ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ১৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ০৩ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অপরাধে ১৫৪ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদের কাছ থেকে ৭৫০.৫ গ্রাম ৬৮৬ পুরিয়া হেরোইন, ২৯৫৪ পিস ইয়াবা, ৩২ বোতল ফেনসিডিল, ৩৯ কেজি ২২০ গ্রাম ২৭৯ পুরিয়া গাঁজা ও ৪০ লিটার দেশি মদ জব্দ করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০৯ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় ৩ জন আটক

প্রকাশ: ০৮:২৪ পিএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনে আগুনের ঘটনায় চুমুক নামের একটি খাবার দোকানের দুই মালিকসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান রিমন এবং কাচ্চি ভাই নামে আরেকটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক মো. জিসান।

মহিদ উদ্দিন বলেন, ভবনের নিচতলার খাবার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনের ঘটনায় অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করবেন। ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ মামলা করতে চাইলে মামলা করতে পারবেন। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনের মালিকের দায়িত্বের কোনো অবহেলা রয়েছে কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‌ভবনের মালিক থেকে শুরু করে এই ঘটনায় যার যার দায় পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গতকালের আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জন মারা গেছেন উল্লেখ করে মহিদ উদ্দিন বলেন, আগুনে ২০ জন পুরুষ ১৮ জন নারী ও আটজন শিশু মারা গেছেন‌। নিহতদের মধ্যে ৪০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। এদের মধ্যে ৩৮ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুইজনের লাশ মর্গের ফ্রিজে রাখা হয়েছে। বাকী ছয়জনের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

বেইলি রোডে আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

৬টি অবৈধ হাসপাতাল-ক্লি‌নিক বন্ধ করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ১০:২৩ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

চলমান অভিযানের প্রথমদিনে রাজধানীর ৬টি অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে দুটি টিম রাজধানীর রামপুরা, মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

তিনি বলেন, আমরা মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান দেখেছি, এর মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। বাকিগুলোকে শোকজ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে দুটি ব্লাড ব্যাংক (রেডিয়াম ব্লাড ব্যাংক রাজধানী ব্লাড ব্যাংক) ও একটি হাসপাতাল (টিজি হাসপাতাল) বন্ধ করেছি। আর ইসিবি চত্বরে আল হাকিমি চক্ষু হসপিটাল বন্ধ করেছি। এছাড়াও কালশীতে এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও এইচএস ডায়ালাইসিস অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি, এগুলোর লাইসেন্স ছিল না।
 
জানা যায়, হাসপাতাল ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান মিরপুর কালশী, সহকারী পরিচালক ডা. মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন মোহাম্মদপুর এলাকায় বিভিন্ন ক্লিনিক হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ক্লিনিক শাখার সহকারী পরিচালক ডা. আহসানুল হক, ডা. মাসুদ রেজা খান, মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী মো. সালেহীন তৌহিদ রামপুরা এলাকায় বিভিন্ন ক্লিনিক হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি টিম পৃথকভাবে বুধবার থেকে পূর্ণাঙ্গ অভিযানে নামবে।

অবৈধ হাসপাতাল-ক্লি‌নিক   স্বাস্থ্য অধিদপ্তর   অভিযান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রেলওয়ের পরীক্ষায় হাতেনাতে ধরা, কানের মধ্যে বিশেষ যন্ত্র

প্রকাশ: ০৬:৫৬ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট কালেক্টর পদের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় রাজধানীর ডেমরার সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) জানিয়েছে, তাদের ঢাকা উইং-এর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও থানা পুলিশ সমন্বয় করে ওই কেন্দ্রে অভিযান চালায়। এসময় তিন পরীক্ষার্থীকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টারকার্ড ও ব্লুটুথ) সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ভোলার চর ফ্যাশনের মো: সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো: শাহজাদা (২৭), গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আব্দুস সামাদের ছেলে মো: রুবেল এবং মাগুরার মোহাম্মাদপুরের মৃত রেজাউল করিমের ছেলে মো: শিহাব।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, একটি চক্রের সঙ্গে তারা প্রত্যেকে ১৬ লক্ষ টাকার চুক্তি করে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়।

এনএসআই জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)-এর মাধ্যমে সিমকার্ড ব্যবহার করে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অপর প্রান্ত থেকে উত্তরপত্রের সমাধান করে পরীক্ষার্থীকে পাঠানো হয়।

আটককৃতদের মধ্যে শিহাবের কানের ভেতর এখনও একটি ক্ষুদ্র ম্যাগনেটিক হেয়ারিং ডিভাইস রয়েছে, যা বের করতে বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে

প্রকাশ: ০৮:২৮ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

এক বছরে দেশে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। যার সিংহভাগই হয়েছে ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উঠে আসে। যদিও পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে সাফল্য নেই সংস্থাটির।

দেশ থেকে অর্থপাচারের আলোচনা জোরালো হয়েছে কয়েক বছর ধরে। যার বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনেও। এসব পাচারের মূল মাধ্যম হিসেবে দায়ি করা হয় আমদানি-রপ্তানি বা সার্বিক বাণিজ্যকে।

তবে এ প্রবণতা যে সময়ের সঙ্গে আরো বড় হচ্ছে, তা পরিষ্কারভাবে উঠে এলো বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বার্ষিক প্রতিবেদনে। যেখানে বলা হয়, সবশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ১০৬টি। আগের অর্থবছরে যা ছিল ৮ হাজার ৫৭১টি। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ।

বিআইএফইউয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, আলোচ্য বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে যা প্রায় ৬৫ শতাংশ। তবে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে- এ কথা বলা যাবে না। কিন্তু প্রতিবেদন প্রকাশকারী সংস্থাগুলোর সচেতনতা বেড়েছে।  

বিএফআইইউয়ের তথ্যমতে, শনাক্ত হওয়া ১৪ হাজার লেনদেনের মধ্যে কেবল ব্যাংকের মাধ্যমেই হয়েছে পৌনে ১৩ হাজারের ওপরে। অথচ আগের বছর তা ছিল মাত্র ৮ হাজার। কামাল হোসেন বলেন, ঋণ নিয়ে অনেকে বিদেশে পাচার করে। এ ধরনের বিষয় শনাক্তে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে নানা পরামর্শ দিয়েছি আমরা। ফলে সংখ্যাটা অনেক বেড়েছে।  

লেনদেন শনাক্তের পাশাপাশি পাচার হওয়ার অর্থ দেশে ফেরানোও অন্যতম দায়িত্ব সংস্থাটির। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেই কাজে তেমন কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি বিএফআইইউ। যার কারণ হিসেবে অন্য দেশগুলোর আইনি জটিলতাকে দুষছেন ইউনিট প্রধান মাসুদ বিশ্বাস। 

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে একটা অর্থ পাচার হয়েছিল, সেটা আমরা ফেরত আনতে পেরেছি। কিন্তু নানা জটিলতায় অন্যান্য দেশ থেকে তা আনা যাচ্ছে না। এখন মূলত প্রতিরোধের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে। যেন পাচার না হয়। ওভার ইনভয়েসিং, আন্ডার ইনভয়েসিং, হুন্ডি, এমএফএসগুলো যদি বেশি মাত্রা অপব্যবহার না হয়, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানিলন্ডারিং কমে আসবে।

উল্লেখ্য, বছর ব্যবধানে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমেও সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট   বিএফআইইউ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মেট্রোরেলে ঘুড়ি আটকে যাওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১০:১৭ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর কাজিপাড়া এলাকায় মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রীসেবা বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে চারজনের বয়স কম হওয়ায় পরিবারের থেকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুইজন মো. আলামিন ও আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মেট্রোরেল লাইনের আশপাশের এক কিলোমিটারের মধ্যে ঘুড়ি, ফানুস ও গ্যাস বেলুন কিংবা অনুরুপ বস্তু না ওড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পক্ষ থেকে; কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে ঘুড়ি, ফানুস ইত্যাদি উড়ানোর কারণে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে এসব বস্তু লেগে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। 

পরে সর্বশেষ গত বুধবার মিরপুরের কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে জনস্বার্থে বিশেষভাবে ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। 

এরপর এ ঘটনায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে ডিএমপির কাফরুল ও মিরপুর থানা পুলিশ। এদের মধ্যে চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুকুল আলম জানান, আটক আলামিন ও আতিকুর রহমানকে ডিএমপি অধ্যাদেশে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মেট্রোরেল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন