ইনসাইড ইকোনমি

১৬ মাস পর বিশ্ববাজারে কমেছে ডলারের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭:৩৭ পিএম, ১৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

প্রায় ১৬ মাস পর বিশ্বের ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম ০.১৩ শতাংশ কমেছে। শুক্রবার ডলার সূচক ছিল ৯৫.২৬৬, যা গতবছর জুলাইয়ের সমান।

সোমবার এই সূচক ০.১৩ শতাংশ কমে ৯৫.০১২ হয়েছে। ডলার সূচকের মাধ্যমে ইউরো, পাউন্ড, জাপানি ইয়েন, ক্যানাডিয়ান ডলার, সুইডিশ ক্রোনা ও সুইস ফ্রাংকের বিপরীতে ডলারের শক্তি কতটা, তা জানা যায়।

আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ডলারের দাম বাড়ছিল। বাংলাদেশেও এখন ডলারের দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। ফলে আমদানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তবে লাভ হচ্ছে রপ্তানিকারকদের। ডলারের দাম বাড়ার সঙ্গে আমদানি করা পণ্যের দামের সম্পর্ক রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে দুটি ঘটনা আবারও বিশ্ববাজারের ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একটি হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে টেলিফোন আলাপ। যুক্তরাষ্ট্র সময় সোমবার সন্ধ্যায় এটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

অন্য ঘটনাটি হচ্ছে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে খুচরা বিক্রির তথ্য প্রকাশ। শুক্রবার প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের কেনাকাটার আগ্রহ গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নীচে নেমে গেছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ: ০৭:৩৭ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

‘টেস্কওয়ার্ল্ড ইউএসএ/অ্যাপারেল সোর্সিং ইউএসএ ২০২৩’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠেয় বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০ কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ গার্মেন্টস বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটি একটি বিশেষ বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নসহ এই বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে।

বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সবধরনের পণ্য অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্যাভিলনে ক্রেতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

সূত্র জানায়, ২২টি দেশের মোট ৩২৪ প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশ নেবে। চীন, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্যাভিলন থাকবে এখানে। চীনের ১৭৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।

বাংলাদেশের যেসব কোম্পানি  নিউইয়র্ক মেলায় অংশ নেবে সেগুলো হলো-আরজিন্স প্রডিউসার লি, হা-মীম ডেনিম, পাওনিয়ার ডেনিম, ম্যাস্ক উইল বিডি, পেঙ্গনু গ্রুপ, ভেরো স্টাইল, টোটাল অ্যাপারেল, এনটুএন সোর্সিং।

এসব কোম্পানি বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় অংশগ্রহণ করবে। তাছাড়া ঢাকা ফারইস্ট এবং উইকিটেক্স বিডি (ইন্টারলিংক ড্রেসেস) সরাসরি মেলায় অংশ নেবে।

যুক্তরাষ্ট্র   বাণিজ্য মেলা   বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

এডিপি বাস্তবায়নে ধীরগতি, এগিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রকাশ: ০৮:২৬ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। গত পাঁচ অর্থবছরের একই সময়ে তুলনায় এটিই সবচেয়ে কম।

এছাড়া একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরেও এডিবি বাস্তবায়ন হার নিম্নমুখী। এদিকে, গত ছয় মাসে এডিপির বরাদ্দের এক টাকাও খরচ করতে পারেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে বরাদ্দের ৮০ শতাংশ খরচ করে এগিয়ে আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানা গেছে এ তথ্য।

আইএমইডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৬০ হাজার ২৪৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকার। এ বছর এডিপিতে বরাদ্দ ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দের তুলনায় বাস্তবায়ন মাত্র ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

গত পাঁচ অর্থবছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়ন ছিল সবচেয়ে কম, ২৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে একটু বেড়ে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিল ২৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে বাস্তবায়নের হার ছিল ২৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি বাস্তবায়ন হয়েছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরের আলোচ্য সময়ে ২৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন হয়।

এদিকে, একক মাস হিসেবে শুধু ডিসেম্বরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ করেছে ১৩ হাজার ১২৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এই এক মাসে বাস্তবায়নের হার ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর আগের বছরের ডিসেম্বরে এডিপি বাস্তবায়ন ছিল ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মোট প্রকল্প সংখ্যা এক হাজার ৪৯৬টি। এর মধ্যে মূল প্রকল্প এক হাজার ৪৪১টি, উপ-প্রকল্প ৪৬টি এবং উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ ৯টি। এসব প্রকল্পের মধ্যে কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১০৬টি এবং এক হাজার ২৯৬টি বিনিয়োগ প্রকল্প।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এক টাকাও খরচ করতে পারেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়টির আওতায় চলতি অর্থবছরে ১০১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এরপর মাত্র শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ বাস্তবায়ন করে পিছিয়ে আছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। চলতি অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ৩৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও খরচ করতে পেরেছে মাত্র ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এছাড়াও মাত্র ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন। এরপর ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ বা ৪৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা এডিবি বাস্তবায়ন করেছে জননিরাপত্তা বিভাগ। যদিও চলতি অর্থবছরে জননিরাপত্তা বিভাগের জন্য বরাদ্দ এক হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা।

আলোচ্য সময়ে ১০ শতাংশের কম এডিপি বাস্তবায়ন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তারা ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করেছে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বা ৫০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। যেখানে তাদের জন্য ৮২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করেছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। তারা খরচ করেছে ১০১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এক হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা। এছাড়াও স্বাস্থ্য খাতের দুই প্রতিষ্ঠানও এডিপি বাস্তবায়নে করেছে ১০ শতাংশের নিচে। ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে সুরক্ষা সেবা বিভাগ। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৮০ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরপর সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ। ৪২ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এছাড়াও আলোচ্য সময়ে ৪০ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

এদিকে, ব্যয় কম হওয়ার পেছনে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে নেওয়া ব্যয় সাশ্রয়ী নীতিকে দায়ী করছেন অনেকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন, জরুরি না হলে বিদেশ সফর ও গাড়ি কেনা বন্ধ, আসবাব কেনায় আরও সাশ্রয়ী হওয়াসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর প্রতিফলন পড়েছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে।

দেশের অর্থনীতিতে চাপের পরিস্থিতিতে সরকার সম্প্রতি প্রকল্পগুলোকে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ শ্রেণিতে ভাগ করেছে। ‘এ’ শ্রেণির প্রকল্পকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মানে, চলতি এডিপিতে যা বরাদ্দ আছে, তা পুরোটাই খরচ করতে হবে। ‘বি’ শ্রেণিতে থাকা প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ (দেশজ উৎসের অর্থ) ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। ‘সি’ শ্রেণির প্রকল্পকে নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘এ’ শ্রেণিতে ৬৪৬টি প্রকল্প, ‘বি’ শ্রেণিতে ৬৩৬টি এবং ‘সি’ শ্রেণিতে ৮১টি প্রকল্প রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৯টি প্রকল্প কোনো শ্রেণিতে রাখা হয়নি।

এডিপি বাস্তবায়নের বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, আগে থেকে প্রস্তুতি না নিয়ে বাজেট পাস হওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকে বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো। বাজেট পাসের পর বিভিন্ন পেপারওয়ার্ক, টেন্ডারিং, অনুমোদন- এসব করতেই বছরের অর্ধেক চলে যায়। তারপর দেখা যায় বছরের শেষে তাড়াহুড়ো করে কাজ করে। তখন দেখা যায় কাজের মান খারাপ হয়, থাকে না তদারকি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

চিনির দাম বাড়ানো নিয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:২৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ফাইল ছবি

চিনির দাম আরেক দফা বেড়েছে। রমজান আসতে না আসতেই চিনির দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। প্রতি কেজি পরিশোধিত চিনির দাম (খোলা) ৫ টাকা বাড়িয়ে ১০৭ টাকা করা হয়েছে। আর পরিশোধিত চিনির (প্যাকেটজাত) দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১১২ টাকা করা হয়েছে। আগে খোলা চিনির দাম ছিল ১০২ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১০৮ টাকা। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলেও জানা গেছে। 

চিনির এই মূল্যবৃদ্ধি সঠিক সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) মতিঝিলে এমসিসিআইয়ে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মূল্যবৃদ্ধি তখনই করা হয় যখন প্রয়োজন হয়। মূল্যায়ন করেই এটা করা হয়। যে দাম হওয়া উচিত বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ করেই এটা করা। সে হিসাব-নিকাশ করে চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে। এটা যদি এড্রেস না করা হয় তাহলে ফলাফল ভিন্ন হবে। বাজারে চিনি পাওয়াই যাবে না। এটা বিবেচনা করেই যেটা হওয়া উচিত সেটা করা হয়েছে। আবার যখন কমার প্রয়োজন তখন কমবে।’

‘মিল থেকে চিনি বের করতে হলে ১৬-১৭ দিন লেগে যায়। আর এর জন্য প্রতিদিন ২-৩ হাজার টাকা করে বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে।’- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমরা শুনেছি। আমরা চেষ্টা করছি এটা যেন না হয়।’

‘চিনিকলগুলো যখন উৎপাদন সীমিত করে ফেলছে তখন ব্যবসায়ীরা চিনির দাম ইচ্ছামতো বাড়াচ্ছে’- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা (আপনাদের) ভুল ধারণা। দেশে যে পরিমাণ চিনি উৎপাদন হয় তা মোট প্রয়োজনের ১ শতাংশ। চিনির দামের ক্ষেত্রে এটা কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। দেশে উৎপাদিত চিনির পরিমাণ ৫০ হাজার টন। আমাদের চিনির চাহিদা পূরণ করতে হয় আমদানি করে। গ্লোবাল মার্কেটে চিনির দাম বেড়েছে। যার জন্য সমস্যাটা হয়েছে। পাশাপাশি আমরা চেষ্টা করছি যাতে ভ্যাটটা একটু কমিয়ে দেওয়া হয়, যাতে দামে প্রভাব পড়ে।’ 


বাণিজ্যমন্ত্রী   টিপু মুনশি   চিনির দাম   রমজান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সার্কের ৫ দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ১২,৬৬৬ মিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ১১:১৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নেপাল মালদ্বীপ ছাড়া সার্কভুক্ত অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১২ হাজার ৬৬৫ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১৯ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি তথ্য জানান।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী আফগানিস্তানের সঙ্গে দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। ভুটানের সঙ্গে ২৫ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন, ভারতের সঙ্গে ১১ হাজার ৯২৯ দশমিক শূন্য এক মিলিয়ন, পাকিস্তানের সঙ্গে ৬৯৫ দশমিক ২১ মিলিয়ন, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ১১০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। অপরদিকে নেপালের সঙ্গে ৯৯ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মালদ্বীপের সঙ্গে তিন দশমিক ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে বাংলাদেশের।

মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১৫ হাজার ৫৬৫ দশমিক ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে তা ৪৫ হাজার ৩৬৭ দশমিক ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ফলে এক যুগের ব্যবধানে রপ্তানি আয় তিনগুণ বেড়েছে।

এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি জানান, করোনার ধাক্কা সামলে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি করে লাখ ২৬ হাজার ১৮৮ কোটি লাখ টাকা আয় হয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে যা এক লাখ ৪১ হাজার ৪২৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বেশি।

এম আব্দুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের ১৮৩টি তৈরি পোশাক কারখানা ইউএস গ্রিন কাউন্সিল থেকে সবুজ কারাখানার স্বীকৃতি পেয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা
সরকারি দলের সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের প্রশ্নের জবাবে শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান জানান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৩ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী শ্রমে নিয়োজিত মোট শিশুর সংখ্যা এক দশমিক মিলিয়ন। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা এক দশমিক মিলিয়ন। এর আগে ২০০৩ সালের সমীক্ষায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ছিল তিন দশমিক মিলিয়ন।

দেশে খাদ্য ঘাটতি নেই

সরকারি দলের আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, দেশে বর্তমানে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই। গত অর্থবছরে ৩৮০ দশমিক ৪৮ লাখ মেট্রিক চন চাল ১০ দশমিক ৮২ লাখ মেট্রিক টন গমসহ ৩৯১ দশমিক ৩০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়েছে। চলতি অর্থবছরেও দেশে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলেও মন্ত্রী দাবি করেন।

কোন দেশে যেতে কত খরচ
বিশ্বের ১৫টি দেশে অভিবাসনে কী পরিমাণ খরচ হয় সেই তথ্য সংসদকে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবারে মন্ত্রী তথ্য জানান।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী জি-টু-জি পদ্ধতিতে (সরকারিভাবে) তিনটি দেশে অভিবাসনের সুযোগ রয়েছে। হিসাবে জর্ডানে মহিলা কর্মী ১৮ হাজার ২৪০ টাকায় পুরুষ কর্মী ২৬ হাজার ৮শ টাকায় পাঠানোর সুযোগ আছে। এছাড়াও, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৩৬ হাজার ৮৬০ টাকায় মালয়েশিয়ায় শূন্য খরচে অভিবাসনের সুযোগ রয়েছে।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য মতে, অভিবাসনে সিঙ্গাপুরে দুই লাখ ৬২ হাজার ২৭০ টাকা, সৌদি আরবে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা, মালয়েশিয়ায় ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা, লিবিয়ায় এক লাখ ৪৫ হাজার ৭৮০ টাকা, বাহারাইন ৯৭ হাজার ৭৮০ টাকা খরচ হয়। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক লাখ হাজার ৭৮০ টাকা, কুয়েতে এক লাখ হাজার ৭৮০ টাকা, ওমানে এক লাখ ৭৮০ টাকা, ইরাকে এক লাখ ২৯ হাজার ৫৪০ টাকা, কাতারে এক লাখ ৭৮০ টাকা, জর্ডানে এক লাখ হাজার ৭৮০ টাকা, মিশরে এক লাখ ২০ হাজার ৭৮০ টাকা, রাশিয়ায় এক লাখ ৬৬ হাজার ৬৪০ টাকা এবং মালদ্বীপে এক লাখ ১৫ হাজার ৭৮০ টাকা খরচ হয়।

সৈয়দ আবু হোসেনের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে পর্যন্ত ( জুলাই ২০২২ থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২৩) লাখ ৭৭ হাজার ১১৪ জন বাংলাদেশি কর্মীর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা এক লাখের বেশি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বাণিজ্য ঘাটতি ২ হাজার ৮১৩.৭৪ কোটি মার্কিন ডলার: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:৪৬ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

২০২১-২২ অর্থ বছর শেষে দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮১৩.৭৪ কোটি মার্কিন ডলার বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। 

তিনি বলেন, বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের জন্য রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) ড. শিরীর শারমনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনের সরকারি দলের মোরশেদ আলম  (নোয়াখালী-২) ও মাহফজুর রহমান (চট্টগ্রাম-৩) এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

মাহফজুর রহমান (চট্টগ্রাম-৩) এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সংসদে জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের একটি প্রত্যক্ষ প্রভাব পৃথিবীর সকল উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়েছে। চলতি অর্থবছর শেষে বিভিন্ন দেশের সংঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব হবে। তবে আপাতত যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাতে ভারত ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঘাটতি মেটাতে ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে পণ্য রপ্তানি আয় ১০.৫৮%  বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেন হইতে গম, তেল বীজসহ যেসব পণ্য আমদানি করা হত, তা ভারত, কানাডা ও অন্যান্য উৎস হতে আমদানি করা হচ্ছে বিধায় ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য শিল্পের কাঁচামাল যা ইউরোপ হতে আমদানি করা হত, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও অন্যান্য ঝুঁকির কারণে তা চীন হতে আমদানি করা হচ্ছে বিধায় চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ সার্বিক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ), মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সেপা) সম্পাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভারত, সিঙ্গাপুর, জাপান, কানাডা, চীনসহ ৯টি দেশ ও আসিয়ান, মার্কোসর ও ইউরেশিয়া অর্থনৈতিক জোটের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে একটি সমন্বিত অর্তনৈতিক অংশিদারিত্ব চুক্তি সম্পাদনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইনেন্দানেশিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পিটিএ চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

বাণিজ্য ঘাটতি   বাণিজ্যমন্ত্রী   টিপু মুনশি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন