ইনসাইড হেলথ

কম খরচেই শেখ হাসিনা বার্নে করা যাবে কৃত্রিম হাত-পা সংযোজন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রাজধানীসহ সারাদেশে প্রতি বছর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অসংখ্য মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন পাঁচ শতাধিক মানুষ। তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ থাকেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের পোড়া রোগীদের বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্ববৃহৎ হাসপাতাল শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ৫০০ শয্যার এ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়ার পরও রোগীদের অনেকেই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসকরা নিরূপায় হয়ে তাদের কারও হাত, কারও পা কেটে ফেলতে বাধ্য হন। ফলে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক নারী, পুরুষ ও শিশুকে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাত ও পা হারানো অসহায় রোগীদের কেউ কেউ বেসরকারি হাসপাতালে হাজার হাজার টাকা খরচ করে কৃত্রিম হাত ও পা সংযোগ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রচেষ্টা চালান। তবে আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় অনেকেই কৃত্রিম হাত-পা স্থাপন করতে না পেরে পঙ্গুত্বকে মেনে নেন।

তবে এ ধরনের অসহায় রোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতাল। তারা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কৃত্রিম হাত-পা এবং ব্রেইস সংযোগ কেন্দ্র স্থাপন করেছে।

আগামী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ইতোমধ্যেই কেন্দ্রটি স্থাপনের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। কৃত্রিম হাত-পা ও ব্রেইস প্রয়োজন এমন রোগীদেরও তালিকা হচ্ছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানদের কাছে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে ব্র্যাক কৃত্রিম হাত-পা এবং ব্রেইস সংযোজন কেন্দ্র হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় স্থাপন সম্পন্ন হওয়ায় সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কেন্দ্রে কৃত্রিম হাত ও পা, ব্রেইস এবং কাউন্সিলিং প্রদান করা হবে।

জানতে চাইলে বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘হাসপাতালে প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ জন নারী-পুরুষ ও শিশু বিদ্যুৎস্পৃষ্টজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। তাদের অনেকেরই হাত-পা কেটে ফেলতে হয়। বেসরকারি হাসপাতালে কৃত্রিম হাত-পা সংযোজনে অনেক টাকা প্রয়োজন হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক রোগীই সেই খরচ বহন করতে না পেরে পঙ্গু জীবন পার করেন। তাদের কথা ভেবেই ব্র্যাকও তাদের যৌথ উদ্যোগে এ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের ফলে বেসরকারি যে কোনো হাসপাতালের চেয়ে অর্ধেক খরচ ও রোগীভেদে বিনামূল্যে কৃত্রিম হাত-পা ও ব্রেইস সরবরাহ করা হবে।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে পাওয়া গেলে এ কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে। তবে এখন থেকেই আগ্রহী রোগীদের নাম অন্তর্ভূক্ত করা হচ্ছে।’



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ

প্রকাশ: ০৬:২১ পিএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনা সংক্রমণের হার আস্তে আস্তে নিম্নগামী হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬১২ জনে। একই সময়ে করোনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৪৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৯ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৮৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৮৯৪টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

করোনা   ভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

দেশে এইডসে মৃত্যুর রেকর্ড

প্রকাশ: ১০:৪৬ এএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দেশে এইডসে এক বছরে ২৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে কোনো বছর এত মানুষের মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে দেশে এইডসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৮২০।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে এইডসে মৃত্যুর এ তথ্য জানানো হয়। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘অসমতা দূর করি, এইডস মুক্ত বিশ্ব গড়ি’।

প্রতিবছরের মতো এবারও এইডস দিবসের অনুষ্ঠানে দেশের এইচআইভি–এইডসের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ৯৪৭ জন এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা ১২৮ জন। বাকি ৮১৯ জন এ দেশের নাগরিক।

দেশে প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে; আর প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ২০০০ সালে। ওই বছর একজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে প্রায় প্রতিবছর এইডসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। ২০২১ সালের বিশ্ব এইডস দিবসে ২০৫ জনের মৃত্যুর কথা বলেছিল অধিদপ্তর। এ বছর মৃত্যু আরও বেড়েছে।

গত এক বছর নতুনভাবে সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ শতাংশ প্রবাসী শ্রমিক। শিরায় মাদক গ্রহণকারী ও পুরুষ সমকামীদের মধ্যে সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে বেশি। ঢাকা বিভাগের পর নতুন সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা বেশি চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে।

গতকালের অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে ফেরত আসা শ্রমিকদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর আগে তাঁদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। বিদেশ থেকে দেশে আসার সময়ও তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রাজেন্দ্র বোহরা বলেন, বৈশ্বিকভাবে এইচআইভি সংক্রমণ কমছে। বাংলাদেশে সংক্রমণের হার ০.০১ শতাংশের নিচে। এটা ভালো লক্ষণ।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে এইডস/এসটিডি কর্মসূচির পরিচালক মো. খুরশিদ আলম বলেন, দেশে অনুমিত এইচআইভি সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ১৪ হাজার ৫১৩। এর ৬৭ শতাংশকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধে৵ ৭৭ শতাংশ চিকিৎসার আওতায় আছেন। যাঁরা চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের ৯০ শতাংশের শরীরের ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আছে।

এইচআইভি বা এইডস পরীক্ষাসহ চিকিৎসার সব খরচ সরকার বিনা মূল্যে দেয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে এইচআইভি পরীক্ষা করা গেলে বেশি মানুষকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। তাঁরা বলেন, বিদেশফেরত শ্রমিকদের জাতীয় কর্মসূচির আওতায় রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জের।

জাতীয় এইডস/এসডিটি কর্মসূচি থেকে গৃহীত নতুন কিছু কার্যক্রমের কথা গতকালের অনুষ্ঠানে জানানো হয়। এর মধ্যে ১০টি কারাগারে হাতে নেওয়া কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু ২৫৪, হাসপাতালে ভর্তি ৪২৬

প্রকাশ: ০৫:২০ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৪ জনে। এ সময় হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪২৬ জন। ফলে বর্তমানে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৮০৩ জন। 

বুধবার (৩০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৩৬ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ২৩৯ জন। এছাড় ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮৭ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা মোট ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৮০৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫৭ হাজার ৩৫৮ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছন ৫৫ হাজার ৩০১ জন।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

ডেঙ্গু   স্বাস্থ্য অধিদফতর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ

প্রকাশ: ১১:৩০ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার চতুর্থ ডোজ প্রয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারের কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। একই সঙ্গে আগামী ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর বুস্টার ডোজের গণটিকা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, কারিগরি কমিটি প্রথম ধাপে সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও গর্ভবতীদের করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। তাদের টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত টিকা আছে। সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে।

টিকার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৮৭ ভাগ পেয়েছে প্রথম ডোজ। আর ৭৩ ভাগ দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার পেয়েছে ৫২ ভাগ মানুষ।

এ অবস্থায় আগামী ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন হবে সারাদেশে। এই ক্যম্পেইনের মাধ্যমে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ লাখ মানুষকে। ক্যাম্পেইনে শুধু টিকার দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। ক্যাম্পেইনে মোট ১৭ হাজার ১১৬টি টিম কাজ করবে।


করোনা   করোনার টিকা   চতুর্থ ডোজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫২৩

প্রকাশ: ০৫:০৪ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আরও ৫২৩ জন নতুন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (২৭ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ২৭৭ জন ও ঢাকার বাইরে ২৪৬ জন। বর্তমানে সারাদেশে এক হাজার ৯২৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ১২৯ জন ও ঢাকার বাইরে ৮০০ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৬ হাজার ১৩০ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮০৫ জন ও ঢাকার বাইরে ২০ হাজার ৩২৫ জন।

চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৪৭ জন মারা গেছেন।

ডেঙ্গু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন