ইনসাইড এডুকেশন

ঢাবির পর বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম মেফতাউল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:৩৩ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী মেফতাহুল আলম সিয়াম এবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে বুয়েটের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায় যে, বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইউআরপি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন মেফতাহুল আলম সিয়াম। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ৫০৬১৫। তাছাড়া আর্কিটেকচার বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে নাবিলা তাবাসসুম নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ৯০৩১৯।

জানা যায়, পঞ্চম শ্রেণিতে মেফতাউল আলমের রোল নম্বর ছিল ২৫২। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উঠে এক লাফে সেটি হলো ২০। তবে মাধ্যমিক স্তরে ওঠার পর থেকেই পড়াশোনায় মন দিয়েছিলেন মেফতাউল। ফলও পেয়েছিলেন হাতেনাতে। অষ্টম শ্রেণিতে ক্লাসের সেরা হয়েছিলেন মেফতাউল। এরপর আর সেরার অবস্থান হাতছাড়া হয়নি তার। সবশেষ এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়ও সবাইকে তাক লাগিয়েছেন তিনি।  

বগুড়া শহরের রহমাননগর এলাকার বাসিন্দা মেফতাউলের বাবা খোরশেদ আলম অবসরপ্রাপ্ত এনজিও কর্মকর্তা আর মা মুনজিলা আলম গৃহিণী। সম্প্রতি প্রকাশিত দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় তৃতীয় হয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম আর মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় ৫৯তম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বগুড়ার এই মেধাবী শিক্ষার্থী।

মেফতাউল বলেন, ঢাবি আর আইইউটিতে প্রথম হলেও বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হতে পারব কি না, সেটি নিয়ে সংশয় ছিল। জেলা শহরের কলেজ থেকে পাস করে দেশের নামকরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাবীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। তবে আমি সব সময় আত্মবিশ্বাস ধরে রেখেছিলাম।

তিনি বলেন, কেউ মেধাবী হয়ে জন্মায় না। সবার ভেতরেই মেধা সুপ্ত ও ঘুমন্ত থাকে। জীবনের লক্ষ্য স্থির করে নিজের সুপ্ত মেধাকে জাগানোর জন্য সাধনা করতে হবে। স্বপ্ন ছোঁয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। সময়ের কাজ সময়েই করতে হবে। আর পাঠ্যবইয়ের বাইরেও পৃথিবীকে জানতে হবে। তাহলেই সাফল্য মিলবে বলে বিশ্বাস করেন মেফতাউল।

বুয়েটে প্রথম হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে পড়তে চান তিনি। এ বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা করার পরিকল্পনা আছে তার।

মেফতাউল জানান, এ সাফল্যের পেছনে মায়ের পরিশ্রম আর বাবার অনুপ্রেরণা সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে। তবে চিকিৎসক-প্রকৌশলী হতেই হবে, পরিবার থেকে এমন কোনো চাপ ছিল না। মা-বাবা পড়াশোনার ব্যাপারে সব সময় স্বাধীনতা দিয়েছেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সংকট সমাধানে মধ্যস্থতা করবেন জাফর ইকবাল

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সঙ্কট তা আংশিক সমাধান হয়েছে, পুরোপুরি সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালের হস্তক্ষেপের কারণে শিক্ষার্থীরা সাতদিন পর তাদের অনশন ভঙ্গ করেছে। জাফর ইকবাল নিজে বলেছেন যে, তিনি শিক্ষার্থীদের যে ন্যায্য দাবি-দাওয়া আছে সেগুলো নিয়ে তিনি সরকারের সাথে কথা বলবেন এবং যদি সরকার দাবি-দাওয়া না মানে তাহলে তিনি নিজেও আন্দোলনে যুক্ত হবেন। উল্লেখ্য যে, জাফর ইকবালকে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেছে সরকারই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের দল ড. জাফর ইকবালের মহাখালীর বাসভবনে যায় এবং জাফর ইকবালকে সংকট নিরসনে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানায়। এ সময় জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কতগুলো বিষয় তিনি সুস্পষ্ট হন।

জানা গেছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে বলা হয়েছে যে তিনি যেভাবে এ সংকট নিরসনের প্রস্তাব করবেন সেটি সরকার মানবে। আর এই সম্মতির ভিত্তিতেই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল সিলেটে যান এবং শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। এখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তিনি একটি সুনির্দিষ্ট দাবি-দাওয়া নিবে এবং সরকারের সঙ্গে এটি নিয়ে কথা বলবেন। তবে গতকাল শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, উপাচার্যের পদত্যাগ সংকট সমাধানের কোনো সমাধান নয়। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন যে, এখন যে পরিস্থিতি তাতে অন্যান্য দাবি-দাওয়াগুলোর ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা বিলম্ব করতে পারেন বা নমনীয় হতে পারেন কিন্তু উপাচার্যের পদত্যাগের ব্যাপারে তারা ন্যূনতম নমনীয়তা দেখাবেন না। তারা বলছেন যে, উপাচার্যকে যেতেই হবে। আর সে কারণেই উপাচার্য কিভাবে যাবেন, সেটি একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে মনে করছেন যে, উপাচার্য নিজে যদি পদত্যাগ করতেন তাহলে সংকটের সমাধান অনেক ভালোভাবে হতো। সরকারের জন্য উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া বিব্রতকর।

উল্লেখ্য যে, অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ দ্বিতীয়বারের মতো উপাচার্য হয়েছেন। প্রথম চার বছর ফরিদ আহমেদ ভালো চালিয়েছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন যে, এই মুহূর্তে উপাচার্য পরিবর্তন করলে নতুন কোন ভালো উপাচার্য পাওয়া যাবে না। তবে ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলছেন যে, বর্তমান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসি কুমার দাস এবং ড. আনোয়ারুল ইসলাম, তারা যদি উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে পরিস্থিতি শান্ত হতে পারে। কিন্তু উপাচার্য নিজে পদত্যাগ করবেন কিনা সেটি একটি বিষয়। একটি পক্ষ চাচ্ছেন যে, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে তিনি যেন ছুটি নেন বা পদত্যাগ করেন। তাহলে এই আন্দোলনটিকে আপাতত নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হবে। অধ্যাপক জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবেন বলেও জানা গেছে। আর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাফর ইকবাল যে প্রস্তাবনা দিবেন এবং যেভাবে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়   ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল   শাবিপ্রবি   উপাচার্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ঢাবিতে গণরুম-গেস্টরুম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৬:১৭ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আকতার হোসেনকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে একই বর্ষের শিক্ষার্থীরা উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা গণরুম ও গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে প্রশাসন ও ডাকসুর নির্বিকার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। মানববন্ধন থেকে আকতারকে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার, ছাত্রত্ব বাতিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য গেস্টরুম কালচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের গেস্টরুমে জবাবদিহীতার সম্মুখীন হতে হয়। এতে বিভিন্ন সময় তাদের গালাগাল ও চড় থাপ্পড় মারে সিনিয়ররা। নবীন শিক্ষার্থীরা গণরুমে গাদাগাদি করে থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেকেই সিঙ্গেল রুমে থাকে। এ সংস্কৃতি বাদ দিতে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি তাদের।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী রিসাত রশিদ বলেন, ভর্তি হওয়ার আগে আমরা ভার্সিটি নিয়ে যা শুনেছি এখান দেখি ঠিক তার উল্টো। কতিপয় গোষ্ঠী আমাদের শকুনের মতো খাবে, তা আমরা বুঝিনি। আমরা নিম্নবিত্ত, আমাদের অনেক টাকা নেই যে বাইরে মেসে থাকব। এর সুযোগ নিয়ে আমাদের নির্যাতন করা হবে, লাঞ্ছিত করা হবে—এটা অন্যায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা গেস্টরুমের নামে এই নির্যাতনের সমাপ্তি চাই৷ বাবা মা অনেক কষ্ট করে আমাদের পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করেছেন৷ তাহলে আমরা কেন অন্যের দ্বারা নির্যাতিত হব। এগুলোর জন্য কি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি।

দর্শন বিভাগের নাফিসা ইসলাম সাকাফি বলেন, আমরা সবাই ম্যানার শিখেই এখানে এসেছি। হলগুলোতে ম্যানার শিখানোর নামে আমাদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আমরা চাই এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গেস্টরুম কালচারটা পুরোপুরি বন্ধ হোক এবং আকতারকে যারা নির্যাতন করেছে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হোক। 

বুধবার রাত ১১টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুমে এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পাঠানো হয় গণরুমে। সেখানে জ্ঞান হারান তিনি। পরে ঢামেকে নিয়ে তাকে ইসিজি করানো হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেকে ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী আবু ইউনুস ও রবিউল ইসলাম রানার অনুসারী। দুজনই ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে আবাসিক শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম সানার নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। 


ঢাবি   মানববন্ধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

আগামী মাসেই আসছে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশ: ০৩:৫৩ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণে আগামী মাসে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেয়েছে এনটিআরসিএ।  ১ থেকে ১৬তম নিবন্ধনধারীরা আবেদন করতে পারবেন

জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের অধিকাংশই ইনডেক্সধারী হওয়ায় এবং নারী কোটা ও অন্য ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদ ফাঁকা রয়ে যায়। এই অবস্থায় শিক্ষক সংকট দূর করতেই বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে এনটিআরসিএ।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে  বলেন, ‘তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ফাঁকা থাকা পদগুলো পূরণের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। ইতোমধ্যে তারা অনুমতিও দিয়েছে। তাই শিগগিরই আমরা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দেব।’

বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এটি প্রকাশ করব।’

নারী কোটা আগেও পূরণ হয়নি, এবার পূরণ হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি নারী কোটা পূরণ না হয় সেক্ষেত্রে কীভাবে এই পদ পূরণ করা যায়, তা নিয়ে আমরা সচিব স্যারের সাথে কথা বলব।’

১৬তম নিবন্ধনকারীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির বদলে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‌‌‘আগে আমরা বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করব, তারপর চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি।’

এ সময় বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে ১ থেকে ১৬তম নিবন্ধনধারীরা আবেদন করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   গণবিজ্ঞপ্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ঢাবিতে 'গেস্টরুম' নির্যাতনে জ্ঞান হারালেন শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ০১:১৭ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে কথিত 'গেস্টরুমে' নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী। নির্যাতনের এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছেন আকতারুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষার্থী। বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বুধবার রাতে ছাত্রলীগের প্রচলিত ‘নিয়মিত কৈফিয়ত’ কর্মসূচি গেস্টরুম ছিল। অসুস্থ থাকায় এতে অনুপস্থিত ছিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আকতারুল। তবে দ্বিতীয় বর্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে জোরপূর্বক গেস্টরুমে ডেকে নেয় এবং অনুপস্থিত থাকার শাস্তিস্বরুপ তাকে জলন্ত বৈদ্যুতিক বাতির দিকে তাকিয়ে থাকতে নির্দেশ দেয়। 
কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর আকতারুল আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে রুমে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চেতনা হারিয়ে ফেলে। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ডাক্তাররা তার ইসিজি করান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হলে পাঠান। 

জানা যায়, নির্যাতনের ঘটনায় নেতৃত্ব দেয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কামরুজ্জামান রাজু, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাইফুল ইসলাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাইফুল ইসলাম রোহান, ইতিহাস বিভাগের হৃদয় আহমেদ কাজল, সমাজকল্যাণ বিভাগের ইয়ামিম ইসলাম, মনোবিজ্ঞান বিভাগের ওমর ফারুক শুভ। অভিযুক্তরা সকলেই ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। জানা যায়, এরা সবাই হল ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী আবু ইউনুস ও রবিউল ইসলমা রানার অনুসারী। ইউনুস এবং রানা উভয়ই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী। 
এদিকে, নির্যাতনের বিষয়টি জানাজানি হলে মধ্যরাতে হলে আসেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছির। এসময় তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সাথে দেখা করে তাবে সার্বিক নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। এসময় তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে। সেই আলোকে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে আবু ইউনুস বলেন, তারা (ছাত্রলীগের দ্বিতীয় বর্ষের কর্মীরা) যে গেস্টরুম নিচ্ছে, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। হল প্রশাসনের প্রতি আহ্বান থাকবে যেন দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। একই কথা বলেছেন হল ছাত্রলীগের নেতা বরিউল ইসলাম রানা।

ঢাবি   বিজয় একাত্তর হল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

কে হচ্ছেন শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য?

প্রকাশ: ১১:১৪ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হচ্ছে অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদকে। উপাচার্যের পদ থেকে তার যাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সরকারের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বলছে যে, শিক্ষামন্ত্রী যদিও এই মুহূর্তে উপাচার্য পরিবর্তনের পক্ষে না কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এখন এই ব্যাপারে আর কোন প্রকার ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না। তাছাড়া এই সংকট নিরসনে অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবালের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের যে কথা হয়েছে সেই কথায় তারা আশ্বস্ত করেছিলেন জাফর ইকবাল স্যার যেভাবে চাইবেন সেভাবেই সংকটের সমাধান হবে।

অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবাল চাইছেন উপাচার্য সরে যাক। নতুন উপাচার্য কে হবে তা নিয়ে সরকারের মাঝে আলাপ-আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে দুজনের নাম আলোচনায় এসেছে। একজন হলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং অন্যজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসি কুমার দাস । তবে এক্ষেত্রে তৃতীয় কোন ব্যক্তির নামও আলোচিত হতে পারে বলে সরকারের সূত্রগুলো জানিয়েছে। 

সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে এই সংকট সমাধানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবালকে। তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে একটি যৌক্তিক সমাধানে যাবেন। সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ যে ফরিদ উদ্দিনের সরে যাওয়া সেটা মোটামুটি নিশ্চিত।

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন   শিক্ষক সমিতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন