ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি হারানোর ঘটনা তদন্তে সচিবালয়ে সিআইডির টিম 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২:৪৯ পিএম, ৩১ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি নথি হারানোর ঘটনা তদন্ত করতে সচিবালয়ে এসেছে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গতকাল শনিবার (৩০ অক্টোবর) শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার জানান, গুরুত্বপূর্ণ নথি হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নাদিরা হায়দার জিডি করেছেন। গতকাল সচিবালয় বন্ধ থাকায় আজ থেকে তদন্ত শুরু হবে। কে বা কারা নথি গায়েব করেছেন তা খতিয়ে দেখা হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিডিতে ১৭টি নথির নম্বর ও বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। নথিগুলোর মধ্যে- শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজসহ অন্যান্য মেডিকেল কলেজের কেনাকাটা সংক্রান্ত একাধিক নথি, ইলেকট্রনিক ডেটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ু মুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচি, নিপোর্ট অধিদফতরের কেনাকাটা, ট্রেনিং স্কুলের যানবাহন বরাদ্দ ও ক্রয় সংক্রান্ত নথি রয়েছে। এদিকে সিআইডি সূত্র জানিয়েছে, ফাইল খোয়া যাওয়ার ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবারই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে সংস্থাটি। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ফাইল চুরির ঘটনায় অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন যুগ্মসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা) মো. আহসান কবীর এবং উপসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আবদুল কাদের। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ায় শাহবাগ থানায় জিডি করা হয়েছে। রবিবার থেকে এর হদিস বের করার চেষ্টা করা হবে। সব স্টাফ অফিসে আসার পর পুলিশসহ সবাই তদন্ত করবে। এটা অনেক ভয়াবহ একটা ব্যাপার, কারণ এটি সরকারি ডকুমেন্ট। এ জন্য এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় এবং তার একটা সমাধান বের করার চেষ্টা করছি আমরা।

তিনি বলেন, ফাইলগুলো ছিল প্রশাসনিক আদেশের, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ক্রয় সংক্রান্ত। আমরা কোনো অর্থ ছাড় করি না। আগে থেকেই এগুলোর বরাদ্দ থাকে, আমরা সেগুলোর অর্ডার করি। নথিগুলো প্রশাসনিক আদেশের। এই প্রশাসনিক আদেশ দিয়ে তাদের কী হবে? সেখানে ১৭টি ফাইল ছিল। সব ফাইল সম্পর্কে আমারও ধারণা নেই। কী কারণে, কাকে কে সাবোটাজ করছে, এটা বুঝতে পারছি না।

কক্ষের দরজা খোলা ছিল কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা বোঝা যাচ্ছে যে, তাদের কাছে চাবি ছিল। কারণ কোনো ঘষামাজা নেই, ধাক্কাধাক্কি নেই, যে পয়েন্টে চাবি ঢোকে সেটা একেবারেই নরমাল। বোঝা যাচ্ছে, হয় ডুপ্লিকেট চাবি আছে অথবা আসল চাবি রয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে রাজধানীতে ৩ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে রাজধানীতে ৩ জন গ্রেপ্তার

হুন্ডি ও জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে রাজধানী থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে শাকিল, রেজাউল আলম ও দেলোয়ার হোসেন।

সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ বলেছে, গত শনিবার সাইফুল ইসলাম ওরফে শাকিল, রেজাউল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে মঙ্গলবার রাতে ওমান পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় গ্রেপ্তার করা হয় দেলোয়ার হোসেনকে। এসময় তাঁর কাছ থেকে পাসপোর্ট ও ওমানের ভিসা জব্দ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সাইফুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সাইফুল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামকে অর্থায়ন করতেন। দেলোয়ার হোসেন এই জঙ্গি সংগঠনটির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। এ ছাড়া রেজাউল আলম হুন্ডি ও অর্থ পাচারে যুক্ত ছিলেন।

গত শনিবার সাইফুল ও রেজাউলের বিরুদ্ধে রাজধানীর দক্ষিণখান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে মামলা করেন স্পেশাল গ্রুপের পরিদর্শক আবুল বাশার। দেলোয়ারকেও একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের অতিরিক্ত উপকমিশনার আহমেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত শাহীন যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎস থেকে জঙ্গিবাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে হুন্ডি করে রেজাউল আলমের কাছে পাঠাতেন। ২০১৯ সাল থেকে তিন বছরে রেজাউলের মুঠোফোনের ভাইবারে ৮০ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। রেজাউলের কাছ থেকে সাইফুল সেই টাকা নিয়ে জঙ্গি অর্থায়নে ব্যবহার করতেন। অপর দিকে দেলোয়ার অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং গাড়ি চালানোর আড়ালে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে তাঁকে ওমানে পাঠানো হচ্ছিল।

পুলিশ কর্মকর্তা আহমেদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারে ১১ আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্তে জঙ্গি অর্থায়ন ও হুন্ডিতে জড়িত আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


বাংলাদেশ   জঙ্গিবাদ   জঙ্গি অর্থায়ন   হুন্ডি   গ্রেপ্তার   অর্থ পাচার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধি অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

প্রকাশ: ১০:৪০ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail রাজধানীতে মাদকবিরোধি অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার ৪৯৫ পিস ইয়াবা, ৩২ গ্রাম ১০ পুরিয়া হেরোইন, ৫৪ কেজি ৭৯০ গ্রাম গাঁজা ও ৪০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে বুধবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৫টি মামলা হয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাধকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৪

প্রকাশ: ১০:৪৫ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail রাজধানীতে মাধকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৪

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ছয়টা থেকে রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে থেকে ৩৫৮৩ পিস ইয়াবা, ৩০ গ্রাম ৬৫ পুরিয়া হিরোইন, ৫ কেজি ৭৬০ গ্রাম গাঁজা, ২টি গাঁজার গাছ, ১ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৮টি মামলা রুজু হয়েছে।

রাজধানী   মাধকবিরোধী অভিযান   গ্রেফতার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মরিয়মের মায়ের বয়স ৫২, লাশের ৩২! ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন

প্রকাশ: ০৩:৩৫ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail মরিয়মের মায়ের বয়স ৫২, লাশের ৩২! ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বওলা গ্রামের ঝোপ থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি লাশটি খুলনার দৌলতপুর থেকে ২৭ আগস্ট রাতে নিখোঁজ রহিমা বেগমের (৫২) বলে দাবি করেছেন তাঁর মেয়ে মরিয়ম মান্নান।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি করেন। গতকাল শুক্রবার সকালে তিনি ‘মায়ের লাশ’ শনাক্তে ফুলপুর থানায় যান। সেখানে আলামত (কামিজ) দেখে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মরিয়ম বলেন, এ লাশটি আমার মায়ের। তাঁর সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরাও তা-ই বলেছেন। পরে মরিয়ম ফুলপুর থানায় ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেছেন।

জানতে চাইলে ফুলপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তাঁরা গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে বওলা গ্রামের একটি কবরস্থানের ঝোপ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে। লাশটি গলিত থাকায় এটির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর লাশটি ফুলপুরের একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় আলামতও সংরক্ষণ করা হয়।

তিনি বলেন, মরিয়মসহ কয়েকজন এসে আলামত দেখে লাশটি তাঁর মায়ের বলে দাবি করছেন। এটি নিশ্চিত হতে আদালতের মাধ্যমে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। রবিবার আদালতে বিষয়টি তোলা হবে। 

ফুলপুর থানা সূত্র মতে, উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাক ও আলামত সম্পর্কে মরিয়ম বৃহস্পতিবার রাতে ফুলপুর থানায় জানতে চান। পোশাক ও আলামতের কথা শুনে তিনি লাশটি তাঁর মায়ের বলে দাবি করেন। তবে উদ্ধার হওয়া লাশের বয়স ৩২ বছর হবে। আর মরিয়মের মায়ের বয়স ৫২ বছর বলেছে স্বজনরা। তাছাড়া উদ্ধার করা লাশের পরনে গোলাপি রঙের সালোয়ার এবং সুতি ছাপা গোলাপি, কালো, বেগুনি ও কমলা রঙের কামিজ ছিল। গলায় পেঁচানো ছিল গোলাপি ওড়না।

গতকাল ঢাকা থেকে মরিয়ম, তাঁর দুই বোনসহ পরিবারের ছয় সদস্য এলে পুলিশের উপস্থিতিতে তাঁদের লাশের আলামত দেখান আলামত সংগ্রহে সহযোগিতাকারী ভ্যানচালক জামাল উদ্দিন। মরিয়ম মায়ের লম্বা চুলের বিবরণ শোনেন জামালের কাছ থেকে। তখন পরিবারের সবাই চিৎকার করে বলেন, এ লাশ আমাদের। তাঁরা জানান, লাশের সঙ্গে থাকা ওই ওড়না ও সালোয়ার মা রহিমার পরনে ছিল না। বাকি আলামত রহিমার। তাঁদের ধারণা, হত্যাকারীরা আলামত নষ্ট করেছে যাতে পরিচয় শনাক্ত না করা যায়।

মরিয়ম মান্নান জানান, তিনি ঢাকার তেজগাঁও কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রী। তাঁরা ছয় ভাই-বোন। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মরিয়ম ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আমার মায়ের লাশ পেয়েছি এইমাত্র। ’ রাত ১২টার পর ফেসবুকে আরেক পোস্টে মরিয়ম লেখেন, ‘আর কারো কাছে আমি যাব না! কাউকে আর বলব না, আমার মা কোথায়! আমাকে একটু সহযোগিতা করুন! আমার মাকে একটু খুঁজে দেবেন! কাউকে আর বিরক্ত করব না! আমি আমার মাকে পেয়ে গেছি!

গত ২৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে খুলনা নগরের দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়ার বাসার উঠানের নলকূপে পানি আনতে যান রহিমা বেগম। এক ঘণ্টা পরও তিনি ঘরে না ফেরায় সন্তানরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে তাঁকে পাননি। নলকূপের পাশে মায়ের জুতা, ওড়না ও পানির পাত্র পড়ে ছিল। এ ঘটনায় রাতেই রহিমা বেগমের ছেলে দৌলতপুর থানায় একটি জিডি করেন। পরদিন তাঁর মেয়ে আদুরী আক্তার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। বিষয়টি র‌্যাবকেও জানানো হয়। এ মামলায় রহিমা বেগমের দ্বিতীয় স্বামীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মায়ের সন্ধান চেয়ে খুলনা ও ঢাকায় মানববন্ধনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ করে আসছেন সন্তানরা। মেয়ে মরিয়মের আকুতি ও কান্নার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।

১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটি পিবিআইতে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর নথিপত্র বুঝে নেয় পিবিআই। তবে স্থানীয় থানা পুলিশের বিরুদ্ধে বরাবরই এই নিখোঁজের বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ ছিল। নিখোঁজ নারীর স্বজনরা বলেছে, পুলিশ তদন্তের পরিবর্তে তাদের মা ও তাদের সম্পর্কে কুৎসিত অভিযোগ প্রচার করত। তাদের দাবি, তাদের সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ছিল। একাধিকজন ওই সম্পত্তি দখলে বা নামমাত্র মূল্যে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাদের মধ্যেই এক বা একাধিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তাদের সঙ্গেই পুলিশ যোগসাজশে কুৎসিত প্রচারণা চালায়।

হত্যা   নিখোঁজ   মরিয়ম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯, বাসচালক গ্রেফতার

প্রকাশ: ০৯:০৬ এএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯, বাসচালক গ্রেফতার

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে দুই বাসের সংঘর্ষে নয়জন নিহতের ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন নামে এক বাসচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত দেলোয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের রঘুনন্দন গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার( ২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মোর্শেদ।

তিনি জানান, ৪ সেপ্টেম্বর দুর্ঘটনার পর থেকে দেলোয়ার আত্মগোপনে ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিক বৃষ্টির মধ্যে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের শলেয়াশাহ খারুভাজ সেতুর কাছে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা বাসের সঙ্গে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে পাঁচজন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজন মারা যান।

রংপুরে   সড়ক দুর্ঘটনায়   নিহত   বাসচালক   গ্রেফতার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন