ইনসাইড গ্রাউন্ড

হতাশার এক দিন পার করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৪:৫৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail হতাশার এক দিন পার করলো বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছিলেন আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক। পাকিস্তানের দুই ওপেনার দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তাদের দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে হারের শঙ্কায় আছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনটি তাই হতাশায়ই কাটলো টাইগারদের। 

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস থামে মাত্র ১৫৭ রানে। এতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রান।

প্রথম ইনিংসে শতক হাঁকানো লিটন দাস এই ইনিংসেও ছিলেন উজ্জ্বল। তবে ৮৯ বলের মোকাবেলায় করা তার ৫৯ রানের ইনিংস ছাড়া আর কেউই প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেননি। এতে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা টাইগাররা মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারায়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের ব্যাটে। দুইজনই হাঁকিয়েছেন অর্ধশতক। চতুর্থ দিন শেষে আবিদ ১০৫ বলে ৫৬ ও শফিক ৯৩ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। জয়ের জন্য শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন আর মাত্র ৯৩ রান।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বরিশালকে টপকে আবারো শীর্ষে সিলেট

প্রকাশ: ১০:২৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে হারের স্বাদ পেয়েছিলো সিলেট স্ট্রাইকার্স। রংপুরের বিপক্ষে সে হারের ধাক্কা সামলে জয়ের ধারায় ফিরেছে স্বাগতিক দলটি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। এত ফরচুন বরিশালকে টপকে আবারো বিপিএলের চলতি আসরে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেলো মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

টস জিতে ব্যাট করতে নামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ইনিংসের প্রথম বলে ওপেনার উসমান খানের উইকেট তুলে নেন মাশরাফি। তবে দ্বিতীয় উইকেটে মেহেদী মারুফ ও আফিফ হোসেন দলকে সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে যান। স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৮৮ রান। মোহাম্মাদ আমিরের বলে আফিফ এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে তাদের প্রতিরোধ।

ম্যাচের ১২তম ওভারে ইমাদ ওয়াসিমের জোড়া উইকেট শিকারে ম্যাচে ফেরে সিলেট স্ট্রাইকার্স। দুই বলের ব্যবধানে মেহেদী মারুপ ও ম্যাক্স ও'ডাউডকে সাজঘরে ফেরান এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। ৯ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে চ্যালেঞ্জার্সরা। তবে অধিনায়ক শুভাগত হোমের অর্ধশতকে বড় পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। ২৯ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন শুভাগত। ৩টি করে চার ও ছয়ে সাজান নিজের ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সিলেটের সামনে ১৭৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় চট্টগ্রাম।

আগের কয়েকটি ম্যাচে টপঅর্ডার ব্যর্থ হলেও, টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে এদিন রানের দেখা পেয়েছে সিলেট। দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও তৌহিদ হৃদয় মিলে ভাল সূচনা এনে দেন দলকে। তবে এ ম্যাচেও বড় রানের দেখা পাননি তৌহিদ হৃদয়। ইনজুরি থেকে ফিরে এখনো নিজের ছন্দ খুঁজে পাননি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

তবে নাজমুল শান্ত অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। তুলে নেন আসরে নিজের তৃতীয় অর্ধশতক। আগের দুই ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মারা মুশফিকও রানে ফিরেছেন এই ম্যাচে। দলীয় ১১০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শান্ত। ৪৪ বলে করেন ৬০ রান। তার বিদায়ের পর ক্রিজে এসে চট্টগ্রামের বোলারদের উপর রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন জিম্বাবুইয়ান অলরাউন্ডার রায়ান বার্ল। ২৫৭ স্ট্রাইক রেটে ১৬ বল থেকে ৪১ রান করেন তিনি। ১৫৮ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভিয়াসকান্তের বলে আউট হন বার্ল।

তবে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম। ২৬ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ৪১ রানে। ৫টি চার ও ১টি ছয় আসে তার ব্যাট থেকে। এ জয়ে ৯ ম্যাচ থেকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আবারো পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। তাদের থেকে এক ম্যাচ কম খেলে দুইয়ে রয়েছে ফরচুন বরিশাল।


বিপিএল   সিলেট স্ট্রাইকার্স   চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কুমিল্লার টানা পাঁচ, লড়াই করে হারলো খুলনা

প্রকাশ: ০৫:৪৯ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগের ম্যাচে ঢাকা ডমিনেটর্সের বিপক্ষে অল্প রানে গুটিয়ে গিয়েছিলো খুলনা টাইগার্স। সহজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে টুর্নামেন্টে নিজেদের পথটাও কঠিন করে তোলে দলটি। তবে সে ক্ষত পাশে সরিয়ে, কুমিল্লার বিপক্ষে দিনের প্রথম ম্যাচে প্রবল লড়াই করলো খুলনা। অবশ্য শেষ বলের সমীকরণে খুলনাকে ৪ রানে হারিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আর আসরে নিজেদের টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো কুমিল্লা। আর ৫ম হার নিয়ে খাদের আরো কিনারায় চলে গেলো খুলনা।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে খুলনাকে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দেয় কুমিল্লা। দলীয় ১৪ রানে তামিম ইকবালের উইকেট হারায় খুলনা। তবে অ্যান্ডু বালবিরনি ও শেই হোপ এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ দিয়েও জীবন পান বালবিরনি। তবে দলের স্কোর যখন ৬৩, তখন রানআউটে কাঁটা পড়েন এই আইরিশ ক্রিকেটার। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন মাহমুদুল হাসান জয়।

২০০ স্ট্রাইক রেটে প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর তান্ডব চালাতে থাকেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দুটি করে চার ও ছয়ে ১৩ বলে ২৬ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে মোসাদ্দেকের শিকার হন জয়। দারুণ এক ক্যাচে তাকে সাজঘরে পাঠান মোহাম্মাদ রিজওয়ান। দলের স্কোরবোর্ডে এক রান যোগ করে তাকে অনুসরণ করেন আজম খান। তবে আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন শেই হোপ ও ইয়াসির আলী।

১৯তম ওভারের প্রথম বলে নাসিম শাহ'র বলে বোল্ড হন শেই হোপ। জযের জন্য তখনো ১১ বল থেকে ২৪ রান দরকার খুলনা টাইগার্সের। শেষ ওভারে তাদের সামনে লক্ষ্য দাড়ায় ১৭ রানের। মোসাদ্দেকের করা সেই ওভারে একটি করে চার ও ছয় হাঁকিয়ে নিজেদের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখেন ইয়াসির আলী। তবে শেষ বলের সমীকরণ মেলাতে না পারায় হার সঙ্গী করে মাঠ ছাড়তে হয় খুলনার অধিনায়ককে। ১৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন ইয়াসির। নাসিম শাহ ২টি উইকেট নিলেও, কুমিল্লা সবচেয়ে সফল বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

এর আগে, টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মাদ রিজওয়ান দলকে ভাল সূচনা এনে দেন। রিজওয়ান একপাশে ধরে খেললেও, দৃষ্টিনন্দন শটের পসরা বসিয়েছিলেন লিটন। দুজনে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৬৫ রান। লিটন তুলে নেন চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক। দলীয় ৬৫ রানে তাকে ফিরিয়ে খুলনাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদুল ইসলাম। ৪২ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। 

দ্বিতীয় উইকেটে রিজওয়ানের সাথে জনসন চার্লসের জুটি ভাল অবস্থানের দিকে নিতে থাকে কুমিল্লাকে। ৫টি ছয়ে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ে ইনিংস খেলে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হন চার্লস। বাকি পথটা দলকে টেনে নিয়ে যান রিজওয়ান ও খুশদীল শাহ। মাত্র ২৩ বল থেকে তাদের ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভাল সংগ্রহ পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৪৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। শেষ ৫ ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে ৫১ রান যোগ করে দলটি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাড়ায় ২ উইকেটে ১৬৫ রান।

খুলনার বোলাররা ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন নি। প্রায় সবাই ছিলেন খরুচে। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন নাসুম আহমেদ। সতীর্থরা যেখানে সবাই ৭ এর উপর গড়ে বোলিং করেছেন, সেখানে নাসুমের গড় ৩.৭৫। কোন উইকেট না পেলেও ৪ ওভার থেকে মাত্র ১৫ রান দিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদুল ও ওয়াহাব রিয়াজ।


বিপিএল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

১৬৬ রানের লক্ষ্য খুলনার সামনে

প্রকাশ: ০৩:৩১ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ১৬৬ রানের টার্গেট দিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মাদ রিজওয়ান দলকে ভাল সূচনা এনে দেন। রিজওয়ান একপাশে ধরে খেললেও, দৃষ্টিনন্দন শটের পসরা বসিয়েছিলেন লিটন। দুজনে উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৬৫ রান। লিটন তুলে নেন চলতি আসরে তার দ্বিতীয় অর্ধশতক।

দলীয় ৬৫ রানে তাকে ফিরিয়ে খুলনাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদুল ইসলাম। ৪২ বলে ৫০ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। দ্বিতীয় উইকেটে রিজওয়ানের সাথে জনসন চার্লসের জুটি ভাল অবস্থানের দিকে নিতে থাকে কুমিল্লাকে। ৫টি ছয়ে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ে ইনিংস খেলে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হন চার্লস।

বাকি পথটা দলকে টেনে নিয়ে যান রিজওয়ান ও খুশদীল শাহ। মাত্র ২৩ বল থেকে তাদের ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভাল সংগ্রহ পায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৪৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। শেষ ৫ ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে ৫১ রান যোগ করে দলটি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাড়ায় ২ উইকেটে ১৬৫ রান।

খুলনার বোলাররা ম্যাচে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন নি। প্রায় সবাই ছিলেন খরুচে। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন নাসুম আহমেদ। সতীর্থরা যেখানে সবাই ৭ এর উপর গড়ে বোলিং করেছেন, সেখানে নাসুমের গড় ৩.৭৫। কোন উইকেট না পেলেও ৪ ওভার থেকে মাত্র ১৫ রান দিয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদুল ও ওয়াহাব রিয়াজ।


বিপিএল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

খুলনার বিপক্ষে ব্যাট করছে কুমিল্লা

প্রকাশ: ০১:৩২ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও খুলনা টাইগার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খুলনা। টুর্নামেন্টে এটি কুমিল্লার ৮ম ম্যাচ। তাদের থেকে ১ ম্যাচ কমে খেলেছে খুলনা টাইগার্স।

৭ ম্যাচে ৪ জয় ও ৩ হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দারুণ ছন্দে রয়েছেন দলটির ক্রিকেটাররা। এই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে প্লে অফের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। আর ৬ ম্যাচ থেকে খুলনার ২ জয়ের বিপরীতে হার ৪টি ম্যাচে। ব্যাটিং অর্ডারের ব্যর্থতা ভোগাচ্ছে দলটিকে। নকআউটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে আসরে বাকি ম্যাচগুলোতে জয় ভিন্ন পথ নেই খুলনা টাইগার্সের। কুমিল্লার বিপক্ষে ব্যাটে-বলে লড়াই করে জয় তুলে নিতে চান ইয়াসির আলী রাব্বিরা।

দুই দলের একাদশ:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স:

ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মোহাম্মাদ রিজওয়ান, জনসন চার্লস, মোসাদ্দেক হোসেন, খুশদীল শাহ, জাকের আলী, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, নাসিম শাহ।

খুলনা টাইগার্স:

তামিম ইকবাল, ইয়াসির আলী রাব্বি, আজম খান, অ্যান্ডু বালবিরনি, শেই হোপ, আজম খান, মাহমুদুল জয়, সাইফুদ্দিন, নাহিদুল ইসলাম, ওাহাব রিয়াজ, নাসুম আহমেদ।


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   খুলনা টাইগার্স   সিলেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কত বেতন পান বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররা?

প্রকাশ: ১২:০৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটে ২১ জন ক্রিকেটারের সাথে কেন্দ্রীয় চুক্তি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এদের মধ্যে ৩ ফরম্যাটে জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ৪ জন ক্রিকেটার। সাকিব, লিটন, মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ রয়েছেন সে তালিকায়।

ক্রিকেটে খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ধনী ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। নানা সময়ে, নানা উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে বিসিবির তরল সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। ফলে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের বিসিবি কত বেতন দিয়ে থাকে, তা নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই সাধারণের।

বিসিবির নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ শ্রেণী এ প্লাস ক্যাটাগরিতে টেস্টে বেতন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ওয়ানডেতে ৪ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টিতে ২ লাখ টাকা। সর্বনিম্ন সি ক্যাটাগরিতে বেতন ১ লাখ টাকা। তিন ফরম্যাটে এ প্লাস গ্রেডের বেতন নির্ধারণে প্রথম ক্যাটাগরির শতভাগ, দ্বিতীয় ক্যাটাগরির পঞ্চাশ ভাগ এবং তৃতীয় ক্যাটাগরির চল্লিশ ভাগ বেতন পান ক্রিকেটাররা। তবে দুই কিংবা এক ফরম্যাটে গ্রেডিং অনুযায়ী সর্বোচ্চ বেতন পাবেন চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা।

নতুন চুক্তিতে সর্বোচ্চ বেতন সাকিবের। তিন ফরম্যাটে থাকা সাকিবের মাসিক বেতন ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সেই সাথে দুই ফরম্যাটে অধিনায়ক হওয়ায় তার সাথে যুক্ত হবে আরো ২০ হাজার টাকা। ফলে তার মোট আয় ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সাকিবের পর এই তালিকায় রয়েছেন তামিম ইকবাল। তার বেতনের পরিমাণ ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর সর্বনিম্ন ক্যাটাগরিতে প্রথমবার বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আসা হাসান মাহমুদ ও জাকির হাসান পাবেন ১ লাখ টাকা।

তবে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে বেতন কাঠামোতে বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে শুধুমাত্র জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তান। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড ভারতের। তিন ফরম্যাটে খেলা রোহিত শর্মা-ভিরাট কোহলিরা মাসে পান ৭৫ লাখ টাকা। তবে এটাই ক্রিকেটার হিসেবে সবেচেয়ে বেশি বেতনের নজির নয়।

নিউ জিল্যান্ডের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা বেতন পান ৩০ লাখ টাকা করে। সর্বনিম্ন বেতনও ২০ লাখ টাকার বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকার এ গ্রেডের বেতন ১৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। নানা দেশের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দাপট দেখানো ক্যারিবিয়ানদের বেতনও কম নয়। সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার পান ১৩ লাখ টাকারও বেশি। পিসিবি থেকে সর্বোচ্চ বেতন পান বাবর আজম, প্রতি মাসে পান ১০ লাখ টাকা। শ্রীলঙ্কার দিমুথ করুণারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা পান ৯ লাখ টাকা। আয়ারল্যান্ড ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।

সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা বেতন পান জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। আর আফগানরা পান ১ লাখ টাকা।

তবে বেতন ও সুযোগ-সুবিধায় সবার উপরে ক্রিকেটের দুই মোড়ল অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে প্রতি মাসে ১ কোটি ১ লাখ টাকা বেতন পান অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। আর অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বেতন ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। যা সাকিব আল হাসানের থেকে ২২ গুণ বেশি।


ক্রিকেট   বাংলাদেশ   আয়   সাকিব   কামিন্স  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন