ইনসাইড বাংলাদেশ

হাফ ভাড়া কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি বাস মালিকরা: কাদের

প্রকাশ: ১১:১৮ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শর্ত সাপেক্ষে বেসরকারি বাস মালিকরা বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। হাফ ভাড়া কার্যকর সংক্রান্ত ঘোষণা আজই আসতে পারে বলে তিনি জানান।

আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর শাখা ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

সভার সূচনা বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহন মালিকদের সংগঠন শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে ১ ডিসেম্বর থেকে গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হাফ ভাড়া দেওয়া যাবে। তবে ছুটির দিনে হাফ ভাড়া দেওয়া যাবে না।


হাফ-ভাড়া   সেতুমন্ত্রী   শিক্ষার্থী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত: সম্পর্কের টানাপড়েন কি ঘুচবে?

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে এখন কূটনৈতিক মহলে নানামুখী আলোচনা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে টানাপোড়নের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বিদায় নিয়েছেন গত নভেম্বরে। নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে ঢাকায় আসছেন পিটার হ্যাস। প্রশ্ন উঠেছে যে, পিটার হ্যাস বাংলাদেশে এলে দুদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কি কোন পরিবর্তন ঘটবে। আর পিটার হ্যাসের মনোনয়ন এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কি বার্তা দিল। পিটার ডি হ্যাস একজন অর্থনীতি মনস্ক কূটনীতিক। তিনি তার ক্যারিয়ারের অর্থনৈতিক বিষয়ক কূটনীতির দিকেই বেশি মনোযোগী ছিলেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার আগে তিনি প্রিন্সিপাল ডেপুটি এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেছেন এবং তিনি অর্থনীতি এবং বাণিজ্য বিষয়টি দেখাশোনা করতেন স্টেট ডিপার্টমেন্টে। আর এর আগে যে সমস্ত কার্যকলাপের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন তার সবগুলোই অর্থনীতি নীতি-কৌশল বিষয়ক। তিনি মার্কিন বাণিজ্য নীতি এবং এ নিয়ে দরকষাকষির ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করেছিলেন। এছাড়া আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো যে, তিনি ভারতে কনসালটেন্ট জেনারেল হিসেবে মুম্বাইতে চাকরি করেছেন। আর তার এই ক্যারিয়ার বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে একটি সুনির্দিষ্ট নীতি এবং লক্ষ্য থেকে পিটার ডি হ্যাসকে মনোনয়ন দিয়েছেন।

গত এক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি করেছে এবং বাংলাদেশে এখন বড়বাজার। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ে যে চাপ দিচ্ছে তার পুরোটাই যে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ইত্যাদির কারণে সেটি সঠিক নয়। আবার জঙ্গিগোষ্ঠী, বিএনপি-জামায়েত যে লবিস্ট নিয়োগ করে মার্কিন প্রশাসনকে প্রভাবিত করছে এমন বক্তব্য পুরোটা সঠিক নয়। বরং বাংলাদেশের চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাজার দখল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম একটি লক্ষ্য বলে কূটনৈতিক মহল মনে করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে আধিক্য এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিচলিত এবং উদ্বিগ্ন করেছে। আর সে কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে অনেকেই মনে করেন। আর এই মনে করার সত্যতা পাওয়া যায় পিটার ডি হ্যাসের মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়নের মধ্যে দিয়ে। কারণ তিনি বাণিজ্য নীতি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত। তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক কি আরো বাড়াতে চায়? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে তার ব্যবসা বাণিজ্যর সম্প্রসারণ ঘটাতে চায়। আর এজন্য কি পিটার ডি হ্যাসকে মনোনয়ন দেওয়া হল?

পাশাপাশি পিটার ডি হ্যাস এক সময় ভারতে কাজ করেছেন। এই অঞ্চলে মার্কিন-ভারত যৌথভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে চায়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে চীনের আধিপত্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অনেক বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে চীন এখন অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করছে এমন কথা বলছেন পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা। আর সে কারণেই এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আসলে বাংলাদেশকে একটি নতুন বার্তা দিতে চায়। আর সেই বার্তাটি হল, চীন থেকে বাংলাদেশকে এখন একটু হলেও দূরে থাকতে হবে এবং ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে আরো নৈকট্য করতে হবে। পিটার হ্যাস বাংলাদেশে এসে তার মিশনে কতটুকু সফল হন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

'এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় রোহিঙ্গা সমাধান জরুরি'

প্রকাশ: ০৯:৪৯ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত জাপান দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অঞ্চলের (দক্ষিণ এশিয়া) শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে জাপান। এ সমস্যা সমাধানে দেশটি এ অঞ্চলে একটি ‘অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ বাস্তবায়ন ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে। একটি ‘অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ বাস্তবায়ন করা গেলে এটি এ অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য দেশটি কাজ করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে জাপান দূতাবাস।

জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, আমি রোহিঙ্গাদের রক্ষা করায় বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির নিবেদিত কাজের প্রশংসা করছি।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে বাংলাদেশে ছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ২০১৭ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও সেই প্রত্যাবাসন আজও শুরু হয়নি।


রোহিঙ্গা   জাপান   জাতিসংঘ   মিয়ানমার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সুতা-তুলা জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায়: ফায়ার সার্ভিস

প্রকাশ: ০৮:৪৪ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ফায়ার সার্ভিস আ্যন্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, জাহিন নিটওয়্যারস পোশাক কারখানাটির বেশিরভাগ বিল্ডিংয়েই কাপড়, সুতা, তুলা জাতীয় জিনিস রয়েছে। এ জাতীয় জিনিসে খুব সহজেই আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত ছড়ায়। 

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় অবস্থিত জাহিন টেক্সটাইল নামের একটি রপ্তানিমুখি পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, কাপড়, সুতা ও তুলার মতো পোশাক তৈরির কাঁচামাল মজুত থাকার কারণেই জাহিন নিটওয়্যারস পোশাক কারখানার আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
 
যখন চারটি ভবন একসঙ্গে জ্বলছিল এটার ভয়াবহতা ছিল অনেক বেশি। আমাদের ফায়ার ফাইটাররা আগুন লাগা চার ভবনের মধ্যে তিনটি ভবনের আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। একটি ভবন থেকে কিছু ধোঁয়া এখনো বের হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, আমরা বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আগুন লাগার খবর পাই। প্রথম ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। এরপর আমাদের সোনারগাঁয়ের ইউনিটও এখানে এসেছে, আশেপাশের এলাকা থেকেও কয়েকটি ইউনিট এসে কাজ করছে। আমরা পৌনে পাঁচটা থেকে কাজ শুরু করি। আগুন পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার পর বলতে পারবো এর সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ বলেন, কেউ নিখোঁজ এমন অভিযোগ আমরা পাইনি। বিল্ডিংগুলো যেহেতু স্টিলের সে কারণে আগুনে এগুলে গলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আগুন পুরোপুরি নিভলে আমরা তল্লাশি চালাবো। একইসঙ্গে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি দেখবে আগুনটা কীভাবে লেগেছে এবং কীভাবে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিংয়ে ছড়িয়েছে।

এর আগে বিকেল চারটার দিকে ওই পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর একে একে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন   গার্মেন্টস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেষ মুহূর্তে ফলাফল পজিটিভ আসায় প্রতিদিন ফ্লাইট বাতিল প্রায় ৫৫০ প্রবাসীর

প্রকাশ: ০৮:৪২ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মহামারি করোনাভাইরাস আবারও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে শেষ মুহূর্তে করোনা শনাক্ত হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ জন প্রবাসী কর্মীকে বিদেশে যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল করতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্তত ২০০ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী কর্মী বলে জানা গেছে।

গতকাল শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এরকম অবস্থায় অনেক প্রবাসী কর্মী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কর্মস্থলে ফিরে যাওয়া নিয়ে সংশয়ের মধ্যে পড়েছেন।

মাদারীপুরের বাসিন্দা প্রবাসী কর্মী জুমাদিন আহমেদ বলেন, আমার ২৬ জানুয়ারি দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। ফ্লাইটের ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা করতে দিয়েছিলাম। তখন নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু ফ্লাইটের ৬ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসে। এ কারণে শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হই। এখন তো বুঝতে পারছি না কী করব। 

নিয়ম অনুযায়ী, আরব আমিরাতে যেতে হলে যাত্রীর ফ্লাইটের ৬ ঘণ্টা আগের করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট থাকতে হবে।

আমিরাতগামী আরেক যাত্রী মোহাম্মদ রকিবুল হাসান জানান, ২৫ জানুয়ারি তার বিমানের ফ্লাইটে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফ্লাইটের ৬ ঘণ্টা আগে ঢাকায় করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ রেজাল্ট আসায় তিনি নির্ধারিত তারিখে ফ্লাইট করতে পারেননি।

জুমাদিন ও রাকিবুল দুজনেই জানান, তাদের ভিসার মেয়াদ ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে শেষ হয়ে যাবে এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে, তারা সমস্যায় পড়বেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাতিল করা ফ্লাইটের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের টিকিট পরিবর্তন করার এবং প্রায় ২ সপ্তাহ পরের ফ্লাইটে টিকেট বুক দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার ৫০০ যাত্রী বিদেশে যান। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই প্রবাসী কর্মী কর্মস্থলে যোগ দিতে দেশ ছাড়েন।

প্রবাসী কর্মীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, করোনা পজিটিভ হওয়ায় যারা ফ্লাইট বাতিল করেছেন, তাদের বেশিরভাগই কর্মস্থলে যোগদানের তারিখের কাছাকাছি সময় টিকেট করেছিলেন যেন ছুটির সর্বোচ্চ সময় তারা দেশে থাকতে পারেন।

কিন্তু বিদেশ যাওয়ার আগ মুহূর্তে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার কারণে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে ফ্লাইট বাতিল করা প্রবাসীদের অনেকেই জানিয়েছেন যে তাদের করোনার কোনো লক্ষণ নেই।

বিমানবন্দরের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার জানান, অনেকেই মনে করেন যে তারা করোনা আক্রান্ত হলে তাদের জ্বর, কাশি, সর্দি দেখে দেবে। কিন্তু এখন অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন, যাদের শরীরে কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

ডা. শাহরিয়ার বলেন, বিদেশগামী যাত্রীদের ফ্লাইটের অন্তত ৭ দিন আগে খুব সতর্ক থাকা উচিত। ফ্লাইটের তারিখের ৭ দিন আগে কেনাকাটা বা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করা যাবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, যদি কোনো বিদেশগামী যাত্রীর করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসে, তবে পরের ৭ দিনের মধ্যে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

২০২১ সালের জুনের নির্দেশনা বলা হয়, ৭ দিন পর সরকার পরিচালিত ল্যাবে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট এলে যাত্রীরা বিদেশে যেতে পারবেন।

ফ্লাইট বাতিল   প্রবাসী   বিমানবন্দর   করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার সামনে ৭০০ দিনের চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। সে হিসেবে বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদ আয়ু আছে আর প্রায় ৭০০ দিন। এই ৭০০ দিন আওয়ামী লীগ সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে, ঘরে-বাইরে নানা ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। যেহেতু গত টানা তিন বছর সরকার পরিচালনায় শেখ হাসিনা একাই সবদিক সামলাচ্ছেন, তাই আগামী ৭০০ দিন শেখ হাসিনার জন্য চ্যালেঞ্জিং সময় হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। গতকাল জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হয়েছে। শীতকালীন অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা নিজেও এই চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন এবং তিনি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সবসময় শেখ হাসিনার সাহস, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতাই আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আগামী ৭০০ দিন কিভাবে শেখ হাসিনা জটিল-কঠিন পরিস্থিতিগুলো সামাল দেন, সেটি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে মুখ্য আলোচনার বিষয়। আগামী ৭০০ দিন তাকে কি পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে, সেটি যদি আমরা খুঁজে দেখার চেষ্টা করি তাহলে দেখব যে-

১. আন্তর্জাতিক চাপ: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক বাংলাদেশের ওপর নানা বিষয়ে দৃশ্যমান চাপ সৃষ্টি করছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৭ জন কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, সামনে আরো নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বলে কোনো কোনো মহল মন্তব্য করছেন। বাংলাদেশ থেকে যারা অবৈধ পথে নগদ অর্থ দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ করেছেন সেই সম্পদের অর্থের উৎস জানতে চাওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্যই এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, বিভিন্ন দেশ থেকে যারা নগদ অর্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ করেছে তাদের প্রত্যেককেই জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে জো বাইডেন সরকার। কাজেই, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় পার করতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই নয়, ইতোমধ্যে জাতিসংঘে র‍্যাব নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়েছে ১২টি মানবাধিকার সংস্থা। আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেও একজন এমপি র‍্যাবকে নিষিদ্ধ করার দাবি করেছেন। আর এই সবকিছু মিলিয়ে সামনের দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়বে। আর এই চাপ সামাল দিতে হবে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি কিভাবে এই চাপ সামাল দেন সেটাই দেখার বিষয়।

২. বিভিন্ন অপপ্রচার: গত দুই বছর ধরেই সরকারের বিরুদ্ধে বিরামহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে। বিদেশে থাকা পলাতক গোষ্ঠীর বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তাদের অর্থায়নে বাংলাদেশবিরোধী বিশেষ করে সরকারবিরোধী নানারকম অপপ্রচারে লিপ্ত। এই অপপ্রচারের মাত্রাগুলো যত নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসবে তত বাড়বে। প্রশ্ন হলো, এই অপপ্রচারগুলো মোকাবেলা করে উন্নয়নের বার্তা শেখ হাসিনা কিভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিবেন বা এই অপপ্রচারগুলো যে কেবলই মিথ্যা প্রচারণা সেটি প্রতিষ্ঠা করা আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৩. সংগঠনে বিশৃঙ্খলা: নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের সংগঠনের মধ্যে নানারকম বিশৃঙ্খলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দলের মধ্যে বিভক্তি প্রচণ্ড আকার ধারণ করেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিভক্তির কথা শোনা যায়। এই বিভক্তি কাটিয়ে সুশৃঙ্খল শক্তিশালী দলকে নির্বাচনের মাঠে নামানো আওয়ামী লীগ সভাপতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৪. প্রশাসনের ভূমিকা: গত একযুগ আওয়ামী লীগের পক্ষে ছিলো প্রশাসন, এটি অনেকেই বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রশাসনের জন্য যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন। তাদের বেতন বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিপুলভাবে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও আগামী নির্বাচনের আগে এই প্রশাসন কতটুকু আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকবে, সেটি নিয়ে অনেকের মধ্যেই সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে, বিভিন্ন পর্যায়ের মাঠ প্রশাসনের মধ্যে যে সরকারবিরোধী প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

৫. দুর্নীতি: এই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যেমন অনেক উন্নতি হয়েছে, তেমন দুর্নীতির অভিযোগও উঠছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আর এই দুর্নীতির অভিযোগগুলো অধিকাংশই অতিরঞ্জিত আর মনগড়া। আর এই সমস্ত অভিযোগগুলোকে মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে আগামী নির্বাচন মোকাবেলা করতে হবে।

কাজেই, আগামী ৭০০ দিন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই নির্বাচনের মাঠে যেতে হবে শেখ হাসিনাকে।

শেখ হাসিনা   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন