ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মিতু হত্যা: পিবিআইয়ের পরিবর্তে তদন্তে অন্য সংস্থাকে চান বাবুল 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ১৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া প্রথম মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিবর্তে অন্য কোনো সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের আবেদন করেছেন সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। গতকাল রোববার (১৪ নভেম্বর) চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে আবেদনটি করেন মামলার বাদী ও সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের আইনজীবী। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর আবেদনটির শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী।

ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, মিতু হত্যার প্রথম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পিবিআই। যেখানে হত্যাকাণ্ডে বাদী বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা আছে বলে উল্লেখ করা হয়। আমরা প্রতিবেদনের ওপর নারাজির আবেদন করি। আদালত নারাজির আবেদন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দুটিই খারিজ করে দিয়ে মামলাটি পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন।

তিনি বলেন, এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার পিবিআইয়ের পরিবর্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) কিংবা অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন।

জানা গেছে, মিতু হত্যাকাণ্ডে দুটি মামলা হয়। প্রথম মামলার বাদী তার স্বামী বাবুল আক্তার। কিন্তু মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে বাদী বাবুলের সম্পৃক্ততা পায় তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা। ওই মামলায় গত ১৬ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন তিনি।

একই দিন পাঁচলাইশ থানায় মিতুর বাবা মোশাররফ বাদী হয়ে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দ্বিতীয় মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বাবুল আক্তারকে। ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন বাবুল আক্তার।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

ঢাবিতে গাড়ির চাপায় নারী নিহতের ঘটনায় মামলা

প্রকাশ: ০২:৩৩ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় রুবিনা আক্তার (৪০) নামে এক নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় গাড়িচালক মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে শাহবাগ থানায় রুবিনা আক্তারের ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

আসামি আজহার জাফর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। ২০১৮ সালে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে শাহবাগ থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) কামরুন নাহার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বেপরোয়াভাবে প্রাইভেটকার চালিয়ে রুবিনা আক্তারকে মেরে ফেলার ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে। তবে ঘাতক চালক মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহের চিকিৎসা চলছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় প্রাইভেটকারটি। এতে ছিটকে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী রুবিনা আক্তার প্রাইভেটকারের নিচেই আটকে পড়েন। ওই অবস্থায় চালক গাড়ি না থামিয়ে বেপরোয়া গতিতে টিএসসি দিয়ে নীলক্ষেত এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে উপস্থিত জনতা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলেও চালক গাড়ি থামাননি। পরে নীলক্ষেত মোড়ে গিয়ে গাড়ি আটকে যায়। এসময় চালককে গণপিটুনি দেন উপস্থিত জনতা। এতে গুরুত্বর আহত হন তিনি।

আহত নারী ও গাড়িচালককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে ওই নারী মারা যান। আর গাড়িচালক ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


রাজশাহী   সড়ক-দুর্ঘটনা   ঢামেক   হাসপাতাল   মৃত্যু   ঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৩৩

প্রকাশ: ১০:২৩ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৫৪২ পিস ইয়াবা, ১০ গ্রাম ২০০ পুরিয়া হেরোইন, ৬ কেজি ৫৫০ গ্রাম গাঁজা, ১টি গাঁজার গাছ, ৩২ বোতল ফেন্সিডিল ও ৯ লিটার দেশিমদ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩০টি মামলা হয়েছে।


ডিএমপি   রাজধানী   মাদক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

এবার শিশু আয়াতের খণ্ডিত মাথা উদ্ধার

প্রকাশ: ০৪:৫১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকায় হত্যার পর ছয় টুকরা করা শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের শরীরের আরও একটি অংশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আয়াতের খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে পিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে ইপিজেড থানার আউটার রিং রোড বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে দেহাংশ উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত দুটি পা উদ্ধারের কথা জানায় পিবিআই। বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের স্লুইসগেটের পাশ থেকে দেহাংশ উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে গত ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয় সাত বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াত। ওইদিন খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা। এ ঘটনায় থানা পুলিশ কোনো ক্লু উদঘাটন করতে না পারলেও ২৪ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী সড়ক থেকে আবির আলীকে গ্রেফতার করে পিবিআই।

আটকের পর পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে শিশু আয়াতকে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে অপহরণের কথা স্বীকার করেন আবির আলী। পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং ধারালো বটি ও অ্যান্টিকাটার দিয়ে মরদেহ ছয় টুকরা করে নালা ও সাগরে ফেলে দেওয়ার তথ্য দেন পিবিআইকে।

এদিকে এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার আবিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সোমবার (২৮ নভেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবদুল হালিম এ আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার (২৬ নভেম্বর) আবির আলীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সাদ্দাম হোসেন এ আদেশ দেন। এছাড়া আবির আলীর বাবা আজহারুল ও মা আলো বেগমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আবির আলী (১৯) নগরের ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা আজহারুল ইসলামের ছেলে। তাদের বাড়ি রংপুর জেলায়।

শিশু   আয়াত   হত্যাকান্ড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

শিশু আয়াতের দেহের দুটি খণ্ড পাওয়া গেছে

প্রকাশ: ০৭:০৩ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চট্টগ্রামে খুন হওয়া পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতের খণ্ডিত দুটি পা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোডের স্লুইসগেটের পাশ থেকে পা দুটি উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই মেট্রোর পরিদর্শক ইলিয়াস খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় আয়াত। পরদিন শিশুর বাবা সোহেল রানা এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী সড়ক থেকে ঘাতক আবির আলীকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

আটকের পর পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে শিশু আয়াতকে মুক্তিপণের উদ্দেশে অপহরণের কথা স্বীকার করেন আবির আলী। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করে ছয় টুকরা করে সাগরপাড়ে ফেলে দেয়।

আবিরের রংপুর তারাগঞ্জ এলাকার আজমলী আলীর ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন। এর আগে নিহত আয়াতের দাদার বাসায় ভাড়া থাকতো ঘাতক আবির।

আয়াতের স্বজনরা জানান, আয়াতের নিখোঁজের পর ঘাতক আবিরও তাদের বাসায় এসেছিল। সে আয়াতের মা-বাবাকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেন। এমনকি আয়াতের খোঁজে আবির নিজেও বিভিন্ন স্থানে গিয়েছিল। যার কারণে সে সন্দেহের বাইরে ছিল।

আয়াতের স্বজনদের ঘাতক আবির জানিয়েছিল, নিখোঁজের দিন তার সঙ্গে আয়াতের দেখা হয়েছিল। তাকে আদর করে ছেড়ে দিয়েছিলেন। আয়াতের স্বজনরা পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তাদের এ কথা জানালে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আবিরকে সন্দেহ করে পিবিআই।

শিশু   আয়াত   পিবিআই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

জঙ্গি ছিনতাই: আরও এক পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

প্রকাশ: ০২:৫৬ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটক থেকে পুলিশের চোখে-মুখে পিপার স্প্রে দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মাহমুদ আলম নামে আরও এক পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ নিয়ে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সর্বমোট আট পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হলো। এর আগে আরও ৭ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জসিম উদ্দিন বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আটজন পুলিশ সদস্য হলেন- সিএসএম আদালতের হাজতখানার কোর্ট ইন্সপেক্টর মতিউর রহমান, হাজতখানার ইনর্চাজ পুলিশের এসআই নাহিদুর রহমান ভুইয়া, আসামিদের আদালতে নেওয়ার দায়িত্বরত পুলিশের এটিএসআই মহিউদ্দিন, কনস্টেবল শরিফ হাসান ও আব্দুস সাত্তার, জয়নাল, মাহমুদ আলম ও ঘটনার সময় আহত পুলিশ কনস্টেবল আজাদ। 

গত ২০ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে করে আসা চার জঙ্গি পুলিশের চোখে-মুখে পিপার স্প্রে করে লেখক অভিজিৎ রায় ও জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।  

ছিনিয়ে নেওয়া আসামিরা হলেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মাধবপুরের মইনুল হাসান শামীম এবং লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেটেশ্বর গ্রামের আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব। তারা জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য। 

এরপর তাদের গ্রেপ্তার করতে ঢাকাজুড়ে অভিযান শুরু করে পুলিশ। পালিয়ে যাওয়া দুই জঙ্গিকে ধরিয়ে দিলে প্রত্যেকের জন্য ১০ লাখ করে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছে পুলিশ। তবে ১০ দিন পার হতে চললেও ছিনিয়ে নেওয়া জঙ্গিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।


জঙ্গি ছিনতাই   তদন্ত   আনসার আল ইসলাম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন