ইনসাইড ইকোনমি

আগামী বছর থেকে সৌদি আরবে ওষুধ উৎপাদন করবে বেক্সিমকো

প্রকাশ: ০৩:৪৬ পিএম, ১২ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি।

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের যৌথ  বিনিয়োগে বাংলাদেশি ওষুধ কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস আগামী বছর থেকে সৌদি আরবে ওষুধ  উৎপাদন শুরু করবে। আর সেখানে যে জনবল ও ট্যাকনিক্যাল সাপোর্ট লাগবে তা বাংলাদেশ থেকে নেয়া  হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি।

শনিবার (১১ মার্চ) বিকেলে সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শনে আসেন সালমান এফ রহমান এমপি। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি । 

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমরা শতভাগ মানসম্পন্ন ওষুধ তৈরির চেষ্টা করি। কারণ, ওষুধ রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রক্রিয়া মেনে চলতে হয়। যে কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ওষুধের ওপর মানুষের একটা আস্থা তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশের ওষুধ মানসম্মত। শুধু মানসম্মতই নয়, অন্যান্য দেশের তুলনায় দামও বেশ পরিমিত।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মনে করেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের বিকাশ ভালো এবং ইতোমধ্যে সারাবিশ্বে আমাদের একটা ভালো অবস্থান তৈরি হয়েছে। সরকার ওষুধ শিল্পপার্ক স্থাপন করে দিচ্ছে। খুব শিগগিরই সেখানে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদন হবে। ফলে এ শিল্পের বিকাশ আরও সহজ হবে।’

বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩-এ যোগ দিতে ১০ মার্চ বিকেলে ঢাকায় আসেন সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী ডক্টর মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি।

পরে বিকেলে গাজিপুরের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সৌদিমন্ত্রী। এরপর গণমাধ্যম সঙ্গে কথা বলেন তারা। 

সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বানিজ্য ও বিনিয়োগ এখনো কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আমরা সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে খুঁজে দেখব। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ ও জনশক্তি রপ্তানিতে আমাদের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে চাই। 

বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালকে বিশ্বমানের ওষুধ প্রস্তুতি কারখানা উল্লেখ করে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল উন্নত সব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওষুধ উৎপাদন করছে। 

আর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন জানান, যৌথ বিনিয়োগে সৌদিতে এ কারখানা নির্মাণ হচ্ছে। তবে এর বেশিরভাগই অর্থ বাংলাদেশের। আর ওখানে প্রায় ৩০ ধরনের  ওষুধ তৈরি করা হবে। 

বাংলাদেশ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পৃথিবীর ১৬০টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে ।  ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানির হয়েছে  ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।


প্রধানমন্ত্রী   বেসরকারি   শিল্প   বিনিয়োগ   উপদেষ্টা   সালমান এফ রহমান এমপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তা‌নদের বিও হিসাব বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশ: ০১:১১ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের শেয়ার বাজারের সব হিসাব ও শেয়ার ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 

এরআগে, গত ২৩ ও ২৬ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে বিভিন্ন সম্পত্তির দলিল, ঢাকায় ফ্ল্যাট ও কোম্পানির শেয়ার জব্দের (ক্রোক) নির্দেশ দেন।

ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৭ মে) পুঁজিবাজারের ইলেকট্রনিক্স শেয়ার সংরক্ষণাগার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল)তাদের বিও হিসাব (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) রাখতে নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এক আদে‌শ কার্যকর থাকা অবস্থায় অর্থ অবরুদ্ধ হিসাবসমূহে জমা করা যাবে না বা কোনো অবস্থাতেই উত্তোলন করা যাবে না।

আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ড্রাগন সিকিউরিটিজ লিমিটেডে বেনজীর আহমেদের বিও হিসাব রয়েছে। সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড ও ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে তার স্ত্রী জিশান মির্জা, ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে তার বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর এবং ডাইনেস্টি সিকিউরিটিজ লিমিটেডে তার ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বিও হিসাব রয়েছে।

বিও হিসাব অবরুদ্ধকরণ প্রসঙ্গে বিএসইসির নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কোর্টের সংশ্লিষ্ট আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ৫টি ব্রোকারেজ হাউজে ৬টি বিও হিসাব পরবর্তী আদেশ না দেওয়া র্পন্ত অবরুদ্ধ কার নির্দেশ দেওয়া হলো। আদালতের আদেশ মোতাবেক ওই হিসাবগুলোর ওপর অবরুদ্ধকরণ আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।

এরআগে, ২৬ মে সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের নামে, তার স্ত্রীর নামে ও মেয়ের নামে থাকা ১১৯টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাজধানীর গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট, সাভারের একটি জমি; বাকি ১১৪টি সম্পত্তি রয়েছে মাদারীপুর জেলায়। এর আগে গত ২৩ মে ৮৩টি দলিলে ক্রয়কৃত সম্পত্তি ক্রোক করা হয়। সেই সঙ্গে ৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও তার সিকিউরিটিজের (শেয়ার) টাকা অবরুদ্ধ করা হয়।


বিএসইসি   আইজিপি   বেনজীর আহমেদ   বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৭৯ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:২৮ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ডলার সংকট। অস্থিতিশীল অর্থনীতির মাঝে আলো দেখাচ্ছে দেশের প্রবাসী আয়। গত দুই মাস ধরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা ১৭৮ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। মূলত আসন্ন কোরবানিকে ঘিরে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

রোববার (২৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ২৪ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ১৫৮ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮৫ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। 

দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রথম ১২৪ দিনে একক ব্যাংক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। এ সময়  ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৫২ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি পাঁচ লাখ ৯০ হাজার ডলার। জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া প্রবাসী আয় সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের ৯ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এসেছে। 

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কো‌টি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, মার্চে ১৯৯ কো‌টি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ডলার এসেছে।

প্রবাসী আয়   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আসছে বাস্তবতার নিরিখে সংকোচনমুখী বাজেট

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৩ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রতি বছরই দেখা যায়, প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা তার আগের বাজেটের সব লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। ক্ষেত্রে প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সক্ষমতার অভাব জেনেও শুধু রাজনৈতিক বিবেচনাপ্রসূত বারবার এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণের পথে হাঁটত সরকার।

গত এক দশকের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনায় এমন ধারাবাহিকতাই  পরিলক্ষিত হয়েছে। তবে এবার এই ধারার ব্যতিক্রম ঘটতে যাচ্ছে। আসন্ন বাজেটের বেশিরভাগ সূচকের লক্ষ্যেই প্রথমবারের মতো থাকছে না উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার ছাপ। বরং বৈশ্বিক অভ্যন্তরীণ বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার, ঘাটতি, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার, মূল্যস্ফীতির হার, জাতীয় বিনিয়োগ, সঞ্চয়, সরকারি পরিচালন ব্যয় এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাক্কলনে বেশ সংযত লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার।

বিষয়ে বাজেট প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আগামী বাজেটটি কোনোভাবেই উচ্চাভিলাষী হবে না। বরং এই বাজেট হবে বাস্তবতার নিরিখে অনেকটা সংকোচনমুখী। এর মানে হচ্ছে, বাজেটের আকার ছোট হবে। সেটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় বড়জোর শতাংশ বাড়বে, যা আগে থেকে ১০ শতাংশ বা তারও বেশি হতো। শুধু বাজেটের আকারই নয়, বরং অর্থনীতির মানদণ্ড নির্ধারক বাজেটের সব সূচক নির্ধারণের ক্ষেত্রেই থাকবে সংযত পদক্ষেপ। যতটা সম্ভব চেষ্টা থাকবে শতভাগ বা তার অনেকটাই কাছাকাছি বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট প্রণয়নের। সেভাবেই আমরা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট চূড়ান্ত করতে যাচ্ছি।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সরকার প্রায় লাখ কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছে। এই বাজেটে সরকারের যে পরিচালন উন্নয়ন ব্যয় রয়েছে, তার সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী ব্যয় বাড়িয়ে মানুষের সক্ষমতা উন্নয়ন, নগদ ভর্তুকি প্রণোদনা এবং ঋণ বাড়িয়ে মোট দেশজ উৎপাদনকে ত্বরান্বিতকরণ এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে (এমটিএমএফ) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের প্রাক্কলন ধরা হয়েছে দশমিক শতাংশ, যা অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ধরা আছে দশমিক ৫১ শতাংশ। কিন্তু দেশে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির জাঁতাকলে এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হতে থাকায় সামগ্রিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমেছে। নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান কম হয়েছে। অন্যদিকে ঊর্ধ্বগতির মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ব্যয় বেড়ে গেছে। এতে ভোগ কমে গেছে। এসবের প্রভাব পড়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার আসন্ন অর্থবছরের জন্য সংযত সতর্ক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। এতে নতুন লক্ষ্য ধরা হচ্ছে দশমিক ৭৫ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির হার: সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর (এমটিএমএফ) লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরতে হতো দশমিক শতাংশ। কিন্তু সরকার বাস্তবতা বুঝে সেই লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেকটাই দূরে সরে আসছে। অর্থাৎ আগামী অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির হার নির্ধারণ করতে যাচ্ছে দশমিক শতাংশ, যা প্রাক্কলিত এমটিএমএ এর লক্ষ্যমাত্রা থেকে শতাংশ বেশি।

বিনিয়োগ জিডিপি: ২০২২-২৩ অর্থবছর বিনিয়োগ জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় জিডিপির ৩১ দশমিক শতাংশ। যদিও সেটির লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ফের লক্ষ্যমাত্রা নামিয়ে আনতে হয়েছে ২৭ দশমিক শতাংশে। তা সত্ত্বেও চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অস্বাভাবিক বিনিয়োগ পরিকল্পনার ঢালি সাজিয়েছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল। সেখানে তিনি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩৩ দশমিক শতাংশ বিনিয়োগ আনার প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু এই প্রস্তাবও ধোপে টেকেনি। ফের সংশোধনের মাধ্যমে ২৮ দশমিক শতাংশে নামিয়ে আনতে হয়েছে। এই বাস্তবতায় আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের বিনিয়োগ বা বিনিয়োগ জিডিপি মাত্র . শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হতে পারে। এটি সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর (এমটিএমএফ) প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে দশমিক ৫১ শতাংশ কম।

বাজেট ঘাটতি: আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির আকার জিডিপির শতাংশের নিচে রাখতে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বেশ সতর্ক সংযতভাবে হিসাবনিকাশ কষছেন। ২০২২-২৩ অর্থবছর যেখানে বাজেট ঘাটতি দশমিক শতাংশ ধরা হয়, সেটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরও কমিয়ে দশমিক শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। আসন্ন অর্থবছর সরকার ঘাটতির আকারকে জিডিপির দশমিক ৬৭ শতাংশের মধ্যে রাখতে চায়। সেভাবেই নতুন বাজেট তৈরি করতে যাচ্ছে অর্থ বিভাগ।


সংকোচনমুখী   বাজেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সংবাদপত্র শিল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে ঘোষণার দাবি

প্রকাশ: ১১:১৯ এএম, ২২ মে, ২০২৪


Thumbnail

সংবাদপত্র শিল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে ঘোষণা এবং সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমের ওপর আরোপিত কর সহনীয় করার আহ্বান জানিয়েছে এফবিসিসিআইয়ের প্রেস মিডিয়া বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটি।

মঙ্গলবার (২১ মে ) মতিঝিলে অবস্থিত এফবিসিসিআই আইকনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক এম. শোয়েব চৌধুরী। ডিরেক্টর ইন-চার্জ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. রাকিবুল আলম (দিপু)

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের ব্যবসা, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে দেশের গণমাধ্যম। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রেস মিডিয়াকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য সংবাদপত্র শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম কর্মীদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম মালিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন-অর-রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের বোর্ড অব গভর্নেসের (পিডিবিএফ) সদস্য বোরহান উদ্দিন আহমেদ, দ্য ব্লেজার বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রাজিব ইউ. . চপল, এফবিসিসিআইয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান জাফর ইকবাল এনডিসি, কমিটির কো-চেয়ারম্যান আক্কাস মাহমুদ, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু, তাওহিদা সুলতানা, এজাজ মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদপত্র   শিল্প  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

মাথাপিছু আয় ৩৫ ডলার বেড়ে ২৭৮৪ ডলার

প্রকাশ: ১০:০৫ এএম, ২১ মে, ২০২৪


Thumbnail

চলতি অর্থবছর প্রায় শেষের দিকে। এর আগেই চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃত্তি আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ হবে। আর দেশের মানুষের মাথাপিছু  আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ মার্কিন ডলার।

সোমবার (২০ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রকাশ করে এসব তথ্য জানিয়েছে

বিবিএস আরও জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে হাজার ৫৯১ ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল হাজার ৭৯৩ ডলার।

প্রসঙ্গত, গত অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৪৯ মার্কিন ডলার। যা এ বছর ৩৫ মার্কিন ডলার বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ ডলার। বর্তমান টাকার হিসেবে মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা। 


মাথাপিছু আয়   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো   জিডিপি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন