ইনসাইড পলিটিক্স

বেগম জিয়ার বিদেশ যাত্রা নিয়ে ৭২ চিকিৎসকের পাল্টা বিবৃতি

প্রকাশ: ০৯:০৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail বেগম জিয়ার বিদেশ যাত্রা নিয়ে ৭২ চিকিৎসকের পাল্টা বিবৃতি

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ সম্পর্কে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন বিএমএ ও বিএসএমএমইউ এর সাবেক উপাচার্য সহ দেশের ৭২ জন খ্যতিমান চিকিৎসক।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) এই বিবৃতি দেয়া হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সাম্প্রদায়িকতা, অগণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্য ঠিকানা বিএনপি : কাদের

প্রকাশ: ১০:৩০ এএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখনও সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি, জঙ্গিবাদী শক্তি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সক্রিয়। এদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি। বিএনপি হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা, অগণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্য ঠিকানা। গণতন্ত্র বিকাশে অন্তরায়।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র বিকাশে সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের ভূমিকা জরুরি। নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রাণ। সেই নির্বাচন আমরা জানি কী ভাবে হয়েছে। ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার, ১৫ ফেব্রুয়ারির সে প্রহসনের নির্বাচন। 

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন তিনি। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য রয়েছে, এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না সেটা আমরা আজও জানি না। কোনো দিন জানা যাবে সেটাও এই মুহূর্তে বলা যাবে না। হোসেন সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের মানসপুত্র। গণতন্ত্রই তার জীবনের মূল ভিত্তি। তিনি বলেছেন, শাসনতন্ত্রেরপ্রশ্নে জনগণের রায়ই শেষ কথা। আজ জনগণই হচ্ছে আমাদের ক্ষমতার উৎস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিকাশের প্রক্রিয়া পদে পদে বাধার মুখে রয়েছে। কণ্টকাকীর্ণ পথ। এখানে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের শৃঙ্খল ঘটেছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর গণতন্ত্রের জন্য তিনি লড়াই শুরু করেন। সারা দেশ ঘুরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধের মুল্যবোধের পক্ষে, স্বাধীনতার আদেশের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে তিনি ক্যাম্পিং করেন। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্রের শৃঙ্খল মুক্তি ঘটিয়েছেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজি, আজিজুস সামাদ আজাদ (ডন) ও সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমুখ 


ওবায়দুল কাদের   বিএনপি   গণতন্ত্র   বাংলাদেশ   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপির ১০ ডিসেম্বর পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

১০ ডিসেম্বর আসতে বাকি এখনো পাঁচদিন। ওই দিন ঢাকায় মহাসমাবেশ ডেকেছে বিএনপি। সারাদেশে থেকে লোক ঢাকায় এনে গণজমায়েত করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এর মধ্য দিয়ে সরকারকে একটি বার্তা দিতে চায় বিএনপি। নিজেদের জনপ্রিয় প্রমাণ করতে চায় তারা। ইতোমধ্যে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে আদেবন করলে জনস্বার্থে অনুমতি পায়নি বিএনপি। সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়া হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে। কিন্তু সেখানে সমাবেশ করতে নারাজ বিএনপি। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি এবং ডিএমপির মধ্যে এক ধরনের ত্রিমূখী লড়াই চলছে। বিএনপির নেতারা বলেন, তারা যেকোনো মূল্যেই নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে। কোনো ভাবেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে যাবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে অনুমোদিত স্থলেই বিএনপিকে সমাবেশ করতে হবে। নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ব্যাপারে বিএনপির অনড় অবস্থানের জন্য ১০ ডিসেম্বর দলটির সমাবেশের আসল উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনকে সরকারের ফাঁদ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে বিএনপি।

এদিকে ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যোন ছাড়া নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না বিএনপিকে। এর ব্যয়ত ঘটলে বিএনপিকে আইনের আওতায় আনা হবে। এমন পরিস্থিতি সারাদেশ ব্যাপী এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রশ্ন কি হতে যাচ্ছে আগামী ১০ ডিসেম্বর। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা রকম কথাবার্তার ডাল পালা ছড়িয়ে। বিশেষ করে মহাসমাবেশের মতো কর্মসূচি বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে না করে নয়াপল্টনেই করতে কেন অনড় রয়েছে। তাহলে কি বিএনপি সেদিন কোনো ধরনের নাশকতা করতে চায়? তবে সমস্ত আশঙ্কায় জল ঢাললো বিএনপির গতকালের জরুরী সংবাদ সন্মেলন। সংবাদ সন্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সমাবেশের বিকল্প স্থানের প্রস্তাব পেলে তারা ভেবে দেখবে। গতকালই বিকেলে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সাথে দেখা করেছে। জানা গেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তুরাগ নদীর তীর ব্যতীত রাজধানীতে বিকল্প প্রস্তাব দিলে বিবেচনা করবে বিএনপি।

তবে হঠাৎ বিএনপির পিছু টানকে কেউ কেউ দলটির কৌশল মনে করছেন। তারা বলছেন যে, বিএনপি বিকল্প স্থানের প্রস্তাবের কথা ভেবে দেখা কথা বললেও শেষ পর্যন্ত নয়াপল্টনেই হয়তো সমাবেশ করবে। এখন তাদের অবস্থান পরিবর্তন করার কথা ভাবছে মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে। কারণ গত কয়েক দিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে তৎপরতা শুরু করেছে তাতে বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর নজর ভিন্ন কাতে নিতেই বিএনপি তাদের বিবেচনার কথা বলছে। আবার কোন কোন মহল মনে করছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএনপির পূর্ব পরিকল্পনা আসলে ভেস্তে যেতে বসেছে। এখন দেখা বিষয় বিএনপি শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান থেকে সরে আসে কিনা।


বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   বাংলাদেশ   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপির গণসমাবেশের বিকল্প স্থান হতে পারে আরামবাগ

প্রকাশ: ০৮:৫৩ এএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশের স্থান পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে ‘আরামবাগ আইডিয়াল স্কুলের সামনে’ প্রস্তাব দিতে পারে দলটি।

আজ সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিএনপির পক্ষ থেকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব দেবেন।

আরামবাগ মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে মঞ্চ করে তার পাশে ফকিরাপুল পেট্রোলপাম্প থেকে পীরজঙ্গি মাজারসহ চারপাশের কিছু এলাকা পর্যন্ত সমাবেশের বিস্তৃতি যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয় বিএনপি। তবে যানজট ও নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টির কারণ দেখিয়ে গত ২৯ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিএনপিকে দেওয়া অনুমতিপত্রে সমাবেশের জন্য ২৬টি শর্ত জুড়ে দেয় ডিএমপি। তবে বিএনপির নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বলে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়া ঢাকার ভেতরে সমাবেশের জন্য বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ বানচাল করতে সরকারের নানামুখী দমননীতি এখন সর্বসাধারণের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

এদিকে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ১০ ডিসেম্বরের ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের অনুমতি না পেয়ে বিএনপি এখন সমাবেশের জন্য নতুন ভেন্যু খুঁজছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে পুলিশের আশা, শেষ পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই বিএনপি তাদের গণসমাবেশ করবে।


বিএনপি   গণসমাবেশ   ১০ ডিসেম্বর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ছাত্রলীগের শীর্ষ ২ পদে প্রার্থী ২৫৪ জন

প্রকাশ: ০৮:৪১ এএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অভিভাবক, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনের পর ঘোষণা করা হবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নতুন নেতৃত্ব।

ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য এবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৫৪ জন। তাঁদের মধ্যে ৯৬ জন সভাপতি ও ১৫৮ জন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।

তবে সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্রলীগে প্রার্থীর ছড়াছড়ি নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগের তিন সম্মেলনেও শীর্ষ দুই পদের জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন কয়েক শ নেতা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে বেশির ভাগ প্রার্থীই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন অথবা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। অনেকেরই প্রার্থী হওয়ার কারণ ‘অর্থযোগের’ হাতছানি বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতারা।

গত তিন সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে শীর্ষ নেতা নির্বাচিত বা মনোনীত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এবারও এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব মনোনীত করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ফলে জাতীয় সম্মেলন ঘিরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দুই বছর পরপর ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও কখনো তা হয়নি। নিয়মিত সম্মেলন না হওয়ায় প্রার্থীর সংখ্যা এত বেশি হয় বলে মনে করেন সাবেক-বর্তমান বেশির ভাগ নেতা।


ছাত্রলীগ   কেন্দ্রীয় সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশের বিকল্প স্থান হতে পারে আরামবাগ

প্রকাশ: ১১:৩৫ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিএনপি আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের স্থান পরিবর্তনের বিষয়ে নমনীয় হয়েছে। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে ‘আরামবাগ আইডিয়াল স্কুলের সামনে’ প্রস্তাব দিতে পারে দলটি। আগামীকাল সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দলের পক্ষ থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিকল্প এই স্থানের নাম প্রস্তাব করতে পারেন।

আরামবাগ মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে মঞ্চ করে তার পাশে ফকিরাপুল পেট্রোলপাম্প থেকে পীরজঙ্গি মাজারসহ চারপাশের কিছু এলাকা পর্যন্ত যেতে পারে সমাবেশের বিস্তৃতি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গণসমাবেশের বিকল্প ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমরা নয়াপল্টনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার ব্যাপারে এখনো অনড়। গতকাল মতিঝিল জোন পুলিশের উপ-কমিশনার হায়েদুজ্জামানের নেতৃত্বে তাদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তারা এ বিষয়ে বিকল্প কোনো প্রস্তাব দিতে পারেন।
 
আরামবাগ আইডিয়াল স্কুলের সামনে বিএনপির বিকল্প ভেন্যু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, আলোচনায় চলছে। সোমবারের বৈঠকে ভেন্যু’র বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন