ইনসাইড এডুকেশন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন স্বপদে বহাল

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে স্বপদে বহাল রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সাথে তিনটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গতকাল রোববার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে রবির একাডেমিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে রেজিস্টার সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এ অফিস আদেশ প্রকাশ করা হয়। 

অফিস আদেশে বলা হয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের পাঠদান-পরীক্ষা গ্রহণসহ অন্যান্য যাবতীয় একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে প্রভাষক ফারহানা ইয়াসমিন বিরত থাকবেন। অফিস আদেশটি রবিবার বিকেলে একাডেমিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে টানানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ২১ নভেম্বর এতে স্বাক্ষর করেছেন। 

অন্যদিকে, এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, এমন সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে অনেক আগেই নেয়া যেত। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃর্পক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তারা দাবি করছেন। 

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি আব্দুল লতিফ জানান, চুল কাটার ঘটনাটি তদন্তের জন্য জুনিয়র শিক্ষকদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির তদন্ত প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পাশাপাশি সিনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে আরেকটি তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবেন। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

প্রসঙ্গত, গত ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় কাচি দিয়ে ১৪ জন শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন ওই বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন। সেই থেকেই ফারহানার স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামেন। প্রায় এক মাস আন্দোলন করেন। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

যে উদ্যোগে অনশন ভাঙ্গলো

প্রকাশ: ১১:৪৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের অনশন শেষ পর্যন্ত ভঙ্গ হয়েছে। সাতদিন পর অনশন ভেঙ্গেছে শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক আজ বুধবার ভোরে শাবিপ্রবিতে পৌঁছানোর পরপরই শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙ্গতে রাজি হন। এরপর হাসপাতাল থেকে ১১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অনশন ভাঙ্গা হয়। কিন্তু এই অনশন ভাঙ্গার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় আন্দোলন থামাতে পারছিলো না এবং অনশন ভাঙ্গানোর ক্ষেত্রে কোনো রকম অগ্রগতি হচ্ছিল না, শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বৈঠক করতেও যখন শিক্ষার্থীরা অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল, সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক দল এই উদ্যোগ নেয়। জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তারা সেখানকার  শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন মহলের সাথে কথা-বার্তা বলতেন। এ রকম কথা-বার্তা বলার পরেই জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, যদি ড. জাফর ইকবালকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেই এই সংকটের একটি সমাধান করা সম্ভব হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আসীম কুমার উকিল এবং সুভাষ সিংহ রায় অধ্যাপক জাফর ইকবালের বাসায় যান গতকাল। সেখানে জাফর ইকবালের সাথে পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং শেষ পর্যন্ত জাফর ইকবালকে সিলেট যাওয়ার ক্ষেত্রে রাজি করাতে সক্ষম হন। জাফর ইকবাল আজ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা তার বাসায় এসেছিলেন।

শাবিপ্রবি   অনশন   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

একসঙ্গে ৩৪ ভিসির পদত্যাগ দেখার অনেক শখ: ড. জাফর ইকবাল

প্রকাশ: ১১:১৬ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করলে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ জন ভিসি একসঙ্গে পদত্যাগ করার যে খবর ছড়িয়েছিল তা নিয়ে এবার তীর্যক মন্তব্য করলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেছেন, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ করলে আমাদের দেশের ৩৪ জন ভিসি একসঙ্গে পদত্যাগ করবে বলেছিলেন সেটা চোখে দেখার খুবই শখ ছিল। জানিনা দেখে যেতে পারি কিনা!

আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে সস্ত্রীক ক্যাম্পাসে এসে এমন মন্তব্য করেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমি এখানে আসতে চাইছিলাম না। কারণ তোমরা আমরা কথা না শুনলে তাই! তবে আমার ছেলে-মেয়েদের উপর আমার বিশ্বাস ছিল, তাই এসেছি। আমি সংকল্প করে এসেছি তোমাদের অনশন ভাঙিয়ে তারপর আমি সিলেট ছাড়বো। আমি চাই তোমরা আন্দোলন চালিয়ে যাও, তবে অনশন ভেঙে আন্দোলন করো। আন্দোলন আর অনশন ভিন্ন জিনিস!

এরপর সকাল ১০টা ২১ মিনিটের দিকে পানি খাইয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী।

জাফর ইকবাল বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক। সরকারের কাছে আন্দোলনের সঠিক তথ্য নেই। তিনি সরকারের কাছে তাদের প্রকৃত তথ্য তুলে ধরবেন বলেও জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলার ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়। এখানে শিক্ষার্থীরা সবাই বাইরে থেকে শীতে কষ্ট করছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ কিন্তু তাদের জন্য কোনো মেডিকেল টিম নেই। যারা তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতো তাদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। যা খুবই নিন্দনীয় একটি কাজ।

উল্লেখ্য, ড. জাফর ইকবাল  সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষক।

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

অনশন ভাঙ্গলেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১০:২৩ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালের অনুরোধে অনশন ভাঙ্গলেন আন্দোলনরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সাত দিন ধরে চলা শিক্ষার্থীদের এ অনশন ভাঙ্গান অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। অনশন ভাঙলেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আজ বুধবার সকালে অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পরে অনশন ভাঙ্গানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় ড. জাফর ইকবাল বলেন, আন্দোলন চলবে কিন্তু অনশন রেখে আন্দোলন করা যাবে না। তাদেরকে (শিক্ষার্থী) স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। এরপরই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙ্গতে সম্মত হন। 

এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন যে, যারা হাসপাতালে আছেন, তাদেরকে রেখে তারা অনশন ভাঙ্গবেন না। এরপর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। হাসপাতালে থাকা শিক্ষার্থীরা শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আসার পর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় এই অনশন।

ড. জাফর ইকবাল বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক। সরকারের কাছে আন্দোলনের সঠিক তথ্য নেই। তিনি সরকারের কাছে তাদের প্রকৃত তথ্য তুলে ধরবেন বলেও জানান। উল্লেখ্য, ড. জাফর ইকবাল  সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষক।

এ দিকে একটু পর শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিবেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিবৃতিতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভুতি জানাবেন এবং আবারও আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবেন বলে জানা গেছে।

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীরাই চালু করলো ভ্রাম্যমাণ দোকান ‘চাষাভুষার টং’

প্রকাশ: ১০:১২ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে চলছে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন। এর মধ্যেই ক্যাম্পাসের ভেতরের খাবারের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর এর প্রতিবাদ হিসেবে এবার শিক্ষার্থীরা নিজেরাই চালু করলেন ‘চাষাভুষার টং’ নামে ভ্রাম্যমাণ দোকান। 

গতকাল মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে শিক্ষার্থীরা এটি চালু করেন। এ দোকানে চা, বিস্কিটসহ হালকা খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা মূল্য পরিশোধ করে সেখান থেকে খাবার কিনছেন।

‘চাষাভুষার টং’ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা জানান, আন্দোলন বন্ধে খাবারের দোকান ও ফুড কোর্ট বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী এবং আন্দোলনের খবর সংগ্রহে আসা গণমাধ্যমকর্মীদের খাবার পেতে সমস্যা হচ্ছে। প্রতিবাদ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ দোকানটি চালু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল খাবার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী নাফিসা আনজুম ঢাকা পোস্টকে বলেন, দোকানিরা প্রশাসনের নির্দেশনার অজুহাত দেখিয়ে দোকান খুলছেন না। আমাদের ধারণা চলমান আন্দোলন বন্ধ করার জন্য এসব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে খাবারের দোকান বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আলমগীর কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ নিয়ে কিছু জানি না।

এদিকে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙ্গার প্রস্তুতি চলছে। অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল আজ বুধবার সকালে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পরে অনশন ভাঙ্গানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

ড. জাফর ইকবাল বলেন, আন্দোলন চলবে কিন্তু অনশন রেখে আন্দোলন করা যাবে না। তাদেরকে (শিক্ষার্থী) স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। এরপরই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙ্গতে সম্মত হন। এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন যে, যারা হাসপাতালে আছেন, তাদেরকে রেখে তারা অনশন ভাঙ্গবেন না। এখন হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে আনার প্রস্তুতি চলছে। তারা শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে এলেই আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন ভাঙ্গানো হবে বলে জানা গেছে।

 এ দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙ্গানোর পরে শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিবেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিবৃতিতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভুতি জানাবেন এবং আবারও আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবেন বলে জানা গেছে।

চাষাভুষার টং   শাবিপ্রবি ড. জাফর ইকবাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

হাসপাতাল থেকে শিক্ষার্থীদের আনলেই অনশন ভাঙ্গবে আন্দোলনকারীরা

প্রকাশ: ০৯:৩২ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙ্গার প্রস্তুতি চলছে। অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল আজ বুধবার সকালে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পরে অনশন ভাঙ্গানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

ড. জাফর ইকবাল বলেন, আন্দোলন চলবে কিন্তু অনশন রেখে আন্দোলন করা যাবে না। তাদেরকে (শিক্ষার্থী) স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। এরপরই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙ্গতে সম্মত হন। 

এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন যে, যারা হাসপাতালে আছেন, তাদেরকে রেখে তারা অনশন ভাঙ্গবেন না। এখন হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। তাদেরকে আনার প্রস্তুতি চলছে। তারা শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে এলেই আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন ভাঙ্গানো হবে বলে জানা গেছে।

এ দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙ্গানোর পরে শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিবেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিবৃতিতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভুতি জানাবেন এবং আবারও আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবেন বলে জানা গেছে।

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন