় বন বিভাগ) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক নগরায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আশংকাজনকভাবে বন্যপ্রাণীদের উপস্থিতি কমছে। আমরা বন উজাড় থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছি সবসময়।


বন্যপ্রাণী দিবস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গাজীপুরে ঝুট গুদামে ফের আগুন

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গাজীপুরের সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের মনিপুর এলাকায় তিনটি ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘণ্টা পর রাত ৪টা ৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন পর্যন্ত  প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে রাজেন্দ্রপুর মর্ডান ফায়ার স্টেশন ও শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিটের কর্মীরা।


আগুন   অগ্নিদণ্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সেমিনারে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের পথে ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ০৮:১৩ এএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডনের আয়োজনে একটি সেমিনারে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের পথে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

শনিবার (২ মার্চ) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

জানা গেছে, তিনি লন্ডনে আগামী ৪ মার্চ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত Transport for London (TFL, Consulting) কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন।


ডিএমপি কমিশনার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন