ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রন ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি স্বাস্থ্য বিভাগের

প্রকাশ: ০৯:০৬ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ওমিক্রন ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি স্বাস্থ্য বিভাগের

দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ১৫ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওমিক্রনের বিস্তার রোধে ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা, রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা জোরদার, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২৬ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অমিক্রনকে ‘ভেরিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বা উদ্বেগজনক ধরন বলে ঘোষণা করে। গতকাল একে বিশ্বের জন্য অতি উচ্চ ঝুঁকির বলে উল্লেখ করে সংস্থাটি। এরপর থেকেই করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্টকে বেশ গুরুত্বর সাথেই দেখছে সরকার। 

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হওয়ার কথা আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ সভা ডেকেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, মহামারির সর্বশেষ পরিস্থিতি, টিকাদানের অগ্রগতি ও ওমিক্রনের কারণে উদ্ভূত সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে সভায় আলোচনা হবে।

ওমিক্রনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে বলে গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনার নতুন এ ধরনের অস্তিত্ব সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। যদিও টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ওমিক্রনের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশসহ ১২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে উচ্চ ঝুঁকির দেশের তালিকা তৈরি করেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এসব দেশ থেকে ভারতে যাওয়া নাগরিকদের নয়াদিল্লীর আইজিআই বিমানবন্দরে করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে। তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং ও ইসরায়েল।

সভায় চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভ্রমণ বিষয়ে। ইতিমধ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এমন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা। দেশে ঢুকছেন, এমন বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের গত ১৪ দিনের ওই সব দেশ ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে (সঙ্গনিরোধ) রাখা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক আহমেদুল কবির বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানে না। তবে বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান কিছুটা অপরিপক্ব বলেই মনে হয়। কারণ, মহামারি নিয়ে আমরা অনেক ভালো কাজ করেছি। নতুন ধরন নিয়েও আমরা সজাগ ও সতর্ক।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সভা

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক তাহমিনা শিরীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গতকালের সভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। সভায় মূলত প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কী কী প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, আমরা তা জানি, গত দুই বছরে আমাদের সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে।’

সভা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে। সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, সভায় চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভ্রমণ বিষয়ে। ইতিমধ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এমন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা। দেশে ঢুকছেন, এমন বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের গত ১৪ দিনের ওই সব দেশ ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে (সঙ্গনিরোধ) রাখা।

দ্বিতীয়ত, যেসব আন্তর্জাতিক বন্দর দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে, সেসব জায়গায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টিন ও রোগ শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিকে আইসোলেশনের (বিচ্ছিন্নকরণ) ব্যবস্থা করা। তৃতীয়ত, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগগুলো শক্তিশালী করা। চতুর্থত, মানুষকে সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা।

১৫ দফা নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক নাজমুল ইসলাম গতকাল বলেন, দেশের ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

ওই নির্দেশনা গণমাধ্যমকে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্দেশনার শুরুতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসেতো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সময়-সময় ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশে থেকে আসা যাত্রীদের আন্তর্জাতিক বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন করা এবং শনাক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা নিয়ে আরও দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সব ধরনের জনসমাবেশ নিরুৎসাহিত করার জন্য চার ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মসজিদসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তিনটি পৃথক নির্দেশনা আছে।

সেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহীতা, সেবাদাতাসহ সব স্বাস্থ্যকর্মীকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, অফিসে প্রবেশের সময় এবং অফিসে অবস্থানকালে সবার মুখে মাস্ক থাকা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। মানুষকে সচেতন করা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে প্রচার-প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও ওই নির্দেশনায় আছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, টিকার জন্য এ পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৩ জন নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে এবং পূর্ণ দুই ডোজ পেয়েছে ৫৩ শতাংশ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ৬ নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ৬ নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরা, যথাসম্ভব জনসমাগম বর্জন, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি পালনসহ ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এ ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিককালে সারাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্তের হার দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ও জনগণের মধ্যে মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে যথেষ্ট শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে মর্মে সরকারের উচ্চমহলে আলোচনা হচ্ছে।

কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির গত ১৪ জুনের সভায় গৃহীত সুপারিশ প্রতিপালনের জন্য এবং কোভিড প্রতিরোধে ছয়টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারদের অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে সব গণমাধ্যমে অনুরোধ জানাতে হবে।

২. সবক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা, ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি প্রয়োগ করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে হবে।

৩. ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানগুলোতে (যেমন- মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪. জ্বর, সর্দি, কাশি বা কোডিড-১৯ এর উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড টেস্ট করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

৫. দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

৬. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯ হাজার ১৪৫ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৮৭ জনের। এ নিয়ে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২০৮৭

প্রকাশ: ০৪:৫৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২০৮৭

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৪৫ জনে।

এ সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৭ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

চট্রোগ্রামে করোনায় শনাক্ত ৬৬ জন

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail চট্রোগ্রামে করোনায় শনাক্ত ৬৬ জন

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তবে এ সময় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামে এন্টিজেন টেস্টসহ ১৪টি ল্যাবে ৪৮৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ জন নগরীর বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে আনোয়ারায় ২, পটিয়ায় ১ ও হাটহাজারীতে ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে, সোমবার (২৭ জুন) চট্টগ্রামে ৬৬ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৯২ হাজার ৫১০ জন। বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ৩৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩৪ জন নগরের বাসিন্দা। আর বিভিন্ন উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ৬২৮ জনের।

চট্রোগ্রাম   করোনা   শনাক্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ভাসানচরে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু

প্রকাশ: ০৯:৩৯ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ভাসানচরে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু

নোয়াখালীর উপজেলা হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে এ সেবার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

এ সময় তিনি বলেন, ভাসানচরে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে টেলিমেডিসিন সেবা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাবে রোহিঙ্গারা। 

সভার সভাপতি নোয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একদল দক্ষ চিকিৎসক ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কাজ করছে। সেখানে এক্সরেসহ সকল চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এবার টেলিমেডিসিন সেবা চালু করা হলো। আশা করি সবাই সেবা গ্রহণ করবে।

রোহিঙ্গারা   ক্যাম্পে   টেলিমেডিসিন   সেবা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে

প্রকাশ: ০৮:৪১ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে

করোনার নতুন ধরন দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে ছড়ায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে বলেও জানান তিনি। করোনা ভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলা করতে মাস্ক পরার উপর বিশেষ গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

সোমবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

 ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সংক্রমণের হার বাড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। করোনার চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় লকডাউনের মতো পদক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। তবে, বেপরোয়াভাবে চলাচল বা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা যাবে না।

সবাইকে হাত ধোয়ার অভ্যাস চর্চা ও শারীরিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাসহ যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া করোনার নতুন ধরন যথাযথভাবে মোকাবিলা করার জন্য দ্রুত করোনা টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।
 
দেশের প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল্লাহ বলেন, নাকে নেওয়ার করোনার ওষুধের ট্রায়াল শিগগিরই দেশে শুরু হতে পারে। বাংলাদেশ ও সুইডেনের যৌথ উদ্যোগে এ ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হবে। এ টিকা করোনা ভাইরাসের সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই প্রায় শতভাগ কার্যকর হবে এবং এটি মানুষকে অনেক বেশি সুরক্ষা দেবে বলেও জানান তিনি।
 
তিনি আরও বলেন, শিগগিরই ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের করোনা ভাইরাসের টিকার আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিমত অনুযায়ী ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।

করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে সবাইকে দ্রুত টিকা নেওয়া এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে।  

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের।

ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও এপির ফোকাল পয়েন্ট মো. গোলাম দস্তগীরের সঞ্চালনায় সেমিনারে ইউজিসির উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও সমপর্যায়ের ৪০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

করোনা   নতুন ধরন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন