ইনসাইড হেলথ

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন, কতটা বিপজ্জনক?

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছে। নতুন এ ধরন বারবার জিনগত রূপ বদলাতে সক্ষম। ধরনটির কারণে বিশ্বে নতুন করে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জারি হচ্ছে বিধিনিষেধ ও ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা।

ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছে কেন?

প্রাথমিকভাবে করোনার নতুন এ ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম বি.১.১.৫২৯। তবে গতকাল শুক্রবার এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওমিক্রন’। এ নাম দিয়েই ধরনটিকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। উদ্বেগজনক বলার কারণ হিসেবে সংস্থাটি এ ধরনটির বারবার জিনগত রূপ বদল এবং আগেও করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের আবার এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির বিষয়টিকেই সামনে তুলে এনেছে।

বিজ্ঞানীরা এতটা উদ্বিগ্ন কেন?

এ ধরনটির স্পাইক প্রোটিনে ৩০টির বেশি মিউটেশন রয়েছে। অতি সংক্রামক ডেলটার তুলনায় সংখ্যাটা দ্বিগুণেরও বেশি। আমাদের দেহকোষে ঢুকে পড়ার জন্য ভাইরাস মূলত এটাকে ব্যবহার করে থাকে। এমন নাটকীয় পরিবর্তনের কারণে এ উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে এর আগে সংক্রমিত হওয়ার কারণে শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি অথবা করোনার টিকা ধরনটির সঙ্গে আর মানিয়ে নিতে পারবে না। জিনগত রূপ বদলের বিষয়টির ওপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞানীদের পূর্বানুমান, এ ধরনটি আরও বেশি মাত্রায় সংক্রমণ ঘটাবে এবং এর আগে অন্য ধরনের কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা তৈরি হয়েছে তারা পুনরায় আক্রান্ত হতে পারেন।

বিদ্যমান টিকা এর বিরুদ্ধে কাজ করবে?

নতুন ধরনের জিনগত রূপ বদল নিয়ে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। তাদের উদ্বেগের কারণ নতুন ধরনের কিছু কিছু মিউটেশন যে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম তা ইতিমধ্যে জানা গেছে। যদিও এগুলো তাত্ত্বিক জায়গা থেকে বিজ্ঞানীদের পূর্বানুমান। অ্যান্টিবডিগুলো কীভাবে কার্যকরভাবে নতুন এ ধরনের সংক্রমণ রুখে দিতে পারে, তা পরীক্ষার জন্য জোর গতিতে গবেষণা শুরু হয়েছে। তবে এ ধরনটির কারণে সত্যিকার অর্থে বিশ্বজুড়ে পুনরায় করোনায় সংক্রমিত হওয়ার হারের তথ্য-উপাত্ত আসতে শুরু করলে হয়তো মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন ঘটবে কি না, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাবে। বিদ্যমান অ্যান্টবডিগুলো নতুন ধরনটিকে একেবারেই শনাক্ত করতে পারবে না, এমনটা অবশ্য মনে করছেন না বিজ্ঞানীরা। যেটা হতে পারে যে এখন করোনার যেসব টিকা আছে সেগুলো নতুন ধরনে কম সুরক্ষা দেবে। এ জন্য ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে তৃতীয় ডোজসহ টিকাদানের হার বৃদ্ধি করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কতটা?

এখন পর্যন্ত ধরনটিতে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ দক্ষিণ আফ্রিকার। এ ছাড়া বতসোয়ানা ও হংকংয়ে এ ধরনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলেও একজনের এ ধরনে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি মালাউই থেকে ফিরেছেন। দেশটিতে আরও দুজন এ ধরনটিতে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া গতকাল বেলজিয়ামে একজন এ ধরনে আক্রান্ত হয়েছেন। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি মিসর এবং তুরস্কে সফরে গিয়েছিলেন। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় গোষ্ঠী পর্যায়ে এ ধরনের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। যদি এ ধরনের সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি হয়ে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় যে ইতিমধ্যে অন্যান্য দেশেও এর বিস্তার ঘটেছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

চিকিৎসকদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ

প্রকাশ: ০৯:০৫ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রোগীদের পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অভিযোগ করে বলেন, আমি নিজেও যদি কখনো চিকিৎসক দেখাতে যাই, আমাকেও খসখস করে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিয়ে দেন। ভালো করে একটু সময়ও দেন না। প্রেসক্রিপশনের বাইরে কোনো পরামর্শও দেন না।

গতকাল শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে দেশে প্রথম জাতীয় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, অসুস্থতার একটি বিরাট অনুষঙ্গ হলো আমরা কেমন জীবনযাপন করি বা আমাদের লাইফস্টাইল। যারা সঠিকভাবে জীবনযাপন করেন না, তাদেরই অনেকটা ওষুধের উপর নির্ভরশীল হয়ে যেতে হয়। কিন্তু সঠিক লাইফস্টাইলটাই তো আমাদের অনেকাংশে সুস্থ করে দিতে পারে। জীবনযাপন পদ্ধতিটাকে বদলে ফেলে একদম ভালো হয়ে যাওয়া সম্ভব, ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই জায়গাটিতে চিকিৎসকদের বিশাল একটি ভূমিকা রয়েছে। আমরা শুধু খসখস করে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিলাম, সঠিক জীবনযাপন নিয়ে রোগীকে কিছু বললাম না, সেটা তো হলো না। যদিও আমাদের চিকিৎসকদের আসলে এতটা সময় থাকে না, তাদেরকে অল্প সময়ে অনেক রোগী দেখতে হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায়ে রোগীদের আলাদা জীবনাচরণ নিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়ে দেওয়া যায় কি না, সেটি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, একজন চিকিৎসক যদি প্রেসক্রিপশনের পাশাপাশি রোগীকে বলে দেন যে, এই ওষুধগুলো লাগবে না যদি আপনি এই কাজগুলো করতে পারেন, তাহলে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটাই পাল্টে যাবে। আমাদেরকে এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক বেশি কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সুস্থ থাকতে হলে জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন খুবই জরুরি বিষয়। তাই আমাদের নতুন কারিকুলামে স্বাস্থ্য সুরক্ষা একটা বিষয় যোগ করতে যাচ্ছি। সেখানে যা থাকবে তা থেকে শিক্ষার্থীরা জানবে, শিখবে এবং সেইভাবে তারা চলতে পারবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় কারিকুলামে যুক্ত করা হলে আমাদের নতুন প্রজন্ম অনেক বেশি সচেতন হবে। সচেতন হলে তারা বেশি সুস্থ থাকবে।

দেশে স্বাস্থ্য সেবায় মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। একইসঙ্গে ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, সদ্য স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হওয়ার পর অর্থের জোগান একটা বড় বিষয়। সেজন্য স্বাস্থ্য খাতে এমন সব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত যাতে স্বাস্থ্য সেবার খচর যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পারি।

সম্মেলনে সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, আইসিডিডিআরবি-র নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমিদ আহমেদ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম এ মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, বাংলাদেশে মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক ডা. জিয়াউল মতিন, আইসিডিডিআরবি-র সিনিয়র ডিরেক্টর শামস এল আরেফিন, আইসিডিডিআরবি-র অসংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান ও অর্গানাইজিং কমিটির সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি ডা. আলিয়া নাহিদ, অ্যামিনেন্সে ইন্টার ন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক ও অর্গানাইজিং কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি ডা. শামীম হায়দার তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনায় ছিলেন ইএএসডির উপদেষ্টা আব্দুন নূর তুষার।

প্রসঙ্গত, ঢাকার প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই সম্মেলন ২৮ জানুয়ারি (শুক্রবার) শেষ হয়। বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামসহ ৩০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী   চিকিৎসক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় রেকর্ড শনাক্তের হার

প্রকাশ: ০৬:৩৪ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। করোনায় রেকর্ড শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ৪৪০ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৭১১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ৩০৮ জন।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১২ জুলাই ৮ হাজার ৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২ হাজার ৬৬৬ জনের শরীরে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ৩৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। দেড় বছর পর এসে সেই রেকর্ড ভাঙল।

করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪০

প্রকাশ: ০৬:০৮ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ৩০৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ৪৪০ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৭১১ জনে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৯৮ শতাংশ

প্রকাশ: ০৫:১৩ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ৮০৭ জন। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩১ জনে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আবারো করোনায় আক্রান্ত হলেন পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৫৩ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ফের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য অফিসার দীপংকর বর।

করোনা উপসর্গ থাকায় বুধবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) নমুনা দেন মন্ত্রী। তিনি এখন সরকারি বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। করোনা মুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এর আগে প্রথম দফায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালের ১২ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

পরিবেশমন্ত্রী   ওমিক্রন   করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন