ইনসাইড ইকোনমি

প্রথমবারের মত আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ২২ মে, ২০২৩


Thumbnail বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘দেশের চা শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ চা বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মত ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। আট ক্যাটাগরিতে সাতটি প্রতিষ্ঠান এবং একটি ব্যক্তি পর্যায়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।’ 

চা শিল্পের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে জাতীয় চা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। 

সোমবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে ১ম ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদানের লক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির সভায় তিনি এসব কথা জানান।

যে আটটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হবে সেগুলো হচ্ছে:- ১. একর প্রতি সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী চা বাগান, ২. সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বাগান, ৩. শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক, ৪. শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদনকারী, ৫. শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা বাগান, ৬. বৈচিত্রময় চা পণ্য বাজারজাতকরণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি, ৭. দৃষ্টিনন্দন ও মানসম্পন্ন চা মোড়কের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি, ৮. শ্রেষ্ঠ চা পাতা চয়নকারী (ব্যক্তি/শ্রমিক)।

সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যানের পদ অলংকৃত করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদানকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ৪ জুন জাতীয় চা দিবস পালন করা হয়।’ 

তিনি বলেন, দেশের চা শিল্পের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং এর অংশীজন হিসেবে চা বাগান মালিক, চা উৎপাদনকারী এবং প্যাকেজিং বিপণন কোম্পানিসহ চা শিল্পে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/সংগঠন তাদের স্ব স্ব কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছেন। এসব প্রতিষ্ঠান/সংগঠন ও ব্যক্তির অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই জাতীয় চা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

টিপু মুনশি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নানাবিধ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে চা শিল্প আজ টেকসই ও মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। গুণগতমানের চা উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

চায়ের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি, বিপণন প্রক্রিয়ায় আধুনিকায়ন এবং সর্বোপরি অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চায়ের নতুন বাজার সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা বাগান মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে এবছর জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপন করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ঐ অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ বিজয়ীদের হাতে বাণিজ্যমন্ত্রী পুরস্কার তুলে দিবেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অথবা সংস্থার প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী   টিপু মুনশি   জাতীয় চা পুরস্কার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদের আগে বাড়ল রিজার্ভ

প্রকাশ: ০৫:০৪ পিএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ ছাড়া, ডলারের দাম বাড়ায় রপ্তানি আয়ও বেশি আসছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে। চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে ১৪৬ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসী আয়ের এই তথ্য পাওয়া গেছে। তবে গত মাসের তুলনায় চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসী আয় আসার গড় হার বেশি। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে ২২৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে, যা গত ৪৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তার মানে গত মাসে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে ৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আর চলতি মাসের প্রথম ১২ দিনে এসেছে দৈনিক গড়ে ১২ কোটি ১৭ লাখ ডলার। তার মানে গত মাসের তুলনায় চলতি মাসের শুরুতে দিনে গড়ে প্রায় ৫ কোটি ডলার বেশি এসেছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ১ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১৪৬ কোটি ডলার। গত বছরের জুনের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৮৪ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬২ কোটি ডলার বা প্রায় ৭৪ শতাংশ। প্রবাসী আয় আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাস শেষে প্রবাসী আয় ২৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, গত মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক একলাফে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা নির্ধারণ করার পর বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে। যার প্রভাব দেখা গেছে গত মাসে। চলতি মাসেও এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ধারা রয়েছে। 

২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশে ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে আসে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-জুন) প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার।

ঈদ   রেমিট্যান্স   বাংলাদেশ ব্যাংক   রিজার্ভ   ডলার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বাজেটে প্রবাসী আয়েও করারোপ!

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ১৬ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নতুন বাজেটে প্রস্তাব অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে মা-বাবা ছাড়া অন্য কেউ কোনো উপহার দিলে তার ওপর কর বসবে। এমনকি নগদ অর্থ দিলেও কর আরোপ হবে। উপহার পেলে বছর শেষে আয়কর রিটার্নে করদাতাকে তা দেখাতে হবে। এমনকি উপহারদাতাকেও তাঁর রিটার্নে উপহার দেওয়ার বিষয়টি জানাতে হবে। প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স উপহার হিসেবে এলে তাও করের আওতায় পড়বে।

সৌদি আরব, মালয়েশিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে আসে। এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকেও রেমিট্যান্স আসে। দেখা গেছে, ছেলে-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রী বা মা-বাবার ব্যাংক হিসাব ছাড়াও অনেক প্রবাসী ভাই-বোন, শ্যালক-শ্যালিকাসহ আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবের ব্যাংক হিসাবেও বিপুল অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে পাঠিয়ে থাকেন।

গ্রামগঞ্জে অনেক বয়স্ক মা-বাবার ব্যাংক হিসাব থাকে না, ছেলে-মেয়ে নাবালক হলে কিংবা স্ত্রীও ব্যাংক হিসাব খোলেন না অনেক সময়। ফলে প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় ভরসা হয়ে দাঁড়ায় ভাইবোন-বন্ধুবান্ধবসহ আত্মীয়স্বজনের ব্যাংক হিসাব। অর্থ বৈধ চ্যানেলেই আসে।

কিন্তু ছেলে-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রী বা মা-বাবার বাইরে ভাইবোন-বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজনের ব্যাংক হিসাবে প্রবাসী আয় এলে তা ওই ব্যক্তির (প্রাপক) মূলধনি আয় হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নতুন বাজেটে অনুযায়ী তা করযোগ্য হবে। তবে ওই ব্যক্তিকে করের আওতায় থাকতে হবে। এই আয়কে উপহার হিসেবে ধরা হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রস্তাবে কথা বলা আছে।

বিষয়ে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘প্রবাসী শ্রমিকেরা তাঁদের ভাই-বোন, বন্ধুবান্ধবের কাছে রেমিট্যান্স পাঠান। এটি আমাদের বাস্তবতা। রেমিট্যান্সের অর্থে কর নেই। কিন্তু এনবিআরের নতুন প্রস্তাবে উপহারের যে মারপ্যাঁচ, তা রেমিট্যান্স নিয়ে সরকারের সার্বিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এনবিআরের এই উদ্যোগ পরিস্থিতি জটিল করবে।

বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের ওপর কোনো কর আরোপ নেই। তাই নতুন বাজেটে রেমিট্যান্সের অর্থের ওপর করারোপের বিষয়টি পরিষ্কার নয়। বিষয়ে এনবিআর থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, করের পরিপত্র জারির সময় বিষয়টি পরিষ্কার করা হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, প্রতিবছর বৈধ চ্যানেলে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি ডলার প্রবাসী আয় দেশে আসে। ছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে বা অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশ থেকে দেশে আসে।


কর   রেমিট্যান্স   বাজেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

রিজার্ভ আবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নামল

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ কমে আবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে। বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ৪৫২ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকে মোট রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে নেমে আসে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ নামে ১ হাজার ৮৩২ কোটি ডলার। কিন্তু ওই সময় প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে।

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেওয়া নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আইএমএফ ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারে নামিয়েছে।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারণ করতে হয়। সেখানে বাংলাদেশে প্রতি মাসে দেশের আমদানি দায় মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব করলে বাংলাদেশের রিজার্ভ ইতোমধ্যে বিপদজনক সীমার মধ্যে পড়ে গেছে।

রিজার্ভ   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদের আগে সরকারি ছুটির ৩ দিন ব্যাংক খোলা থাকবে

প্রকাশ: ০৫:১৭ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

কোরবানি ঈদের আগের ১৪ ও ১৫ জুন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) এবং ১৬ জুন (রোববার) সরকারি ছুটির দিন ঢাকা মহানগরী, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকায় সব ব্যাংক খোলা থাকবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে হাটগুলোতে আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

এ পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার পশুর হাটগুলোর নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা বা উপশাখাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। 

ঈদ   সরকারি ছুটি   ব্যাংক   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদের আগে বেশি ডলার পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দুই ঈদের আগে দেশে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এবারের কোরবানির ঈদের আগেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। চলতি মাসের প্রথম এক সপ্তাহে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংক মাধ্যমে দেশে ৭২ কোটি ৬২ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহ তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে অর্থ পাচার ও হুন্ডি রোধে বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে ২২৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে, যা গত ৪৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তার মানে, গত মাসে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে ৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আর চলতি মাসের প্রথম এক সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ১০ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। তার মানে, দিনে গড়ে ৩ কোটি ১২ লাখ ডলার বেশি এসেছে।

তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৭৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয়ের মধ্যে ১৭ কোটি রাষ্ট্রায়ত্ত, ১ কোটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৫৪ কোটি বেসরকারি ব্যাংক এবং ২০ লাখ ডলার বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে জনতা ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এনেছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৫ কোটি ৯১ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এনেছে। এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক ৫ কোটি ২৯ লাখ ও ব্যাংক এশিয়া ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার এনেছে।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশে ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে আসে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-জুন) প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলারের।

দেশে মার্কিন ডলারের সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত কমেই চলেছে। সংকট মোকাবিলায় গত মাসে মার্কিন ডলারের আনুষ্ঠানিক দাম এক লাফে ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকায় নির্ধারণ করে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঈদ   ডলার   প্রবাসী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন