ইনসাইড গ্রাউন্ড

এফএ কাপ শিরোপার ফাইনালে এবার ম্যানচেস্টার ডার্বি

প্রকাশ: ০৯:০৫ এএম, ২৪ এপ্রিল, ২০২৩


Thumbnail

গোলমুখে কার্যকর হয়ে উঠতে পারল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মাঝেমধ্যে ভীতি ছড়ালেও ম্যাচের ডেডলক খুলতে পারল না ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে জালের দেখা তাই পেল না কোনো দল। ম্যাচের ভাগ্য গড়াল টাইব্রেকারে। সেখানে গোল হতে লাগল মুড়িমুড়কির মতো। শেষ পর্যন্ত ব্রাইটনকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে উঠল ইউনাইটেড।

লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে রবিবার (২৩ এপ্রিল) দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে টাইব্রেকারে ৭-৬ ব্যবধানে জিতেছে ইউনাইটেড।

নির্ধারিত পাঁচ শটে উভয় দলই পায় জালের দেখা। এরপর এক শটের লড়াইয়ে ব্রাইটনের অ্যাডাম ওয়েবস্টার ও ইউনাইটেডের ভট ভেহর্স্টও লক্ষ্যভেদ করেন। সপ্তম শটে ব্রাইটনের সলি মার্চ উড়িয়ে মারেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ভিক্টর লেন্ডেলফ জালের দেখা পেলে জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে ইউনাইটেড।

ওয়েম্বলিতেই আগামী ৩ জুনের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আগের দিন প্রথম সেমি-ফাইনালে রিয়াদ মাহরেজের হ্যাটট্রিকে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে ৩-০ গোলে হারায় সিটি। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে এই প্রথম শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টারের দল দুটি। দ্বাদশ শিরোপার সবশেষটি ইউনাইটেড জিতেছিল ২০১৫-১৬ মৌসুমে। সবশেষ ২০১৮-১৯ মৌসুমে এ ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল সিটি।

বলের নিয়ন্ত্রণ মুঠোয় রাখলেও ইউনাইটেডের আক্রমণগুলো হচ্ছিল না ধারাল। চতুর্দশ মিনিটে ব্রুনো ফের্নান্দেসের শট গোলরক্ষক ফেরানোর পর তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারছিল না তারা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্রাইটনকে চাপ দিতে থাকে ইউনাইটেড, দূরপাল্লার শটেও চেষ্টা করতে থাকে তারা, কিন্তু গোল থেকে যায় অধরাই। ৪৪তম মিনিটে ফের্নান্দেসের কোনাকুনি শট অল্পের জন্য বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট দিয়ে। একটু পর মার্শিয়ালের দূরপাল্লার শট যায় ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে। দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি তাড়াহুড়ো করে শট নেন বক্সের বেশ বাইরে থেকে। বিরতির আগ মুহূর্তে সতীর্থের কাট ব্যাকে শট নেন ক্রিস্তিয়ান এরিকসেন, সোজাসুজি আসা বল শেফিল্ড গোলরক্ষক শটেই ফিরিয়ে দেন।

৫৬তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাইটন। বক্সের ভেতর থেকে হুলিও এনসিওর জোরাল ভলি কোনোমতে গ্লাভসের ছোঁয়ায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান দাভিদ দে হেয়া। বাকিটা সময় ইউনাইটেড পারেনি উল্লেখযোগ্য কোনো আক্রমণ শাণাতে। ব্রাইটনও পারেনি ডেডলক খুলতে। ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম অর্ধে রক্ষণের বলয় থেকে বেরিয়ে ইউনাইটেডের চোখে চোখ রেখে লড়তে থাকে ব্রাইটন। কয়েকবার রক্ষণে ভীতিও ছড়ায় তারা, কিন্তু দে হেয়ার পরীক্ষা নিতে পারেনি কেউ।

১০৪তম মিনিটে মার্কাস র্যাশফোর্ডের শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কিছুটা দিক পাল্টানোর পর ঝাঁপিয়ে আঙুলের টোকায় কর্নার দিয়ে বের করে দেন গোলরক্ষক রবের্ত সানচেস। নষ্ট হয় ইউনাইটেডের এগিয়ে যাওয়ার ভালো একটি সুযোগ। দ্বিতীয় অর্ধে সতীর্থের লম্বা ক্রস ধরে জায়গা করে নিয়ে শট নেন র্যাশফোর্ড। কিন্তু বল বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট দিয়ে। শেষ দিকে ব্রাইটনের কাউরু মিতোমাও গোলমুখে সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তালগোল পাকিয়ে হারান বলের নিয়ন্ত্রণ। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে বাজিমাত করে ইউনাইটেড।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সুপার এইটে বাংলাদেশের সম্ভাবনা!

প্রকাশ: ০৯:১৬ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

টি-২০ বিশ্বকাপের এবারের আসরের গ্রুপ পর্ব ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। কাগজে কলমে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ৮ দল। যেখানে শেষ দল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে ২১ রানে হারিয়ে ১৭ বছর পর দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রেখেছে শান্ত-হৃদয়রা।

গ্রুপ পর্বের খেলায় চার ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে টাইগাররা। যেখানে দুর্দান্ত বোলিংয়ে তানজিম হাসান সাকিব-মোস্তাফিজুর রহমানরা আছেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় সেরা দশে।

এবারের বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ভালো না করলেও বল এবং ফিল্ডিংয়ে গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ছিল টাইগাররা। যার জন্য গ্রুপ পর্বে ক্যাচে সেরা দল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টাইগাররাই। 

তবে বাংলাদেশের সামনে এখন মিশন সুপার এইট। যেখানে টাইগারদের যাত্রা মোটেও সহজ হবে না বলেই ধারণা করছেন অনেকে। 

সুপার এইটের আট দলকে ভাগ করা হয়েছে দুই গ্রুপে। এক নম্বর গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও আফগানিস্তান। আর দুই নম্বর গ্রুপে আছে যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সুপার এইট পর্বে বাংলাদেশ দল ম্যাচ খেলবে দুই ভেন্যুতে। অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে খেলার পর বাংলাদেশ যাবে সেন্ট ভিনসেন্টে।

সুপার এইটে এমন শক্তিশালী দল পাওয়ায় ভক্তকূলের জিজ্ঞাসা ব্যর্থ ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আর কতদূর যাবে টাইগাররা। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে এখন পর্যন্ত কোনো টাইগার ব্যাটার ১০০ রান করতে পারেননি। সর্বোচ্চ রান তাওহিদ হৃদয়ের তাও সেটি ৯৫ রান। এই রান করতে তিনি ১২৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন। 

তবে এবারের আসরে আশাজাগানিয়া দিক হলো টাইগার বোলারদের জ্বলে ওঠা। শীর্ষ উইকেট শিকারিতে বাজিমাত করেছেন টাইগার পেসাররা। শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব। তিনি ৪ ম্যাচে ৪.৮০ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।

এছাড়াও শীর্ষ দশে জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ৪ ম্যাচে ৩.৩৭ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তবে ৭ উইকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও রয়েছেন টাইগার লেগ স্পিনার রিশাদ হোসাইন, ৪ ম্যাচে তার ইকোনমি ৬.৮০ এবং টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। ৪ ম্যাচে তার ইকোনমি ৬.৪৩। 

প্রতিটি ম্যাচেই দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বোলাররা। তাই প্রশ্ন এমন ভঙ্গুর ব্যাটিং লাইন আপ নিয়ে জায়ান্ট দলগুলোর বিপক্ষে কতদূর যাবে বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। 

গত সোমবার মুশফিক বলেন, যতদূর দেখলাম বাংলাদেশ ভালো খেলছে। সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেন অন্তত যেতে পারি। আমাদের সেই সামর্থ্য আছে। আমি এই আশা করি এবং দলের জন্য দোয়া করি।

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে গেলেও মুশফিক টেস্ট-ওয়ানডে মাতিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় দলের পরবর্তী খেলা নিয়ে মুশফিক জানান,  বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ আছে। ইনশাআল্লাহ সেজন্য প্রস্তুত হচ্ছি।


সুপার এইট   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টি-২০ বিশ্বকাপ: যুক্তরাষ্ট্রকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ১২:৩৫ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নবম টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেমেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে প্রোটিয়াদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লড়াই করে হেরেছে আমেরিকা। এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে থাকলো এইডেন মার্করামের দল।

অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭৬ রানে থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রোটিয়াদের জয় ১৮ রানে।

লক্ষ্য তাড়ায় উড়ন্ত শুরু পায় যুক্তরাষ্ট্র। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন স্টিভেন টেইলর আন্দ্রেস গাউস। ইনিংসের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তারা দুজন।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে জুটি ভাঙেন রাবাদা। এতে ২৪ রানেই সাজঘরে ফেরেন টেইলর। তার বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে তিন উইকেট হারায় যুক্তরাষ্ট্র।

দ্রুতই টপ অর্ডার ব্যাটারদের হারিয়ে বিপাকে পড়ে আমেরিকানরা। তবে সেই ধাক্কা সামলে দলীয় রানের চাকা সচল রাখেন আন্দ্রেস গাউস। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত ফিফটিও তুলে নিয়েছেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হারমীত সিং।

জুটির ব্যাট থেকে আসে ৯১ রান। তাদের দুজনের ব্যাটে জয়ের পথে ছিল আমেরিকা। তবে হারমীতকে ফিরিয়ে ম্যাচ প্রোটিয়াদের দখলে নেন রাবাদা।

শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে লড়াই করে ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন গাউস। তার ব্যাটে স্রেফ হারের ব্যবধান কমিয়েছে আমেরিকা। 

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন কেশব মহারাজ, আনরিখ নরকিয়া তাবরাইজ শামসি।

এর আগে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক অ্যারন জোন্স। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রেজা হেনড্রিকস কুইন্টন ডি কক। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই জুটিতে আঘাত করেছেন সৌরভ।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে অ্যান্ডারসনের ক্যাচ বানিয়ে রেজাকে সাজঘরের পথ দেখান সৌরভ। তৃতীয় উইকেটে এইডেন মার্করামের সঙ্গে ১১০ রানের জুটি গড়েন ডি কক। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্ধশতকও তুলে নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

ভয়ংকর হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন হারমীত সিং। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ডি কককে শায়ানের ক্যাচ বানান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন প্রোটিয়া ওপেনার।

পরে বাইশ গজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন ডেভিড মিলার। তার উইকেটও নেন হারমীত। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মার্করাম। নেত্রাভালকারের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ব্যাটার।

শেষের দিকে ত্রিস্টান স্টাবস হেনরিখ ক্লাসেনের ৫৩ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ১৯৪ রানে। ব্যাট হাতে ক্লাসেন ৩৬ স্টাবস ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন সৌরভ নেত্রাভালকার হারমীত সিং।


টি-২০ বিশ্বকাপ   সুপার এইট   দক্ষিণ আফ্রিকা   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

গুন্দোগানের গুন্ডামিতে উড়ে গেল হাঙ্গেরি

প্রকাশ: ১২:১৬ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে গুন্দোগানের করা গোল এবং এসিস্টে হাঙ্গেরিকে হেসে খেলে ২-০ গোলে হারিয়েছে জার্মানি। 

বুধবার (১৯ জুন) জার্মানি স্টুটগার্ট এরেনায় ‘গ্রুপ এ’ এর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় জার্মানি ও হাঙ্গেরি। জার্মানির হয়ে অপর গোলটি করেন জামাল মুসিয়ালা। 

এদিন ম্যাচের পুরো সময় জুড়েই জার্মানদের একক আধিপত্য দেখা গেলেও সমান টক্কর দিয়েছে হাঙ্গেরিও। ম্যাচের শুরু থেকেই নাগালসম্যান শিষ্যদের গোলের জন্য মরিয়া দেখা দেখা যায়। ম্যাচের ১০ মিনিটের সময় জার্মান মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজের শট রুখে দেয় হাঙ্গেরির গোলরক্ষক। এরপরই যেন হাঙ্গেরির বিখ্যাত বুদা দূর্গের মতো শক্তিশালী হয়ে ওঠে হাঙ্গেরি রক্ষণভাগ। কিন্তু এ দূর্গে ফাটল ধরতে সময় বেশি লাগেনি। ম্যাচের ২১ তম মিনিটে গুন্ডোগানের দেয়া পাস থেকে বল জালে জরান মুসিয়ালা। 

এর ঠিক তিন মিনিট পরই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় হাঙ্গেরি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে সোবোসজলাই এর ফ্রি-কিকটি রুখে দেন জার্মান দেয়াল ম্যানুয়েল নয়্যার। ম্যাচের ২৮ তম মিনিটে আরো একবার সুযোগ আসে হাঙ্গেরিয়ানদের। এবার সোবোসজলাই এর সামনে দেয়াল হয়ে দাড়ায় জার্মান ডিফেন্ডার থাহ। তার করা দুর্দান্ত এক ব্লকে শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়ায় নি। 

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হাঙ্গেরি সমতাসূচক একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল করে রেফারি। 

দ্বিতীয়ধার্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখে নাগালসম্যান শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা করে তোলে হাঙ্গেরির রক্ষণভাগকে। এরপর ম্যাচের ৬৬ তম মিনিটে মেক্সিমিলান এর করা ক্রস থেকে গোল করে দলকে ২-০ এর লিড এনে দেয় জার্মান অধিনায়ক গুন্দোগান। তাছাড়া পুরো ম্যাচ জুড়ে তার পারফর্মমেন্সও ছিলো নজর কাড়া। 

ম্যাচের বাকি সময়েও ব্যবধান আরও বড় করার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানরা। ৭২ ও ৭৪ মিনিটে দুইটি বড় সুযোগও তৈরি করে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়াতে পারেনি। 

অবশ্য ২ গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি হাঙ্গেরি। ম্যাচের শেষ দিকে জার্মান ডিফেন্ডার কিমিচ গোল লাইন থেকে একটি বল ক্লিয়ার না করলে হয়তো ম্যাচের শান্তনা মূলক গোলটি পেতে পারতো তারা। 

উল্লেখ্য, এই ম্যাচ জয়ের মধ্য দিয়ে ‘গ্রুপ এ’-তে টানা দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে জার্মানি। অন্যদিকে জার্মানির সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে জয়হীনভাবে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে হাঙ্গেরি। 


ইউরো   জার্মনি   হাঙ্গেরি   মুসিয়ালা   গুন্দোগান   নাগালসম্যান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুসিয়ালার মুন্সিয়ানায় বিরতিতে জার্মানরা

প্রকাশ: ১১:১৪ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ‘গ্রুপ এ’ এর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে হাঙ্গেরির বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে গিয়েছে জার্মানরা। জার্মানদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মুসিয়ালা। 

জার্মানির স্টুটগার্ট এরেনায় স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছে হাঙ্গেরি। প্রথমার্ধের পুরো সময় জুড়েই জার্মানদের একক আধিপত্য দেখা গেলেও সমান টক্কর দিয়েছে হাঙ্গেরিও। 

ম্যাচের শুরু থেকেই নাগালসম্যান শিষ্যদের গোলের জন্য মরিয়া দেখা দেখা যায়। ম্যাচের ১০ মিনিটের সময় জার্মান মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজের শট রুখে দেয় হাঙ্গেরির গোলরক্ষক। এরপরই যেন হাঙ্গেরির বিখ্যাত বুদা দূর্গের মতো শক্তিশালী হয়ে ওঠে হাঙ্গেরি রক্ষণভাগ। কিন্তু এ দূর্গে ফাটল ধরতে সময় বেশি লাগেনি। ম্যাচের ২১ তম মিনিটে গুন্ডোগানের দেয়া পাস থেকে বল জালে জরান মুসিয়ালা। 

এর ঠিক তিন মিনিট পরই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় হাঙ্গেরি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে সোবোসজলাই এর ফ্রি-কিকটি রুখে দেন জার্মান দেয়াল ম্যানুয়েল নয়্যার। ম্যাচের ২৮ তম মিনিটে আরো একবার সুযোগ আসে হাঙ্গেরিয়ানদের। এবার সোবোসজলাই এর সামনে দেয়াল হয়ে দাড়ায় জার্মান ডিফেন্ডার থাহ। তার করা দুর্দান্ত এক ব্লকে শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়ায় নি। 

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হাঙ্গেরি সমতাসূচক একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল করে রেফারি। 


ইউরো   জার্মনি   হাঙ্গেরি   মুসিয়ালা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দক্ষিণ আফ্রিকার

প্রকাশ: ১০:৩৬ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নবম টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়ছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে আমেরিকান বোলারদের তুলোধুনো করে রান পাহাড়ে চড়েছে প্রোটিয়ারা।

অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন কুইন্টন ডি কক।

বুধবার টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক অ্যারন জোন্স। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রেজা হেনড্রিকস ও কুইন্টন ডি কক। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত করেছেন সৌরভ।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে অ্যান্ডারসনের ক্যাচ বানিয়ে রেজাকে সাজঘরের পথ দেখান সৌরভ। এরপর ক্রিজে আসেন এইডেন মার্করাম। তার সঙ্গে ১১০ রানের জুটি গড়েন ডি কক। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্ধশতকও তুলে নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

ভয়ংকর হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন হারমীত সিং। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ডি কককে শায়ানের ক্যাচ বানান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এ প্রোটিয়া ওপেনার।

পরে বাইশ গজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন ডেভিড মিলার। তার উইকেটও নেন হারমীত। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মার্করাম। নেত্রাভালকারের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ব্যাটার।

শেষের দিকে ত্রিস্টান স্টাবস ও হেনরিখ ক্লাসেনের ৫৩ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ১৯৪ রানে। ব্যাট হাতে ক্লাসেন ৩৬ ও স্টাবস ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন সৌরভ নেত্রাভালকার ও হারমীত সিং।

যুক্তরাষ্ট্র   দক্ষিণ আফ্রিকা   টি-২০ বিশ্বকাপ   সুপার এইট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন