ইনসাইড পলিটিক্স

কালক্ষেপণ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন উস্কে দেয়া হচ্ছে?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কালক্ষেপণ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন উসকে দেয়া হচ্ছে?

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীরা হাফপাসের দাবিতে আন্দোলন করছে। অথচ এখন পর্যন্ত এ বিষয়টির সুরাহা হয়নি। এই আন্দোলনের মধ্যেই গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজনের মৃত্যু ঘটেছে ঢাকায়। একজন নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী, অন্যজন গণমাধ্যমকর্মী। এই দুই জনের মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের আন্দোলন আবার নতুন করে দানা বাঁধতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বিআরটিএ পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করছে। এসব বৈঠকে মনে হচ্ছে, অনেকটাই দায়সারা এবং এক ধরনের গা বাঁচানোর কৌশল। কোন বৈঠকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সংকট সমাধানে আন্তরিক দেখা যাচ্ছে না। বরং সমস্যাকে জিয়িয়ে রেখে শিক্ষার্থীদের যেন সরকারের প্রতিপক্ষ করার এক প্রাণান্ত চেষ্টা চলছে। কারা এটি করছে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। 

শিক্ষার্থীরা এর আগেও ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। সেই আন্দোলনের স্থায়িত্ব ছিল ৯ দিন। এই আন্দোলনে পুরো ঢাকা শহর অচল হয়ে গিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের দাবি মানার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত সীমিত পর্যায়ে। কারণ অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পুরোপুরিভাবে খোলেনি। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ পরীক্ষা নিয়ে এক ধরনের ব্যস্ত। কিন্তু এরকম পরিস্থিতি চলতে থাকলে যেকোনো সময় আন্দোলন দানা বেঁধে উঠতে পারে এবং ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে বলে জানা গেছে। তাহলে কি সরকারের ভেতর থেকেও কেউ কেউ চেষ্টা করছে যে, এই আন্দোলন জিয়িয়ে থাকুক? 

বিআরটিএর চেয়ারম্যান পরিবহন মালিকদের সাথে বৈঠকের পর বলেছেন যে, কত স্কুল আছে এবং কত শিক্ষার্থী বাসে পরিবহন করে ইত্যাদির তালিকা দরকার। এ ধরনের অবাস্তব এবং উদ্ভট চিন্তা ভাবনা একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মাথায় কিভাবে আসে সেই প্রশ্ন উঠেছে সরকারের মধ্যেই। কারণ এটি একটি নীতিগত প্রশ্ন। কত শিক্ষার্থী আছে বা কত শিক্ষার্থী বাসে পরিবহন করে সেটি মূল বিষয় নয়। তিনি কালক্ষেপণের জন্য নাকি শিক্ষার্থীদেরকে তাঁতিয়ে দেওয়ার জন্য এ ধরনের বক্তব্য রাখছেন সেটি একটি বিষয় বটে। পরিবহন মালিকদের বক্তব্য বেশ উদ্বেগজনক। তারা বলেছেন যে, আশিভাগ পরিবহন মালিক নাকি গরিব। গরিবই যদি হবেন তাহলে তারা পরিবহন মালিক হলেন কিভাবে? পুরো বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের তালবাহানা দেখা যাচ্ছে। 

যেহেতু শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে আছেন, সেখানে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর একটি ভূমিকা থাকা উচিত ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর কোন ভূমিকা আমাদের চোখে পড়েনি। বরং তিনি বিষয়টি একধরনের এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল নিয়েছেন। এ ধরনের কৌশল খুবই আত্মঘাতী হতে পারে বলেও বিভিন্ন মহল মনে করছেন। ২০১৮ সালে যখন আন্দোলন করা হয়, তখন শিক্ষার্থীদেরকে যে সমস্ত আশ্বাসগুলো দেয়া হয়েছিল তার খুব কমই বাস্তবায়ন হয়েছে। কাজেই এখন নতুন করে আশ্বাস দিয়ে সবকিছু সমাধান হবে এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। তাছাড়া একটি নাজুক সময় শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমেছেন এবং এর পরিণাম যেকোনো সময় ভয়ঙ্কর হতে পারে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আর তাই দ্রুত স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদেরকে ঘরে নিতে হবে এবং এই আন্দোলনটির একটি ইতিবাচক সমাধান করতে হবে। কিন্তু সেই করার ক্ষেত্রে সরকারের একটি মহলের চরম গাফিলতির লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

উপজেলা নিয়ে কঠোর অবস্থানে আওয়ামী লীগ

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে যারা উপজেলা নির্বাচনে বিতর্ক সৃষ্টি করবে, নিজেদের পছন্দের প্রার্থী দেবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য যে, ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন দুই দফায় উপজেলা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৭ মে। এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা ঈদের পরপরই শুরু হতে যাচ্ছে। 

উপজেলা নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ পাঁচটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এই সিদ্ধান্তগুলো যেন মাঠ পর্যায়ে কঠোর ভাবে মানা হয় সে ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাচনের ব্যাপারে যে পাঁচটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে;

১. দলীয় প্রতীক ব্যবহার করবে না: আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করবে না। দল থেকে কাউকে মনোনয়নও দেওয়া হবে না। কাজেই কেউ যেন দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করে নির্বাচন করে- এ ব্যাপারে বার্তা দেওয়া হয়েছে। যারা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে নির্বাচন করবে, দলের পদ পদবী ব্যবহার করবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

২. কোনো মন্ত্রী, এমপি কারও পক্ষে বিপক্ষে প্রচারণা করতে পারবে না: উপজেলা নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয় চরিত্রে। আওয়ামী লীগের যার ইচ্ছা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, তবে মন্ত্রী, এমপিরা তাদের মাইম্যান বা পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য প্ররোচিত করতে পারবেন না। কেউ যদি এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বা কোন পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন তাহলে সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

৩. দলের ভিতরের কোন্দল হানাহানি করা যাবে না: উপজেলা নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয় ভিত্তিতে। ফলে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীতা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে কোন্দল সৃষ্টি করা যাবে না। দলের ভিতর বিভক্তি, অনৈক্য এবং সহিংসতা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের সহিংসতা যেন না হয় সে ব্যাপারটি কঠোর ভাবে দেখতে হবে বলে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ জানিয়ে দিয়েছে। 

৪. প্রার্থীদের মধ্যে অঘোষিত ঐক্য: আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে যেন একটি অঘোষিত ঐক্য হয় সে ব্যাপারেও মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে যেখানে বিএনপি এবং জামায়াত বা অন্যান্য রাজনৈতিক দল শক্তিশালী সেখানে যেন আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী না দেয় সে ব্যাপারেও স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত উপজেলা নির্বাচনে কোথাও কোথাও চারজন, কোথাও কোথাও পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়ন দিচ্ছেন। এই প্রার্থিতা যেন কমানো হয় এবং অপেক্ষাকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ উপজেলাগুলোতে যেন একক প্রার্থী দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে।

৫. কোন কারচুপি বা ভোটে অনিয়ম করা যাবে না: আওয়ামী লীগ নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, উপজেলা নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। নির্বাচনে কোন ধরনের কারচুপিকে বরদাস্ত করা হবে না। আর এ কারণেই উপজেলা নির্বাচনে যদি কেউ কারচুপি করার চেষ্টা করে বা প্রভাব বিস্তার করতে চেষ্টা করে তাহলে দল থেকেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আওয়ামী লীগ উপজেলা নির্বাচন চায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে যেখানে নির্বাচনে যারাই জিতুক না কেন সকলে এক বাক্যে বলবে যে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচন   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

তারেকের সিসিটিভি নিয়ন্ত্রিত বেগম জিয়ার বৈঠক

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ঈদের দিন রাতে বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। বৈঠকের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন যে, বৈঠকে কোন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। সিনিয়র নেতাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন, তাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেছেন। এছাড়া বেগম জিয়া বিভিন্ন নেতার পারিবারিক খোঁজখবরও নিয়েছেন। 

এই বৈঠকে রাজনৈতিক আলোচনা না হওয়ার কারণ কী—এ নিয়ে বিএনপির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মতামত পাওয়া গেছে। একাধিক সূত্র বলছে যে, বেগম জিয়া তার পুত্রের কারণেই ওই ঈদ পুনর্মিলনীতে কোন রাজনৈতিক আলোচনা করেনি। কারণ পুরো বাসাতে তারেক জিয়ার নিয়ন্ত্রিত সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া কী করেন না করেন, কী কথাবার্তা বলেন না বলেন ইত্যাদি সবই লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেখেন। 

বিএনপির মধ্যে গত কিছুদিন ধরেই বিশেষ করে ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর থেকেই তারেক জিয়াকে নিয়ে একটা নেতিবাচক অবস্থান তৈরি হয়েছে। এই নেতিবাচক অবস্থানের কারণেই এখন বেগম জিয়া রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো কথা বার্তা বলতে পারছেন না। বিএনপিতে এক ধরনের অভ্যুত্থান হয়েছে এবং এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারেক জিয়া বেগম খালেদা জিয়া সকল ক্ষমতা কুক্ষিগত করে নিয়েছেন। যদিও বিএনপির রাজনীতি এখন টালমাটাল অবস্থা। তারেক জিয়ার একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বিএনপিতে এক ধরনের অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিন্তু তারপরও তিনি (খালেদা জিয়া) এখন পর্যন্ত নিজেকে রাজনীতিতে জড়াতে পারছেন না তারেক জিয়ার বাধার কারণে।

বেগম জিয়ার সঙ্গে গতকাল যারা সাক্ষাৎ করেছেন তারা সবাই তার ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। তবে এদের মধ্যে কেউ কেউ দুই নৌকায় পা দেওয়ার মত অবস্থায় রয়েছেন। একদিকে তারা যেমন বেগম জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখতে রাখছেন, অন্যদিকে তারা তারেক জিয়ার আনুকূল্য লাভেরও চেষ্টা করছেন। বেগম জিয়া বিভিন্ন ইস্যুতে তারেক জিয়া সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। তবে তার ভিন্ন মত তিনি প্রকাশ করতেও পারছেন না। নানা কারণে বেগম জিয়া তারেকের কাছে দায়বদ্ধ বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। আর এ কারণেই বেগম জিয়া এমন কিছু বলতে চান না যাতে বিএনপির মধ্যে অসন্তোষ এবং বিভেদ আরও বেড়ে যায়। 

উল্লেখ্য যে, তারেক জিয়ার অপছন্দের একাধিক নেতাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে বেগম জিয়ার সুসম্পর্ক রয়েছে। আবার বেগম জিয়ার সঙ্গে যারা ঘনিষ্ঠ, তাদের অনেকেই তারেক জিয়া কোণঠাসা করে রেখেছেন। সবকিছু মিলিয়ে তারেক জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। আর এই কারণেই বেগম জিয়া রাজনৈতিক প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গেছেন।

বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে যে, বেগম জিয়ার সঙ্গে সরকারের একটি গোপন যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। বেগম জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন এবং সে কারণেই তিনি সরকারের বিরুদ্ধে বা রাজনীতির বিষয়ে আগ্রহী নন। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে যে, তারেক জিয়াই আসলে সরকারের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছেন এবং সেই আঁতাতের কারণেই তিনি ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের ব্যাপারে এরকম একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কার কি দোষ সেটি বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় হল তারেক জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়া এখন দুই মেরুতে অবস্থান করছেন। এটি বিএনপির জন্য একটি বড় সমস্যার বিষয়। বেগম জিয়া এই সমস্যাকে সামনে আনতেন চাননি জন্যই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ঈদের দিন কোন আলোচনাই করেননি বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তারেক জিয়া   বিএনপি   খালেদা জিয়া   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার ১৫ ঈদ কাটলো গৃহবন্দি অবস্থায়

প্রকাশ: ১০:০৬ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ফিরোজায় ঈদ উদযাপন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সকালে ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারসহ কয়েকজন কাছের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ঈদের সময় কাটান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, সকাল থেকেই ম্যাডামের আত্মীয়-স্বজনরা দেখা-সাক্ষাৎ করতে আসেন। বিকেলে লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান ভার্চ্যুয়ালি তার সঙ্গে কথা বলেন। রাতে দলের সিনিয়র নেতারা ঈদের সালাম জানাতে আসেন।

বিগত কয়েক বছর তিনি ঈদে বাসার বাইরে বের হতে পারছেন না। এমনকি পরিবারের সদস্যদের নিয়েও ঈদ উদযাপন করার সুযোগ পাচ্ছেন না। বন্দি থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এবারসহ ১৫টি ঈদ কেটেছে জেলে ও গৃহবন্দী অবস্থায় তার।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়ার পর থেকে ৭৯ বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী  খালেদা জিয়ার চারটি ঈদ কারাগারে, ১টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে, এভারকেয়ারে ১টি ঈদ এবং বাসায় গৃহবন্দি অবস্থায় ৬টি ঈদ কেটেছে। ২০১৭ সালের ২৬ জুন  চীন মৈত্রী হলে সর্বশেষ ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এই নেত্রী। এর আগে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার হয়ে দুইটি ঈদ চার দেয়ালের মধ্যেই কাটাতে হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তখন তিনি ছিলেন সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবন যেটাকে সাবজেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় খালেদা জিয়ার মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও দুইটি ঈদ কাটাতে হয়েছে বন্দী অবস্থায়।

দলটির নেতাকর্মী বলছেন, দীর্ঘ আট বছরেরও বেশি সময়  পূর্ন স্বাধীন অবস্থায় ঈদ উদযাপনের বাইরে রয়েছেন তিনি। গৃহকর্মী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যদেরকে নিয়ে ঈদের দিন কাটে খালেদা জিয়ার।

খালেদা জিয়ার এবারের ঈদও কাটলো গুলশানের বাসায়। যদিও রাতে দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং বেগম সেলিমা রহমান খালেদা জিয়ার গুলশানস্থ ফিরোজা বাসভবনে প্রবেশ করেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


খালেদা জিয়া   ১৫ ঈদ   গৃহবন্দি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে যা বললেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১০:২৫ পিএম, ১১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় তার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা। পরে সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল জানান চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপি নেতাদের রাজনৈতিক কোনো আলোচনা হয়নি।

অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসা ব্যবস্থা জোর দাবি করছি।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সেই সঙ্গে তিনি দোয়াও চেয়েছেন। খালেদা জিয়া বলেছেন, জনগণের কল্যাণের জন্যই তিনি রাজনীতি করেছেন, করছেন। 

এর আগে এদিন রাত ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশ করেন দলটির শীর্ষ নেতারা। এ সময় সেখানে ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ আরও কয়েকজন সিনিয়র নেতা।

এছাড়াও এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম খালেদা জিয়াকে ঈদ  শুভেচ্ছা জানাতে গুলশানের বাসা ফিরোজায় যান।

খালেদা জিয়া   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার বাসভবনে বিএনপির শীর্ষ নেতারা

প্রকাশ: ০৯:১৮ পিএম, ১১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

পবিত্র ঈদুল ফিতরে শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে গেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার সময় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং বেগম সেলিমা রহমান গুলশানে খালেদা জিয়ার ফিরোজা বাসভবনে প্রবেশ করেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া আজ রাতে এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ আরও কয়েকজন সিনিয়র নেতা খালেদা জিয়ার বাসভবনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

খালেদা জিয়া   বিএনপি   ঈদুল ফিতর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন