ইনসাইড পলিটিক্স

স্থানীয় নির্বাচন: আওয়ামী লীগের সহিংস বিদ্রোহীদের লাগাম কোথায়?

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail স্থানীয় নির্বাচন: আওয়ামী লীগের সহিংস বিদ্রোহীদের লাগাম কোথায়?

দেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন চলছে। বিএনপি নির্বাচনে না আসা এবং সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মাঠে তেমন সক্রিয় না থাকার কারণে এ নির্বাচনে বৃহৎ দল হিসেবে একমাত্র আওয়ামী লীগই অংশ নিয়েছে। মূলত আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকপ্রাপ্ত এবং আওয়ামী লীগেরই বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে হচ্ছে এ নির্বাচন। ফলে অনেকেই এই নির্বাচনকে বলছেন আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের নির্বাচন। ইউপি নির্বাচনের কারণে দুই দিন আগে যার সঙ্গে রাজপথে একসাথে আন্দোলন করেছিল, আজকে সে তার চরম শত্রু হয়ে গেছে। শত্রুতার মাত্রা এতটাই ছাড়িয়েছে যে, বিরোধী প্রার্থীসহ তার সমর্থকদের প্রাণ নিতেও দ্বিধা নেই তাদের। আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের এ নির্বাচনে বিগত দুই ধাপের ইউপি ভোটের আগে-পরে ও ভোটের দিনের সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৫৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আহত হাজার হাজার। এর মধ্য দিয়ে গতকাল রোববার  চরম মাত্রার সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনার মাধ্যমে শেষ হল তৃতীয় ধাপের নির্বাচন। চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের নির্বাচন যথাক্রমে ২৩ ডিসেম্বর ও ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ দুই ধাপেও এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, তৃণমূলের এই ভোট উৎসব অনেকাংশেই আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ উপলক্ষ্যে গত শুক্রবার সকাল থেকে নির্বাচনি মাঠে নেমেছিল পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের ৫০ হাজারের বেশি সদস্য। এছাড়াও নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরাও মাঠে ছিলেন। সহিংসতা বন্ধে মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থান নিতে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল।  এছাড়া নির্বাচন হচ্ছে এমন উপজেলাগুলোকে র‌্যাবের দুটি মোবাইল ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিজিবির দুই প্লাটুন মোবাইল ও এক প্লাটুন স্ট্রাইকিং এবং উপকূলীয় জেলাগুলোয় দুই প্লাটুন মোবাইল ও এক প্লাটুন স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে অবস্থান করেছিল। ভোট কেন্দ্রের পাহারায় ছিল পাঁচজন পুলিশ ও ১৭ জন আনসার সদস্য। এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও শুক্র ও শনিবার টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও ভোলার দৌলতখানে সহিংসতায় দুজনের মৃত্যু হয়। ভোটের প্রাক্কালে সহিংসতায় মেহেরপুরে একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর, পাবনাসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, প্রার্থীর বাড়িতে গুলিবর্ষণসহ বেশকিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। ভোটকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সহিংসতার আশঙ্কার কথা নির্বাচন কমিশনকে আগেই জানিয়েছিল একটি গোয়েন্দা সংস্থা। তবুও সহিংসতা রোধে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। আর অধিকাংশ সহিংসতাগুলো হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই। বিদ্রোহ দমনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বারবার করে বলেও কোনোভাবেই থামাতে পারছে না। বিদ্রোহ দমনে আওয়ামী লীগ যে ব্যর্থ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না বলেই মনে করছেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা।

আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে হওয়া এসব সহিংসতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বাংলা ইনসাইডারকে বলেন, আমি আগেও বলেছি এটা হলো রোগের উপসর্গ, রোগ নয়। রোগটি হলো অযোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া, পদ-পদবি ব্যবহার করে বা অন্যায় করে সুযোগ সুবিধা নিয়ে পয়সা কামানো, প্রশাসনের উপর বিভিন্ন রকমের প্রভাব-প্রতিপত্তি খাটানো, অন্যায় করে পার পেয়ে যাওয়া। যতদিন এইগুলো চলবে ততদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা চলবে, হানাহানি চলবে। একজন আরেক জনকে টেনে নিচে নামানোতে ব্যস্ত থাকবে। যেসব জায়গায় এ সমস্ত সহিংসতা হচ্ছে আর যারা করছে, তারা সবাই এসব স্থানে আসার যোগ্য ছিল না। অযোগ্য ব্যক্তিকে যদি আপনি উপরে নিয়ে আসেন, এমনটা হতে বাধ্য বলেই মনে করছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি নির্বাচনে সহিংসতা বন্ধে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশন, এ দুই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এ দুই প্রতিষ্ঠানই চলমান ইউপি নির্বাচনে তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না। ফলে দেখা দিচ্ছে সংঘাত-সহিংসতা। ভোটারদের দায়িত্বও কম নয়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এ নিয়ে বসতে হবে এবং কঠোর অবস্থান নিতে হবে। শুধু বহিষ্কার করেই এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না। সহিংসতায় যারা অংশ নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনকেও ভূমিকা রাখতে হবে। ভালো লোককে যেন কোনো ভাবে ফাঁসাতে না পারে এ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রাজনৈতিক দল ও নির্বাচকমণ্ডলী তথা ভোটার শ্রেণি উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় দিয়ে আগামী দিনগুলোয় নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর রাখার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সকল কমিটি বিলুপ্ত

প্রকাশ: ০৬:২১ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্তর্গত সব থানা ও ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‌‘আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্তর্গত সব থানা ও ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু মঙ্গলবার এই নির্দেশনা দিয়েছেন।

প্রতিটি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো বেগবান ও গতিশীল করতে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা অচিরেই কমিটি গঠনে উদ্যোগ নেবেন।’

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে বিএনপি

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে বিএনপি

গত ২৫ জুন স্বপ্নের বহুমুখী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও বিদেশি কূটনীতিকসহ মোট প্রায় অতিথি ছিলেন প্রায় ৩ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দকে। এর মধ্যে বিএনপির ৭জন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যকে  আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য। কিন্তু আমন্ত্রণপত্র পাওয়া বিএনপির এই ৭ নেতার কেউ উদ্বোধনী অনুষ্টানে উপস্থিত থাকেন নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার কারণ হিসেবে দলটির নেতারা বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তাদের পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথা বলেছেন। সেই ভয় থেকে তারা যাননি বলে জানিয়েছেন। গত ২৬ জুন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদও সংসদে একই কথা বলেছেন। সেতু পার হতে গেলে তাঁকে পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয় কি না, তা নিয়ে তিনি আতঙ্কে আছেন বলে জানিয়েছেন সংসদে। কিন্তু বিএনপি নেতাদের এধরনের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর অনুষ্ঠানে যোগদান করার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এটি শুধু আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় প্রোগ্রাম ছিল না। এটি একটি রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ছিল। সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উপিস্থিতি কাম্য ছিল। আওয়ামী লীগের দলীয় জনসভা থাকলেও সেটা পৃথকভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে বিএনপি রাজনৈতিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে বলে দাবি পর্যবেক্ষকদের। এর আগেও রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করার নজির রয়েছে দলটিতে। ২০১৫ সালে ২৪ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট পুত্র কোকোর মৃত্যু হলে শোকে মূহ্যমান একজন মায়ের কাছে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে ছুটে গেছেন আরেক মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি। তাঁকে গেট থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। স্বাভাবিক ভদ্রতাটুকু দেখানোর মতোও কেউ সেখানে ছিলেন না। অথচ শেখ হাসিনার ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে জামাত নেতা ড. রিদওয়ান উল্লাহ শাহেদি, খেলাফত মজলিস নেতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল লতিফ নেজামীকে কার্যালয়ে ঢুকতে দেখা গেছে। এভাবে বিএনপি বার বার রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করার নজির স্থাপন করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পদ্মা সেতুর বিরোধীতাকারীদের প্রধানমন্ত্রী ফেলে দেওয়ার কথা বলেছেন কিন্তু আসলেই তিনি ফেলে দিতেন, কখনোই তিনি এই কাজ করতেন না। প্রধানমন্ত্রী তার ওই কথার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দিয়েছেন। আর বিএনপি নেতারা যে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে তা যুুক্তি সঙ্গত নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, অনেকেই অনেক কথা বলেন কিন্তু  যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়। তিনি বলেন, আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের অর্জন অনেক। আপনাদের বলতে হবে এ দেশের জনগণকে। জনগণ কোনো দিন ভুল করে না।

সোমবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক মাঠে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ২৪ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।  

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা ভুল করি। আমরা জনগণের কাছে যাই না। নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে যাবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলবেন, যেটা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব সময় করে থাকেন। সেই জায়গা থেকে আপনারা বিচলিত হবেন না। তাহলে আমরা কোনদিন অন্ধকারে নিমজ্জিত হবো না।

স্বাস্থ্যে এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আমরা এগিয়ে গেছি বলেই করোনা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭৩ বছর বয়সে চলে গিয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের নতুন বছরের শুরুতে নতুন বই দিচ্ছি। এটাই হলো প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শী নেতৃত্ব। দূরদর্শী নেত্রীর জন্য আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিউল্লা সফির সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।

আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

প্রকাশ: ০৮:৫৪ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার সাধ্য অনুযায়ী পুনর্বাসনসহ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করার চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ।তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী ইউনিয়নভিত্তিক মানুষের ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। 

সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হানিফ এসব কথা বলেন। এর আগে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা এবং সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। এ সময় দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, যখন দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়, তখন সরকারের প্রথম কাজ থাকে মানুষকে প্রাণে বাঁচানো। তারপর কার কী ক্ষতি হলো সেটা খুঁজে বের করা হয়। বৃহত্তর সিলেট এবার ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। আগামীতে যে এমন বন্যা আসবে না তা বলা যায় না। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫৪টি নদী ড্রেজিং করে গভীর করা খুবই চ্যালেঞ্জিং মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারপরও সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।

হানিফ আরও বলেন, আমাদের দেশে সরকার বা সাংবাদিক কিছু একটা বললেই নেতিবাচক মন্তব্য চলে আসে। নেতিবাচক বক্তব্য দেশের জন্য কখনোই ভালো নয়। বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এর একমাত্র কারণ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব (লিডারশিপ)। 

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্যই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে একটি মর্যাদার জায়গায়। তার জন্যই পদ্মা সেতুর মতো একটি বিস্ময় বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছে। এটি শুধু একটি সেতু নয়, এটি আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতুর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহী।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রমুখ।

বন্যার্তদের   পুনর্বাসন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জুলুমবাজ, দখলবাজ, অনির্বাচিত, অবৈধ, নির্যাতনকারী একটা সরকারের অধীনে আমরা আছি। বাংলাদেশের বর্তমান যে প্রেক্ষাপট তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনও ঘটেনি। 

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বাড্ডা থানার ২১,৩৭, ৩৮, ৪১, ৪২ ও সাংগঠনিক ৯৭ নম্বর ওয়ার্ড সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সরকারের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে না। তাদের সবকিছু সমস্ত সিদ্ধান্ত লুটপাটের পক্ষে। 

আমানউল্লাহ আমান বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের মধ্যে খাবার নেই। হাহাকার চলছে। অথচ সরকার দেশের মানুষের দিকে নজর দিচ্ছে না। সরকারের কাছ থেকে আশানুরূপ ত্রাণ যাচ্ছে না। একদিকে বানভাসিদের চোখের পানি ঝরছে। 

আমিনুল হক বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন থেকে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণকে মুক্ত করতে হলে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য তিনি সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথের গণআন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব সদস্য আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন, আব্দুল আলীম নকী, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এ জি এম শামসুল হক, আক্তার হোসেন, তুহিরুল ইসলাম তুহিন, রেজাউল রহমান ফাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, এবিএমএ রাজ্জাক, বাড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, ভাটারা থানা বিএনপির মো. সেলিম মিয়া, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির মো. আব্দুস ছালাম, বিমান বন্দর থানা বিএনপির দেলোয়ার হোসেন দিলু প্রমুখ। 
আমীর খসরু আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যে জুলুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, হত্যা হয়েছে, তাকেও অতিক্রম করে গেছে আজকের এ প্রেক্ষাপট। আওয়ামী সরকার জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখল করে অব্যাহতভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্যে কাজ করছে। 

আমীর খসরু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন