ইনসাইড এডুকেশন

প্রশ্নফাঁস: বুয়েট শিক্ষক নিখিলকে বিভাগীয় প্রধান থেকে অব্যাহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭:৩০ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সরকারি ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নাম আসার পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নিখিল রঞ্জন ধরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনা খতিয়ে দেখতে বুয়েটের সিনিয়র শিক্ষকদের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রোববার সন্ধ্যায় বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার গণমাধ্যকে বলেন, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে বুয়েটের বিভাগীয় প্রদান ও পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা নিখিল রঞ্জন ধরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বুয়েটের সিনিয়র পাঁচজন শিক্ষকের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে বলেও তিনি জানান। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে নিখিল রঞ্জন ধরের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব ড. ফেরদৌস কায়সারকে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সম্প্রতি আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া সরকারি ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বক্তব্যে নাম আসে বুয়েটের এই শিক্ষকের। যিনি আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসালটেন্ট হিসেবে পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এর আগে ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা ও দুজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকা একাধিক ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত; স্কুল খোলা রাখার আহ্বান ইউনিসেফের

প্রকাশ: ০৬:৪০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার ‘ওমিক্রন’ ধরনটি ছড়িয়ে পড়ায় স্কুল পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করোনা যেন শিশুদের পড়াশোনাকে আর ব্যাহত করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে সরকারগুলোর প্রতি স্কুল খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর এক বিবৃতি বলেন, স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত।

আমরা জানি, ডিজিটাল সংযুক্তির পেছনে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই কোনো শিশু পেছনে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে আমাদের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি কমিউনিটির প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিশেষ লক্ষ্য রেখে কিছু বিষয়ে বিস্তৃত সহায়তা দেওয়া। যেমন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা, সুরক্ষা এবং অন্যান্য পরিষেবা দান।

শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিন। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর টিকাদানের পরপরই এই টিকাদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

অগ্রাধিকার প্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনিসেফ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকাদান ছাড়াই স্কুলগুলো খোলা রাখার এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কৌশল যাতে পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনের অন্যান্য দিকগুলোতে শিশুদের অংশগ্রহণকে সহজতর করে তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করে।

তিনি বলেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে সবসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে তা আমরা স্বীকার করি। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই বেশি। শিশুদের স্কুলে রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

ইউনিসেফ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

সংকট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে শাবিপ্রবিতে আসার আমন্ত্রণ

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) চলমান সংকট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে ক্যাম্পাসে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ আমন্ত্রণ জানান। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি গতকাল (বৃহস্পতিবার) মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী তার প্রেসব্রিফিংয়ে আমাদের দাবি ও বিভিন্ন সমস্যা প্রসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার উদ্দেশ্যে শাবিপ্রবিতে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমাদের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করায় শাবিপ্রবির সব শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা তাকে জানাতে চাই তার সঙ্গে আমাদের দাবি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা তার সামনে উপস্থাপনের জন্য বেশকিছু সমস্যা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছে। আমরা শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীকে আমাদের ক্যাম্পাসে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

শিক্ষামন্ত্রী দ্রুতই ক্যাম্পাসে আসবেন- এমনটি আশা করে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা আশা করবো তিনি দ্রুতই ক্যাম্পাসে এসে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিবেন। একই সঙ্গে আমরা এও আশা করছি যে, এরই মধ্যে আমাদের মূল দাবিসহ অন্যান্য ব্যাপারে যে সমস্ত আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সেগুলোও অতিসত্বর পূরণ করা হবে।

১৩ জানুয়ারি থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এরপর ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

এরপর শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করে এতদিন আমরণ অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) টানা সাতদিনের অনশন ভাঙলেও উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা৷

শিক্ষামন্ত্রী   শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে   আমন্ত্রণ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সংকট সমাধানে মধ্যস্থতা করবেন জাফর ইকবাল

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সঙ্কট তা আংশিক সমাধান হয়েছে, পুরোপুরি সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের হস্তক্ষেপের কারণে শিক্ষার্থীরা সাতদিন পর তাদের অনশন ভঙ্গ করেছে। জাফর ইকবাল নিজে বলেছেন যে, তিনি শিক্ষার্থীদের যে ন্যায্য দাবি-দাওয়া আছে সেগুলো নিয়ে তিনি সরকারের সাথে কথা বলবেন এবং যদি সরকার দাবি-দাওয়া না মানে তাহলে তিনি নিজেও আন্দোলনে যুক্ত হবেন। উল্লেখ্য যে, জাফর ইকবালকে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেছে সরকারই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের দল ড. জাফর ইকবালের মহাখালীর বাসভবনে যায় এবং জাফর ইকবালকে সংকট নিরসনে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানায়। এ সময় জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কতগুলো বিষয় তিনি সুস্পষ্ট হন।

জানা গেছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে বলা হয়েছে যে তিনি যেভাবে এ সংকট নিরসনের প্রস্তাব করবেন সেটি সরকার মানবে। আর এই সম্মতির ভিত্তিতেই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল সিলেটে যান এবং শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। এখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তিনি একটি সুনির্দিষ্ট দাবি-দাওয়া নিবে এবং সরকারের সঙ্গে এটি নিয়ে কথা বলবেন। তবে গতকাল শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, উপাচার্যের পদত্যাগ সংকট সমাধানের কোনো সমাধান নয়। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন যে, এখন যে পরিস্থিতি তাতে অন্যান্য দাবি-দাওয়াগুলোর ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা বিলম্ব করতে পারেন বা নমনীয় হতে পারেন কিন্তু উপাচার্যের পদত্যাগের ব্যাপারে তারা ন্যূনতম নমনীয়তা দেখাবেন না। তারা বলছেন যে, উপাচার্যকে যেতেই হবে। আর সে কারণেই উপাচার্য কিভাবে যাবেন, সেটি একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে মনে করছেন যে, উপাচার্য নিজে যদি পদত্যাগ করতেন তাহলে সংকটের সমাধান অনেক ভালোভাবে হতো। সরকারের জন্য উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া বিব্রতকর।

উল্লেখ্য যে, অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ দ্বিতীয়বারের মতো উপাচার্য হয়েছেন। প্রথম চার বছর ফরিদ আহমেদ ভালো চালিয়েছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে, এই মুহূর্তে উপাচার্য পরিবর্তন করলে নতুন কোন ভালো উপাচার্য পাওয়া যাবে না। তবে ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলছেন যে, বর্তমান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসি কুমার দাস এবং ড. আনোয়ারুল ইসলাম, তারা যদি উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে পরিস্থিতি শান্ত হতে পারে। কিন্তু উপাচার্য নিজে পদত্যাগ করবেন কিনা সেটি একটি বিষয়। একটি পক্ষ চাচ্ছেন যে, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে তিনি যেন ছুটি নেন বা পদত্যাগ করেন। তাহলে এই আন্দোলনটিকে আপাতত নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হবে। অধ্যাপক জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবেন বলেও জানা গেছে। আর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাফর ইকবাল যে প্রস্তাবনা দিবেন এবং যেভাবে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়   ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল   শাবিপ্রবি   উপাচার্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ঢাবিতে গণরুম-গেস্টরুম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৬:১৭ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আকতার হোসেনকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে একই বর্ষের শিক্ষার্থীরা উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা গণরুম ও গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে প্রশাসন ও ডাকসুর নির্বিকার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। মানববন্ধন থেকে আকতারকে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার, ছাত্রত্ব বাতিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য গেস্টরুম কালচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের গেস্টরুমে জবাবদিহীতার সম্মুখীন হতে হয়। এতে বিভিন্ন সময় তাদের গালাগাল ও চড় থাপ্পড় মারে সিনিয়ররা। নবীন শিক্ষার্থীরা গণরুমে গাদাগাদি করে থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেকেই সিঙ্গেল রুমে থাকে। এ সংস্কৃতি বাদ দিতে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী রিসাত রশিদ বলেন, ভর্তি হওয়ার আগে আমরা ভার্সিটি নিয়ে যা শুনেছি এখান দেখি ঠিক তার উল্টো। কতিপয় গোষ্ঠী আমাদের শকুনের মতো খাবে, তা আমরা বুঝিনি। আমরা নিম্নবিত্ত, আমাদের অনেক টাকা নেই যে বাইরে মেসে থাকব। এর সুযোগ নিয়ে আমাদের নির্যাতন করা হবে, লাঞ্ছিত করা হবে—এটা অন্যায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা গেস্টরুমের নামে এই নির্যাতনের সমাপ্তি চাই৷ বাবা মা অনেক কষ্ট করে আমাদের পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করেছেন৷ তাহলে আমরা কেন অন্যের দ্বারা নির্যাতিত হব। এগুলোর জন্য কি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি।

দর্শন বিভাগের নাফিসা ইসলাম সাকাফি বলেন, আমরা সবাই ম্যানার শিখেই এখানে এসেছি। হলগুলোতে ম্যানার শিখানোর নামে আমাদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আমরা চাই এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গেস্টরুম কালচারটা পুরোপুরি বন্ধ হোক এবং আকতারকে যারা নির্যাতন করেছে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হোক। 

বুধবার রাত ১১টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুমে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পাঠানো হয় গণরুমে। সেখানে জ্ঞান হারান তিনি। পরে ঢামেকে নিয়ে তাকে ইসিজি করানো হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেকে ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী আবু ইউনুস ও রবিউল ইসলাম রানার অনুসারী। দুজনই ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে আবাসিক শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম সানার নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। 


ঢাবি   মানববন্ধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

আগামী মাসেই আসছে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশ: ০৩:৫৩ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণে আগামী মাসে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেয়েছে এনটিআরসিএ।  ১ থেকে ১৬তম নিবন্ধনধারীরা আবেদন করতে পারবেন

জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের অধিকাংশই ইনডেক্সধারী হওয়ায় এবং নারী কোটা ও অন্য ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদ ফাঁকা রয়ে যায়। এই অবস্থায় শিক্ষক সংকট দূর করতেই বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে এনটিআরসিএ।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে  বলেন, ‘তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ফাঁকা থাকা পদগুলো পূরণের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। ইতোমধ্যে তারা অনুমতিও দিয়েছে। তাই শিগগিরই আমরা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দেব।’

বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এটি প্রকাশ করব।’

নারী কোটা আগেও পূরণ হয়নি, এবার পূরণ হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি নারী কোটা পূরণ না হয় সেক্ষেত্রে কীভাবে এই পদ পূরণ করা যায়, তা নিয়ে আমরা সচিব স্যারের সাথে কথা বলব।’

১৬তম নিবন্ধনকারীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির বদলে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‌‌‘আগে আমরা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করব, তারপর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি।’

এ সময় বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে ১ থেকে ১৬তম নিবন্ধনধারীরা আবেদন করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   গণবিজ্ঞপ্তি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন