ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রথম ইনিংসে বোলারদের ভালো বোলিংয়ে বিশেষ করে তাইজুল ইসলামের স্পিন ভেল্কিতে লিড রেখে শেষ করা যেনো কোন কাজেই আসলো না বাংলাদেশের জন্য। ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ইনিংস শেষে মাত্র ২০২ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় টাইগার শিবির। যা মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই লক্ষে পৌঁছে যায় পাকিস্তান দল। আর তাতেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে জয়ের আসা জাগিয়েও বড় ব্যবধানে হার দেখলো বাংলাদেশ। 

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১১৪ ও মুশফিকুর রহিমের ৯১ রানে ভর করে ৩৩০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। তবে তাইজুল ইসলামের স্পিন ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান, মিলেছিল ৪৪ রানের লিড। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল একাই নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

যা খুব সহজেই করে ফেললো তারা। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দলের নায়ক আবিদ আলি। মাত্র ৯ রানের জন্য জোড়া সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার শফিক খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। নিজের অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন শফিক।

জয়ের অর্ধেক কাজ চতুর্থ দিন বিকেলেই করে রেখেছিলেন আবিদ ও শফিক। বিনা উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেন তারা। দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন দুই ওপেনার। মনে হচ্ছিল, পুরো ১০ উইকেটেই হয়তো জিতবে পাকিস্তান।

দিনের দশম ওভারে আজ প্রথমবারের মতো আক্রমণে আনা হয়েছিল মিরাজকে। ওভারের পঞ্চম বলে অভিষিক্ত শফিককে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি শফিক। আম্পায়ার্স কলের কারণে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে।

আউট হওয়ার আগে শফিক খেলেছেন ৮ চার ও ১ ছয়ের মারে ৭৩ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৫২ রান। দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়ে নিজের অভিষেক রাঙিয়ে রাখলেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। শফিকের বিদায়ে ভাঙে ১৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। প্রথম ইনিংসে আবিদ ও শফিক গড়েছিলেন ১৪৬ রানের জুটি।

শফিক ফিরে গেলেও ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পথেই এগুচ্ছিলেন আবিদ। কিন্তু তার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন তাইজুল। পাকিস্তানের ইনিংসের ৫০তম ওভারের প্রথম বলেই আবিদকে ফেরান তিনি। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছিলেন আবিদ।

কিন্তু ব্যাট ফাঁকি দিয়ে বল আঘাত হানে প্যাডে। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত জানান লেগ বিফোরের। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি পাকিস্তানি ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ১২ চারের মারে ৯১ রান করেছেন আবিদ। মাত্র ৯ রানের জন্য ম্যাচে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি করা হয়নি তার।

এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।


পাকিস্তান   বাংলাদেশ   ক্রিকেট   টেস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের আশা জাগিয়েও পারল না আয়ারল্যান্ড

প্রকাশ: ০৯:২২ এএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের আশা জাগিয়েও পারল না আয়ারল্যান্ড

দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে এক অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেও জয়ের আশা জাগিয়ে জিততে পারলো না আয়ারল্যান্ড। হারলো মাত্র ৪ রানে। এর ফলে ভারত দুই ম্যাচের টি২০ সিরিজ জিতে নিলো ২-০ ব্যাবধানে।  

মঙ্গলবার (২৮ জুন) ম্যালাহাইডে দা ভিলেজে অবিশ্বাস্য এক জয়ের আশা জাগিয়েও ভারতের বিপক্ষে পারল না তারা।

শেষ ম্যাচের রঙ পাল্টেছে বার বার। শেষ ওভারের প্রথম ৩ বল থেকে এলো ৯ রান। শেষ ৩ বলে সমীকরণ দাঁড়াল ৮ রান। মহাগুরুত্বপূর্ণ সেই সময়ে দেখা গেল অন্য এক উমরান মালিককে। এতক্ষণ অকাতরে রান বিলানো গতিময় পেসার মাথা খাটিয়ে বোলিং করে দিলেন কেবল ৩ রান। নখকামড়ানো উত্তেজনার ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের জন্য শেষটা হলো হতাশার। 

দিপক হুডার প্রথম সেঞ্চুরি ও সাঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে তার বিশ্ব রেকর্ড গড়া জুটির সৌজন্যে ৭ উইকেটে ২২৫ রান করে ভারত। ব্যাটারদের মিলিত অবদানে ৫ উইকেটে ২২১ পর্যন্ত যায় আয়ারল্যান্ড।
 
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের প্রথম বলেই স্যামসনের বাউন্ডারি দিয়ে শুরু করে ভারত। তৃতীয় ওভারে ইশান কিষান ফিরে গেলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। পঞ্চম ওভারে রিভিউ নিয়ে বাঁচেন হুডা, সে সময় তার রান ছিল ১৪। এরপর বোলারদের উপর চড়াও হন তিনি। পিছিয়ে থাকেননি স্যামসনও। পাওয়ার প্লেতে ইশানের উইকেট হারিয়ে ভারত তোলে ৫৪ রান। এরপর কমতে বসে রানের গতি। ব্যাক্তিগত ৩৩ রানে পল স্টার্লিংয়ের হাতে জীবন পান হুডা। পরে অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে দুই ছক্কায় উড়িয়ে পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফেলেন তিনি, ২৭ বলে।

ক্যারিয়ারের প্রথম পঞ্চাশের পর বোলারদের উপর আরও চড়াও হন তিনি। সে সময় খুব একটা স্ট্রাইক-ই পাচ্ছিলেন না স্যামসন। শেষ পর্যন্ত ত্রয়োদশ ওভারে তিনিও পা রাখেন পঞ্চাশে, ৩১ বলে। ২০১৫ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেকের পর দেশের হয়ে এটাই তার প্রথম পঞ্চাশ। ফিফটির পর ডেলানিকে টানা দুই ছক্কায় ওড়ান স্যামসন। পরে মার্ক অ্যাডায়ারকে ফ্লিক করে ওড়ান ছক্কায়। পরের বলেই বোল্ড হয়ে থামেন তিনি। ভাঙে ৮৭ বল স্থায়ী ১৭৬ রানের জুটি। ভারতের হয়ে যে কোনো উইকেটে এটি সর্বোচ্চ জুটি। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে দ্বিতীয় উইকেটে এটি সেরা। ৪ ছক্কা ও ৯ চারে স্যামসন ৪২ বলে করেন ৭৭।


রেকর্ড জুটির পর নিয়মিত উইকেট হারায় ভারত। এর মধ্যে ৫৫ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান হুডা। এরপর আর এগোতে পারেননি বেশিদূর। ভারতের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করে থামেন ১০৪ রানে। তার ৫৭ বলের ইনিংস গড়া ৬ ছক্কা ও ৯ চারে। শেষ দিকে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পান দিনেশ কার্তিক, আকসার প্যাটেল ও হার্শাল প্যাটেল। ৯ বলে দুই চারে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া।

পাহাড় ডিঙানোর চ্যালেঞ্জে ভুবনেশ্বর কুমারের প্রথম দুই বল ডট খেলার পর ছক্কা ও তিন চার হাঁকিয়ে ডানা মেলেন স্টার্লিং। ১৮ রানের ওভার দিয়ে শুরু হয় আয়ারল্যান্ডের রান তাড়ার অভিযান। অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দিয়ে যান এ্যান্ডি বালবার্নি। ৪ ওভারেই জুটি ও দলের রান ছুঁয়ে ফেলে পঞ্চাশ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে ছক্কা হজম করেন রবি বিষ্ণইও। পরে তিনিই ভাঙেন আইরিশদের শুরুর জুটি। চমৎকার এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে দেন স্টার্লিংকে। ১৯ বলে তিন ছক্কা ও পাঁচ চরে ৪০ রান করেন বিস্ফোরক এই ওপেনার। তার বিদায়ে ভাঙে ৩৫ বল স্থায়ী ৭২ রানের জুটি। এরপর হার্দিক পান্ডিয়ার সরাসরি থ্রোয়ে শূন্যতে ডেলানি রান আউট হয়ে ফেরেন। পরের বলেই উমরানকে ছক্কায় ওড়ান বালবার্নি। পরের ওভারে গতিময় পেসারকে ছক্কা মারার পর হাঁকান চার। ইনিংসে এটাই তার প্রথম চার, ততক্ষণে ছক্কা হয়ে গেছে ছয়টি।

৯ ওভারেই তিন অঙ্ক স্পর্শ করে আয়ারল্যান্ডের রান। মূলত বাউন্ডারিতে এগোনো বালবার্নি পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ৩৪ বলে, সিঙ্গেল নিয়ে। পরের ওভারে হার্শালকে চারের পর মারেন ছক্কা। পরের বলেই অবশ্য ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক। ৩৭ বলে সাত ছক্কা ও তিন চারে তিনি করেন ৬০ রান। তখনও স্বাগতিকদের প্রয়োজন ৫৭ বলে ১০৯ রান। আগের ম্যাচে ঝড় তোলা হ্যারি টেক্টর তখনও শান্ত। প্রথম ১০ বলে তিনি করেন ১০ রান। এরপর তিন বলের মধ্যে বিষ্ণইকে দুটি চার মেরে মনোযোগ দেন রানের গতি বাড়ানোয়। নিজের তৃতীয় ওভারে প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের স্বাদ পান উমরান। গতিময় এই পেসার বিদায় করেন লর্কান টাকারকে।

ছক্কায় রানের খাতা খোলার পর তিন বলের মধ্যে বিষ্ণইকে দুই চার মেরে আয়ারল্যান্ডকে কক্ষপথে রাখেন জর্জ ডকরেল। পরে হার্শালকে দুটি ছক্কায় উড়িয়ে লক্ষ্যটা আরও কাছে নিয়ে আসেন তিনি। শেষ ৩ ওভারে আইরিশদের প্রয়োজন ছিল ৩৮ রান। ১৮তম ওভারে টেক্টরকে ফিরিয়ে ২১ বল স্থায়ী ৪৭ রানের জুটি ভাঙেন ভুবনেশ্বর। তাকে ছক্কায় ওড়াতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন টেক্টর। পাঁচ চারে তিনি ২৮ বলে করেন ৩৯। সেই ওভারে শেষ বলে চার মেরে একটু হলেও আশা বাঁচিয়ে রাখেন ডকরেল। 

রান উৎসবের ম্যাচে শেষ ২ ওভারে ৩১ রান অসম্ভব কিছু তো নয়। ১৯তম ওভারে হার্শালকে চারের পর ছক্কায় ওড়ান অ্যাডায়ার। উজ্জ্বল হয়ে ওঠে আয়ারল্যান্ডের আশা। ওভার থেকে আসে ১৪ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। উমরানের ‘নো’ বল আর অ্যাডায়ারের দুই বাউন্ডারির সুবাদে প্রথম ৩ বলে আসে ৯ রান। এরপরের কাজটা খুব অসম্ভব কিছু ছিল না। কিন্তু উমরানের মাথা খাটিয়ে বোলিংয়ে আর পেরে ওঠেনি আয়ারল্যান্ড।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ভারত: ২০ ওভারে ২২৫/৭ (স্যামসন ৭৭, ইশান ৩, দিপক ১০৪, সূর্যকুমার ১৫, পান্ডিয়া ১৩*, কার্তিক ০, আকসার ০, হার্শাল ০, ভুবনেশ্বর ১*; অ্যাডায়ার ৪-০-৪২-৩, লিটল ৪-০-৩৮-২, ইয়াং ৪-০-৩৫-২, ডেলানি ৪-০-৪৩-০, উলফার্ট ৩-০-৪৭-০, ম্যাকব্রাইন ১-০-১৬-০)

আয়ারল্যান্ড: ২০ ওভারে ২২১/৫ (স্টার্লিং ৪০, বালবার্নি ৬০, ডেলানি ০, টেক্টর ৩৯, টাকার ৫, ডকরেল ৩৪*, অ্যাডায়ার ২৩*; ভুবনেশ্বর ৪-০-৪৬-১, পান্ডিয়া ২-০-১৮-০, হার্শাল ৪-০-৫-১, বিষ্ণই ৪-০-৪১-১, উমরান ৪-০-৪২-১, আকসার ২-০-১২-০)

ফল: ভারত ৪ রানে জয়ী

সিরিজ: ২ ম্যাচের সিরিজে ভারত ২-০তে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: দিপক হুডা

ম্যান অব দা সিরিজ: দিপক হুডা



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেষ পর্যন্ত অবসরই নিলেন মরগান

প্রকাশ: ০৯:১২ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail শেষ পর্যন্ত অবসরই নিলেন মরগান

দীর্ঘদিন ধরেই ফর্মহীনতায় ভুগছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগান। কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল ক্রিকেট থেকে অবসরে যাবেন তিনি। এবার সেটিই সত্য হলো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইংলিশ এই ব্যাটার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে আইসিসি।

ইংল্যান্ডের জার্সিতে মরগানের অবদান অনেক। সীমিত ওভারে দলটির রূপ বদলে দেওয়ার অন্যতম কারিগর তিনি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই নেই ফর্মে। গত দেড় বছরে ৪৮টি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি (ঘরোয়া/ফ্রাঞ্চাইজ টুর্নামেন্টসহ) মিলিয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন কেবল একবার।  

নিজের শেষ ওয়ানডে সিরিজে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই শূন্য রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মরগান। ফর্মে না থাকা এই ব্যাটার হয়তো আগেই বুঝেছিলেন নিজের ব্যর্থতার কথা। তাইতো ম্যাচ পূর্ববতী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘যদি মনে করি ভালো খেলতে পারছি না বা দলের জন্যে অবদান রাখতে পারছি না, তা হলে খেলা ছেড়ে দেব। ’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মরগানের শুরুটা ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে। তিন বছর পর ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হয় তার। ২০১৫ বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবির পর নেতৃত্বের দায়িত্ব পান তিনি। কোচ ট্রেভর বেলিসকে সঙ্গে নিয়ে পুরো সেসময় পাল্টে দেন এই অধিনায়ক।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। এরপর আর ব্যাট হাতে ভালো ইনিংসের দেখা পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭ বছর পর অবসরের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতি টানলেন ইংলিশ এই তারকা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৪:৪১ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। তার আগে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য একটি টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট নিউজিল্যান্ড। সেই সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দেশটি।

বাংলাদেশ আগেই সিরিজ খেলতে নিজেদের সম্মতি দিয়েছিল, তবে পাকিস্তান সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজের সূচি নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। সেটা হয়ে যাওয়ার পরই গত ২৬ জুন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রধান রমিজ রাজা ত্রিদেশীয় সিরিজে দেশটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজের সব পক্ষের সম্মতি পাওয়ার পর এবার সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। সিরিজের ফরম্যাট হবে ডাবল হেডার, তথা প্রথম পর্বে তিন দেশই একে অন্যের বিপক্ষে দুইবার করে খেলবে। এরপর সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে।

৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯ টায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১০ অক্টোবর স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এরপর ১৩ ও ১৪ অক্টোবর যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম পর্বের বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ফাইনাল হবে ১৫ অক্টোবর। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি

বাংলাদেশ - পাকিস্তান (৮ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

নিউজিল্যান্ড - পাকিস্তান (৯ অক্টোবর, দুপুর ১টা)

নিউজিল্যান্ড - বাংলাদেশ (১০ অক্টোবর, দুপুর ১টা)

নিউজিল্যান্ড - পাকিস্তান (১২ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

নিউজিল্যান্ড - বাংলাদেশ (১৩ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

বাংলাদেশ - পাকিস্তান (১৪ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

ফাইনাল (১৫ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

* বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

হোয়াটওয়াশ হয়েই টেস্ট সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৮:৩৫ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail হোয়াটওয়াশ হয়েই টেস্ট সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ দলকে সাদা বলের ক্রিকেটে আবারো হোয়াটওয়াশ করে এই ফরম্যাটে নিজেদের আধিপত্য বজার রাখলো ক্যারিবিয়রা। দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল ইনিংস হারের লজ্জা এড়িয়ে ক্যারিবিয়ানদের সামনে মাত্র ১২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৭ বল খেলে গোটা ১০ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে উইন্ডিজ। 

হারটা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। তবে এদিন নুরুল হাসান সোহানের দারুণ এক ইনিংসে কোন রকমে ইনিংস হার এড়ায় বাংলাদেশ দল। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর ২২ বছরে ১৩৪টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে সাদা পোশাকে হারের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল তারা। যেখানে ১০০ হারের বিপরীতে টাইগারদের জয় ১৬টি ও ড্র আছে ১৮টি। 

সেই সাথে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দলের বিপক্ষে শেষ ৪ দেখায় টানা ৪ পরাজয় বাংলাদেশের, সব মিলিয়ে ২০ টেস্টে এটি ১৪তম পরাজয়। 

ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে এ হার টেস্টে বাংলাদেশ দলের শততম। মাত্র ১৩৪ ম্যাচেই পরাজয়ের সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ দল। 

সাকিব বাহিনী অ্যান্টিগায় তিনদিনেই পরাজিত হয়েছিল। সেন্ট লুসিয়ায় সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচেও একই চিত্রনাট্য। ব্যাটারদের ভরাডুবিতে তিন দিনেই আবারো হারের শঙ্কা চেপেছিল। যদিও বৃষ্টি ভাগ্যে শেষমেশ তা হয়নি। খেলা গড়ায় চতুর্থ দিনে।

বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনের দুটি সেশন মাঠেই গড়ায়নি। তৃতীয় সেশনে স্থানীয় সময় বিকেলে খেলা শুরু হতেই আবারো সেই বিপর্যয়। আগের দিনে বাকি থাকা চার উইকেট টিকল মাত্র ৫৪ বল। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রানেই গুঁড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস।

যদিও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ভর করে কোনো রকমে ইনিংস হারের লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা উইকেটকিপার এ ব্যাটার ৫০ বলে ৬০ রানের ক্যামিওতে দলকে লিড এনে দেন। তবে যোগ্য সঙ্গ না পাওয়ায় মাত্র ১২ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

সহজ লক্ষ্য পেরোতে ক্যারিবীয়দের খরচ করতে হয়েছে কেবল ১৭ বল। কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটের দল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ   বাংলাদেশ   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয়ে আনহেল ডি মারিয়া

প্রকাশ: ১২:৪০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail

আর্জেন্টিনা দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের আনহেল ডি মারিয়া জানিয়েছেন, কাতার বিশ্বকাপে কেবল লিওনেল মেসি ছাড়া দলের বাকি সবার জায়গা অনিশ্চিত। যেখানে তিনি নিজেও বেশ ভালো ফর্মে থাকার পরেও নিজেই নিজেই জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানালেন। 

রবিবার (২৬ জুন) এক সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া তুলে ধরেন ক্লাব পরিবর্তনের সঙ্গে জাতীয় দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি। 

বয়স ৩৪ হলেও খেলার ধার কমেনি এতটুকু বরং দুর্দান্ত ফর্মে আছেন ডি মারিয়া। সদ্যই পিএসজি থেকে বিদায় নেওয়ার পর তার পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা থাকলেও লিওনেল স্কালোনির দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। দলটির রেকর্ড ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পথচলায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গত বছর কোপা আমেরিকার ফাইনালে তার গোলেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারিয়ে ২৮ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছিল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

যেভাবে খেলছেন, তাতে বছরের শেষে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলে ডি মারিয়ার না থাকাটাই হবে বিস্ময়কর। 

সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া জানান, দলে জায়গা ধরে রাখতে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে তাকে। তিনি বলেন, কাতার বিশ্বকাপের দলে) একমাত্র লিওনেল মেসির জায়গা নিশ্চিত। এখন থেকে চার মাস পরে কী হবে, কেউ জানে না। আমাকে ক্লাব পরিবর্তন করতে হবে, সেখানে আবার মানিয়ে নিতে হবে, খেলতে হবে এবং ভালো অনুভব করতে হবে - যা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। 

আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় দি মারিয়া আছেন চতুর্থ স্থানে (১২২)। তালিকায় তার আগে রয়েছেন মেসি (১৬২), হাভিয়ের মাসচেরানো (১৪৭) ও হাভিয়ের জানেত্তি (১৪৫)। ২০২১-২২ মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩১টি ম্যাচ খেলেছেন দি মারিয়া। ৫টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৮টি।

২০২১-২২ মৌসুমে পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখন ক্লাবহীন তিনি। সূত্রের খবর, এক বছরের চুক্তিতে তাকে দলে টানতে আগ্রহী ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস।

গুঞ্জন রয়েছে, জুভেন্টাসের পাশাপাশি দি মারিয়াকে দলে টানতে চেষ্টা করছে বার্সেলোনাও। বর্তমানে ছুটিতে থাকা সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা অবশ্য এই মুহূর্তে সেসব নিয়ে ভাবছেন না। তিনি বলেন, ইউভেন্তুস ইতালির সবচেয়ে বড় ক্লাব এবং আমার প্রতি আগ্রহী দলগুলোর একটি। এই মুহূর্তে আমি এটা নিয়ে একটু চিন্তা করছি, তবে এখন আমার পূর্ণ মনোযোগ পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটানো। বার্সেলোনা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি এবং আগে আমাকে সবসময় তাদের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। 

ডি মারিয়া   আর্জেন্টিনা   পিএসজি   ফুটবল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন