ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail পাকিস্তানের কাছে লজ্জার ৮ উইকেটের পরাজয়

প্রথম ইনিংসে বোলারদের ভালো বোলিংয়ে বিশেষ করে তাইজুল ইসলামের স্পিন ভেল্কিতে লিড রেখে শেষ করা যেনো কোন কাজেই আসলো না বাংলাদেশের জন্য। ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ইনিংস শেষে মাত্র ২০২ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয় টাইগার শিবির। যা মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই লক্ষে পৌঁছে যায় পাকিস্তান দল। আর তাতেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে জয়ের আসা জাগিয়েও বড় ব্যবধানে হার দেখলো বাংলাদেশ। 

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১১৪ ও মুশফিকুর রহিমের ৯১ রানে ভর করে ৩৩০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। তবে তাইজুল ইসলামের স্পিন ঘূর্ণিতে প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান, মিলেছিল ৪৪ রানের লিড। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল একাই নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

যা খুব সহজেই করে ফেললো তারা। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দলের নায়ক আবিদ আলি। মাত্র ৯ রানের জন্য জোড়া সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার শফিক খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। নিজের অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন শফিক।

জয়ের অর্ধেক কাজ চতুর্থ দিন বিকেলেই করে রেখেছিলেন আবিদ ও শফিক। বিনা উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেন তারা। দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন দুই ওপেনার। মনে হচ্ছিল, পুরো ১০ উইকেটেই হয়তো জিতবে পাকিস্তান।

দিনের দশম ওভারে আজ প্রথমবারের মতো আক্রমণে আনা হয়েছিল মিরাজকে। ওভারের পঞ্চম বলে অভিষিক্ত শফিককে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি শফিক। আম্পায়ার্স কলের কারণে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে।

আউট হওয়ার আগে শফিক খেলেছেন ৮ চার ও ১ ছয়ের মারে ৭৩ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৫২ রান। দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়ে নিজের অভিষেক রাঙিয়ে রাখলেন ২২ বছর বয়সী এ তরুণ। শফিকের বিদায়ে ভাঙে ১৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। প্রথম ইনিংসে আবিদ ও শফিক গড়েছিলেন ১৪৬ রানের জুটি।

শফিক ফিরে গেলেও ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পথেই এগুচ্ছিলেন আবিদ। কিন্তু তার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেন তাইজুল। পাকিস্তানের ইনিংসের ৫০তম ওভারের প্রথম বলেই আবিদকে ফেরান তিনি। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছিলেন আবিদ।

কিন্তু ব্যাট ফাঁকি দিয়ে বল আঘাত হানে প্যাডে। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত জানান লেগ বিফোরের। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি পাকিস্তানি ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ১২ চারের মারে ৯১ রান করেছেন আবিদ। মাত্র ৯ রানের জন্য ম্যাচে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি করা হয়নি তার।

এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।


পাকিস্তান   বাংলাদেশ   ক্রিকেট   টেস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০৩:০০ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলো আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়া। বাঁচা মরার সে লড়াইয়ে কাগজে-কলমে ইউরোপের দলটির থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিলো আলবিসিলেস্তেরা। তবে শঙ্কাও ছিলো পথ হারানোর। তবে সব সমীকরণ উতরে নানা নাটকীয়তার পর ২-১ গোলে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল।

৩৮ মিনিটে আবারো আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের দ্বিতীয় হরুদ কার্ড দেখেন ডেগনেক। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোন দলই।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৫ মিনিট পরই দলে পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। পাপু গোমেজের বদলি হিসেবে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে নামান স্কালোনি। ৫১ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে তার দুর্বল শটটি ধরতে গোলরক্ষককে কষ্ট করতে হয়নি। দুই মিনিট পর বিপদ হতে পারতো আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের ভুল ব্যাক পাস থেকে বল প্রায় ছিনিয়ে নিচ্ছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয়বারের মত বিপদমুক্ত করেন মার্টিনেজ।

উল্টো ৫৭ মিনিটে তেমনই এক ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সুন্দর এক ব্যাক হিলে গোলরক্ষকে বোকা বানান জুলিয়ান আলভারেজ। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে গোলর দেখা পেলেন তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা। ৫৮ মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়াও। ৬৫ মিনিটে ম্যাচে একক প্রচেষ্টায় চারজনকে কাটিয়ে বল নিয়ে বের হয়ে যায় মেসি। তবে সেখান থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। এর কিছু সময় পর জুলিয়ান আলভারেজ ও আকুনার বদলে মাঠে নামে লাউতারো এবং তাগলিয়াফিকোকে। ৭৫ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণে যান তাগলিয়াফিকো। তবে পোষ্টে নেয়া তার শটে পা ছোয়ানোর মতো দুরত্বে ছিরেন না তার কোন সতীর্থ ফুটবলার।

তবে ৭৭ মিনিটে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় অস্ট্রেলিয়া। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শট নেন বদলি হিসেবে নামা গুডউইন। তার দূরপাল্লার শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে গতিমুখ পরিবর্তন হয়ে যায় বলের। সেকেন্ড পোষ্ট ধরে জালে জড়ায় বল। আর আত্নঘাতী এই গোলে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ এ নিয়ে আসে সকারুরা। যা বিশ্বকাপের চলতি আসরে দ্বিতীয় আত্নঘাতী গোল।

গোলের আশায় ৮০ মিনিটে আরো দুটি পরিবর্তন করে স্কালোনি। মলিনা ও ম্যাকঅ্যালিস্টারকে বসিয়ে দেন স্কালোনি। তাদের পরিবর্তে মাঠে নামে প্যালাসিও-মন্ট্রিয়েল। ৮১ মিনিটে সমতায় ফিরেই গিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দূর থেকে দৌড়ে এসে দারুণ ক্ষিপ্রতায় সে বল ক্লিয়ার করেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। বেঁচে যায় আকাশি-নীলরা।

ম্যাচের বাকিটা সময় গোল মিসের মহড়া বসায় বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্টিনেজ। মেসির বানিয়ে দেয়া তিনটি সুযোগ নষ্ট করেন বেখেয়ালিপনায়। ৯০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে বাঁকানো এক শট নেন মেসি। বারের কয়েক ইঞ্চি পাশ দিয়ে তা বাইরে চলে গেলে হতাশা বাড়ে লিওনেল মেসিদের। তবে নকআউটে আর্জেন্টিনার জয়ের অন্যতম কারিগর বলা যায় গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে গোলের নিশ্চিত সুযোগ হারান অস্ট্রেলিয়ার কুউল। ফাঁকা পোষ্ট পেয়েও ইমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করতে পারেন নি তিনি। এক হাতে তার বল আটকে দিয়ে পরের নিজেই তা গ্লাভসবন্দী করলে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।

শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে জয়োধ্বনিতে কম্পমিত হয় পুরো আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২২তম বিশ্বকাপে শেষ আটে পা রাখে লিওনেল মেসি-দি পলরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ব্যবধান কমালো অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ০২:৪৫ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

৭৭ মিনিটে দারুণ এক শট নেন বদলি হিসেবে নামা গুডউইন। তার দূরপাল্লার শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে গতিমুখ পরিবর্তন হয়ে যায় বলের। সেকেন্ড পোষ্ট ধরে জালে জড়ায় বল। ব্যবধান কমিয়ে ২-১ এ নিয়ে আসে সকারুরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আলভারেজের গোলে ব্যবধান বাড়ালো আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০২:২৪ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

৫১ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণে ভাল সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে তার দুর্বল শটটি ধরতে গোলরক্ষককে কষ্ট করতে হয়নি। দুই মিনিট পর বিপদ হতে পারতো আর্জেন্টিনার। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের ভুল ব্যাক পাস থেকে বল প্রায় ছিনিয়ে নিচ্ছিলো অস্ট্রেলিয়া। তবে দ্বিতীয়বারের মত বিপদমুক্ত করেন মার্টিনেজ। 

উল্টো ৫৭ মিনিটে তেমনই এক ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সুন্দর এক ব্যাক হিলে গোলরক্ষকে বোকা বানান জুলিয়ান আলভারেজ। বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে গোলর দেখা পেলেন তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা।


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০১:৫৮ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাউন্ড অব সিক্সটিনের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা। ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে নকআউট পর্বে প্রথম গোলের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তার একমাত্র গোলেই এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছে আকাশি-নীলরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল।

৩৮ মিনিটে আবারো আকুনাকে ফাউল করে ম্যাচের দ্বিতীয় হরুদ কার্ড দেখেন ডেগনেক। ম্যাচের বাকি সময়ে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোন দলই। 


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

নকআউটে মেসির প্রথম গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ০১:৪৪ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখার চেষ্টা করতে থাকে আর্জেন্টিনা। আর ম্যাচের শুরু থেকেই লিওনেল মেসিকে কড়া মার্কিংয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের ফুটবলাররা। ম্যাচের ৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস দিয়েছিলেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে তার বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন নি জুলিয়ান আলভারেজ।

১৫ মিনিটে মার্কাস আকুনাকে পা।ুল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জ্যাকসন আরভিন। ১৭ মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেন পাপু গোমেজ। তবে তার শট পোষ্টে নয় চলে যায় গ্যালারিতে। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণে প্রথম আক্রমণ চালায়। তবে লেকির নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন আকুনা। ২৭ মিনিটে লম্বা পাস ধরে আবার আক্রমণের চেষ্টা করে সকারুরা। তবে বিপদমুক্ত করেন ওতামেন্দি।

২৮ মিনিটে দ্বিতীয় কর্নার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাপু গোমেজকে ফাউল করেন আজিজ বেহিচ। সেখান থেকে সুবিধাজনক স্থানে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেয়া বাকানো শট সরাসরি জালের দিকে গেলে অজি গোলরক্ষক। সেখান থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার। তার বাড়ানো বল ধরে মাটি কামড়ানো শটে অজি ডিফেন্ডারদের ফাঁক গলিয়ে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এটিই মেসির প্রথম গোল। 


কাতার বিশ্বকাপ   আর্জেন্টিনা   অস্ট্রেলিয়া   আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়াম।  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন