ইনসাইড গ্রাউন্ড

নেইমার মাঠে ফিরবে কবে?

প্রকাশ: ০৪:১০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail নেইমার মাঠে ফিরবে কবে?

দিনটা পিএসজির জন্য হতে পারত উৎসবের। সার্জিও রামোসের চোটের কারণে ‘গ্যালাকটিকো’ দের একসঙ্গে মাঠে পাওয়া যাচ্ছিল না। রামোস ফেরায় মাঠে সব তারকা দেখার উৎসব হওয়ার কথা। কিন্তু নেইমারের চোট সে উৎসবটা হতে পারল কই? 

এবার নতুন খবর। গতকাল সেঁত এতিয়েঁর বিপক্ষে পাওয়া এই চোট সারিয়ে মাঠে ফিরতে অন্তত দেড় মাস মতো সময় লাগবে তার। ফলে ২০২১ সালে আর মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই ব্রাজিলীয় এই ফরোয়ার্ডের।

গতকাল সেঁত এতিয়েঁর মাঠে ম্যাচের ৮৪ মিনিটে এই চোট পান নেইমার। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ইভান মাকো কড়া এক ট্যাকল করে বসেছিলেন তাকে। তা থেকে রক্ষা পেতে লাফিয়ে উঠেছিলেন নেইমার। তবে মাটিতে পড়ার পর তার বাম পা গিয়ে পড়ে মাকোর পায়ে। ভারসাম্য ধরে রাখতে না পেরে পা পড়ে বেকায়দায়, তাতেই পা গেছে মচকে। কাঁদতে কাঁদতে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান নেইমার।

নেইমার অবশ্য ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রামে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার বার্তা দিয়েছেন ভক্তসমর্থকদের। বলেছেন, ‘এ থেকে সেরে ওঠা যাক। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এইসব চোট খেলোয়াড়দের জীবনের অংশ। এটাই এখন আমার কাছে আছে, আমাকে মাথা উঁচু রাখতে হবে। আমি আরও ভালোভাবে ফিরবো, শক্তিশালী হয়ে ফিরবো।’

সেই ফেরাটা কবে হবে? দলটির মেডিক্যাল দল প্রাথমিক যাচাইয়ের পর জানিয়েছে, সে সময়টা অন্তত ছয় সপ্তাহ হবেই। তবে আজ আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আসবে চূড়ান্ত ঘোষণা। তবে প্রাথমিক ভাবে এটা নিশ্চিত যে, খুব দ্রুতই মাঠে ফেরা হচ্ছে না ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলারের। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কুমিল্লার টানা পাঁচ, লড়াই করে হারলো খুলনা

প্রকাশ: ০৫:৪৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগের ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটর্সের বিপক্ষে অল্প রানে গুটিয়ে গিয়েছিলো খুলনা টাইগার্স। সহজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে টুর্নামেন্টে নিজেদের পথটাও কঠিন করে তোলে দলটি। তবে সে ক্ষত পাশে সরিয়ে, কুমিল্লার বিপক্ষে দিনের প্রথম ম্যাচে প্রবল লড়াই করলো খুলনা। অবশ্য শেষ বলের সমীকরণে খুলনাকে ৪ রানে হারিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আর আসরে নিজেদের টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো কুমিল্লা। আর ৫ম হার নিয়ে খাদের আরো কিনারায় চলে গেলো খুলনা।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে খুলনাকে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দেয় কুমিল্লা। দলীয় ১৪ রানে তামিম ইকবালের উইকেট হারায় খুলনা। তবে অ্যান্ডু বালবিরনি ও শেই হোপ এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ দিয়েও জীবন পান বালবিরনি। তবে দলের স্কোর যখন ৬৩, তখন রানআউটে কাঁটা পড়েন এই আইরিশ ক্রিকেটার। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন মাহমুদুল হাসান জয়।

২০০ স্ট্রাইক রেটে প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর তান্ডব চালাতে থাকেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দুটি করে চার ও ছয়ে ১৩ বলে ২৬ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে মোসাদ্দেকের শিকার হন জয়। দারুণ এক ক্যাচে তাকে সাজঘরে পাঠান মোহাম্মাদ রিজওয়ান। দলের স্কোরবোর্ডে এক রান যোগ করে তাকে অনুসরণ করেন আজম খান। তবে আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন শেই হোপ ও ইয়াসির আলী।

১৯তম ওভারের প্রথম বলে নাসিম শাহ'র বলে বোল্ড হন শেই হোপ। জযের জন্য তখনো ১১ বল থেকে ২৪ রান দরকার খুলনা টাইগার্সের। শেষ ওভারে তাদের সামনে লক্ষ্য দাড়ায় ১৭ রানের। মোসাদ্দেকের করা সেই ওভারে একটি করে চার ও ছয় হাঁকিয়ে নিজেদের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখেন ইয়াসির আলী। তবে শেষ বলের সমীকরণ মেলাতে না পারায় হার সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হয় খুলনার অধিনায়ককে। ১৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন ইয়াসির। নাসিম শাহ ২টি উইকেট নিলেও, কুমিল্লা সবচেয়ে সফল বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

এর আগে, টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মাদ রিজওয়ান দলকে ভাল সূচনা এনে দেন। রিজওয়ান একপাশে ধরে খেললেও, দৃষ্টিনন্দন শটের পসরা বসিয়েছিলেন লিটন। দুজনে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৬৫ রান। লিটন তুলে নেন চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক। দলীয় ৬৫ রানে তাকে ফিরিয়ে খুলনাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদুল ইসলাম। ৪২ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। 

দ্বিতীয় উইকেটে রিজওয়ানের সাথে জনসন চার্লসের জুটি ভাল অবস্থানের দিকে নিতে থাকে কুমিল্লাকে। ৫টি ছয়ে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ে ইনিংস খেলে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হন চার্লস। বাকি পথটা দলকে টেনে নিয়ে যান রিজওয়ান ও খুশদীল শাহ। মাত্র ২৩ বল থেকে তাদের ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভাল সংগ্রহ পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৪৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। শেষ ৫ ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে ৫১ রান যোগ করে দলটি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাড়ায় ২ উইকেটে ১৬৫ রান।

খুলনার বোলাররা ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন নি। প্রায় সবাই ছিলেন খরুচে। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন নাসুম আহমেদ। সতীর্থরা যেখানে সবাই ৭ এর উপর গড়ে বোলিং করেছেন, সেখানে নাসুমের গড় ৩.৭৫। কোন উইকেট না পেলেও ৪ ওভার থেকে মাত্র ১৫ রান দিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদুল ও ওয়াহাব রিয়াজ।


বিপিএল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

১৬৬ রানের লক্ষ্য খুলনার সামনে

প্রকাশ: ০৩:৩১ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ১৬৬ রানের টার্গেট দিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মাদ রিজওয়ান দলকে ভাল সূচনা এনে দেন। রিজওয়ান একপাশে ধরে খেললেও, দৃষ্টিনন্দন শটের পসরা বসিয়েছিলেন লিটন। দুজনে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৬৫ রান। লিটন তুলে নেন চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক।

দলীয় ৬৫ রানে তাকে ফিরিয়ে খুলনাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদুল ইসলাম। ৪২ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। দ্বিতীয় উইকেটে রিজওয়ানের সাথে জনসন চার্লসের জুটি ভাল অবস্থানের দিকে নিতে থাকে কুমিল্লাকে। ৫টি ছয়ে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ে ইনিংস খেলে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হন চার্লস।

বাকি পথটা দলকে টেনে নিয়ে যান রিজওয়ান ও খুশদীল শাহ। মাত্র ২৩ বল থেকে তাদের ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভাল সংগ্রহ পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৪৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। শেষ ৫ ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে ৫১ রান যোগ করে দলটি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাড়ায় ২ উইকেটে ১৬৫ রান।

খুলনার বোলাররা ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন নি। প্রায় সবাই ছিলেন খরুচে। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন নাসুম আহমেদ। সতীর্থরা যেখানে সবাই ৭ এর উপর গড়ে বোলিং করেছেন, সেখানে নাসুমের গড় ৩.৭৫। কোন উইকেট না পেলেও ৪ ওভার থেকে মাত্র ১৫ রান দিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদুল ও ওয়াহাব রিয়াজ।


বিপিএল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

খুলনার বিপক্ষে ব্যাট করছে কুমিল্লা

প্রকাশ: ০১:৩২ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও খুলনা টাইগার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা। টুর্নামেন্টে এটি কুমিল্লার ৮ম ম্যাচ। তাদের থেকে ১ ম্যাচ কমে খেলেছে খুলনা টাইগার্স।

৭ ম্যাচে ৪ জয় ও ৩ হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দারুণ ছন্দে রয়েছেন দলটির ক্রিকেটাররা। এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে প্লে অফের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। আর ৬ ম্যাচ থেকে খুলনার ২ জয়ের বিপরীতে হার ৪টি ম্যাচে। ব্যাটিং অর্ডারের ব্যর্থতা ভোগাচ্ছে দলটিকে। নকআউটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে আসরে বাকি ম্যাচগুলোতে জয় ভিন্ন পথ নেই খুলনা টাইগার্সের। কুমিল্লার বিপক্ষে ব্যাটে-বলে লড়াই করে জয় তুলে নিতে চান ইয়াসির আলী রাব্বিরা।

দুই দলের একাদশ:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স:

ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মোহাম্মাদ রিজওয়ান, জনসন চার্লস, মোসাদ্দেক হোসেন, খুশদীল শাহ, জাকের আলী, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, নাসিম শাহ।

খুলনা টাইগার্স:

তামিম ইকবাল, ইয়াসির আলী রাব্বি, আজম খান, অ্যান্ডু বালবিরনি, শেই হোপ, আজম খান, মাহমুদুল জয়, সাইফুদ্দিন, নাহিদুল ইসলাম, ওাহাব রিয়াজ, নাসুম আহমেদ।


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কত বেতন পান বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররা?

প্রকাশ: ১২:০৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটে ২১ জন ক্রিকেটারের সাথে কেন্দ্রীয় চুক্তি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এদের মধ্যে ৩ ফরম্যাটে জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ৪ জন ক্রিকেটার। সাকিব, লিটন, মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ রয়েছেন সে তালিকায়।

ক্রিকেটে খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। নানা সময়ে, নানা উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে বিসিবির তরল সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। ফলে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের বিসিবি কত বেতন দিয়ে থাকে, তা নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই সাধারণের।

বিসিবির নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ শ্রেণী এ প্লাস ক্যাটাগরিতে টেস্টে বেতন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ওয়ানডেতে ৪ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ২ লাখ টাকা। সর্বনিম্ন সি ক্যাটাগরিতে বেতন ১ লাখ টাকা। তিন ফরম্যাটে এ প্লাস গ্রেডের বেতন নির্ধারণে প্রথম ক্যাটাগরির শতভাগ, দ্বিতীয় ক্যাটাগরির পঞ্চাশ ভাগ এবং তৃতীয় ক্যাটাগরির চল্লিশ ভাগ বেতন পান ক্রিকেটাররা। তবে দুই কিংবা এক ফরম্যাটে গ্রেডিং অনুযায়ী সর্বোচ্চ বেতন পাবেন চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা।

নতুন চুক্তিতে সর্বোচ্চ বেতন সাকিবের। তিন ফরম্যাটে থাকা সাকিবের মাসিক বেতন ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেই সাথে দুই ফরম্যাটে অধিনায়ক হওয়ায় তার সাথে যুক্ত হবে আরো ২০ হাজার টাকা। ফলে তার মোট আয় ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সাকিবের পর এই তালিকায় রয়েছেন তামিম ইকবাল। তার বেতনের পরিমাণ ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর সর্বনিম্ন ক্যাটাগরিতে প্রথমবার বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আসা হাসান মাহমুদ ও জাকির হাসান পাবেন ১ লাখ টাকা।

তবে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে বেতন কাঠামোতে বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে শুধুমাত্র জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তান। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতের। তিন ফরম্যাটে খেলা রোহিত শর্মা-ভিরাট কোহলিরা মাসে পান ৭৫ লাখ টাকা। তবে এটাই ক্রিকেটার হিসেবে সবেচেয়ে বেশি বেতনের নজির নয়।

নিউ জিল্যান্ডের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা বেতন পান ৩০ লাখ টাকা করে। সর্বনিম্ন বেতনও ২০ লাখ টাকার বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকার এ গ্রেডের বেতন ১৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। নানা দেশের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দাপট দেখানো ক্যারিবিয়ানদের বেতনও কম নয়। সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার পান ১৩ লাখ টাকারও বেশি। পিসিবি থেকে সর্বোচ্চ বেতন পান বাবর আজম, প্রতি মাসে পান ১০ লাখ টাকা। শ্রীলঙ্কার দিমুথ করুণারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা পান ৯ লাখ টাকা। আয়ারল্যান্ড ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।

সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা বেতন পান জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। আর আফগানরা পান ১ লাখ টাকা।

তবে বেতন ও সুযোগ-সুবিধায় সবার উপরে ক্রিকেটের দুই মোড়ল অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে প্রতি মাসে ১ কোটি ১ লাখ টাকা বেতন পান অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। আর অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বেতন ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। যা সাকিব আল হাসানের থেকে ২২ গুণ বেশি।


ক্রিকেট   বাংলাদেশ   আয়   সাকিব   কামিন্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সেরা রান সংগ্রাহকের শীর্ষে সাকিব, দ্বিতীয় নাসির

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলের নবম আসর শুরুর আগে হয়েছিলো নানা আলোচনা-সমালোচনা।  মাঠ ও মাঠের বাহিরের বিতর্ক যেনো হয়ে উঠেছিলো প্রতিদিনকার শিরোনাম। তবে সব বিতর্ক ছাপিয়ে এখন জমে উঠেছে মাঠের লড়াই। দলগুলো মাঠে নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে প্লে-অফের জন্য। যদিও শেষ পর্যন্ত চারটি দল খেলবে চলতি আসরের প্লে-অফে। বিভিন্ন দেশের ফ্র‍্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টর জন্য পাওয়া যায়নি তেমন নামি দামি কোন ক্রিকেটার। কিন্তু পাকিস্তানি তারকাদের নিয়ে যেনো প্রাণ ফিরেছে এবারের বিপিএল। বৈশ্বিক তারকারা না থাকলেও দেশিয়দের পারফরম্যান্সে আনন্দের খোরাক পেয়েছে সমর্থকেরা। তাইতো ব্যাটে বলে এগিয়ে সাকিব-নাসিররাই।

এক নজরে দেখে আসা যাক ব্যাট হাতে চলতি বিপিএলের রানের দৌড়ে কারা এগিয়ে রয়েছেন।

১. সাকিব আল হাসানঃ বিপিএল শুরুর আগে মাঠের বাহিরে নানা বিতর্কের জন্ম দেওয়া সাকিব এখন পর্যন্ত চলতি আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ফরচুন বরিশালের অধিনায়কত্ব আর নিজের ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়ে দলকে করেছেন নম্বর ওয়ান। ৮ ম্যাচের ৭ ইনিংসে ব্যাট করে দেশ সেরা এ ক্রিকেটার করেছেন ৩০৬ রান। ৬১.২০ গড়ে  ব্যাটিং করা সাকিব করেছেন ৩ টি অর্ধশতকও। সাকিবের নতুনত্ব যেনো বিশ্বাসই হচ্ছে না ভক্তদের, খেলে যাচ্ছেন একের পর এক ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। ১৯২ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে নিজেকে যেনো পুনঃজন্ম করলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

২. নাসির হোসেনঃ জাতীয় দলে থাকাকালীন মাঠের বাহিরের বিতর্কের জন্য নানা সময়ে বাদ পড়তে হয়েছিলো জাতীয় দল থেকে। এরপর জাতীয় দলে আসা যাওয়া হলেও পারফরম্যান্সের জন্য স্থায়ী হতে পারেন নি টাইগার শিবিরে। তবে চলমান বিপিএলে নিজেকে অন্যভাবে চিনালেন এক সময়ের দেশ সেরা এ ফিনিশার। চলমান বিপিএলে করছেন ঢাকা ডমিনেটর্সের অধিনায়কত্ব। দলকে ভালো অবস্থানে না নিতে পারলেও নিজে রয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায়। এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ৫৮.২০ গড়ে করেছেন ২৯১ রান। যার মধ্যে রয়েছে দুইটি অর্ধশতকও। নাসিরের এমন অসাধারণ পারফরম্যান্স হয়তো চোখ এড়াইনি নির্বাচক নান্নু-বাসারদের।

৩. নাজমুল হোসেন শান্তঃ জাতীয় দলে সবচেয়ে ট্রলের শিকার হওয়া নাজমুল শান্ত চলমান বিপিএলে এবার ব্যাট করছেন কিছুটা অশান্ত হয়ে। সিলেট স্ট্রাইকার্সের এই খেলোয়াড় রয়েছে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তৃতীয় স্থানে। ধীর গতির স্ট্রাইকরেট হলেও প্রতিম্যাচেই কমবেশি রান পাচ্ছেন শান্ত। এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ওপেনিং করে ৪৮.৩৩ গড়ে সংগ্রহ করেছেন ২৯০ রান। দুইটি অর্ধশতকে আবারও নিজের জাত চিনালেন ট্রল করা সমর্থকদের। 

৪. ইফতেখার আহমেদঃ পাকিস্তানি এ ক্রিকেটার ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলেছেন ৮ ম্যাচ। যার মধ্যে ব্যাট করেছেন ৭ ইনিংসে। বড় শট খেলতে পটু এই ক্রিকেটার ৭১.৫০ গড়ে করেছেন ২৪৬ রান। চলমান বিপিএলের ৩ টি সেঞ্চুরির মধ্যে পাক এই ব্যাটারেও রয়েছে একটি। ২৪৬ রানে ইফতেখার অবস্থান করছেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার চার নম্বরে। বিপিএলের পারফরম্যান্সে বলে দেয় পাকিস্তান জাতীয়দলে আবারো দরজা খুলতে যাচ্ছে ডানহাতি এই ব্যাটারের।

৫. আফিফ হোসেনঃ বাংলার ক্রিকেটের এক অভাবনীয় প্রতিভার অধিকারী এ ক্রিকেটার এবারের আসরে খেলছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে। নিজের দল টেবিলের তলানিতে থাকলেও ব্যাট হাতে তিনি রয়েছেন ৫ নম্বর স্থানে।  ম্যাচের নানা পজিশনে খেলা এই ক্রিকেটার ৮ ম্যাচের ৭  ইনিংসে পেয়েছেন ব্যাট করার সুযোগ। আর তাতেই ৪৫.৬০ গড়ে ব্যাট হাতে করেছেন ২২৪ রান।

পর্যাপ্ত বিদেশি খেলোয়াড় না পাওয়ায় এবারের আসরে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছেন দেশিয় অনেক ক্রিকেটাররাই। তবে সে সুযোগটা কি নিচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। নুরুল হাসান সোহান ও ইয়াসির রাব্বিরা কি এখনো পেরেছেন ব্যাট হাতে নিজেদের প্রমাণের? সে প্রশ্ন নির্বাচকদের কাছেই তোলা থাকুক।


বিপিএল   রান সংগ্রাহক   সাকিব   নাসির  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন