ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুখোমুখি ইরান ও ওয়েলস, কতটা তৈরি দু-দল?

প্রকাশ: ০৯:০১ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপের শুরুটা মোটেও শুভ হয়নি ইরানের জন্য। ম্যাচের শুরুতেই তাদের গোলরক্ষক আলিরেজার গুরুতর চোট লাগে। ম্যাচের ফলও তাদের পক্ষে বিরাট হতাশার। থ্রি-লায়ন্সদের কাছে ২-৬ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় ইরানকে। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে পরের ম্যাচে জয় চাই।

আজ গ্রুপ ‘বি’ তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নামতে চলেছে ইরান। প্রতিপক্ষ ওয়েলস। গ্যারেথ বেলের দলেরও শুরুটা খুব ভালো হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে তারা। গ্য়ারেথ বেলের পেনাল্টি গোলে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েলস।

২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ ছাড়া আর কখনও পরপর দু-ম্যাচে হারেনি ইরান। ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ইরানের মূল ভরসা পোর্তো স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটিতে যে দুটি গোল হয়েছিল ইরানের, সেই দুটি গোলই করেছিলেন তারেমি। ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেও ইরান শিবিরকে চাঙ্গা করে তোলার দায়িত্ব নিতে হয়েছে তাঁকেই। এছাড়াও চোখ থাকবে মজিদ হোসেইনি, হোসেইন কানানি, সইদ এজাতোলাহিদের দিকে। প্রতিপক্ষ ওয়েলসের কাছে সবকিছুই নতুন। ৬৪ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে পা পড়েছে ওয়েলসের। ১৯৫৮ সালে শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছিল ওয়েলস।

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। ওয়েলসের তারকা ফুটবলার এবং অধিনায়ক গ্যারেথ বেল বলেছেন, “টিভিতে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে খুব খারাপ লাগত। হতাশায় ডুবে যেতাম। কারণ, সেখানে ওয়েলস ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। কাতার বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে ফুটবলকে কেরিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। আমরা হৃদয় দিয়ে খেলব।”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে বেলই এক গোল দিয়ে মান রাখেন দল এবং কোচ রব পেজের। জিততে না পারলেও গ্যারেথ বেলই দলের মুখ রক্ষা করেছে ওয়েলসের, এমনটাই বলছেন কোচ রব পেজ। তিনি বলেন, “বেল যে কখনও আমাদের হতাশ করবে না, তা আমি জানতাম। বড় মঞ্চে বেলের মতো ফুটবলারের প্রতি একশো শতাংশ ভরসা ছিল আমার।” নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে ভালো পারফরম্যান্স লক্ষ্য দু-দলের।


ফিফা   কাতার বিশ্বকাপ   ওয়েলস   ইরান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লম্বা ক্যারিয়ারকে আলবিদা বলে অবসরের ঘোষণা এরাসমাসের

প্রকাশ: ০৯:০৩ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

কখনো ভিরাট কোহলি, কখনো সাকিব আল হাসান- টানা ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন কিংবদন্তিদের আম্পায়ারিং সংকেতের মাধ্যমে আউট দিয়েছেন তিনি। তবে এবার ক্যারিয়ার থেকে নিজেই হতে যাচ্ছেন আউট।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এলিট প্যানেল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ম্যারাইস এরাসমাস। এই এপ্রিলে ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকার এ আম্পায়ার। ফলে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজ হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ সিরিজ।

নিজের অবসরের বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে এরাসমাস বলেন, ‘গত বছরের অক্টোবরে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আইসিসিকে আমার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবগত করেছিলাম। আমার চুক্তি এপ্রিলে শেষ হবে এবং এটাই হবে শেষ।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এ সুবিধা এবং ভ্রমণের বিষয়গুলো অনুভব করতে থাকব। দূরে যাওয়ার মত যথেষ্ট হয়েছে এবং আমার মত করে থাকা শুরু করব। আমি মনে করি আরও একঘেয়ে জীবন আমি খুঁজছি।’

২০১০ সালে আইসিসির এলিট প্যানেলে ঢোকার পর অভিজ্ঞতা নিয়ে এরাসমাস বলেন, ‘এই কাজের চ্যালেঞ্জ হলো, নির্দিষ্ট সময়ে বা ঐ সময়ে সঠিক থাকা। এটা সবসময় বিশেষ কিছু এবং কঠিনও এবং এটা বেশ আনন্দদায়ক যখন আপনার ম্যাচ ভালো চলে।’

আম্পায়ারিংয়ে এরাসমাসের অভিষেক হয় ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সাউথ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মাধ্যমে। ১৭ বছরের দীর্ঘ সময়ে তিনি ৮০টি টেস্ট, ১২৪টি ওয়ানডে এবং ৪৩টি টি-২০তে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া মেয়েদের ক্রিকেটে ১৮টি টি-২০ এবং ১৩১ টি ম্যাচে টিভি আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবমিলিয়ে ৮টি টি-২০ বিশ্বকাপ এবং চারটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের সাথে অ্যাশেজের ১৪টি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রোটিয়াদের তারকা আম্পায়ার।


ম্যারাইস এরাসমাস   আম্পায়ারিং   অবসর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফাইনাল ফটোসেশনে না থাকার ব্যাখ্যা দিল বরিশাল-কুমিল্লা

প্রকাশ: ০৭:২০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে টানা ৪৫ ম্যাচের লড়াই শেষে প্রস্তুত হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসরের শিরোপার লড়াইয়ের মঞ্চ। আসরের শুরু থেকেই ক্রীড়াপ্রেমীদের বিভিন্ন মত-দ্বিমত, আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও পরিশেষে শীর্ষ দুই দলই পৌঁছেছে শিরোপার লড়াইয়ের মঞ্চে। সেই সাথে নির্ধারিত হয়েছে শেষ লড়াইয়ের দিনক্ষণও।

আগামীকাল শুক্রবার (১ মার্চ) মাঠে গড়াবে বিপিএলের দশম আসরের ফাইনাল। যেখানে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ফরচুন বরিশাল। ফাইনালের আগে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিপিএলের ট্রফি নিয়ে ফাইনালিস্ট দুই দলের ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ফাইনালের ফটোসেশনের জন্য ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা আহসান মঞ্জিলকে বেছে নেয়া হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে এই ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়। তবে দুই দলেরই অধিনায়কই ফটোসেশনে আসেননি। তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বরিশালের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ও কুমিল্লার জাকের আলী ফটোসেশনে অংশ নেন। আর ফাইনালের আগে দুই দলের অধিনায়কের এমন কাণ্ডে শুরু হয় বিতর্ক।

তবে এবার দুই দলের অধিনায়ক এই ফটোসেশনে কেন উপস্থিত হননি সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও কুমিল্লার কোচ সালাউদ্দিন।

ফটোসেশনে থাকতে না পারার জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তামিম লিখেছেন, ‘বিপিএল ফাইনালের আগে ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনের জন্য আজকে চমৎকার একটি জায়গা বেছে নিয়েছিল বিসিবি। তবে আমি সেখানে যেতে পারিনি, এজন্য দুঃখপ্রকাশ করছি বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব অনুসারীর প্রতি। অধিনায়ক হিসেবে অবশ্যই আমার দায়িত্ব ছিল এরকম একটি আয়োজনে থাকা।’

ব্যাখ্যা দিয়ে তামিম লিখেছেন, গতকাল রাতেই আমরা কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলেছি। ম্যাচ শেষে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সেরে হোটেলে ফিরতে আমাদের অনেক রাত হয়ে যায়। এরপর ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপনের জন্য দল থেকে বিশেষ আয়োজন ছিল। পাশাপাশি, অধিনায়ক হিসেবে আমার বাড়তি কিছু ব্যস্ততাও ছিল। সবকিছু শেষ করতেই আমার অনেকটা দেরি হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় হোটেল থেকে বের হওয়া তাই সম্ভব ছিল না আমার পক্ষে। জায়গাটি যেহেতু একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা, ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনটি নির্দিষ্ট ওই সময়েই করার কিছু বাধ্যবাধকতাও ছিল।

আরও যোগ করেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময়ই বিপিএলকে অনেক মূল্য দিয়েছি এবং এই টুর্নামেন্টকে ওপরে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কখনোই এই টুর্নামেন্টকে কোনোভাবে খাটো করতে চাইনি। বিপিএলের জন্য কোনো কিছু করার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতেও এগিয়ে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে আজকের পরিস্থিতিতে আমার কোনো উপায় ছিল না এবং এজন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করছি।

এদিকে আরেক ফাইনালিস্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষ থেকেও তাদের অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিটনের না থাকা হিসেবে ভ্রমণ ক্লান্তির কথা জানিয়েছে কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেছেন, এই পথ ভ্রমণ করে যাওয়া-আসার পর আগামীকালকের ম্যাচে সেটার প্রভাব পড়তে পারতো।

ফটোসেশনে লিটনের না থাকা নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, 'অবিচার হয়েছে কি না আমি জানি না। কালকে আমার ফাইনাল খেলা। এখন আমার অধিনায়ককে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবেন আড়াই ঘণ্টা জার্নি করে, আবার সে আড়াই ঘণ্টা-তিন ঘণ্টা জার্নি করে এখানে আসবে। তার তো ট্রফি দেখার চেয়ে ট্রফিটা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতিটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক না?’


ফরচুন বরিশাল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   বিপিএল   ফাইনাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পূর্বনির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বাংলাদেশে শ্রীলংকা দল

প্রকাশ: ০৬:৪২ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

টাইগারদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি এবং দু’টি টেস্ট খেলতে পূর্বনির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই ঢাকায় পা রেখেছেন লঙ্কানরা। আগামীকাল শুক্রবার (১ মার্চ) বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও বৃহস্পতিবারই ২৭ জনের বহর নিয়ে ঢাকায় পৌঁছায় তারা।

সেখান থেকে এবার তাদের গন্তব্য সিলেট। এরপর সেখান থেকে চট্টগ্রামে যাবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। সেখানে হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

আগামী ৪ মার্চ থেকে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। বাকি দুই টি-টোয়েন্টি হবে ৬ ও ৯ মার্চ। প্রথম দুই ম্যাচ সন্ধ্যা ৬ টায় শুরু হলেও সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি হবে বিকেল তিনটায়।

এছাড়াও ১৩ মার্চ বেলা ২ টা ৩০ মিনিটে প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামবে দুই দল। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ হবে ১৫ ও ১৮ মার্চ। দুই ম্যাচ বেলা আড়াইটায় হলেও শেষ ওয়ানডে হবে সকাল ১০ টায়। ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে।

আর সাদা বলের ক্রিকেট শেষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মধ্যে প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে ২২-২৬ মার্চ। ম্যাচটি হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। দ্বিতীয় টেস্ট হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ৩০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল।

এদিকে শ্রীলঙ্কা সিরিজকে সামনে রেখে আজ সিলেটে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ স্কোয়াডের একাংশের। আগামীকাল বিপিএলের ফাইনাল শেষে বাকি ক্রিকেটাররা দলে যোগ দেবেন।


বাংলাদেশ   শ্রীলংকা   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে খেলার মাঠে বিয়ের প্রস্তাব, মাঠেই শুরু হইচই

প্রকাশ: ০৬:০২ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

খেলার মাঠে বা স্টেডিয়ামে নিজেদের পছন্দের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্য করে প্ল্যাকার্ড-পোস্টারে বিভিন্ন বার্তা লিখে উচ্ছাস প্রকাশ দর্শকদের জন্য নতুন কিছু নয়। তবে সেই বার্তায় যদি থাকে বিয়ের প্রস্তাব তবে সেটি নিয়ে হইচই হবারই কথা।

তেমনই এক ঘটনা ঘটেছে মেয়েদের আইপিএলের মঞ্চে। বেঙ্গালুরুতে গুজরাট টাইটান্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচে ঘটেছে এই ঘটনা। বেঙ্গালুরুর ইনিংস চলার সময় টেলিভিশনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে গ্যালারির একটি দৃশ্য। দেখা যায় খেলা দেখতে আসা বেঙ্গালুরুর এক তরুণ সমর্থক হাতে লেখা একটি পোস্টার ধরে রয়েছেন। তাতে শ্রেয়াঙ্কার উদ্দেশে লেখা রয়েছে, ‘‘উইল ইউ ম্যারি মি?’’ অর্থাৎ, ‘‘তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?’’ ঘটনাটি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমেও।

পোস্টারটি দেখা মাত্র স্টেডিয়ামে হইচই শুরু হয়। সে সময় সতীর্থদের সঙ্গে মাঠের ধারে ডাগআউটে বসে ছিলেন শ্রেয়াঙ্কা। বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটারদের নজরেও পড়ে পোস্টারটি। তা দেখে বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটারদের হাসতে দেখা যায়। শ্রেয়াঙ্কার সঙ্গে রসিকতা শুরু করেন তারা। হেসে লুটিয়ে পড়ে বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটাররা।

কার্যত মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। সাধারণত তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে এইধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। অতীতে অজয় জাদেজা, রাহুল দ্রাবিড়, বিরাট কোহলিদের জন্য গ্যালারি থেকে একাধিক প্রেম নিবেদন এসেছে, ছিল বিয়ের প্রস্তাবও। কিন্তু খুব বেশিদিন হয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদার্পণ করেছেন শ্রেয়াঙ্কা পাটিল। এখনও পর্যন্ত ভারতের হয়ে মাত্র দুঈটি একদিনের আন্তর্জাতিক এবং ৬টি টি-২০ খেলেছেন ২১ বছরের এঈ ক্রিকেটার। এরমধ্যেই গ্যালারি থেকে বিয়ের প্রস্তাব!

সাধারণত মেয়েদের ক্রিকেটে এই দৃশ্য বিরল। এদিন খুব একটা সাফল্য পাননি শ্রেয়াঙ্কা। মাত্র এক ওভার বল করেন। তবে বাইশ গজের বাইরের ঘটনায় নায়িকা তিনিই। এদিন তাকে নিয়ে আরও একটি পোস্টার নজরে পড়ে। সেখানে একটি পোস্টার নিয়ে দাঁড়িয়ে এক খুদে ভক্ত। সেখানে লেখা, "শ্রেয়াঙ্কা, তুমি আরসিবি এবং বেঙ্গালুরুকে গর্বিত করো। আমরা তোমাকেই দেখতে এসেছি।" এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট যে মেয়েদের ক্রিকেটকে ঘিরে আগ্রহ বাড়ছে।


আইপিএল   গুজরাট টাইটান্স   রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

স্বেচ্ছায় অবসর নেননি মুশফিক, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়

প্রকাশ: ০৪:০৫ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

২০২২ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হওয়া টি-২০ এশিয়া কাপ শেষে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেন মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। কারণ হিসেবে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, বাকি দুই ফরম্যাটে মনোযোগ দিতে চান তিনি।

তবে, এবার মুশি বলছেন ভিন্ন কথা। চলমান বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিরুদ্ধে জেতার পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন ফরচুন বরিশালের মুশফিকুর রহিম। সেখানে প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। একইসঙ্গে টি-টোয়েন্টি থেকে নিজের ইচ্ছায় অবসর নেননি বলেও চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন মুশফিক।

গতকাল (বুধবার) বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে বসে বরিশাল। সেই বিপর্যয় সামলে দলকে জয়ের বন্দরে নিতে মুশফিক ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। যা ৯ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ী বরিশালকে ফাইনালে তুলে দেয়। মুশফিকের এমন ফর্ম অবশ্য বিপিএলের কয়েকটি ম্যাচেই দেখা গেছে। তাই তো প্রশ্ন ওঠে আগেই তিনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন কি না!

এরপর সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে মুশফিক বের হওয়ার সময় জানতে চাওয়া হয়— টি-টোয়েন্টি অবসর নিয়ে আক্ষেপ আছে কি না তার। কৌতূহলী সাংবাদিকদের সেই প্রশ্নের জবাবে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান বলেন, ‘না! না! (অবসর নেওয়া নিয়ে) রিগ্রেট করি না। রিগ্রেট করার কী আছে? (হাসি)।’

এর আগে নিজের টি-টোয়েন্টি অবসর নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন মুশফিক। ক্যারিয়ারের শেষ সময়েও সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটটিতে তার খেলার প্রশংসা শুনে তিনি বলেন, ‘এটা তো এখন ভালো খেলার পর বলছেন। আগে তো কেউ এটা বলেননি। আমি শুধু একটা প্রশ্ন করি, আমি কি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছি নিজের ইচ্ছায়? এতটুকু শুধু বলার আছে।’

২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ওই টুর্নামেন্টের পর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুশফিক। এর আগে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটটিতে তার থাকা নিয়ে নানামুখী সমালোচনা শুনতে হয়েছিল। সেটিও পুনরায় মনে করিয়ে দিয়ে মিস্টার ডিফেন্ডেবল বলেন, ‘যখন অবসর নিয়েছিলাম, তার আগের এক মাস একটু দেখে নিয়েন। আর কিছু বলার নেই।’

বিদায় বলার আগে মুশফিক ১০২টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। যেখানে ১১৫ স্ট্রাইকরেট ও ৬টি ফিফটিসহ তিনি করেছেন ১৫০০ রান। তবে বিপিএলে তার পরিসংখ্যান আরও উন্নত। টুর্নামেন্টটিতে সবচেয়ে বেশি ১২৫ ম্যাচ খেলা মুশফিকের রান ৩২৪৯। যা তামিম ইকবালের (৩৩৮৩) পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দুই হাজারের বেশি বিপিএল রান ও ১৩০-এর বেশি স্ট্রাইকরেটেও মুশফিক দ্বিতীয়। ১৩৯ স্ট্রাইকরেট নিয়ে শুধু সাকিব আল হাসান তার সামনে আছেন।

চলতি বছরের জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। যেখানে মুশফিক ও তামিম ইকবালসহ অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আসরটির জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে টিম টাইগার্স। বিশ্বকাপে তাদের প্রথম প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, সেই দলটির বিপক্ষে টাইগাররা সিরিজ খেলবে আগামী ৪ মার্চ থেকে।


মুশফিকুর রহিম   বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড   বিসিবি   অবসর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন