ইনসাইড গ্রাউন্ড

হতাশার এক দিন পার করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৪:৫৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail হতাশার এক দিন পার করলো বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছিলেন আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক। পাকিস্তানের দুই ওপেনার দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তাদের দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে হারের শঙ্কায় আছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনটি তাই হতাশায়ই কাটলো টাইগারদের। 

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস থামে মাত্র ১৫৭ রানে। এতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রান।

প্রথম ইনিংসে শতক হাঁকানো লিটন দাস এই ইনিংসেও ছিলেন উজ্জ্বল। তবে ৮৯ বলের মোকাবেলায় করা তার ৫৯ রানের ইনিংস ছাড়া আর কেউই প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেননি। এতে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা টাইগাররা মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারায়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের ব্যাটে। দুইজনই হাঁকিয়েছেন অর্ধশতক। চতুর্থ দিন শেষে আবিদ ১০৫ বলে ৫৬ ও শফিক ৯৩ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। জয়ের জন্য শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন আর মাত্র ৯৩ রান।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লড়াই করেও হায়দ্রাবাদের কাছে হারল দিল্লি

প্রকাশ: ০১:৫০ এএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আইপিএলের ১৭তম আসরে একের পর এক রেকর্ড গড়েই চলেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। কিছুদিন আগেই ২৭৭ রান করে পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলেছিল হায়দ্রাবাদের ব্যাটাররা। তার সপ্তাহখানেক পর তাদের নিজেদেরই সেই রেকর্ডও পুনরায় ভাঙ্গে তারা। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২৮৭ রান করেছিল তারা। 

এবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে নতুন রেকর্ড গড়ল হায়দ্রাবাদের ব্যাটররা। ২২ ছক্কা আর ১৮ চারের এই ইনিংসটি এবারের আইপিএলে চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। সব আইপিএল মিলিয়েও অবশ্য চতুর্থ স্থানেই থাকছে হায়দরাবাদের আজকের ইনিংসটি।  

এদিন দিল্লিকে তাদের নিজেদের ঘরের মাঠে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৬৭ রানে পন্থদের হারায় সানরাইজার্স। ট্রাভিস হেডের ভালো শুরুর পর বল হাতে নটরাজনের স্পেলে বাজিমাত করে অরেঞ্জ আর্মিরা। আর এই ম্যাচ জিতে কলকাতাকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে চলে গেল তারা। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) দিল্লির অরুণ জেটলির স্টেডিয়ামের ফ্রেশ পিচে খেলতে নেমেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালের পর এই মাটিতে আর ম্যাচ হয়নি। এত বড় বিরতির পর এই ম্যাচ হল আর এখানে হেরে ফিরতে হল দিল্লিতে। ঘরের মাঠের পিচ বুঝতেই পারলেন না ঋষভ পন্থরা। প্রথমে বল করতে নেমে ভুল করে বসল দিল্লি।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্স প্রথম বল থেকে সুবিধা নিতে থাকে। ওপেন করতে নেমে ট্রাভিড হেড ও অভিষেক শর্মা প্রতিটা বল ব্যবহার করতে থাকেন। বিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেননি। একমাত্র কুলদীপ যাদব বাদে আর কেউ সাফল্য পাননি দিল্লির বোলারদের মধ্যে। এই ম্যাচে ইশান্ত শর্মার অভাব বোঝা গিয়েছে।

সানরাইজার্সের হয়ে যা করার সেটা করে দেন হেড ও অভিষেক শর্মা। তাদের ১৩১ রানের ওপেনিং জুটি চলে মাত্র ৬.২ ওভার। এরপর আর ম্যাচের সম্ভবত দরকার ছিল না। তাও দিল্লির ভাগ্য ভালো ক্লাসেন ও মারক্রাম রান পাননি। নীতীশ রেড্ডি ৩৭ রান করেন ও শাহবাজ আহমেদ করেন ৫৯ রান। বাংলার শাহবাজের এটা প্রথম IPL অর্ধশতরান। এদের দাপটে ২৬৬ রানে শেষ হয় সানরাইজার্সের ইনিংস। তাদের সাতটা উইকেট ফেলতে পারে দিল্লি। চারটে উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। একটি করে উইকেট নেন মুকেশ কুমার ও অক্ষর প্যাটেল।

এই বড় রান তাড়া করতে নেমে দিল্লিকে যেই পারফর্ম করতে হত সেটা তারা পারেনি। পৃথ্বী শহ শুরুটা ভালো করার চেষ্টা করেও পারেননি। তিনি ১৬ রান করে ফেরেন। চোট সারিয়ে ফেরা ওয়ার্নার ব্যর্থ হন। গত ম্যাচে পারফর্ম করা জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগার্ক ৬৫ রান করেন। তিনি বড় রান পান। অভিষেক পোড়েল ৪২ রানের একটা ইনিংস খেলেন। তবে প্রভাব ফেলতে পারেননি কেউ।

এরপর ঋষভ পন্থ লড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে প্লেয়াররা ডাগ আউটে ফিরতে থাকেন। দিল্লির বোলাররা যেখানে নখদন্তহীন বোলিং করেছিলেন সেখানে সানরাইজার্সের বোলাররা খেললেন পুরো উল্টো। তারা দিল্লির ১০টা উইকেট ফেলে দিলেন। টি নটরাজন মাত্র ১৯ রান দিয়ে নিলেন চারটে উইকেট। নীতীশ রেড্ডি ও ময়াঙ্ক মারকান্ডে দুটো করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও ওয়াশিংটন সুন্দর নেন একটি করে উইকেট।


আইপিএল   ক্রিকেট   খেলাধুলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে হায়দ্রাবাদের আরও এক বিধ্বংসী ইনিংস

প্রকাশ: ১১:৪৪ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আইপিএলের ১৭তম আসরে একের পর এক রেকর্ড গড়েই চলেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। কিছুদিন আগেই ২৭৭ রান করে পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলেছিল হায়দ্রাবাদের ব্যাটাররা। তার সপ্তাহখানেক পর তাদের নিজেদেরই সেই রেকর্ডও পুনরায় ভাঙ্গে তারা। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২৮৭ রান করেছিল তারা।

এবার আবারও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন হায়দ্রাবাদের ব্যাটররা। ২২ ছক্কা আর ১৮ চারের এই ইনিংসটি এবারের আইপিএলে চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। সব আইপিএল মিলিয়েও অবশ্য চতুর্থ স্থানেই থাকছে হায়দরাবাদের আজকের ইনিংসটি।  

আইপিএলে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্রুততম শতকের রেকর্ডটা আগেই নিজেদের করে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে সাত ওভার শেষে শততম রান ছুঁয়েছিল হায়দরাবাদ। এবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আইপিএল ইতিহাসেরই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ল ড্যানিয়েল ভেট্টরির দল। একইসঙ্গে সব ধরণের টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়েছে তারা।

অরুণ জেটলিতে ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা ৫ ওভারেই স্পর্ষ করলেন শত রানের মাইলফলক। এর আগে ৬ ওভারে ১০৫ রান সংগ্রহ করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৭ আসরে দ্রুততম শতক এবং পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ রানের এই রেকর্ড গড়েছিল কেকেআর। 

আজ সেটা ভাঙলেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার। শুধু তাইই নয়, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসেই পাওয়ারপ্লেতে সবচেয়ে বেশি রানের নতুন রেকর্ডও গড়ে ফেলেছে তারা। আইপিএলের ৩৫তম ম্যাচে এসে ৬ ওভারে তাদের সংগ্রহ ১২৫ রান। ৬ষ্ঠ ওভার পর্যন্ত চলা এই তাণ্ডবে হেড অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৮৪ রানে। অপরপ্রান্তে থাকা অভিষেক শর্মা ১০ বলে করেছেন ৪০ রান। 

দিল্লির বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই চড়াও হয়েছেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার। শুরুর ৬ ওভারে ডত বল ছিল মোটে ৫টি। বিপরীতে দুই ব্যাটার মিলে ৪ মেরেছেন ১৩টি। আর ছয়ের মার ছিল ১১টি। আর ৭ রান এসেছে সিঙ্গেলস থেকে। 

অবশ্য পাওয়ারপ্লের পরেই আউট হয়েছেন অভিষেক। ১১ বলে ৪৬ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে আউট হয়েছেন অভিষেক। একই ওভারে আবার ফিরেছেন এইডেন মার্করামও। দুই উইকেটের পর রানের গতি সচল রাখতে গিয়ে ফিরেছেন ট্রাভিস হেডও। কুলদীপ যাদবের বলেই ফিরেছেন তিনিও। ৯ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫৪ রান। 

এরপরের সময়টা দিল্লি কিছুটা অন্তত রেহাই পেয়েছে। কুলদীপ যাদবের ওই স্পেলের পরে কিছুটা অন্তত লাগাম ছিল হায়দরাবাদের ইনিংসে। তবে বিগশট যে থেমে গিয়েছিল, তাও না। সুযোগ বুঝে চড়াও হয়েছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি ২৭ বলে করেছেন ৩৭ রান। তার সঙ্গী শাহবাজ অবশ্য ছিলেন মারকুটে মেজাজে। ২৯ বলে ৫ ছয় আর দুই চারে করেছেন ৫৯ রান। 

কুলদীপ চার উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদের ইনিংসে কিঞ্চিৎ লাগাম টেনেছেন। তবে এর জন্য খরচ করেন ৫৫ রান। দিল্লির বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ইকোনমিক্যাল ছিলেন অক্ষর প্যাটেল। ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৯ রান। বাকি সকলেই রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ১৩ এর বেশি। ললিত যাদব ২ ওভারে ৪১ রান খরচের পর অবশ্য বলই আর করতে পারেননি হায়দরাবাদের বিপক্ষে। 


আইপিএল   ক্রিকেট   খেলাধুলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মাঠে ফেরা নিয়ে শঙ্কিত জোফরা আর্চার!

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ঘরের মাঠে ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। যেখানে নির্ধারিত ৫০ ওভারের খেলায় ড্র হওয়ায় সুপার ওভারে গড়ায় শিরোপার লড়াই। আর সেই সুপার ওভারেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে শিরোপার স্বাদ দেন জোফরা আর্চার। আর সেই থেকেই স্পট লাইটে আসেন তিনি।

তবে এই গতি তারকা সর্বশেষ টেস্টে মাঠে ছিলেন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময়ে ইনজুরিতে হুমকির মুখে পড়ে তার ক্যারিয়ার এবং ডানহাতের কনুইতে চিড় ধরায় গত বছরের পুরো ঘরোয়া মৌসুমেই খেলতে পারেননি সাসেক্সের এই পেসার।

এবার ইঞ্জুরি কাটিয়ে আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে মাঠে ফেরার প্রত্যাশা ডানহাতি এই পেসারের। তবে আর্চার মনে করেন, আরও একটি স্বপ্ন ভঙ্গের ফলে যে মানসিক এবং শারীরিক ধাক্কা আসবে, সেটি মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করার মানসিকতা থাকলেও আর্চারের দাবি, ‘আমি জানি না, আমাকে আরও এক বছর যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হবে কি-না।’

ফোরকাস্টস অ্যাথলেট ভয়েস পডকাস্টে আর্চার বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি জানি না আমার জন্য আরও এক যাওয়া-আসার বছর আছে কি না। এটা সত্যি যে আমি জানি না আরও এক বছর আমার জন্য কি অপেক্ষা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুরো এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে আছি। গত বছর জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত খেলেছিলাম। আমার মনে হয়, আগের বছর সাসেক্সের হয়ে এক বা দুটি ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আমি পুরো বছর খেলেনি।’

এই মাসের শুরুর দিকে ইংল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান রব কি জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলবেন না আর্চার। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই আর্চারের মূল্য লক্ষ্য।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্চার বড় ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার খেলার সম্ভাবনা এখনও ক্ষীণ।

আর্চারের ভাষ্য, ‘জুন মাসের প্রথম ম্যাচে আমি সত্যিই দলে থাকতে চাই। গত দুই বছর দলে যাওয়া-আসার মধ্যে ছিলাম। আমি মনে করি, সবাই এই বিষয়টিকে সহজভাবেই নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও আমি সত্যিই এটি নিয়ে ভাবতে চাই না। কোনো কারণে বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও, এখনও টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও দ্য হান্ড্রেড আছে।’


জোফরা আর্চার   ইংল্যান্ড   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফিটনেসের অংশ হিসেবে ১৬০০ মিটার দৌড়ে সেরা দুই পেসার

প্রকাশ: ০৩:৩৪ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আর কিছুদিন পরেই টাইগারদের ঘরের মাঠে শুরু হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের পাঁচ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজ আসন্ন  টি-২০ বিশ্বকাপের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। আর তাই টাইগাররা বেশ ভালোভাবেই নজর দিচ্ছেন এই সিরিজের দিকে।

জিম্বাবুয়ে সিরিজের পাশাপাশি আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা করেছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। যার অংশ হিসেবে শনিবার (২০ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১৬০০ মিটার দৌড়েছেন জাতীয় দলের বিবেচনায় থাকা প্রায় ৩৫ ক্রিকেটার। বিসিবির ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্টের রানিং প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপ থেকে সেরা হয়েছেন দুই পেসার।

এক গ্রুপে প্রথম হয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। আরেক গ্রুপে সবার আগে দৌড় শেষ করেন তানজিম হাসান সাকিব। চমক দেখিয়েছেন বর্তমান দলের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। সিনিয়র ক্রিকেটার হয়েও তরুণদের সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে এক গ্রুপের দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি।

বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার সিনিয়র ৩৮ পেরুনো মাহমুদউল্লাহ দৌড় শেষ করেছেন সবার শেষে। ফিটনেস সেশন শেষে ট্রেনার ইফতেখার ইসলাম ইফতি জানান, ডিপিএল-বিপিএলের পর ক্রিকেটারদের ফিটনেসের অবস্থা বুঝার জন্যই এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই পরীক্ষার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থাটা কেমন সেটা বুঝলাম। এটার মধ্যে পাশ-ফেলের কিছু নেই। ডিপিএল গেছে, বিপিএল গেছে। এরপর ওদের ফিটনেসের অবস্থা কি সেটা জানার জন্য এই উদ্যোগ। এটা জানার পর খেলোয়াড়দের কাকে কি অনুশীলন করাতে হবে এটা খুঁজে বের করব। ওদের জানিয়ে দেব, ওভাবে আমরা প্রয়োগ করব।’


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে এক ম্যাচে দুই দলের অধিনায়কেরই জরিমানা

প্রকাশ: ০৩:০৫ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

জমে উঠেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৭তম আসর। মাঝ পর্যায়ে এসে সব দলের লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। কেউ কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলছে না।

আইপিএলে এবারের আসরে শুরু থেকে বেশ ভালো অবস্থানে ছিল চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাটিং-বোলিং সবদিক থেকেই বেশ ব্যালেন্সড টিম গঠন করেছিল এবার তারা। তবে গতকাল প্রতিপক্ষ লখনৌ সুপার জায়ান্টসের মাঠে খেলতে নেমে কোনো পাত্তাই পায়নি ধোনি-মুস্তাফিজরা। তার ওপর ‘বাড়তি পাওনা’ হিসেবে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় পেয়েছেন আর্থিক শাস্তি।

অবশ্য কেবল চেন্নাই নয়, ম্যাচজয়ী লখনৌও একই জরিমানার অধীনে পড়েছে। স্লো ওভার রেটের কারণে স্বাগতিক অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকেও জরিমানা করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ে ওভার শেষ করতে না পারায় একই ম্যাচের দুই অধিনায়কই জরিমানা গুনলেন।

এদিন লখনৌর একানা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ব্যাপক দাপট দেখিয়ে জিতেছে। শুরুতে ব্যাট করে মুস্তাফিজুর রহমানের চেন্নাই ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান তোলে। রানতাড়ায় ব্যাট করতে নেমে লখনৌ ১৯ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয়। অধিনায়ক রাহুল দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে সামনে থেকে জয় উপহার দিয়েছেন। সর্বোচ্চ ৮২ রানের ইনিংস খেলেন রাহুল।

তবে ঘরের মাঠে জয় পেলেও, স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে এই লখনৌ অধিনায়ককে। আইপিএলের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করেছে লখনৌ ও চেন্নাই উভয় শিবিরই। এক্ষেত্রে দলগত অপরাধের শাস্তি পেতে হয় দুই অধিনায়ক রাহুল ও গায়কোয়াড়কে। কারণ মাঠে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিনায়কদের ভূমিকাই প্রধান হয়ে থাকে। এক বিবৃতিতে দুজনের শাস্তির কথা নিশ্চিত করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

প্রথমবার আইপিএলের আচরণবিধি ভঙ্গের জন্য রাহুল ও গায়কোয়াড়কে ভারতীয় মুদ্রায় ১২ লাখ রুপি করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারিও পেয়েছেন তারা। টুর্নামেন্টের বাকি অংশে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে এই শাস্তির পরিমাণ বেড়ে দ্বিগুণ হবে।

আইপিএলের আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রথমবার স্লো ওভার রেটের দায়ে পড়লে শুধুমাত্র অধিনায়কের ১২ লাখ রুপি জরিমানা হয়। এক মৌসুমে দ্বিতীয়বার এই ভুলের জন্য দলনেতাকে ২৪ লাখ রুপি জরিমানা দিতে হয় এবং ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়সহ দলের বাকিদের জরিমানা হয় ৬ লাখ রুপি করে অথবা ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ অর্থ। তৃতীয়বার একই অপরাধ করলে অধিনায়ককে ৩০ লাখ রুপি জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচেও নিষিদ্ধ হতে হবে। সেই সঙ্গে দলের বাকিদের জরিমানা হয় ১২ লাখ রুপি করে বা ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ অর্থ।


আইপিএল   চেন্নাই সুপার কিংস   লখনৌ সুপার জায়ান্টস   ঋতুরাজ   লোকেশ রাহুল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন