ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদাকে বিদেশ পাঠাতে কেন মরিয়া বিএনপি?

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail খালেদাকে বিদেশ পাঠাতে কেন মরিয়া বিএনপি?

বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নয় বরং তাকে বিদেশে পাঠাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিএনপি। বিএনপি এখন পুরো বিষয়টিকে এমনভাবে এনেছে যে, বিদেশে পাঠানোই যেন বেগম খালেদা জিয়ার একমাত্র চিকিৎসা। বেগম জিয়া যেন বিদেশে গেলেই সুস্থ হয়ে যাবে, যা কোনোভাবেই বিজ্ঞানসম্মত নয় এবং চিকিৎসার রীতিনীতির সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেকোনো মানুষ সুচিকিৎসার জন্য অবশ্যই বিদেশ যেতে পারেন এবং বিদেশ যাওয়াটা নির্ভর করে সুযোগ-সুবিধা এবং নানারকম সঙ্গতির উপর। কিন্তু বিএনপি নেতারা এমনভাবে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার দাবিটিকে সামনে আনছেন যেন মনে হচ্ছে যে, বিদেশে না গেলেই বোধহয় বেগম খালেদা জিয়ার অন্যকিছু হয়ে যাবে। অর্থাৎ একটি চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে অসুস্থ দেখিয়ে তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়াটাই যেন বিএনপি প্রধান লক্ষ। এর প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতাটি একটি রাজনৈতিক অসুখ? বেগম খালেদা জিয়া যে অসুস্থ এই নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। ৭৬ বৎসরের প্রবীণ একজন নারী এই বয়সে নানারকম রোগশোকে অসুস্থ থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক। এই বয়সে একজন মানুষ সবদিক থেকে সুস্থ থাকেন না। তাছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার নানা রকম জটিলতা রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। এসবের কারণে বেগম খালেদা জিয়া এই বয়সেও সুস্থ স্বাভাবিক থাকবেন এই রকম ভাবনা কোনদিনও চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্মত ভাবনা নয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, বেগম খালেদা জিয়াকে কেন বিদেশে পাঠাতে মরিয়া হয়ে উঠল বিএনপি? এটা কি তার সুচিকিৎসার জন্য নাকি এর পেছনে অন্যকোনো মতলব রয়েছে। একটু অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যে, বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর পিছনে রয়েছে একটি সুগভীর রাজনৈতিক পরিকল্পনা। বিএনপি গত দু'বছর ধরে রাজনৈতিক আন্দোলনের বদলে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের একটা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আর এই উৎখাতের ষড়যন্ত্রের প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাইবার জগতকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত প্রতিনিয়ত নানা রকম গুজব এবং অপপ্রচার সৃষ্টির মাধ্যমে এক ধরনের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকার সম্বন্ধে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করছে। বিএনপি নেতারা মনে করছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে গেলে প্রথমে বেগম খালেদা জিয়াকে সরাতে হবে। কারণ, বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশে আছেন তখন তার চিকিৎসা, তার জেলের বাইরে থাকা ইত্যাদি ইস্যুকে বিএনপির আমলে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া মনে করেন যে, খালেদা জিয়া থাকার কারণেই তিনি সবগুলো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে পারছেন না, অনেক সীমাবদ্ধতা হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়াকে যদি বিদেশে নেয়া যায় তাহলে তারেক জিয়া যা খুশি তাই করতে পারবেন।

বিএনপির বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, বাংলাদেশে এখন আন্দোলন দরকার নেই। দরকার যে কোন ষড়যন্ত্রের নিবিড় বাস্তবায়ন এবং সেটি করার মতো সক্ষমতা তারেকের আছে বলেও বিএনপির অনেক নেতারা মনে করেন। আর এ কারণেই তারা চাইছেন যে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে। সেখানে নেয়ার পর বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে একটা বিবৃতি ও তৈরি হয়ে আছে, যে বিবৃতিতে বেগম খালেদা জিয়া সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন। এরপর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ছড়ানো হবে নানা রকম অপপ্রচার,মিথ্যাচার ইত্যাদি। এইভাবে একটি অন্য রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি আসলে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন।  কারণ বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা যদি এতটাই খারাপ হতো যে তাকে তার কোন চিকিৎসাই দেশে দেয়া সম্ভব নয় তাহলে তিনি কেন এখনো এভারকেয়ার হাসপাতাল রয়েছেন, এই প্রশ্নের উত্তর বিএনপি কারো কাছে নেই। বিএনপির মূল লক্ষ্য হলো এখন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে একটি পরিবেশ তৈরি করা, সেটি কি বিএনপি পারবে?



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে বিএনপি

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করেছে বিএনপি

গত ২৫ জুন স্বপ্নের বহুমুখী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিক, বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও বিদেশি কূটনীতিকসহ মোট প্রায় অতিথি ছিলেন প্রায় ৩ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দকে। এর মধ্যে বিএনপির ৭জন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যকে  আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য। কিন্তু আমন্ত্রণপত্র পাওয়া বিএনপির এই ৭ নেতার কেউ উদ্বোধনী অনুষ্টানে উপস্থিত থাকেন নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার কারণ হিসেবে দলটির নেতারা বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তাদের পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথা বলেছেন। সেই ভয় থেকে তারা যাননি বলে জানিয়েছেন। গত ২৬ জুন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদও সংসদে একই কথা বলেছেন। সেতু পার হতে গেলে তাঁকে পদ্মা নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয় কি না, তা নিয়ে তিনি আতঙ্কে আছেন বলে জানিয়েছেন সংসদে। কিন্তু বিএনপি নেতাদের এধরনের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পর অনুষ্ঠানে যোগদান করার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এটি শুধু আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় প্রোগ্রাম ছিল না। এটি একটি রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ছিল। সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উপিস্থিতি কাম্য ছিল। আওয়ামী লীগের দলীয় জনসভা থাকলেও সেটা পৃথকভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে বিএনপি রাজনৈতিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে বলে দাবি পর্যবেক্ষকদের। এর আগেও রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করার নজির রয়েছে দলটিতে। ২০১৫ সালে ২৪ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট পুত্র কোকোর মৃত্যু হলে শোকে মূহ্যমান একজন মায়ের কাছে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে ছুটে গেছেন আরেক মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি। তাঁকে গেট থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। স্বাভাবিক ভদ্রতাটুকু দেখানোর মতোও কেউ সেখানে ছিলেন না। অথচ শেখ হাসিনার ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে জামাত নেতা ড. রিদওয়ান উল্লাহ শাহেদি, খেলাফত মজলিস নেতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল লতিফ নেজামীকে কার্যালয়ে ঢুকতে দেখা গেছে। এভাবে বিএনপি বার বার রাজনৈতিক সম্প্রীতি নষ্ট করার নজির স্থাপন করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পদ্মা সেতুর বিরোধীতাকারীদের প্রধানমন্ত্রী ফেলে দেওয়ার কথা বলেছেন কিন্তু আসলেই তিনি ফেলে দিতেন, কখনোই তিনি এই কাজ করতেন না। প্রধানমন্ত্রী তার ওই কথার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দিয়েছেন। আর বিএনপি নেতারা যে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে তা যুুক্তি সঙ্গত নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, অনেকেই অনেক কথা বলেন কিন্তু  যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়। তিনি বলেন, আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের অর্জন অনেক। আপনাদের বলতে হবে এ দেশের জনগণকে। জনগণ কোনো দিন ভুল করে না।

সোমবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক মাঠে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ২৪ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।  

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা ভুল করি। আমরা জনগণের কাছে যাই না। নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে যাবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলবেন, যেটা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব সময় করে থাকেন। সেই জায়গা থেকে আপনারা বিচলিত হবেন না। তাহলে আমরা কোনদিন অন্ধকারে নিমজ্জিত হবো না।

স্বাস্থ্যে এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আমরা এগিয়ে গেছি বলেই করোনা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭৩ বছর বয়সে চলে গিয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের নতুন বছরের শুরুতে নতুন বই দিচ্ছি। এটাই হলো প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শী নেতৃত্ব। দূরদর্শী নেত্রীর জন্য আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিউল্লা সফির সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।

আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

প্রকাশ: ০৮:৫৪ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার সাধ্য অনুযায়ী পুনর্বাসনসহ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করার চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ।তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী ইউনিয়নভিত্তিক মানুষের ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। 

সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হানিফ এসব কথা বলেন। এর আগে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা এবং সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। এ সময় দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, যখন দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়, তখন সরকারের প্রথম কাজ থাকে মানুষকে প্রাণে বাঁচানো। তারপর কার কী ক্ষতি হলো সেটা খুঁজে বের করা হয়। বৃহত্তর সিলেট এবার ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। আগামীতে যে এমন বন্যা আসবে না তা বলা যায় না। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫৪টি নদী ড্রেজিং করে গভীর করা খুবই চ্যালেঞ্জিং মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারপরও সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।

হানিফ আরও বলেন, আমাদের দেশে সরকার বা সাংবাদিক কিছু একটা বললেই নেতিবাচক মন্তব্য চলে আসে। নেতিবাচক বক্তব্য দেশের জন্য কখনোই ভালো নয়। বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এর একমাত্র কারণ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব (লিডারশিপ)। 

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্যই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে একটি মর্যাদার জায়গায়। তার জন্যই পদ্মা সেতুর মতো একটি বিস্ময় বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছে। এটি শুধু একটি সেতু নয়, এটি আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতুর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহী।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রমুখ।

বন্যার্তদের   পুনর্বাসন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জুলুমবাজ, দখলবাজ, অনির্বাচিত, অবৈধ, নির্যাতনকারী একটা সরকারের অধীনে আমরা আছি। বাংলাদেশের বর্তমান যে প্রেক্ষাপট তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনও ঘটেনি। 

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বাড্ডা থানার ২১,৩৭, ৩৮, ৪১, ৪২ ও সাংগঠনিক ৯৭ নম্বর ওয়ার্ড সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সরকারের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে না। তাদের সবকিছু সমস্ত সিদ্ধান্ত লুটপাটের পক্ষে। 

আমানউল্লাহ আমান বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের মধ্যে খাবার নেই। হাহাকার চলছে। অথচ সরকার দেশের মানুষের দিকে নজর দিচ্ছে না। সরকারের কাছ থেকে আশানুরূপ ত্রাণ যাচ্ছে না। একদিকে বানভাসিদের চোখের পানি ঝরছে। 

আমিনুল হক বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন থেকে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণকে মুক্ত করতে হলে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য তিনি সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথের গণআন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব সদস্য আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন, আব্দুল আলীম নকী, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এ জি এম শামসুল হক, আক্তার হোসেন, তুহিরুল ইসলাম তুহিন, রেজাউল রহমান ফাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, এবিএমএ রাজ্জাক, বাড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, ভাটারা থানা বিএনপির মো. সেলিম মিয়া, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির মো. আব্দুস ছালাম, বিমান বন্দর থানা বিএনপির দেলোয়ার হোসেন দিলু প্রমুখ। 
আমীর খসরু আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যে জুলুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, হত্যা হয়েছে, তাকেও অতিক্রম করে গেছে আজকের এ প্রেক্ষাপট। আওয়ামী সরকার জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখল করে অব্যাহতভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্যে কাজ করছে। 

আমীর খসরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই: আ স ম আবদুর রব

প্রকাশ: ০৫:৪২ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই: আ স ম আবদুর রব

পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই মন্তব্য করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, নিজস্ব টাকায় নির্মিত পদ্মা সেতু দেশের অন্যতম কীর্তি এবং জনগণ এই কীর্তির গর্বিত অংশীদার। পদ্মা সেতুর অনিবার্যতা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিন্দুমাত্র বিরোধিতা বা দ্বিমত নেই, নেই কোনো বিরোধীপক্ষও। তারপরও সরকার এই জাতীয় প্রশ্নটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্কিত করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।

সোমবার (২৭ জুন) ঢাকা মহানগর উত্তর জেএসডির প্রতিনিধি সভায় দেশের বাহিরে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর উত্তরায় অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন কামাল উদ্দিন মজুমদার সাজু।

আ স ম আবদুর রব বলেন, দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘যুগান্তকারী স্থাপনা’ পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে পদ্মা সেতুর ‘কল্পিত বিরোধীপক্ষ’ আবিষ্কার একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে ষড়যন্ত্র বা নাশকতার আশঙ্কা করে সরকারের মনগড়া ও অবিবেচনাপ্রসূত বক্তব্য বর্হিবিশ্বে জাতির মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। এসব অমূলক আশঙ্কা যে অসাড় ও অর্থহীন তা এরইমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

সভায় জেএসডির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার প্রশ্নে অবশ্যই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মীমাংসিত প্রশ্নগুলোকে অমীমাংসিত পথে ধাবিত করার যেকোনো প্রবণতা থেকে সবাইকে অবশ্যই মুক্ত থাকতে হবে।

প্রতিনিধি সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট সৈয়দা ফাতেমা হেনা, অধ্যাপক ইউসুফ সিরাজ খান মিন্টু, মোশারেফ হোসেন মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাইনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নাসিম, আব্দুল মান্নান, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী রোমান, শফিকুল ইসলাম শফিক, ফারজানা দিবা প্রমুখ।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন