ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রথম ইনিংসে বোলারদের ভালো বোলিংয়ে বিশেষ করে তাইজুল ইসলামের স্পিন ভেল্কিতে লিড রেখে শেষ করা যেনো কোন কাজেই আসলো না বাংলাদেশের জন্য। ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ইনিংস শেষে মাত্র ২০২ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় টাইগার শিবির। যা মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই লক্ষে পৌঁছে যায় পাকিস্তান দল। আর তাতেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে জয়ের আসা জাগিয়েও বড় ব্যবধানে হার দেখলো বাংলাদেশ। 

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১১৪ ও মুশফিকুর রহিমের ৯১ রানে ভর করে ৩৩০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। তবে তাইজুল ইসলামের স্পিন ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান, মিলেছিল ৪৪ রানের লিড। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল একাই নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

যা খুব সহজেই করে ফেললো তারা। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দলের নায়ক আবিদ আলি। মাত্র ৯ রানের জন্য জোড়া সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার শফিক খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। নিজের অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন শফিক।

জয়ের অর্ধেক কাজ চতুর্থ দিন বিকেলেই করে রেখেছিলেন আবিদ ও শফিক। বিনা উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেন তারা। দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন দুই ওপেনার। মনে হচ্ছিল, পুরো ১০ উইকেটেই হয়তো জিতবে পাকিস্তান।

দিনের দশম ওভারে আজ প্রথমবারের মতো আক্রমণে আনা হয়েছিল মিরাজকে। ওভারের পঞ্চম বলে অভিষিক্ত শফিককে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি শফিক। আম্পায়ার্স কলের কারণে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে।

আউট হওয়ার আগে শফিক খেলেছেন ৮ চার ও ১ ছয়ের মারে ৭৩ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৫২ রান। দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়ে নিজের অভিষেক রাঙিয়ে রাখলেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। শফিকের বিদায়ে ভাঙে ১৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। প্রথম ইনিংসে আবিদ ও শফিক গড়েছিলেন ১৪৬ রানের জুটি।

শফিক ফিরে গেলেও ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পথেই এগুচ্ছিলেন আবিদ। কিন্তু তার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন তাইজুল। পাকিস্তানের ইনিংসের ৫০তম ওভারের প্রথম বলেই আবিদকে ফেরান তিনি। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছিলেন আবিদ।

কিন্তু ব্যাট ফাঁকি দিয়ে বল আঘাত হানে প্যাডে। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত জানান লেগ বিফোরের। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি পাকিস্তানি ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ১২ চারের মারে ৯১ রান করেছেন আবিদ। মাত্র ৯ রানের জন্য ম্যাচে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি করা হয়নি তার।

এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।


পাকিস্তান   বাংলাদেশ   ক্রিকেট   টেস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে হায়দ্রাবাদের আরও এক বিধ্বংসী ইনিংস

প্রকাশ: ১১:৪৪ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আইপিএলের ১৭তম আসরে একের পর এক রেকর্ড গড়েই চলেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। কিছুদিন আগেই ২৭৭ রান করে পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলেছিল হায়দ্রাবাদের ব্যাটাররা। তার সপ্তাহখানেক পর তাদের নিজেদেরই সেই রেকর্ডও পুনরায় ভাঙ্গে তারা। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২৮৭ রান করেছিল তারা।

এবার আবারও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন হায়দ্রাবাদের ব্যাটররা। ২২ ছক্কা আর ১৮ চারের এই ইনিংসটি এবারের আইপিএলে চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। সব আইপিএল মিলিয়েও অবশ্য চতুর্থ স্থানেই থাকছে হায়দরাবাদের আজকের ইনিংসটি।  

আইপিএলে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্রুততম শতকের রেকর্ডটা আগেই নিজেদের করে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে সাত ওভার শেষে শততম রান ছুঁয়েছিল হায়দরাবাদ। এবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আইপিএল ইতিহাসেরই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ল ড্যানিয়েল ভেট্টরির দল। একইসঙ্গে সব ধরণের টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়েছে তারা।

অরুণ জেটলিতে ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা ৫ ওভারেই স্পর্ষ করলেন শত রানের মাইলফলক। এর আগে ৬ ওভারে ১০৫ রান সংগ্রহ করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৭ আসরে দ্রুততম শতক এবং পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ রানের এই রেকর্ড গড়েছিল কেকেআর। 

আজ সেটা ভাঙলেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার। শুধু তাইই নয়, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসেই পাওয়ারপ্লেতে সবচেয়ে বেশি রানের নতুন রেকর্ডও গড়ে ফেলেছে তারা। আইপিএলের ৩৫তম ম্যাচে এসে ৬ ওভারে তাদের সংগ্রহ ১২৫ রান। ৬ষ্ঠ ওভার পর্যন্ত চলা এই তাণ্ডবে হেড অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৮৪ রানে। অপরপ্রান্তে থাকা অভিষেক শর্মা ১০ বলে করেছেন ৪০ রান। 

দিল্লির বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই চড়াও হয়েছেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার। শুরুর ৬ ওভারে ডত বল ছিল মোটে ৫টি। বিপরীতে দুই ব্যাটার মিলে ৪ মেরেছেন ১৩টি। আর ছয়ের মার ছিল ১১টি। আর ৭ রান এসেছে সিঙ্গেলস থেকে। 

অবশ্য পাওয়ারপ্লের পরেই আউট হয়েছেন অভিষেক। ১১ বলে ৪৬ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে আউট হয়েছেন অভিষেক। একই ওভারে আবার ফিরেছেন এইডেন মার্করামও। দুই উইকেটের পর রানের গতি সচল রাখতে গিয়ে ফিরেছেন ট্রাভিস হেডও। কুলদীপ যাদবের বলেই ফিরেছেন তিনিও। ৯ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫৪ রান। 

এরপরের সময়টা দিল্লি কিছুটা অন্তত রেহাই পেয়েছে। কুলদীপ যাদবের ওই স্পেলের পরে কিছুটা অন্তত লাগাম ছিল হায়দরাবাদের ইনিংসে। তবে বিগশট যে থেমে গিয়েছিল, তাও না। সুযোগ বুঝে চড়াও হয়েছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি ২৭ বলে করেছেন ৩৭ রান। তার সঙ্গী শাহবাজ অবশ্য ছিলেন মারকুটে মেজাজে। ২৯ বলে ৫ ছয় আর দুই চারে করেছেন ৫৯ রান। 

কুলদীপ চার উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদের ইনিংসে কিঞ্চিৎ লাগাম টেনেছেন। তবে এর জন্য খরচ করেন ৫৫ রান। দিল্লির বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ইকোনমিক্যাল ছিলেন অক্ষর প্যাটেল। ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৯ রান। বাকি সকলেই রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ১৩ এর বেশি। ললিত যাদব ২ ওভারে ৪১ রান খরচের পর অবশ্য বলই আর করতে পারেননি হায়দরাবাদের বিপক্ষে। 


আইপিএল   ক্রিকেট   খেলাধুলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মাঠে ফেরা নিয়ে শঙ্কিত জোফরা আর্চার!

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ঘরের মাঠে ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড। যেখানে নির্ধারিত ৫০ ওভারের খেলায় ড্র হওয়ায় সুপার ওভারে গড়ায় শিরোপার লড়াই। আর সেই সুপার ওভারেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে শিরোপার স্বাদ দেন জোফরা আর্চার। আর সেই থেকেই স্পট লাইটে আসেন তিনি।

তবে এই গতি তারকা সর্বশেষ টেস্টে মাঠে ছিলেন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময়ে ইনজুরিতে হুমকির মুখে পড়ে তার ক্যারিয়ার এবং ডানহাতের কনুইতে চিড় ধরায় গত বছরের পুরো ঘরোয়া মৌসুমেই খেলতে পারেননি সাসেক্সের এই পেসার।

এবার ইঞ্জুরি কাটিয়ে আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে মাঠে ফেরার প্রত্যাশা ডানহাতি এই পেসারের। তবে আর্চার মনে করেন, আরও একটি স্বপ্ন ভঙ্গের ফলে যে মানসিক এবং শারীরিক ধাক্কা আসবে, সেটি মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে।

ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করার মানসিকতা থাকলেও আর্চারের দাবি, ‘আমি জানি না, আমাকে আরও এক বছর যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হবে কি-না।’

ফোরকাস্টস অ্যাথলেট ভয়েস পডকাস্টে আর্চার বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি জানি না আমার জন্য আরও এক যাওয়া-আসার বছর আছে কি না। এটা সত্যি যে আমি জানি না আরও এক বছর আমার জন্য কি অপেক্ষা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুরো এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে আছি। গত বছর জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত খেলেছিলাম। আমার মনে হয়, আগের বছর সাসেক্সের হয়ে এক বা দুটি ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আমি পুরো বছর খেলেনি।’

এই মাসের শুরুর দিকে ইংল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান রব কি জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলবেন না আর্চার। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই আর্চারের মূল্য লক্ষ্য।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্চার বড় ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার খেলার সম্ভাবনা এখনও ক্ষীণ।

আর্চারের ভাষ্য, ‘জুন মাসের প্রথম ম্যাচে আমি সত্যিই দলে থাকতে চাই। গত দুই বছর দলে যাওয়া-আসার মধ্যে ছিলাম। আমি মনে করি, সবাই এই বিষয়টিকে সহজভাবেই নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও আমি সত্যিই এটি নিয়ে ভাবতে চাই না। কোনো কারণে বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও, এখনও টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও দ্য হান্ড্রেড আছে।’


জোফরা আর্চার   ইংল্যান্ড   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফিটনেসের অংশ হিসেবে ১৬০০ মিটার দৌড়ে সেরা দুই পেসার

প্রকাশ: ০৩:৩৪ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আর কিছুদিন পরেই টাইগারদের ঘরের মাঠে শুরু হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের পাঁচ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজ আসন্ন  টি-২০ বিশ্বকাপের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। আর তাই টাইগাররা বেশ ভালোভাবেই নজর দিচ্ছেন এই সিরিজের দিকে।

জিম্বাবুয়ে সিরিজের পাশাপাশি আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা করেছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। যার অংশ হিসেবে শনিবার (২০ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১৬০০ মিটার দৌড়েছেন জাতীয় দলের বিবেচনায় থাকা প্রায় ৩৫ ক্রিকেটার। বিসিবির ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্টের রানিং প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপ থেকে সেরা হয়েছেন দুই পেসার।

এক গ্রুপে প্রথম হয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। আরেক গ্রুপে সবার আগে দৌড় শেষ করেন তানজিম হাসান সাকিব। চমক দেখিয়েছেন বর্তমান দলের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। সিনিয়র ক্রিকেটার হয়েও তরুণদের সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে এক গ্রুপের দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি।

বর্তমান দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার সিনিয়র ৩৮ পেরুনো মাহমুদউল্লাহ দৌড় শেষ করেছেন সবার শেষে। ফিটনেস সেশন শেষে ট্রেনার ইফতেখার ইসলাম ইফতি জানান, ডিপিএল-বিপিএলের পর ক্রিকেটারদের ফিটনেসের অবস্থা বুঝার জন্যই এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই পরীক্ষার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থাটা কেমন সেটা বুঝলাম। এটার মধ্যে পাশ-ফেলের কিছু নেই। ডিপিএল গেছে, বিপিএল গেছে। এরপর ওদের ফিটনেসের অবস্থা কি সেটা জানার জন্য এই উদ্যোগ। এটা জানার পর খেলোয়াড়দের কাকে কি অনুশীলন করাতে হবে এটা খুঁজে বের করব। ওদের জানিয়ে দেব, ওভাবে আমরা প্রয়োগ করব।’


বাংলাদেশ   জিম্বাবুয়ে   টি-২০ সিরিজ   টি-২০ বিশ্বকাপ   ক্রিকেট   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে এক ম্যাচে দুই দলের অধিনায়কেরই জরিমানা

প্রকাশ: ০৩:০৫ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

জমে উঠেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৭তম আসর। মাঝ পর্যায়ে এসে সব দলের লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। কেউ কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলছে না।

আইপিএলে এবারের আসরে শুরু থেকে বেশ ভালো অবস্থানে ছিল চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাটিং-বোলিং সবদিক থেকেই বেশ ব্যালেন্সড টিম গঠন করেছিল এবার তারা। তবে গতকাল প্রতিপক্ষ লখনৌ সুপার জায়ান্টসের মাঠে খেলতে নেমে কোনো পাত্তাই পায়নি ধোনি-মুস্তাফিজরা। তার ওপর ‘বাড়তি পাওনা’ হিসেবে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় পেয়েছেন আর্থিক শাস্তি।

অবশ্য কেবল চেন্নাই নয়, ম্যাচজয়ী লখনৌও একই জরিমানার অধীনে পড়েছে। স্লো ওভার রেটের কারণে স্বাগতিক অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকেও জরিমানা করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ে ওভার শেষ করতে না পারায় একই ম্যাচের দুই অধিনায়কই জরিমানা গুনলেন।

এদিন লখনৌর একানা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ব্যাপক দাপট দেখিয়ে জিতেছে। শুরুতে ব্যাট করে মুস্তাফিজুর রহমানের চেন্নাই ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান তোলে। রানতাড়ায় ব্যাট করতে নেমে লখনৌ ১৯ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয়। অধিনায়ক রাহুল দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে সামনে থেকে জয় উপহার দিয়েছেন। সর্বোচ্চ ৮২ রানের ইনিংস খেলেন রাহুল।

তবে ঘরের মাঠে জয় পেলেও, স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে এই লখনৌ অধিনায়ককে। আইপিএলের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করেছে লখনৌ ও চেন্নাই উভয় শিবিরই। এক্ষেত্রে দলগত অপরাধের শাস্তি পেতে হয় দুই অধিনায়ক রাহুল ও গায়কোয়াড়কে। কারণ মাঠে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অধিনায়কদের ভূমিকাই প্রধান হয়ে থাকে। এক বিবৃতিতে দুজনের শাস্তির কথা নিশ্চিত করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

প্রথমবার আইপিএলের আচরণবিধি ভঙ্গের জন্য রাহুল ও গায়কোয়াড়কে ভারতীয় মুদ্রায় ১২ লাখ রুপি করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারিও পেয়েছেন তারা। টুর্নামেন্টের বাকি অংশে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে এই শাস্তির পরিমাণ বেড়ে দ্বিগুণ হবে।

আইপিএলের আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রথমবার স্লো ওভার রেটের দায়ে পড়লে শুধুমাত্র অধিনায়কের ১২ লাখ রুপি জরিমানা হয়। এক মৌসুমে দ্বিতীয়বার এই ভুলের জন্য দলনেতাকে ২৪ লাখ রুপি জরিমানা দিতে হয় এবং ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়সহ দলের বাকিদের জরিমানা হয় ৬ লাখ রুপি করে অথবা ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ অর্থ। তৃতীয়বার একই অপরাধ করলে অধিনায়ককে ৩০ লাখ রুপি জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচেও নিষিদ্ধ হতে হবে। সেই সঙ্গে দলের বাকিদের জরিমানা হয় ১২ লাখ রুপি করে বা ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ অর্থ।


আইপিএল   চেন্নাই সুপার কিংস   লখনৌ সুপার জায়ান্টস   ঋতুরাজ   লোকেশ রাহুল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইউরোপা লিগের সেমির পূর্বে নিষেধাজ্ঞায় মার্টিনেজ

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক শিরোপাখরা কাটানোর অন্যতম নায়ক তিনি। তবে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক খেলায় নয়, ক্লাব ফুটবলেও দিনের পর দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছেন এমি।

দুইদিন পূর্বেই উয়েফা ইউরোপা কনফারেন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে লিলের বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটিতে অ্যাস্টন ভিলার জয়ের নায়ক ছিলেন এমি। টাইব্রেকারে গড়ানো ম্যাচে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই অর্জেন্টাইনের।

যার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেমি ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল অ্যাস্টন ভিলা, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকেই পাচ্ছে না দলটি। আগামী ২ মে গ্রিসের ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না মার্টিনেজ।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই গোলকিপারকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে উয়েফা। কারণ, কনফারেন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি।

গতকাল কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে দুবার হলুদ কার্ড দেখেন মার্টিনেজ। প্রথমবার ম্যাচের ৩৯ তম মিনিটে তাকে হলুদ কার্ড দেন রেফারি। এরপর ম্যাচ ট্রাইব্রেকারে গড়ালে সেখানেও হলুদ কার্ড পান মার্টিনেজ।

সবমিলিয়ে মার্টিনেজ ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখার পরও লাল কার্ড দেখাননি রেফারি। কারণ উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের নিয়মিত সময়ে দেখা হলুদ কার্ড টাইব্রেকারের সময়ের দেখা হলুদ কার্ডের সঙ্গে যোগ হয় না। তবে এটা আবার সামগ্রিক কার্ড দেখার হিসেবে যোগ হয়। তাই লাল কার্ড না পেলেও, ঠিকই নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন।

সেমি ফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচে খেলতে না পারলেও দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন মার্টিনেজ।


এমি মার্টিনেজ   আর্জেন্টিনা   ফুটবল   ইউরোপা লিগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন