ইনসাইড ট্রেড

পুঁজিবাজারে টানা পতনের ধারা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বেশ কদিনের তেজি ভাবের পরে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে পুজিবাজারে। তেজি থাকা পুঁজিবাজার আবারও দরপতনের মুখে পড়েছে। টানা সাত কার্যদিবস ধরে অব্যাহত রয়েছে সূচকের পতন। ফলে অজানা আতঙ্ক বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মনে। গতকাল এক দিনেই সূচক কমেছে ৮৯ পয়েন্ট। ফলে সার্বিক সূচক কমে ৭ হাজার ৯৭ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি কারণে বাজারে পতন চলছে। সহসাই বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা তাঁদের। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল ১৮ অক্টোবর দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়। সেই সঙ্গে শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের। লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের পাঁচ মিনিট না যেতেই বদলে যায় বাজারের পুরো চিত্র।

একপর্যায়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হতে থাকে। ফলে ২০ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৪৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। এরপর সূচক কিছু বাড়লেও বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে টানা নিচের দিকে নামতে থাকে সূচক, পরবর্তী সময়ে এ পতন ১৩০ পয়েন্ট গিয়ে পৌঁছায়। টানা সূচক পতনে উদ্বিগ্ন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। গতকাল কয়েকজন বিনিয়োগকারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাজারে কী হচ্ছে তাঁরা বুঝতে পারছেন না। অব্যাহতভাবে সূচকের পতনে তাঁরা উদ্বেগে আছেন। এ ব্যাপারে বিএসইসির কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মার্চেন্টস ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছায়েদুর রহমান বলেন, বিনিয়োগ নিয়ে কয়েকটি ব্যাংকের ওপর চাপ ছিল। এ ছাড়া তিনি মার্জিন রেশিও নিয়ে বিএসইসির একটি নির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বিএসইসি আট হাজার ইনডেক্স পর্যন্ত মার্জিন রেশিও পয়েন্ট ৮ থাকবে বলে জানিয়েছিল। আট হাজার পার হলে এ রেশিও কমে যাবে। এটাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। সত্যিকার অর্থে বাজারে পয়েন্ট ৮ নেই। এটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। আমরা এ ব্যাপারে আগে থেকেই সতর্ক আছি। তিনি আরও বলেন, ‘বাজার নিজস্ব গতিতেই দাঁড়াচ্ছে। মার্জিননির্ভর বাজার আমরা চাই না। মার্জিন আমাদের ব্যবসা নয়। এই সব কিছু মিলিয়েই বাজারের গতি একটু কমেছে। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। গতকালের বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, লেনদেনের শেষ দিকে এসে কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে। এতে সূচকের পতনের মাত্রা কিছুটা কম হয়। তারপরও ধসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শেয়ারবাজার। প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি কমেছে ডিএসইর অপর দুই সূচক। এর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়লেও কমেছে ৩২৪টির দাম। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির দাম। বাজারে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা, ডেলটা লাইফ, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ফরচুন সুজ, বেক্সিমকো, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, জিনেক্স ইনফোসিসি এবং পাওয়ার গ্রিড।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩১৪ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫৭টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

১০০ টি ‘শিপ টু শিপ’ এলপিজি ট্রান্সফার সম্পন্ন করলো বসুন্ধরা এলপি গ্যাস

প্রকাশ: ০৫:৪৬ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

১০০ টি সফল শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার এর মাইলফলক অর্জন উপলক্ষে, ১৯ জানুয়ারি, ২০২২, বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শিপিং ইউনিটের প্রধান জনাব ক্যাপ্টেন রুহুল আমিন (সি.ও.ও, শিপিং এন্ড লজিস্টিকস, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ) এবং তার টিমকে আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, বসুন্ধরা গ্ৰুপের সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান, জনাব সাফিয়াত সোবহান।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জনাব নাসিমুল হাই (সিনিয়র ই.ডি. এবং কোম্পানি সেক্রেটারী, কোম্পানী অ্যাফেয়ার্স এন্ড সেক্রেটারি ডিভিশন, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব শওকত আকবর (সি.ও.ও. ব্যাংকিং ডিভিশন, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব ক্যাপ্টেন শেখ এহ্সান রেজা (চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব এম এম জসীম উদ্দিন (সি.ও.ও, ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ সেলস, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিঃ), চৌধুরী এ.কে.এম. শামসুদ্দীন আহমেদ, (হেড অফ প্রজেক্ট অপারেশন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিঃ), জনাব সরোয়ার হোসেন সোহাগ (জিএম, সাপ্লাই চেইন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিঃ) সহ আরও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।

"বিএলপিজি ওয়ারিওর" এবং "বিএলপিজি চ্যালেঞ্জার" ভি.এল.জি.সি (ভেরি লার্জ গ্যাস ক্যারিয়ার) নামে দুইটি বিশেষ জাহাজে বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় বহিঃনোঙ্গরে বসুন্ধরার লাইটার ভেসেলে নামানো হয় এলপিজি। এই পদ্ধতিতে ব্যয়সঙ্কোচ হওয়াতে পরিবহন খরচ যেমন হ্রাস পায়, পণ্যের দামও সহজলভ্য হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়টি হলো মধ্যস্বত্বভোগীরা এই পদ্ধতিতে সুবিধাভোগ করতে পারে না।

এই বিষয়ে বসুন্ধরা গ্ৰুপের সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সাফিয়াত সোবহান বলেন, আমাদের দেশে কেউ কখনও চিন্তা করেনি এলপিজি শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার করা যাবে। বসুন্ধরা এলপিজি-ই এমন দুঃসাহসিক কাজ শুধু শুরুই করেনি, বরং ১০০ বার শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার করেছে নিজস্ব ভি.এল.জি.সি জাহাজের মাধ্যমে। এই কার্যক্রমটি শুধুমাত্র আমাদের জন্যই মাইলফলক নয়, বরং বাংলাদেশের এলপিজি ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটি দৃষ্টান্তস্থাপনীয় অর্জন। আমাদের এই কার্যক্রম চলবেই, এবং আমরা আশাবাদী অতি দ্রুত আমরা লক্ষাধিক শিপ-টু-শিপ ট্রান্সফার অর্জন করতে সক্ষম হবো।

জনাব ক্যাপ্টেন রুহুল আমিন বলেন, সত্যিই এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। প্রথমত সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান স্যারকে ধন্যবাদ আমাকে এবং আমাদের টিম কে সম্মাননা প্রদানের জন্য। পুরো বিশ্বে স্বল্পসংখ্যক ভি.এল.জি.সির মধ্যে বাংলাদেশে আমরাই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যাদের দুইটি ভি.এল.জি.সি ভেসেল বিদ্যমান। বিশ্বের বুকে আমাদের জন্য এ এক অনন্য অর্জন এবং সত্যিকার অর্থেই আজ ভাইস চেয়ারম্যান স্যারের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস শুধু নয় বরং দেশের পরিচিতিতেও এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।   

জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ সেলস, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিঃ) এ বিষয়ে বলেন, সাধারণ ভোক্তাদের কাছে, সুলভ মূল্যে, সঠিক সময়ে, গ্যাস পৌঁছে দেয়ার যে অঙ্গীকার আমাদের তা অক্ষুন্ন রাখতেই আমাদের এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ। যেহেতু বর্তমানে আমাদের দুইটি ভিএলজিসি এবং এছাড়াও কিছু নতুন প্রেসারাইজ্ড ভেসেল যুক্ত হয়েছে, আমরা আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যেই আরও অধিক STS আমরা সম্পন্ন করতে পারবো। এছাড়াও আমাদের রয়েছে ৬ টি ইনল্যান্ড বা অভ্যন্তরীন ভেসেল, যেগুলোর সাহায্যে আমরা অতি দ্রুত এলপিজি পণ্য সরবরাহ করে থাকি। এসটিএস অপারেশন এখন দেশে এলপিজি পণ্য পরিবহণ এবং অর্থনীতিতে গেম চেঞ্জার হতে চলেছে।


বসুন্ধরা গ্রুপ   এলপিজি গ্যাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

মুরগির দাম কমলেও সবজির বাজার চড়া

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মুরগির দাম অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আজ শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কমলেও ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। এমনকি সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বাড়ার ঘটনা ঘটেছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে শশার দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে শশার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ফুলকপি ও শিম। 

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা শশার কেজি বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে শশার কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে শশার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে।

শশার পাশাপাশি গেলো এক সপ্তাহে বেড়েছে ফুলকপির দাম। গত সপ্তাহে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ফুলকপির দাম বেড়ে ৪০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে বেড়েছে শিমের দাম। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে পাকা টমেটো, গাজর, মুলা, শালগমের। গত সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগমের (ওল কপি) কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এছাড়া বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাক বিক্রি হচ্ছে। আর পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এগুলোর দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা।

এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। নলামাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজার   মুরগি   সবজি   মাছ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

ক্রেতা-দর্শনার্থী টানতে ছাড় বাণিজ্য মেলায়

প্রকাশ: ১০:২৭ এএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নির্বাচনি উত্তাপ কাটিয়ে নির্ধারিত সময়ের ৮দিন পর শুরু হয়েছে ২৪তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। দেরিতে শুরু হলেও আগ্রহ কমেনি ক্রেতা-দর্শনার্থীদের। প্রতিদিনই মেলায় ভিড় জমাচ্ছেন তারা। তবে দোকান অসম্পূর্ণ থাকাসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় শুরু থেকে কিছুটা জৌলুসহীন থাকলেও সপ্তাহ না পেরোতেই চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় এই বাণিজ্য মেলা। বাড়ছে দর্শক সমাগম। আর দর্শকদের মেলামুখী করতে ব্যবসায়ীরাও আকর্ষণীয় অফারে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছেন। গত মঙ্গলবার মেলার ১১তম দিন বিপুল দর্শক সমাগম দেখা গেছে।

পূর্বাচলের বাণিজ্য মেলা সফল করতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখনো মেলায় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি। পণ্য মূল্যে ছাড় দিয়ে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। 

এ বিষয়ে ইস্পাহানি মির্জাপুর (ট্রেড মার্কেটিং) এক্সিকিউটিভ মো. মুন রহমান জানান, ইস্পাহানি মির্জাপুরের পণ্য আকর্ষণীয় মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। মির্জাপুর ৪০০ গ্রামের চায়ের প্যাকেটের মূল্য ২১০ টাকা। মেলায় ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। পার্বণ চিনিগুঁড়া চাল এক কেজি ১৩০ টাকা, মেলায় বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা। ৭৫০ গ্রামের আইস ইসপি ড্রিংকস পাউডার ৪১০ টাকা, মেলায় বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা।

নাবিক্সো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ফ্যাক্টার লিমিটেডের সিনিয়র শ্রমকল্যাণ কর্মকর্তা মো. জাহান আলী বলেন, দর্শকদের মেলামুখী করতে বিভিন্ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হচ্ছে। বালিং গোল্ডেন বাইট, সুগার ফ্রি পাইনাপেল, বাটার কুকিজ, সুগার ফ্রি বিস্কুট, অলটাইম, এলাচি, ক্লাঞ্চি, নাট কুকিজসহ ১৪টি আইটেম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। এ ছাড়া ঝাল-টক নামে আরেকটি প্যাকেজ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেখানে ১৩টি আইটেমের বিস্কুট রয়েছে।

উল্লেখ্য, এবারের বাণিজ্য মেলায় ১১টি দেশের ২২৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল এবং ১৫টি খাবারের দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলার গেট ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের (মেসার্স মীর ব্রার্দাস) অপারেশন ম্যানেজার মো. সাইদুর রহমান জানান, মেলা উদ্বোধনের দিন থেকে এ পর্যন্ত এক লাখ ১২ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। ১১তম দিনে প্রায় ২২ হাজার টিকিট এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। টিকিট বিক্রি আরো বাড়তে পারে।

বাণিজ্য মেলা   পূর্বাচল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

টগি সার্ভিসেস ও লেনোভোর ‘পার্টনার মিট’ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১২:৩২ পিএম, ০৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান শীর্ষ প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার পণ্য পরিবেশক টগি সার্ভিসেস লিমিটেড ও লেনোভো বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ‘পার্টনার মিট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ‘বিইয়ন্ড দ্যা বিজনেস’ স্লোগানে ঢাকাস্থ পার্টনারদের নিয়ে এই ‘পার্টনার মিট’ অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান ও টগি সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফওয়ান সোবহান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন টগি সার্ভিসেস লিমিটেডের অপরেশনাল ইনচার্জ মো. উজ্জল মোল্লা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহেদ উল মুনির, মাল্টিপ্লান কম্পিউটার সিটি সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সরকার, এলিফ্যান্ট রোড কম্পিউটার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, আইডিবি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি পিনু চৌধুরী, রায়ান্স আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান, স্টার টেকের পরিচালক জাহিদ আলী ভূঁইয়া, লেনোভো বাংলাদেশের আঞ্চলিক চ্যানেল ম্যানেজার হাসান রিয়াজ জিতু ও বাংলাদেশের এরিয়া সেলস অফিসার সৈয়দ মিরাজসহ টগি-লেনোভোর কর্মকর্তারা এবং দেশের শতাধিক প্রযুক্তিপণ্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও টগি সার্ভিসেস লিমিটেডেরর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফওয়ান সোবহান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ যেটা শুরু করে সেটা নাম্বার ওয়ানে থাকে। যেমন- হাউজিং, পেপার, সিমেন্ট, এলপিজি ও মিডিয়াসহ বেশ কয়েকটি সেক্টরে আমরা নাম্বার ওয়ান।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা যেই সেক্টরে প্রবেশ করি, তা শর্ট টাইম প্ল্যান নিয়ে করি না। মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে আমাদের দুটি ব্লক আছে একটি ৫০০ একরের, আরেকটি ৪৮৬ একরের। সেখানে বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টরির কাজ চলছে। সেখানে ১০০ একর জমি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি শুধু আইটি পণ্য উৎপাদনের জন্য। মংলায় আমাদের আরেকটি ইকোনমিক জোন আছে সেখানেও আইটি পণ্য উৎপাদনের জন্য জমি রেখেছি।’

সাফওয়ান সোবহান বলেন, ‘বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির বিশাল বড় বাজার। টগি সার্ভিসেস লিমিটেড দেশের বাজারে দেরিতে আসলেও বাজারে একটি আস্থার জায়গা করে নিচ্ছে। কারণ বসুন্ধরা গ্রুপ সবসময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে। আমরা আমাদের কাস্টমারদের সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বোচ্চ মানের পণ্য দিবো। ব্যবসায়ী পার্টনারদেরও সুবিধা থাকবে।’

লেনোভো বাংলাদেশের আঞ্চলিক চ্যানেল ম্যানেজার হাসান রিয়াজ জিতু, অনুষ্ঠানে বিশ্ববাজারে তথ্য ও প্রযুক্তির পরিসংখ্যান এবং দেশের বাজারে তথ্য ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাময় চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর টগি সার্ভিসেস লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়।

বসুন্ধরা গ্রুপ   সায়েম সোবহান আনভীর   লেনোভো  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

দাম কমলো এলপিজি সিলিন্ডারের

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ০৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নতুন বছরের শুরুতেই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম কমেছে। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর ফলে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ালো এক হাজার ১৭৮ টাকায়।

আজ সোমবার (৩ জানুয়ারি) সকালে এ ঘোষণা দেয় বিইআরসি। সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এ দাম কার্যকর হবে বলে জানায় সংস্থাটি।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে (ভোক্তা পর্যায়ে) মূসক ব্যতীত মূল্য প্রতি কেজি ৯২ দশমিক ৩ টাকা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ৯৮ দশমিক ১৭ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। সে অনুযায়ী রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির মূসকসহ মূল্য এক হাজার ১৭৮ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

গত বছর টানা পাঁচদফা এলপিজির দাম বাড়ে। এতে সবশেষ ৪ নভেম্বর ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম মূসকসহ এক হাজার ৩১৩ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। যা ছিল গত বছরের সর্বোচ্চ দাম। পরে ৩ ডিসেম্বর দাম কমিয়ে এক হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এলপিজি   বিইআরসি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন