ইনসাইড পলিটিক্স

নওগাঁ-২ আসনের ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশ: ০৯:১১ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

নওগাঁ-২ আসনে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ ভোটগ্রহণ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এর আগে সোমবার (৮ জানুয়ারি) এ আসনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনের ভোট গ্রহণ করা হয় ৭ জানুয়ারি।

একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নওগাঁ-২ আসনের ভোট গ্রহণ আগেই বাতিল করা হয়েছিল।


নওগাঁ   ভোট   গ্রহণ   নির্বাচন কমিশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে মরিয়া বিএনপি

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি তার কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মেরুকরণ করার চেষ্টা করছে। একদিকে ভারত বিরোধিতা, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অভিমান, পাশাপাশি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এই ত্রিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে নির্বাচনী কৌশলে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হওয়া বিএনপি। নির্বাচনের আগে বিএনপির কূটনৈতিক কৌশল ছিল পুরোপুরি ভাবে পশ্চিমা মুখী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। 

বিএনপির নেতারা মনে করেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিএনপির প্রতি সহানুভূতি দেখাবে। একতরফা নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেবে না। বাংলাদেশের ওপর নানা রকম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। ফলে বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগের পতন ঘটানো সহজতর হবে। সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা অনড় অবস্থানে ছিল। কিন্তু ২৮ অক্টোবরের পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। বিশেষ করে বিএনপির সন্ত্রাস, সহিংস তৎপরতাকে তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনকে সবগুলো দেশই স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছে সব দেশ। এরকম বাস্তবতায় বিএনপি মনে করছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে এক রকমের বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আসলে ভারতের পক্ষ হয়ে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনার নীলনকশা বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখনকার সম্পর্ক বিএনপির আগের মতো নেই। বরং একটা শীতল পরিস্থিতি বিরাজ করছে দুই পক্ষের সম্পর্কের মধ্যে। এরকম বাস্তবতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আগের মতো আর নির্ভরশীল থাকতে চায় না বিএনপি। 

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকাতেও বিএনপির নেতৃবৃন্দ হতাশ। আর এ কারণে বিএনপি তার পুরনো কূটনৈতিক কৌশলে ফিরে যাচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির কূটনৈতিক অবস্থান ছিল ভারত বিরোধী, চীন মুখী। বিএনপিতে একটা সময় প্রচুর চৈনিক বামদের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। বিশেষ করে তরিকুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম খান, ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো চৈনিক বামরা বিএনপিকে প্রাচ্য কূটনৈতিক নীতিতে আগ্রহী করে তুলেছিল। চীন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করা, ভারত বিরোধিতার রাজনীতিকে বাংলাদেশে জাগিয়ে তোলাই ছিল তাদের কৌশল। কিন্তু আস্তে আস্তে বিএনপি সেই অবস্থান থেকে সরে আসে। ভারতের সঙ্গে এক ধরনের প্রকাশ্য হলেও সুসম্পর্ক রাখার নীতি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু এখন নির্বাচনের পর বিএনপি সরাসরি ভাবে ভারত বিরোধী অবস্থানে চলে গেছে।

বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন যে, বিএনপির এই অবস্থার জন্য ভারত দায়ী। আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এসেছে ভারতের কারণে। এ নিয়ে কোন রাখঢাক ছাড়া তারা সরাসরি কথা বলেন। আর এ কারণেই তারা এখন চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আগ্রহী। 

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির একাধিক নেতা চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বিএনপির হাইকমান্ড থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, চীনের সঙ্গে যাদের পুরনো সম্পর্ক রয়েছে সেই সম্পর্কগুলোকে ঝালিয়ে নেওয়া। এ ছাড়াও বিএনপির সঙ্গে যারা যৌথ আন্দোলন করছে সে আন্দোলন অংশীদারদের মধ্যে যারা চীনপন্থী রয়েছেন তাদের মাধ্যমেও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করতে চায় বিএনপি। বিএনপি মনে করছে যে, সরকারের সঙ্গে চীনের একটা অনিবার্য দূরত্ব তৈরি হবে। কারণ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বাস্তব প্রেক্ষাপটেই চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অবন্নতি ঘটবে। এই বাস্তবতায় তারা চীনকে পাশে পেতে চাইছে। 

বিএনপির অনেক নেতাই মনে করেন যে, পাকিস্তানে পিটিআই যেভাবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছিল বা  মালদ্বীপে যেভাবে চীন ভারতকে রূখে গিয়েছে ঠিক সেভাবে তারা বাংলাদেশে চীনা রাজনৈতিক ধারার এবং চীনের প্রিয় এবং বিশ্বস্ত রাজনৈতিক অংশীদার হতে পারে। আর এ লক্ষ্যেই এখন বিএনপি নীরবে কাজ করছে। বিএনপিতে থাকা চীনপন্থী নেতারা এখন সরব।


চীন   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

টিটু-শান্তর লড়াইয়ে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ময়মনসিংহে যেন সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিভক্তির চিত্রই ফুটে উঠেছে। আগামী ৯ মার্চ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কার্যত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ময়মনসিংহের এই চিত্রটি কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং সারা বাংলাদেশেই এই বিভক্তি এবং বিচ্ছিন্নতার চিত্র সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ময়মনসিংহে তার প্রমাণ।

এই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন সাবেক মেয়র ইকরামুল হক টিটু। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাদেক খান মিল্কী টজু। এছাড়াও, আর যারা প্রার্থী আছেন তারা তেমন কোন আলোচনাই নেই। তবে এই প্রার্থীদেরকে পাশ কাটিয়ে ময়মনসিংহের সিটি করপোরেশন নির্বাচন এখন শান্ত বনাম টিটুর লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। 

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মোহিত উর রহমান শান্ত। শান্তর এই মনোনয়নকে টিটু এবং তার ঘনিষ্ঠরা পছন্দ করেন না। এই নির্বাচনে টিটুর বড়ভাই স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ওই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মেয়র টিটুর বড় ভাইয়ের বাধা অতিক্রম করে মোহিত উর রহমান শান্ত বিজয়ী হন এবং এর পরপরই ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগের বিভক্তিটি স্পষ্ট এবং প্রকাশ্য আকার ধারণ করে। কারণ টিটুর বড় ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল হক শামীম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় টিটু এবং তার ঘনিষ্ঠরা পুরোপুরিভাবেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করেছিল। এখন টিটুকে হারানোর জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন সংসদ সদস্য শান্ত। যদিও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন যে, নির্বাচনে এমপিদের কোন প্রার্থীকে সমর্থন করার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু তিনি মুখে যাই বলুন না কেন কার্যত ময়মনসিংহের রাজনীতি এখন উত্তপ্ত এবং দ্বিধা বিভক্ত। 

যারা মোহিত উর রহমান শান্তর পক্ষে কাজ করেছিলেন তারা সবাই এখন টিটুকে হারানোর জন্য মরিয়া হয়ে পরেছেন। বিশেষ করে এবার নির্বাচনে যারা কাউন্সিলর পদে কাজ করছেন, তারা ইকরামুল হক টিটুর বিরুদ্ধেই কাজ করছেন। যদিও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামূল আলমের ইমেজ ততটা ভালো না সেদিক থেকে ইকরামুল হক টিটু ইমেজ অনেক পরিচ্ছন্ন এবং ভালো। কিন্তু তারপরও এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের লড়াই সুদূরপ্রসারী একটি সংকট তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ময়মনসিংহের ঘটনাটি কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা বাংলাদেশে নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামী লীগের যে বিভক্তি তার এক চিত্র রুপ হলো ময়মনসিংহ। বারবার আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই বিভক্তি বন্ধের জন্য আবেদন-নিবেদন করা হচ্ছে কিন্তু তারপরও কোন পক্ষই শান্ত হচ্ছেন না। 

ময়মনসিংহের এই নির্বাচনকে একটি প্রতীক বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন যে, ময়মনসিংহের নির্বাচনে যখন এই অবস্থা তখন আগামী উপজেলা নির্বাচনে সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিভক্তি কোন পর্যায়ে দাঁড়াবে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচন   আওয়ামী লীগ   ইকরামুল হক টিটু   মোহিত উর রহমান শান্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

নেতৃত্ব পরিবর্তন নয়, শূন্য পদ পূরণ করছে বিএনপি

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আপাতত কাউন্সিল নয়, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনই বিএনপির প্রধান প্রতিপাদ্য বিষয়। আর এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিএনপি তার সংগঠনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। রোজার মাসজুড়ে বিএনপিতে দুই ধরনের সাংগঠনিক তৎপরতা চলবে বলে বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। একটি হল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যে সমস্ত শূন্য পদ গুলো রয়েছে, সেই শূন্যপদগুলো পূরণ করা। অন্যটি দলে নিস্ক্রিয় নেতা এবং যারা দলের জন্য কোন অবদান রাখতে পারছেন না তাদেরকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

বিএনপির একজন স্থায়ী কমিটির সদস্য বলছেন যে, তারা সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস করবেন এবং রমজান মাস জুড়ে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে যেন ঈদের পর থেকেই তারা বড় ধরনের আন্দোলনের মধ্যে যেতে পারেন। আর এই লক্ষ্যেই বিএনপি এখন দফায় দফায় বৈঠক করছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সবচেয়ে বড় জায়গা হল স্থায়ী কমিটি। স্থায়ী কমিটিকে বলা হয় বিএনপির নীতি নির্ধারণী জায়গা। যেখান থেকে বিএনপি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্রে দলের চেয়ারপারসন বা চেয়ারম্যানের হাতে সর্বময় ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে। তবে দলের স্থায়ী কমিটির যে পদগুলো রয়েছে তার মধ্যে পাঁচটি পদ এখন শুন্য হয়েছে। এ ছাড়াও স্থায়ী কমিটির অন্তত তিন জন সদস্য রয়েছেন যারা দলীয় কর্মকাণ্ডে একেবারেই অনুপস্থিত। এরকম বাস্তবতায় স্থায়ী কমিটিতে শূন্যপদে পাঁচজনের সঙ্গে আরও অন্তত দুই জন নতুন মুখ অর্থাৎ মোট সাত জন নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্য যুক্ত হতে পারেন। 

স্থায়ী কমিটির সদস্য কারা যুক্ত হতে পারেন এ নিয়ে বিএনপিতে নানামুখী আলাপ আলোচনা চলছে। বিএনপি একটি সূত্র বলছে, লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্থায়ী কমিটিতে তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে এ নিয়ে তৃণমূলের মতামত গ্রহণ করছেন। গত তিনদিন ধরে তিনি বিভিন্ন জেলার তৃণমূলের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলছেন বলেও একাধিক সূত্র জানিয়েছে। স্থায়ী কমিটিতে কাদের নাম আসতে পারে সে ব্যাপারে তৃণমূলকে মন খুলে কথা বলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে তৃণমূলের পক্ষ থেকে একাধিক নাম এসেছে। 

তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, তৃণমূল যে নাম দিয়েছে সেই নামের মধ্যে খুব কম নামই একমতের। অর্থাৎ সব জেলা বা বিভাগের তৃণমূলের সদস্যরা মাত্র হাতে গোনা দু একটি নামের ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছেছেন। সবচেয়ে বেশি ভয় বেশি যার নাম এসেছে তিনি হলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার ব্যাপারে প্রায় সব তৃণমূলের নেতারাই একমত পোষণ করেছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হল যে, রুহুল কবির রিজভী তারেক জিয়ার পছন্দের ব্যক্তি নন। 

এ ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসাবে চট্টগ্রামের নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান এর নাম এসেছে। সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নাম বলেছেন অনেকে। তাকে স্থায়ী কমিটিতে নেওয়াটা যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন অনেক তৃণমূল নেতারা। এছাড়াও শামা ওবায়েদ এর নামক কোন কোন মহল থেকে বলেছে। তবে মজার ব্যাপার হল যে, রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল কিংবা আব্দুল্লাহ আল নোমান কেউই তারেক জিয়ার পছন্দের ব্যক্তি নন। এর মধ্যে তারেক জিয়ার সঙ্গে তৃণমূলের মতপার্থক্যের একটি প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তারেক জিয়া যাদেরকে স্থায়ী কমিটিতে আনতে আগ্রহী বলে বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে তার মধ্যে রয়েছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু, যিনি তারেক জিয়ার অন্তত্য ঘনিষ্ঠ। যিনি বিএনপির ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত। এছাড়া জয়নুল আবদিন ফারুক এর নাম আলোচনায় রয়েছে। আলোচনায় রয়েছে রুমিন ফারহানের নাম। তবে খুব সম্প্রতি বুঝা যাবে কারা কারা আসছেন স্থায়ী কমিটিতে।

বিএনপি   আব্দুল্লাহ আল নোমান   রুহুল কবির রিজভী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে দিনভর টেনশন-গুঞ্জন

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

গতকাল জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে ৫০ জন নারী সদস্য শপথ নিয়েছেন। শপথ গ্রহণের পরই তারা সংসদে যোগ দান করেন। তাদের সংসদে যোগদানের পরেই মন্ত্রিসভার সম্প্রসারের গুঞ্জনটি পল্লবিত হতে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হতে পারে। বর্তমানে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা অপূর্ণাঙ্গ। অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ে এখন পর্যন্ত মন্ত্রী দেওয়া হয়নি। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বলেছেন যে, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে শীঘ্রই। তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা সরকারের পক্ষ থেকে জানা যায়নি। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগামী ২ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের বাইরে অবস্থান করবেন। আর এ কারণেই আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হতে পারে এমন গুঞ্জন রয়েছে। দিনভর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন আলাপ আলোচনায়, আড্ডায় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের বিষয়টি নিয়ে নানারকম আলোচনা হয়েছে।

কারা মন্ত্রী হতে পারেন তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে জল্পনা কল্পনা চলছে। তবে ঠিক কখন মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের ঘোষণা আসবে সে সম্পর্কে কেউই কোনো কিছু বলতে পারেননি। তবে মন্ত্রিসভা বিভাগের একটি সূত্র বলছে যে, তারা মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন। যে কোন সময় এই বিষয়টি প্রকাশ হতে পারে এবং আগামীকাল বা শনিবার মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা পশথ গ্রহণ করতে পারেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

মন্ত্রিসভায় রদবদলের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, নারী সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মন্ত্রী, দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যারা প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার অন্তর্ভুক্ত হননি, তাদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি। তৃতীয়ত, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী।

অনেকেই মনে করছেন যে, ১০ থেকে ১০ জন মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আসতে পারেন। এছাড়াও একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী দেওয়া হতে পারে। এমনকি দু একজন মন্ত্রীর দপ্তর বদলের কথাও আলোচিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। 

বিভিন্ন সূত্র গুলো বলছে যে, মন্ত্রিসভায় রাজনৈতিক মুখ কয়েকজন আসতে পারে এবং এবং সরকারের একটি রাজনৈতিক চেহারা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

এবার মন্ত্রিসভায় বেশি রাজনীতিবিদদের জায়গা হয়েছে গতবারের তুলনায়। আর এই বাস্তবতায় আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদ মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা এবং গুঞ্জন রয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এবং এস এম কামালের নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় আছে। অন্যদিকে সংরক্ষিত কোটায় যারা মন্ত্রী হয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্তত চার জন মন্ত্রী হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। এদের মধ্যে শাম্মী আহমেদ, ডা. রোকেয়া সুলতানা, তারানা হালিম এবং চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ওয়াসিকা আয়শা খানের নামও রয়েছে। 

টেকনোক্র্যাট কোটায়ও মন্ত্রী হওয়ার জন্য কয়েক জনের নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে যারা আলোচনায় রয়েছেন তারা হলেন ড. আহমদ কায়কাউস এবং কবির বিন আনোয়ার। এর বাহিরেরও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সাইদ খোকনের নাম কোন কোন পর্যায় আলোচনা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি নেতা এলামুল হক শামীমের নামও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন রয়েছে। আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদ। তবে সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য নিয়োগের একক ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর। আর এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। কাজেই মন্ত্রিসভায় যাদের নাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তা কেবলই অনুমান, কল্পনা এবং গুজব। তবে এ নিয়ে টেনশনের শেষ নেই কারও।

মন্ত্রিসভা   আওয়ামী লীগ   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিদেশিদের কথায় বিএনপি আন্দোলন করে না: মঈন খান

প্রকাশ: ০৪:৪১ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি বিদেশিদের ওপর নির্ভর করে না, করে নাই। বিদেশি শক্তিকে জিজ্ঞাসা করে বিএনপি আন্দোলন করে নাই। করলে নেতাকর্মীরা ঘরে বসে টিভি দেখে ঘুমাতো। আন্দোলন হত না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি বলেন, জনগণের মুক্তির জন্য অতীতে বিএনপি কর্মসূচি দিয়েছিল, আন্দোলন চলেছে, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী মৎসজীবী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ড. আবদুল মঈন খান এসব কথা বলেন।

এসময় গতকাল গণতন্ত্র মঞ্চের ওপর পুলিশি হামলার নিন্দা জানান।

ড. মঈন খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিএনপি নয়, তারাই (আওয়ামী লীগ) বৈঠক করেছে, আমন্ত্রণ জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন ও দেশে মানবাধিকার দেখতে চায়।
 
বিএনপি বিদেশিদের ওপর নির্ভর না জানিয়ে এই নেতা বলেন, দেড় বছর ধরে বিএনপি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও কোটি জনগণকে নিয়ে আন্দোলন করেছে। বিদেশি শক্তিকে জিজ্ঞাসা করে বিএনপি আন্দোলন করে নাই। বিদেশিদের ওপর নির্ভর করলে নেতাকর্মীরা ঘরে বসে টিভি দেখে ঘুমাতো। আন্দোলন হতো না।

বিএনপি দেশকে নিয়ে গর্ব করে৷ বিএনপি দেশকে নিয়ে রাজনীতি করে না বলেও মন্তব্য করেন মঈন খান।
 
এসময় আবারও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোটের আহ্বান জানান তিনি। বলেন, জনগণ প্রতি পাঁচ বছর পর পর গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট দিতে চায়। তাই সরকারকে মিথ্যা ক্ষমতার মোহ থেকে বেরিয়ে এসে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করুন।

বিএনপি   ড. আবদুল মঈন খান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন