ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

নথি গায়েব: ৯ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ০৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের নথি গায়েবের ঘটনায় আটক মন্ত্রণালয়ের ৯ কর্মচারীকে পাঁচ দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশের অপরাধ বিভাগ (সিআইডি)। তবে তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদে কি পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি তদন্তকারী সংস্থাটি।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় । 

গত ২৭ অক্টোবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নথি (ফাইল) অফিসের স্টিলের ফাইল কেবিনেটে রাখা হয়। পরদিন ২৮ অক্টোবর দুপুরে দেখা যায় ফাইলগুলো কেবিনেটের মধ্যে নেই। নথিগুলোর মধ্যে আছে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও দপ্তরের ক্রয় সংক্রান্ত।

পরে এ ঘটনায় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত (উপসচিব) নাদিয়া হায়দার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর গত রোববার সিআইডির একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে অপরাধ শনাক্ত করণ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রণালয়ের ছয়জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তদন্তের স্বার্থে পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরো তিন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অপর তদন্ত বিভাগ।

সিআইডির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েবের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ফাইল গায়েবের রহস্য উদ্‌ঘাটনে ওই ৯ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো সিআইডি কার্যালয়ে আনা হতে পারে। তবে সিআইডি ওই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

সিআইডির আরেকজন কর্মকর্তা জানান, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার দ্বন্দ্বের জের ধরেও ফাইলগুলো সরানো হয়ে থাকতে পারে। একই কারণে গত আগস্টেও একবার ফাইল গায়েব করা হয়েছিল। ঘটনাটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হওয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত ছাড়া মামলা নেওয়া যাচ্ছে না। আর মামলা না হওয়ায় তদন্ত করতেও কিছু অসুবিধা হচ্ছে।

এর আগে জিডির তদন্ত তত্ত্বাবধানকারী সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মো. ইমাম হোসেন বলেছিলেন, জিডির তদন্তের অবস্থা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। তারা চাইলে মামলা করে আটক ৯ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নথি গায়েবের রহস্যের উদ্‌ঘাটন করবে। আর মন্ত্রণালয় আগ্রহী না হলে সে ক্ষেত্রে সিআইডি মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে রাজধানীতে গ্রেফতার ৩০

প্রকাশ: ১০:৩২ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর ছয়টা থেকে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ভোর ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতার ৩০ জনের কাছ থেকে ১১ হাজার ২২৭ পিস ইয়াবা, ১০৯ গ্রাম ৩৩০ পুরিয়া হেরোইন ও দুই কেজি ১০৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৬টি মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ   ডিএমপি   মাদক বিরোধী অভিযান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

আবারও ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশ: ০১:২১ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নোবেলজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করা হয়েছে। আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে তার সব ধরনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালেও ড. ইউনূস ও তার পরিবারের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছিল বিএফআইইউ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বিএফআইইউ গত বৃহস্পতিবার ড. ইউনূসের সব ধরনের ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগু‌লো‌কে চিঠি পাঠি‌য়ে‌ছে। চি‌ঠি‌তে গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কোনো লেনদেনের রেকর্ড থাকলে তা আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে বিএফআইইউকে পাঠাতে বলা হয়ে‌ছে। ত‌বে কী কারণে ড. ইউনূসের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে তা বলা হয়নি।

বিএফআইইউয়ের সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে তেমন কোনো সংস্থা এ ধরনের কোনো তথ্য চায়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে এই তথ্য চেয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ব্যাংকটিতে এমডির দায়িত্ব পালন করে আসছেন ড. ইউনূস। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান তিনি। তবে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে সরকার তাকে এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলে হেরে যান। ওই সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ইউনূসের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে সরকারকে চাপ দেন। উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যে দেখা যায়, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অর্থ দিয়েছেন ড. ইউনূস।

ড. ইউনূস   গ্রামীন ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা-ফেনসিডিলসহ ৪ কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশ: ১২:৫২ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার তুরাগ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) পৃথক এই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া মাদক কারবারিদের মধ্যে তিন জন পুরুষ ও এক জন নারী রয়েছেন।

গ্রেফতাররা হলেন- রনি ইসলাম (২৪), নূর মোহাম্মাদ (৩৫), সোহেল রানা (২১), ও জুলেখা আক্তার (২০)।

আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে র‍্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

নোমান আহমদ বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে র‍্যাব-১ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর তুরাগ থানার নয়নিচালা এলাকার এমএস লতিফ অ্যান্ড সন্স ফিলিং ষ্টেশনের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানে মাদক কারবারি রনি ইসলাম ও নূর মোহাম্মাদকে গ্রেফতার করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে গতকাল বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১ এর পৃথক দল। বিকেলে র‍্যাব-১ এর একটি দল বিমানবন্দর এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচে একটি ফাস্টফুডের দোকানের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ১৭৩ বোতল ফেনসিডিলসহ সোহেল রানা ও জুলেখা আক্তার নামে দুই মাদক গ্রেফতার করে।

র‍্যাব   মাদক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৬১

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অপরাধে ৬১ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন 

হাফিজ আল আসাদ জানান, তাদের কাছ থেকে ৯ হাজার ৫৮৮ পিস ইয়াবা, ১৩৫ গ্রাম হেরোইন, ৪ কেজি ৬১৫ গ্রাম গাঁজা, ২৪৫ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ লিটার দেশি মদ জব্দ করা হয়। আসামিদের নামে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযান   ডিএমপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৭০

প্রকাশ: ১০:৪৩ এএম, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৭০ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

হাফিজ আল আসাদ বলেন, আটকৃতদের কাছ থেকে ৬ হাজার ৪৬০ পিস ইয়াবা, ১১২ গ্রাম ১৭৭ পুরিয়া হেরোইন, ১৪ কেজি ৮৯০ গ্রাম ১৪৭ পুড়িয়া গাঁজা, ১০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ১ গ্রাম আইস ও ১৮ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

তিনি জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযান   ডিএমপি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন