ইনসাইড হেলথ

‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে যেসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কথা জানাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৮:৩৬ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ‘ওমিক্রন’ রোধে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা

করোনার ভাইরাসের ভয়ংকর সংক্রামক সংস্করণ ‘ডেল্টা’ ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও অধিক ক্ষতিকর দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন ‘ওমিক্রনের’ সংক্রমণ রোধে ১৫ দফা পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা বলেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি ও লেসোথোর সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করেছে। নতুন এ ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা থেকেও অধিক সংক্রামক বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। তাই এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রোববার (২৮ নভেম্বর) অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) ‘ওমিক্রন’-এর সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব দেশকে এ সম্পর্কে সতর্ক করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী ১৫টি পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে অধিদফতর।

১. দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথো ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সময় সময় ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের বন্দরসমূহে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।

২. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৩. প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. রেস্তোরাঁতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে।

৫. সব জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কমসংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে।

৬. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৭. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৮. আক্রান্ত দেশসমূহ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

১০. সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সেবা গ্রহীতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

১১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

১২. করোনা উপসর্গ/লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজিটিভ রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১৩. কোডিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সহায়তা করা যেতে পারে।

১৪. অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালে বাধ্যতামূলকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাফতরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

১৫. কোডিড-১৯ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার নিমিত্তে কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচারণা চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ/মন্দির/গির্জা/প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

এদিকে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ৪৮তম সভা শেষে চারটি সুপারিশ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, ওমিক্রন সংক্রমিত দেশ থেকে বাংলাদেশে যাত্রী আসা বন্ধ রাখা, এসব দেশ থেকে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ, বন্দরে কোভিড পরীক্ষা জোরদার ইত্যাদি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ৬ নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ৬ নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরা, যথাসম্ভব জনসমাগম বর্জন, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি পালনসহ ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এ ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের হার দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ও জনগণের মধ্যে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে যথেষ্ট শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে মর্মে সরকারের উচ্চমহলে আলোচনা হচ্ছে।

কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির গত ১৪ জুনের সভায় গৃহীত সুপারিশ প্রতিপালনের জন্য এবং কোভিড প্রতিরোধে ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারদের অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে সব গণমাধ্যমে অনুরোধ জানাতে হবে।

২. সবক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে।

৩. ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানগুলোতে (যেমন- মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪. জ্বর, সর্দি, কাশি বা কোডিড-১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড টেস্ট করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

৫. দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

৬. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯ হাজার ১৪৫ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৮৭ জনের। এ নিয়ে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২০৮৭

প্রকাশ: ০৪:৫৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২০৮৭

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৪৫ জনে।

এ সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৭ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

চট্রোগ্রামে করোনায় শনাক্ত ৬৬ জন

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail চট্রোগ্রামে করোনায় শনাক্ত ৬৬ জন

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তবে এ সময় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামে এন্টিজেন টেস্টসহ ১৪টি ল্যাবে ৪৮৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ জন নগরীর বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে আনোয়ারায় ২, পটিয়ায় ১ ও হাটহাজারীতে ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে, সোমবার (২৭ জুন) চট্টগ্রামে ৬৬ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৯২ হাজার ৫১০ জন। বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ৩৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩৪ জন নগরের বাসিন্দা। আর বিভিন্ন উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ৬২৮ জনের।

চট্রোগ্রাম   করোনা   শনাক্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ভাসানচরে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু

প্রকাশ: ০৯:৩৯ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ভাসানচরে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু

নোয়াখালীর উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে এ সেবার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

এ সময় তিনি বলেন, ভাসানচরে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাবে রোহিঙ্গারা। 

সভার সভাপতি নোয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একদল দক্ষ চিকিৎসক ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কাজ করছে। সেখানে এক্সরেসহ সকল চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এবার টেলিমেডিসিন সেবা চালু করা হলো। আশা করি সবাই সেবা গ্রহণ করবে।

রোহিঙ্গারা   ক্যাম্পে   টেলিমেডিসিন   সেবা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে

প্রকাশ: ০৮:৪১ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে

করোনার নতুন ধরন দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে ছড়ায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে বলেও জানান তিনি। করোনা ভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলা করতে মাস্ক পরার উপর বিশেষ গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

সোমবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

 ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সংক্রমণের হার বাড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। করোনার চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় লকডাউনের মতো পদক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। তবে, বেপরোয়াভাবে চলাচল বা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা যাবে না।

সবাইকে হাত ধোয়ার অভ্যাস চর্চা ও শারীরিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাসহ যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া করোনার নতুন ধরন যথাযথভাবে মোকাবিলা করার জন্য দ্রুত করোনা টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।
 
দেশের প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল্লাহ বলেন, নাকে নেওয়ার করোনার ওষুধের ট্রায়াল শিগগিরই দেশে শুরু হতে পারে। বাংলাদেশ ও সুইডেনের যৌথ উদ্যোগে এ ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হবে। এ টিকা করোনা ভাইরাসের সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই প্রায় শতভাগ কার্যকর হবে এবং এটি মানুষকে অনেক বেশি সুরক্ষা দেবে বলেও জানান তিনি।
 
তিনি আরও বলেন, শিগগিরই ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের করোনা ভাইরাসের টিকার আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিমত অনুযায়ী ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।

করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে সবাইকে দ্রুত টিকা নেওয়া এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে।  

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের।

ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও এপির ফোকাল পয়েন্ট মো. গোলাম দস্তগীরের সঞ্চালনায় সেমিনারে ইউজিসির উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও সমপর্যায়ের ৪০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

করোনা   নতুন ধরন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন