ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রন ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি স্বাস্থ্য বিভাগের

প্রকাশ: ০৯:০৬ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ১৫ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওমিক্রনের বিস্তার রোধে ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা, রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা জোরদার, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২৬ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অমিক্রনকে ‘ভেরিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বা উদ্বেগজনক ধরন বলে ঘোষণা করে। গতকাল একে বিশ্বের জন্য অতি উচ্চ ঝুঁকির বলে উল্লেখ করে সংস্থাটি। এরপর থেকেই করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্টকে বেশ গুরুত্বর সাথেই দেখছে সরকার। 

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হওয়ার কথা আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ সভা ডেকেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, মহামারির সর্বশেষ পরিস্থিতি, টিকাদানের অগ্রগতি ও ওমিক্রনের কারণে উদ্ভূত সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে সভায় আলোচনা হবে।

ওমিক্রনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে বলে গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনার নতুন এ ধরনের অস্তিত্ব সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। যদিও টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ওমিক্রনের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশসহ ১২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে উচ্চ ঝুঁকির দেশের তালিকা তৈরি করেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এসব দেশ থেকে ভারতে যাওয়া নাগরিকদের নয়াদিল্লীর আইজিআই বিমানবন্দরে করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে। তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং ও ইসরায়েল।

সভায় চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভ্রমণ বিষয়ে। ইতিমধ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এমন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা। দেশে ঢুকছেন, এমন বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের গত ১৪ দিনের ওই সব দেশ ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে (সঙ্গনিরোধ) রাখা।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক আহমেদুল কবির বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানে না। তবে বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান কিছুটা অপরিপক্ব বলেই মনে হয়। কারণ, মহামারি নিয়ে আমরা অনেক ভালো কাজ করেছি। নতুন ধরন নিয়েও আমরা সজাগ ও সতর্ক।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সভা

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক তাহমিনা শিরীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গতকালের সভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। সভায় মূলত প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কী কী প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, আমরা তা জানি, গত দুই বছরে আমাদের সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে।’

সভা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে। সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, সভায় চারটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভ্রমণ বিষয়ে। ইতিমধ্যে ওমিক্রনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এমন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা। দেশে ঢুকছেন, এমন বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের গত ১৪ দিনের ওই সব দেশ ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে (সঙ্গনিরোধ) রাখা।

দ্বিতীয়ত, যেসব আন্তর্জাতিক বন্দর দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে, সেসব জায়গায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা। পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টিন ও রোগ শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিকে আইসোলেশনের (বিচ্ছিন্নকরণ) ব্যবস্থা করা। তৃতীয়ত, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগগুলো শক্তিশালী করা। চতুর্থত, মানুষকে সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা।

১৫ দফা নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক নাজমুল ইসলাম গতকাল বলেন, দেশের ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

ওই নির্দেশনা গণমাধ্যমকে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্দেশনার শুরুতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসেতো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সময়-সময় ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশে থেকে আসা যাত্রীদের আন্তর্জাতিক বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

আক্রান্ত দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন করা এবং শনাক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা নিয়ে আরও দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সব ধরনের জনসমাবেশ নিরুৎসাহিত করার জন্য চার ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মসজিদসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তিনটি পৃথক নির্দেশনা আছে।

সেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহীতা, সেবাদাতাসহ সব স্বাস্থ্যকর্মীকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, অফিসে প্রবেশের সময় এবং অফিসে অবস্থানকালে সবার মুখে মাস্ক থাকা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। মানুষকে সচেতন করা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে প্রচার-প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও ওই নির্দেশনায় আছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, টিকার জন্য এ পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৩ জন নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে এবং পূর্ণ দুই ডোজ পেয়েছে ৫৩ শতাংশ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

দেশে করোনায় আরো ১৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬:৩০ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২৭৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৫ হাজার ৫২৭ জন। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৫৩৪ জনে।

আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

‘টিকা কেনাকাটায় খরচের তথ্য জানানো সমীচীন হবে না’

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনাভাইরাসের টিকা কেনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। টিকা কেনার খরচের কোনো তথ্য সংসদে জানানো সমীচীন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।  

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন এ মন্তব্য করেন। এ দিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এ পর্যন্ত (১৮ জানুয়ারি, ২০২২) ২১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টিকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে কোভ্যাক্সের আওতায় ২ কোটি ৯৭ লাখ ২০ হাজার সিনোফার্ম, চীন থেকে ৭ কোটি ৭০ লাখ সিনোফার্ম ও ৭ কোটি ৫০ লাখ ১০ হাজার সিনোভ্যাকসহ মোট ১৫ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার এবং ভারত থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চীন, ভারত ও কোভ্যাক্স থেকে সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামত এবং অর্থ বিভাগ, সিসিজিপি ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে সর্বোচ্চ সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। নন-ক্লজার অ্যাগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার কারণে সংসদে অর্থ খরচের হিসাব প্রকাশ করা সমীচীন হবে না। 

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে এ পর্যন্ত (১৮ জানুয়ারি) আট কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৬ জন করোনা টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এ সময়ে ৯ কোটি ৩ লাখ ৯১ হাজার ৮৩৮ জনকে প্রথম ডোজ এবং ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৩৮ জনকে দ্বিতীয় ডোজ এবং ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৯০০ জনকে বুস্টার ডোজসহ সর্বমোট ১৪ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার ৭৭৬ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক না থাকায় রেজিস্ট্রেশনেরে চয়ে টিকাদান বেশি হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী   সংসদ   করোনা   টিকা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রন প্রতিরোধে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৩:৫১ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণেই সংক্রমণ বাড়ছে। এটি প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত অধিদপ্তরের মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণেই ক্রমাগত সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনটি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। নতুন নতুন তথ্য দিয়েই গাইডলাইন সাজানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ওমিক্রনের যে উপসর্গ আছে সেই উপসর্গগুলো এতে (ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন) যোগ করা হয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো উপসর্গ রয়েছে কিনা সেটি খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে যাই হোক না কেন, রোগ নিয়ন্ত্রণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা। সঠিক নিয়মে মাস্ক পরা, সাবান-পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে এই অতিমারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলেও জানান এই বিশেষজ্ঞ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর   ওমিক্রন   করোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রনের তিন উপধরনের খোঁজ মিলেছে

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীতে ওমিক্রন ধরনের তিনটি সাব-টাইপ (উপধরন) পাওয়া গেছে। এ উপধরনগুলো বেশি ছড়াচ্ছে। ইতোমধ্যেই করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখল করেছে ওমিক্রন। জানুয়ারিতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা নমুনার ৯০ দশমিক ২৪ শতাংশেই মিলেছে ওমিক্রনের উপস্থিতি।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ-এর (আইসিডিডিআরবি) গবেষণা এবং গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএইডে) ওয়েবসাইটে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। আইসিডিডিআরবির গবেষণায় বলা হয়, ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, ঢাকা শহরে তিনটি সাব-টাইপ রয়েছে। এগুলো আফ্রিকান, ইউরো-আমেরিকান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ওমিক্রন ধরনের সঙ্গে মিলে যায়।

আইসিডিডিআরবি বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে তাদের ল্যাবরেটরিতে ১ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৮ শতাংশই ছিল করোনায় আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রন ছিল ৬৯ শতাংশের দেহে।

গত রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশে করোনা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা ৮০ শতাংশই করোনা পজিটিভ। ধারণা করা হচ্ছে, এখন বেশির ভাগই করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ ঘটেছে। আস্তে আস্তে ডেল্টার জায়গাগুলোকে দখল করে ফেলছে ওমিক্রন। বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। এখন সিজনাল যে ফ্লু হচ্ছে তার সঙ্গে কিন্তু ওমিক্রনের মিল রয়েছে। তাই এখন থেকে আরও সতর্ক হতে হবে।

গত নভেম্বরে সংগ্রহ করা নমুনাতেই করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছিল। তবে ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তাতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতিই ছিল বেশি। জানুয়ারিতে এসে সে চিত্র বদলে গেছে। জানুয়ারিতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা ৯০ দশমিক ২৪ শতাংশে নমুনাতেই মিলেছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি। বাকি ৯ দশমিক ৭৬ নমুনায় পাওয়া গেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জার্মান সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএইডে) ওয়েবসাইটে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র উঠে এসেছে। দেশে কভিড-১৯ সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য বিভিন্ন স্থানে জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এই ওয়েবসাইটে ফল জমা রাখা হয়। জিআইএসএইডের তথ্য বলছে, ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য সংগ্রহ করা ৪১টি নমুনার মাঝে ৩৭টিতেই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চারটি নমুনায় পাওয়া গেছে ওমিক্রনেরই ‘গুপ্ত রূপ’ হিসেবে পরিচিত বিএ.২ লিনেজ। রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, যশোর ও কুষ্টিয়ার নমুনাতেও ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস   উপধরন   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় আক্রান্ত ডা. দীন মোহাম্মদ

প্রকাশ: ০৫:০৬ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সাবেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) তিনি নিজে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন