ইনসাইড এডুকেশন

ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ৪০০টিরও বেশি স্থানে সংশোধন

প্রকাশ: ০৯:৪৮ পিএম, ০১ মে, ২০২৩


Thumbnail

চলতি শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ৪০০টিরও বেশি স্থানে সংশোধনী এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

গত শুক্রবার এনসিটিবি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক এই সংশোধনী প্রকাশ করা হয়।

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মশিউজ্জামান জানান, ‘ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে। বইয়ের ৪ শতাধিক স্থানে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তার প্রায় ৯৯ শতাংশই ছিল করণিক ভুল বা প্রিন্টিং মিসটেক।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে যা ছিল-কম্পিউটার অপারেটিংয়ের বা গ্রাফিক্সের সমস্যা, সবগুলোই প্রায় এ ধরনের। অল্প কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে, যেগুলোতে শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন হয়েছে, সে বাক্যগুলো ভুল নয়, শব্দের গঠনগত মান ঠিক রেখে মাধুর্যপূর্ণ করার জন্য কিছু বাক্যকে পরিবর্তন করা হয়েছে। কিছুস্থানে অসঙ্গতি ছিল তা সংশোধন করা হয়েছে।’

এনসিটিবির সদস্য বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানে উপযোগী কি না এমন কিছু বিষয় ছিল তা আমরা বাদ দিয়েছি। সেগুলো যে ভুল ছিল তা নয়, গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে একটা বিতর্ক ছিল, সেসব পরিহার করা হয়েছে।

অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, এর আগে মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকের সংশোধন করা হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের কারণে সংশোধন করতে গিয়ে যে ধরনের ত্রুটি দেখা গিয়েছে তা বড় কোন ত্রুটি বা ভুল নয়। আশা করছি ভবিষ্যতে ত্রুটিমুক্ত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হবে।

তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তকগুলো সংশোধন করতে গিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ যতরকম আলোচনা সমালোচনা হয়েছে, সবই আমরা সংগ্রহ করেছি। সংশোধনের আগে ত্রুটি খুঁজে বের করতে গঠিত কমিটি ষষ্ঠ ও সপ্তম এই দুই শ্রেণির ইংরেজি ও বাংলা সংস্করণের মোট ৪৮টি বই পর্যালোচনা করেছে।

প্রত্যেকটি বিষয়ে ৬ জন করে বাইরের বিশেষজ্ঞকে ৩ দিনের একটা ওয়ার্কশপে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকের সংশোধনে কাজ করেছেন। বিশেষজ্ঞরা এই দুই শ্রেণির বই আগাগোড়া পড়ে তাদের মতামত ও পরামর্শও দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এরপর গত মার্চ মাসের ১৫ ও ১৬ তারিখ একজন শিক্ষা কর্মকর্তা ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষককে দেশের ২৬টি জেলায় ৫৩টি স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে পাঠানো হয়েছিল। তারা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে পাঠ্যবই সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন জানতে চেয়েছেন বলেও তিনি জানান।

পাঠ্যবই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় চবির 'ক' ইউনিটের উপস্থিতি ৮৩.৭৫ শতাংশ

প্রকাশ: ০৩:৫৩ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ১৭ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১৪ হাজার ৯০০ জন শিক্ষার্থী। এতে ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার শতকরা ৮৩.৭৫ শতাংশ।

 

শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে।

 

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে রাবিতে ১৭ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নিয়েছে ১৪ হাজার ৯০০ জন শিক্ষার্থী। এতে অনুপস্থিত ছিলেন ২৮৯৫ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ উপস্থিতির হার শতকরা ৮৩.৭৫ ভাগ। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

উল্লেখ্য, আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে সকাল ১১টায় শুরু হয় 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা যা শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়   চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়   ভর্তি পরীক্ষা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

জাবির আইবিএ'র ফল প্রকাশিত, পাশের হার ৫২.২৬ শতাংশ

প্রকাশ: ১২:০৮ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ-জেইউ) এর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে আইবিএ' ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে নির্ধারিত আসনের ১০ গুণ বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থীর মেধাতালিকা ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই ইউনিটে ছাত্রদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মোহাম্মদ মাহবুব আলম। তিনি মোট ৭৪ দশমিক ৮০ নম্বর পেয়েছেন। অন্যদিকে ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন রিফা তামান্না দিঘী। তিনি মোট ৭০ দশমিক ৬০ নম্বর পেয়েছেন।

ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পরিচালক অধ্যাপক কে এম জাহিদুল ইসলাম বাংলা ইনসাইডারকে জানান, ভর্তিচ্ছু ছাত্রদের পাশের হার ৫৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাশের হার ৫২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আইবিএ তে ৫০ টি আসনের বিপরীতে আবেদনকারী ছাত্র সংখ্যা হাজার ২৬০ জন এবং ছাত্রী হাজার ২৮৬ জন। ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাজার ৩৮২ জন। সে হিসেবে মোট উপস্থিতি ৬৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলসহ বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (ju-admission.org) এর আগ গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ফেব্রুয়ারি) তৃতীয় শিফটে আইবিএ' পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়   ফল প্রকাশিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

রাবি'র ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ মার্চ, নেয়া হচ্ছে যেসব পদক্ষেপ

প্রকাশ: ১২:০৩ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী মঙ্গলবার (৫ মার্চ) থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 'এ', 'বি', এবং 'সি' তিনটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত এই ভর্তি পরীক্ষা ৫ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সীমিত আবাসন ও চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার। 

 

লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এবছর বিশেষ কোটাসহ মোট আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৪৩৮টি এবং কোটা বাদে আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৪টি। এই আসনের বিপরীতে মোট ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬৮০টি চূড়ান্ত আবেদন জমা হয়েছে। 'এ' ইউনিটে ৭৪ হাজার ৭৮৫টি, 'বি' ইউনিটে ৩৪ হাজার ৫৪১টি এবং 'সি' ইউনিটে ৭৬ হাজার ৩৫৪টি চূড়ান্ত আবেদন সম্পন্ন হয়েছে। এবার একক আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৭৭ টি। এর মধ্যে পুরুষ আবেদনকারীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৪৫৬টি এবং নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫২১টি। কোটা বাদে আবেদনকারীর সংখ্যা 'এ' ইউনিটে ৬৯ হাজার ৫২৭টি, 'বি' ইউনিটে ৩২ হাজার ৬১৪টি এবং 'সি' ইউনিটে ৭০ হাজার ৯৭৬টি।

 

গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ১১টি অভিভাবক টেন্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি টেন্টে অভিভাবকদের বসার জন্য ২০০টি করে চেয়ার থাকবে। পরীক্ষা চলাকালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে রাবি চিকিৎসাকেন্দ্রের ৪টি অ্যাম্বুলেন্স ও ১টি মেডিকেল টিম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ২ সদস্যের ১টি মেডিকেল টিম ও ১টি অ্যাম্বুলেন্স এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১টি অ্যাম্বুলেন্স ও ২ সদস্যের মেডিকেল টিম কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য ১১টি স্থানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকবে। বিএনসিসি/রোভার স্কাউট/রেঞ্জারগণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ১২টি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতা প্রদান করবে। এসব হেল্পডেস্কে খাবার পানির ব্যবস্থা থাকবে।

 

আবাসনের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন আবাসিক হলে ও বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেসিয়ামে সীমিত আকারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারী অভিভাবকদের অবস্থানের জন্য রাবির মহিলা জিমনেসিয়াম ও পশ্চিম ৯০ নম্বর বাসায় সীমিত ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমাদান সাপেক্ষে পরীক্ষার্থীর অভিভাবক সীমিত আকারে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে পারবে। পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে লিফলেট বিতরণ, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো গুজব, অসাধুচক্রের খপ্পর থেকে সকলকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে খাবারের দাম ও মান নিয়ে এবং অটোরিকশা, মেসমালিকদের অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মতবিনিময় করেছেন বলে জানান তিনি।

 

ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, এবারে এক ঘণ্টাব্যাপী ভর্তি-পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ও ক্যালকুলেটরসহ মেমোরিযুক্ত অন্য কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা যাবে না। পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পরীক্ষা ভবনের গেট ও ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষের প্রবেশগেট খুলে দেয়া হবে।

 

বিভাগীয় শহরে কেন পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে না? সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে উপাচার্য বলেন, আমাদের দীর্ঘদিন শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ থাকায় জনবল কম। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারলে সামনের বছর থেকেই বিকেন্দ্রীকরণের দিকে আগাবে রাবি প্রশাসন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাঊদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, ভর্তি পরীক্ষার তিন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক, বিভিন্ন হল প্রাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

পরীক্ষা চলাকালে যান চলাচলের নির্দেশনা

ভর্তি-পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে আছে ৫ থেকে ৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো শহরের নির্ধারিত স্থান থেকে সকাল সোয়া সাতটায় ক্যাম্পাস অভিমুখে ছেড়ে আসবে। ৫ ও ৬ মার্চ ক্যাম্পাস থেকে বিকেল সোয়া পাঁচটায় এবং ৭ মার্চ বেলা পোনে তিনটায় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাবে। সকাল সাড়ে সাতটার পর ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া ৫ থেকে ৭ মার্চ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ তাদের ব্যক্তিগত গাড়িসমূহ পার্কিং এর জন্য সাবাস বাংলাদেশ মাঠ ব্যবহার করবেন। তবে তাদেরকে অবশ্যই সাড়ে সাতটার মধ্যে গাড়িসমূহ পার্কিং করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন কাজলা ও বিনোদপুর গেট দিয়ে প্রবেশ করে মেইন গেট দিয়ে বেরিয়ে যাবে।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়   ভর্তি পরীক্ষা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া ভর্তি পরীক্ষায় যেভাবে চলবে শাটল ট্রেন

প্রকাশ: ১০:২৫ এএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (২ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে। ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে শাটল ট্রেনের চলাচলের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সময়সূচি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা চলাকালে চট্টগ্রাম নগর থেকে পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের অন্যতম বাহন শাটল ট্রেন। তাই পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় এই সময়ে ট্রেন চলাচলের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

গত বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রক্টর নূরুল আজিম সিকদার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি শাটল ট্রেন চলাচলের নতুন সময়সূচি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২, ৮, ৯ ও ১৬ মার্চে চার দিন নতুন সময়সূচিতে শাটল ট্রেন চলবে। আর অন্য দিনগুলোতে ট্রেন চলবে আগের সময়সূচিতে।

শাটল ট্রেন চলবে যে সূচিতে

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার চার দিন ট্রেন চট্টগ্রাম নগরের বটতলী থেকে সকাল ৬টা, সাড়ে ৬টা, ৮টা ১৫ মিনিট, ৮টা ৪০ মিনিট, বেলা ২টা ৫০ মিনিট, বেলা ৩টা ৫০ মিনিট ও রাত সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সকাল ৭টা ৫ মিনিট, ৭টা ৩৫ মিনিট, বেলা ১টা, দেড়টা, বিকেল ৪টা, সাড়ে ৫টা ও রাত সাড়ে ৯টায় নগরের বটতলীর উদ্দেশে ট্রেন ছেড়ে যাবে।

নারী অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থা

ভর্তি পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে আসা নারী অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ৫টি হলে অভিভাবকেরা অবস্থান করতে পারবেন।

প্রক্টর নূরুল আজিম সিকদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘পরীক্ষার দিন বৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মিলনায়তন খুলে দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য নিরাপত্তা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকবেন’।

কোন ইউনিটে পরীক্ষার্থী কত

এ বছরও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চারটি ইউনিট ও দুটি উপ–ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা হবে। তবে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও নেওয়া হবে। তবে দুটি উপ–ইউনিটের পরীক্ষা হবে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার প্রথম বর্ষ স্নাতকের মোট আসনসংখ্যা ৪ হাজার ৯২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ আসন ৪ হাজার ১৮৯টি। বাকি ৭৩৭টি আসন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এ বছর মোট আবেদন করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৫ জন।

সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এক ঘণ্টার। পরীক্ষা শুরু হবে বেলা ১১টায়। পরীক্ষা শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

শনিবার (২ মার্চ) হবে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা। এদিন পরীক্ষায় বসবেন মোট ৯৯ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ঢাকায় ৪৪ হাজার ৭৯৯ জন, রাজশাহীতে ১৭ হাজার ৭৯২ জন ও চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ২২ জন পরীক্ষা দেবেন।

৩ মার্চ ‘বি-১’ উপ ইউনিটের পরীক্ষা হবে। এই ইউনিটে মোট আবেদন করেছেন ১ হাজার ৬৬৯ জন। ৪ মার্চ ‘ডি-১’ উপ–ইউনিটের পরীক্ষা হবে। এই ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৯৯৪ জন।

৮ মার্চ ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় বসবেন ৬৫ হাজার ২৬৭ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৭ হাজার ৭৫৯, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২৭ হাজার ৯২৬ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৯ হাজার ৫৮২ জন পরীক্ষা দেবেন।

এরপর ৯ মার্চ হবে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা। এই ইউনিটে আবেদন করেছেন ১৭ হাজার ৩০০ জন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ হাজার ৪৪ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ২ জন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৯ হাজার ২৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন।

১৬ মার্চ ‘ডি’ ইউনিটের মধ্যে দিয়ে এবারের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে। এই ইউনিটে মোট আবেদন করেছেন ৫৭ হাজার ৮০৪ জন। তাঁদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২২ হাজার ১২১ জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২৪ হাজার ১৩৩ জন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১১ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

প্রক্টর বলেন, পরীক্ষায় প্রক্সি (একজনের পক্ষে অন্য কেউ) দিতে আসা কাউকে পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দণ্ডিত করা হবে।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়   শাটল ট্রেন   ভর্তি পরীক্ষা   প্রক্টর নূরুল আজিম সিকদার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আজ আসনপ্রতি লড়বেন ৬৬ জন

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত যাচ্ছে হতে আজ।

শুক্রবার (০১ মার্চ) বেলা ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে শেষ হবে এই পরীক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে কার্জন হল পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।

এবার বিজ্ঞান ইউনিটে আসন রয়েছে এক হাজার ৮৫১টি। এর আসনের বিপরীতে মোট আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ১৩১ টি। এ হিসেবে প্রতি আসনের জন্য লড়াই করছেন ৬৫.৯৯ অর্থাৎ প্রায় ৬৬ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

এছাড়া, সময়সূচি অনুযায়ী ‘চারুকলা ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অংকন) আগামী ০৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২:৩০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

একমাত্র ‘চারুকলা ইউনিট’ ব্যতীত অন্য ৩টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিভাগীয় কেন্দ্রসমূহ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

চারুকলা ইউনিট ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা থাকছে। শুধুমাত্র চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৬০ নম্বরের অংকন পরীক্ষা হবে। চারুকলা ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যান্য ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করা হবে। এরমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে ২০ নম্বর।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   আন্ডারগ্র্যাজুয়েট   ‘বিজ্ঞান ইউনিট’-  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন