ইনসাইড পলিটিক্স

সংখ্যালঘুদের সম্পদ দখলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারাই জড়িত: জিএম কাদের

প্রকাশ: ০৮:১৬ পিএম, ০৭ অক্টোবর, ২০২৩


Thumbnail

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে ক্ষমতাসীনরা জড়িত থাকে। তাই নির্যাতিত সংখ্যালঘুরা সঠিক বিচারও পায় না। তাদের জমি ও সম্পদ দখলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারাই জড়িত। ফলে দেবোত্তর সম্পত্তি আইন পাস করছে না সরকার। 

শনিবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতারা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই বলেই কোথাও জবাবদিহিতা নাই। ফলে মানুষের কোনও অধিকার আশা করা যায় না। দেশের ক্ষমতা এখন এক ব্যক্তির হাতে। বর্তমান সরকার দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধংস করেছে।

তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে ক্ষমতাসীনরা জড়িত থাকে। তাই নির্যাতিত সংখ্যালঘুরা সঠিক বিচারও পায় না। তাদের জমি ও সম্পদ দখলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারাই জড়িত। ফলে দেবোত্তর সম্পত্তি আইন পাস করছে না সরকার। 

জাতীয় সংখ্যালঘু, পার্বত্য ভূমি কমিশন গঠন, সুরক্ষা, বৈষম্য বিলোপ ও দেবোত্তর সম্পত্তি আইন প্রণয়ন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইনের বাস্তবায়ন দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছেন হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা। এরই অংশ হিসেবে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানাদাশ গুপ্ত বলেন, নির্বাচন এলেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন; সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হতে পারে। এর কয়েকদিন পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করে বিএনপির ওপর দোষারোপ করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সংখ্যালঘুদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সভায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খুষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মিলন কান্তি দত্ত ও রঞ্জন কর্মকার, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় এবং প্রেস সেক্রেটারি -০২ খন্দকার দেলোয়ার জালালী উপস্থিত ছিলেন।

সংখ্যালঘু   আওয়ামী লীগ   জিএম কাদের   জাতীয় পার্টি   গোলাম মোহাম্মদ কাদের  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিশ্বজয়ী হাফেজ বশিরকে সংবর্ধনা দিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ০৮:৩৪ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিশ্বের ৮০টি দেশকে হারিয়ে ইরানে কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া বাংলাদেশের বিশ্বজয়ী হাফেজ বশির আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

সংবর্ধনায় হাফেজ বশিকে একটি গিফট বক্স দেওয়া হয়। গিফটের মধ্যে রয়েছে বই, পাঞ্জাবির কাপড়, জায়নামাজ, টুপি, কুরআন শরিফ ইত্যাদি। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এমন সম্মাননা পেয়ে আনন্দিত বশির ও তার শিক্ষক মাওলানা হাফেজ নেছার আহমেদ নেছারী।

মূল ধারার অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমরা চাই একটি ইনক্লুসিভ শিক্ষা ব্যবস্থা ও ছাত্ররাজনীতি গড়ে ওঠুক। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য মাদরাসা শিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম চালু করেছি আমরা। তারা যেন প্রযুক্তির সুযোগ সুবিধা, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা, দক্ষতা অর্জন করতে পারে সেজন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাদের বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে কাজ করবে। 

বিশ্বজয়ী হাফেজ বশির   সংবর্ধনা   কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়েছিল বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:১০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণের বিপুল রায় নিয়ে, বিপুল সংখ্যক আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছিল তখন বিএনপি ষড়যন্ত্র করে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়েছিল।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজ বাসভবনে ঢাকা সফররত ভারতের আগরতলা প্রেসক্লাব প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া সেদিন সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। এতে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিএনপি যে সরাসরি যুক্ত সেটিই প্রমাণিত। অতএব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য পাগলের প্রলাপ।’
 
‘যখন ক্ষমতায় ছিল তাদের দুর্নীতি লুটপাটের কারণে পরপর চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুর্নীতিতে সাক্ষ্য দিতে এফবিআই বাংলাদেশে এসেছিল। বিএনপি নেতা মঈন খান হয়তো এসব কথা ভুলে গেছেন,’ যোগ করেন তিনি।
  
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘৭ জানুয়ারি বিএনপি আশা করেছিল নির্বাচন হবে না। মানুষ যাতে ভোট দিতে না যায় সেই প্রার্থনা করেছিল তারা। কিন্তু ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যখন একটি সুন্দর নির্বাচন হলো, প্রধানমন্ত্রীকে সারা বিশ্ব অভিনন্দন জানিয়েছে, জো বাইডেন চিঠি দিয়ে প্রশংসা করেছেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও প্রশংসা করেছে, তখন বিএনপি খেই হারিয়ে ফেলেছে।’
 
বিএনপি কর্মীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেন এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষ ধরা পড়ে চুরি ডাকাতি বা বিভিন্ন অপরাধে। বিএনপি তাদের কর্মী বলছে কি না, সেটাই এখন প্রশ্ন।’
 
মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সফল হয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি তাদের সঙ্গে দেখা করেছে সেগুলো নিয়ে আমরা মাথা ঘামাতে চাই না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক যাতে আরও নতুন উচ্চতায় নেয়া যায়, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

বিডিআর বিদ্রোহ   বিএনপি   পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আফরিনের সফরের পর আরও চাপমুক্ত আওয়ামী লীগ

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের সবচেয়ে উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার বিষয় ছিল আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা। এই নির্বাচন বহির্বিশ্ব কতটুকু স্বীকৃতি দেবে, কতটুকু গ্রহণ করবে সেটি ছিল আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেব নিকেশের বিষয়। আর এই কারণেই এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনকে উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। কোথাও যেন একতরফা নির্বাচন না হয়, কেউ যেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত না হয় সে বিষয়টির দিকে কড়া নজর রেখেছিল আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

নির্বাচনে জনগণ কত ভোট দিল বা জনগণের কাছে এই নির্বাচন কতটুকু ইতিবাচক হল তার চেয়েও আওয়ামী লীগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল আন্তর্জাতিক মহল এই নির্বাচনকে কীভাবে দেখছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোকে নিয়ে আওয়ামী লীগের আতঙ্ক ছিল।

নির্বাচনের আগে থেকেই ক্ষমতাসীন দল ভালো করেই জানত যে, এই নির্বাচনের পরপরই ভারত, চীন এবং রাশিয়া বাংলাদেশের নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেবে এবং এই নির্বাচন নিয়ে তারা কোন নেতিবাচক মন্তব্য করবে না। মধ্যপ্রাচ্য নিয়েও আওয়ামী লীগের মধ্যে তেমন কোন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল না। নির্বাচনের পর যথারীতি তাই ঘটেছে। দেখার বিষয় ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো নির্বাচনের পর কী করে সেই পদক্ষেপগুলো দেখার। নির্বাচনের পরপরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বলা হয়েছিল যে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও হয়নি, একতরফা নির্বাচন হয়েছে এবং এর পরপরই টিআইবির পক্ষ থেকে নির্বাচন সম্পর্কে একটি বিতর্কিত প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পরপরই মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসকে অন্য রূপে দেখা যায়। নির্বাচনের পরপরই তিনি ছুটে যান বিভিন্ন মন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকারে। তার আগেই ঘটে আসল ঘটনা। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের দিনই পিটার হাস উপস্থিত ছিলেন বঙ্গভবনে এবং টানা চতুর্থবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাকে অভিনন্দন জানান। 

অনেকেই মনে করেছিলেন যে, এটি একটি ভদ্রতা সূচক অভিনন্দন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাব এই অভিনন্দন দিয়ে যাচাই করা ঠিক হবে না। এমনকি মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারটাকেও তারা কেউ বলার চেষ্টা করেছিলেন যে, এটি রুটিন ওয়ার্ক। এর মাধ্যমে মার্কিন অবস্থান বোঝা যাবে না। কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হতে থাকে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় এবং এগিয়ে নেওয়ার বার্তাটাকেই জোরালো করতে চায়। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিঠির পর সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায় যে, বাংলাদেশের নির্বাচন যাই হোক না কেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা মেনে নিয়েছে এবং এই মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তারা এই দেশে বিশেষ করে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে চায়। এরকম একটি বার্তা আওয়ামী লীগের জন্য ছিল ইতিবাচক।

তবে তারা সবচেয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য কূটনীতিক কর্মকর্তাদের ঢাকা সফরের ওপর। কারণ এই সফরের মধ্য দিয়ে বিএনপি, সুশীল সমাজ ইত্যাদিরা নির্বাচনকে কীভাবে দেখে তার ব্যাখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তারা দেবে এবং সেই প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রতিনিধি দল কী ধরনের মনোভাব ব্যক্ত করে সেটার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছিল। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে নির্বাচন নিয়ে যদি নেতিবাচক মন্তব্য করত বিএনপির সঙ্গে বৈঠকের পর কিংবা সুশীল সমাজের বৈঠকের পর যদি নতুন সরকারের ব্যাপারে নেতিবাচক মন্তব্য করত, সেটি সরকারের জন্য একটি বড় ধরনের চাপ হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। এক্ষেত্রে নতুন সরকারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যথাযথ সম্মান দেখিয়েছে। একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার ক্ষেত্রে যে ধরনের সংযত থাকা উচিত, মার্কিন প্রতিনিধি দল তার চেয়ে বেশি সংযত থেকেছে এবং দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে।

বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের বৈঠক ছিল অত্যন্ত আন্তরিক এবং হৃদ্যতাপূর্ণ। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আর এ সমস্ত ঘটনাগুলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে শঙ্কামুক্ত করেছে। আওয়ামী লীগ এখন নির্বাচন নিয়ে তার উৎকণ্ঠাকে ঝেড়ে ফেলে দিল আনুষ্ঠানিকভাবে। এটি আওয়ামী লীগের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করবে।

আফরিন আক্তার   মার্কিন প্রতিনিধি দল   আওয়ামী লীগ   ৭ জানুয়ারি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপিকে কি কেবল সান্ত্বনাই দিল মার্কিন প্রতিনিধি দল

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

তিন সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে গেলেন। তাদের এই সফরের শুরুতেই তারা সাক্ষাৎ করেছিলেন বিএনপির তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার সাথে। কিন্তু মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপির বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে, সে ব্যাপারে কোন পক্ষ থেকেই কেউ বক্তব্য রাখেনি।

২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট এণ্ড এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের প্রতিনিধি দল প্রথম বৈঠকটি করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে। এই বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে বা বৈঠকের ফলাফল কি? এ নিয়ে কোন রকম বক্তব্য পাওয়া যায়নি বিএনপির পক্ষ থেকে। 

বিএনপি নেতারা মন খারাপ করেই ওয়েস্টিন হোটেল থেকে বেরিয়েছেন এবং তারা কোন বক্তব্য রাখেননি। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, এমন কোন আলোচনা হয়েছে যে আলোচনায় বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেননি। তারা চাঙ্গা হওয়ার মতো কোন আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতিও পাননি মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছ থেকে। কারণ পরবর্তীতে মার্কিন প্রতিনিধি দল যেভাবে সরকারের সাথে উচ্ছ্বাসপূর্ণ আলাপ-আলোচনা এবং বৈঠক করেছে তাতে মনে হতেই পারে যে, বিএনপির দাবি, আন্দোলন ইত্যাদিকে পাশ কাটিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সখ্যতার সম্পর্ক এগিয়ে রাখতে চায়। বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত হৃদত্যপূর্ণ, আন্তরিক এবং পারস্পরিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষই ছিল আত্মপ্রত্যয়ী। 

এখান থেকে বোঝা যায় যে, নির্বাচন নিয়ে যে সমস্ত বিষয়গুলো হয়েছে সেগুলোকে নিয়ে আলোচনা করতে চায় না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরং সামনের দিকে তাকাতে চায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের ব্যাপারে তাদের যে অবস্থান ঘোষণা করেছিল, সেই অবস্থানের পরও তারা বাংলাদেশে এসে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে। সেই বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এরপর তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাইডেন যে চিঠি লিখেছিলেন তার উত্তরের কপি হস্তান্তর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বাইডেনকে তার অভিনন্দনের জবাব দিয়েছেন চিঠির মাধ্যমে। এ থেকে বুঝা যায় যে, বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতিবাচক কোনো কিছু ভাবছে না। এটা যে তারা ভাবছে না তা তিন দিনের সফরে সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। এরকম পরিস্থিতিতে বিএনপি কী করবে? সেটাই এখন দেখার বিষয়। 

তবে বিএনপি নেতারা যেমনটা আশা করেছিল যে, নির্বাচনের পর সরকার নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিবে না বা নিষেধাজ্ঞা দেবে কিংবা আবার নতুন করে নির্বাচন করতে বা করার জন্য সরকারকে চাপ দেবে। বাস্তবে সেই রকম কিছুই হয়নি। 

বিভিন্ন সূত্র বলছে, ওয়েস্টিন হোটেলে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ১ ঘণ্টার বৈঠকটি ছিল সান্ত্বনাসূচক। সেখানে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য গভীর মনোযোগ দিয়ে তারা শুনেছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে, এই বৈঠকটির মধ্যে দিয়ে তারা বিএনপিকে একটি বার্তা দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে আগ্রহী। কাজেই বিএনপির এখন উচিৎ অপেক্ষা করা অন্তত আগামী নির্বাচন পর্যন্ত। তবে, বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার বা তাদের ন্যয়সঙ্গত গণতান্ত্রিক আন্দোলন ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে তাদেরকে যে শান্তনা দেওয়া হচ্ছে সেটি নিশ্চিত। আর এই সান্ত্বনা যে কোন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময় দিয়ে থাকে। এর ফলে বিএনপির মধ্যে হতাশা আরও বেড়েছে বলেই ধারণা করা যায়। কারণ, এই বৈঠকের পর বিএনপি নেতকাদের কথা বার্তা আচার আচোণেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে এই বৈঠকে খুশি হতে পারেন নি।

বিএনপি   মার্কিন প্রতিনিধি দল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

নালিশ করাই বিএনপির রাজনীতি: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০৩:০৯ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অবাক লাগে, আমার কাছে অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দল আসার দিনে লাঠিতে ভর দিয়ে নালিশ করতে গিয়েছেন। অথচ তিনি অসুস্থতার জন্য জামিন পেয়েছেন। নালিশ করাই তাদের রাজনীতি। আমরা বাড়াবাড়ির রাজনীতি করি না। রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবিলা করা হবে। 

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর দাগনভূঞাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধিদলের কাছে বিএনপির অভিযোগের জবাব সরকার দিয়েছে। তারা নালিশ করবে। আমরা চুপচাপ থাকব, এমনতো হতে পারে না। বিএনপির ৫০ হাজার নেতাকর্মী জেলে আছে। এমন উদ্ভট দাবিও করেছিল। এখন আবার দাবি করছে তাদের ৪ হাজার নেতাকর্মী জেলে। তাহলে কী জেলে থাকা চোর-ডাকাতরাও বিএনপির নেতাকর্মী?’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সমালোচনা যারা করবে, তারা দেশেও করবে, বিদেশেও করবে। যারা ক্ষমতা পায়নি, নির্বাচনে আসেনি, তারা টের পাবে নিজেদের রাজনীতিকে কতটা সংকুচিত করেছে। এ জন্য বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমরা কাউকে নৌকা দিচ্ছি না। অতএব বুঝে-শুনে নির্বাচন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অভিজ্ঞতাও নিতে চান। জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি না এলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।’

দাগনভূঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতনের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মুসাম্মৎ শাহীনা আক্তার, ফেনী পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী,  সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন প্রমুখ।

বিএনপি   রাজনীতি   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন