ইনসাইড ট্রেড

পুঁজিবাজারে টানা পতনের ধারা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail পুঁজিবাজারে টানা পতনের ধারা

বেশ কদিনের তেজি ভাবের পরে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে পুজিবাজারে। তেজি থাকা পুঁজিবাজার আবারও দরপতনের মুখে পড়েছে। টানা সাত কার্যদিবস ধরে অব্যাহত রয়েছে সূচকের পতন। ফলে অজানা আতঙ্ক বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মনে। গতকাল এক দিনেই সূচক কমেছে ৮৯ পয়েন্ট। ফলে সার্বিক সূচক কমে ৭ হাজার ৯৭ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি কারণে বাজারে পতন চলছে। সহসাই বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা তাঁদের। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল ১৮ অক্টোবর দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়। সেই সঙ্গে শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের। লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের পাঁচ মিনিট না যেতেই বদলে যায় বাজারের পুরো চিত্র।

একপর্যায়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হতে থাকে। ফলে ২০ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৪৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। এরপর সূচক কিছু বাড়লেও বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে টানা নিচের দিকে নামতে থাকে সূচক, পরবর্তী সময়ে এ পতন ১৩০ পয়েন্ট গিয়ে পৌঁছায়। টানা সূচক পতনে উদ্বিগ্ন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। গতকাল কয়েকজন বিনিয়োগকারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাজারে কী হচ্ছে তাঁরা বুঝতে পারছেন না। অব্যাহতভাবে সূচকের পতনে তাঁরা উদ্বেগে আছেন। এ ব্যাপারে বিএসইসির কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মার্চেন্টস ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছায়েদুর রহমান বলেন, বিনিয়োগ নিয়ে কয়েকটি ব্যাংকের ওপর চাপ ছিল। এ ছাড়া তিনি মার্জিন রেশিও নিয়ে বিএসইসির একটি নির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বিএসইসি আট হাজার ইনডেক্স পর্যন্ত মার্জিন রেশিও পয়েন্ট ৮ থাকবে বলে জানিয়েছিল। আট হাজার পার হলে এ রেশিও কমে যাবে। এটাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। সত্যিকার অর্থে বাজারে পয়েন্ট ৮ নেই। এটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। আমরা এ ব্যাপারে আগে থেকেই সতর্ক আছি। তিনি আরও বলেন, ‘বাজার নিজস্ব গতিতেই দাঁড়াচ্ছে। মার্জিননির্ভর বাজার আমরা চাই না। মার্জিন আমাদের ব্যবসা নয়। এই সব কিছু মিলিয়েই বাজারের গতি একটু কমেছে। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। গতকালের বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, লেনদেনের শেষ দিকে এসে কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে। এতে সূচকের পতনের মাত্রা কিছুটা কম হয়। তারপরও ধসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শেয়ারবাজার। প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি কমেছে ডিএসইর অপর দুই সূচক। এর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়লেও কমেছে ৩২৪টির দাম। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির দাম। বাজারে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা, ডেলটা লাইফ, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ফরচুন সুজ, বেক্সিমকো, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, জিনেক্স ইনফোসিসি এবং পাওয়ার গ্রিড।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩১৪ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫৭টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

বরগুনায় একটি ইলিশ ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন হয়েছিল। 

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিষখালী নদীতে জাল ফেলে সদরের পরীরখাল গ্রামের জেলে অলি আহম্মেদ। দুপুরের দিকে জাল তুললে তিনি দেখতে পান বিশাল সাইজের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। এরপর ইলিশটি বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারের ইদ্রিস মিয়ার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি নিলামের মাধ্যমে ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনার মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, সচরাচর এত বড় ইলিশ জালে ধরা পড়ে না। এখন মাঝে-মধ্যেই বড় বড় ইলিশ পাওয়ার খবর পাচ্ছি। জেলেরা নিষেধাজ্ঞার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে, তাই সুবিধাও ভোগ করছে। নিষেধাজ্ঞা মানায় সাগর ও নদীর ইলিশগুলো বড় হতে পারছে।

ইলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

কমছে না সবজির দাম, মাছ-মাংস, ডিমেও অস্বস্তি

প্রকাশ: ১২:৫৮ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সবজির বাজারে কমছে না দাম, মাছ,মাংস,ডিমেও অস্বস্তি

নিত্যপন্যের দাম কমার ইঙ্গিত থাকলেও কমছে না সবজি সহ অন্যান্য পন্যের দাম। বাজার ঘুরে দেখা যায় ৬০ টাকার নিচে কোন সবজি নেই। বাজারে পর্যাপ্ত সবজির সরবরাহ থাকলেও দাম কমছেনা সবজির। অপরদিকে মাছ, মাংস সহ দাম বেড়েছে অন্যান্য নিত্যপন্যেরো।

রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে সিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুন্দলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এছাড়া আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এছাড়া রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা আর আদা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ সবজির দামই বেড়েছে। কাঁচা মরিচের ঝাঁজ কমলেও কমেনি গাজর ও টমেটোর দাম।  সবজির বাজারে ক্রেতাদের মুখে অসন্তোষ স্পষ্ট। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম বাড়ার স্পষ্ট কারণ জানা নেই। অধিকাংশ সবজির দামই গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। 

সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, বেগুন গত সপ্তাহে কিনেছি ৬৫ টাকায়। আজ তা কিনতে হয়েছে ৭৫ টাকায়। বিক্রি তো ৮০ টাকার নিচে করা যাচ্ছে না। গোল বেগুন ৯০, লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বেচতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেও ঢেড়স ছিল ৫০ টাকা, আজ তা ৭০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কাকরোলে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহেও যা ছিল ৫০ টাকা, আজ ৭০, শশা ৭০ টাকা কেজি। 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বেড়েছে ডিমের দামও।ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা। ডিমের বাড়তি দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল আলেম নামের এক দোকানি জানান, ডিমের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কিছুটা কমেছে।

শাক-সবজির মত মাছের দামও বাড়তি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ২৫০ টাকা, পাঙাস ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ আকার ভেদে ৫০০-৭৫০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৬০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের খুচরা বাজারে আটাশ চালের কেজি ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৫৫ টাকা, স্বর্ণ ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা কেজি। মোটা ডাল কেজি ১১০ টাকা, চিকন ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। লালা চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডালের কেজি ১০০ টাকায়। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

সবজি   দাম   ঊর্ধ্বমুখী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন। পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বাজার ‘অস্থিতিশীল’ করার অভিযোগ তোলা হয় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে।

চাল, তেল, সাবান, আটা, ডিম ও মুরগি উৎপাদন ও সরবরাহ খাতের এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে দাম বাড়ানোসহ আরও কিছু অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে কমিশনেই পৃথকভাবে এসব মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম মামলা করার কথা জানিয়ে বলেন, এখন নিয়ম অনুযায়ী শুনানি শেষে এসব মামলা নিষ্পত্তি করা হবে।

কমিশন বিভিন্ন অবস্থা ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে এসব মামলা করেছে, যোগ করেন তিনি।

প্রতিযোগিতা আইন অনুযায়ী, উৎপাদন, সরবরাহ, খুচরা ও ভোক্তা যে কোনো পর্যায় থেকে কমিশনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। আবার কমিশন নিজেও মামলা দায়ের করতে পারে।

এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কমিশন নিজেই মামলা করেছে। তবে কমিশনের কর্মকর্তারা কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করতে চাননি। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বেশ কিছু কোম্পানির মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি মামলার শুনানি হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কোভিড মহামারীর পর বিশ্ব বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, ইউক্রেইন যুদ্ধ, ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনে জাহাজের ভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাস ধরে দেশের নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত নিত্যপণ্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম।

এরমধ্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি, প্রসাধনী সামগ্রী, ডিম, মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম ৪০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সরবকারের বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নামে।

এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অভিযানকালে বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের ডেকে বৈঠক করে সংস্থাটি।

নিত্যপণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়াতে ভোক্তা অধিকারের চিহ্নিত অনিয়ম এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আসা দাম নিয়ে কারসাজির তথ্য যাচাই বাছাই করে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার তথ্য পেয়ে প্রতিযোগিতা কমিশন মামলায় যায়।

কমিশনের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বেশি মামলা করা হয়েছে চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে। এ খাতের ১১টি বড় প্রতিষ্ঠান ও ৮টি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এছাড়া আটা ময়দা উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ৮টি, ডিম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, সাবান ও ডিটারজেন্ট উৎপাদন ও বিপণনে যুক্ত ৬টি কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতা কমিশন   মামলা   কোম্পানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

চিনি ও পাম তেলের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ টাকা এবং পাম তেলের লিটার ১৩৩ টাকায় বিক্রি হবে।  

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ দাম ঘোষণা করে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পাম তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মিলগেট, পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ের জন্য আলাদা দাম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল মিলগেট থেকে ১২৮ টাকায় কিনে পরিবেশকরা ১৩০ টাকায় বিক্রি করবেন। আর খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হবে ১৩৩ টাকায়।

প্রতি কেজি খোলা চিনি মিলগেটে ৭৯ টাকায় কিনে পরিবেশক পর্যায়ে ৮১ টাকা এবং খুচরা বিক্রি হবে ৮৪ টাকা।

আর প্যাকেটজাত চিনি মিলগেটে ৮২ টাকায় কিনে পরিবেশকরা বিক্রি করবে ৮৪ টাকা। ভোক্তাদের কাছে চিনি বিক্রি হবে ৮৯ টাকায়।

এতদিন খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল ১৪৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। সে হিসাবে পাম তেলের দাম কমেছে ১২ টাকা আর চিনিতে দাম কমলো ৬ টাকা।

চিনি   পাম তেল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

৭ দিনের মধ্যে ৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:৪৪ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৭ দিনের মধ্যে ৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বিশ্ব বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ৯টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঠিক করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। পাশাপাশি বাজার অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণে সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে পণ্যের মূল্য তালিকা ঝোলানো বাধ্যতামূলক করা হবে বলেও জানান তিনি।  

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের ১৬তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।  

টিপু মুনশি বলেন, আমরা ট্যারিফ কমিশনকে ১৫ দিন সময় দিয়েছি। আরও হয়তো ৭ দিন সময় লাগবে এ কাজে। আমরা ইতোমধ্যে খাবার, স্টিলসহ ৯টি পণ্যের দাম ঠিক করে দিয়েছি। যাতে ব্যবসায়ীদের অনৈতিক সুযোগ নেওয়া কমে যায়। 

মন্ত্রী বলেন, আমাদের ভোক্তা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংগঠনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং ট্যারিফ কমিশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পণ্যের যৌক্তিক দাম নির্দিষ্ট করে দেওয়ার জন্য। 

ডিমের অস্থিতিশীল বাজার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই বাড়তিটা কতটা হওয়া উচিত...মুরগির খাবারের মূল্য, পরিবহন, সব মিলিয়ে কত হবে সেটা ট্যারিফ কমিশন নির্ধারণ করে দেবে, যেটা সবার জন্য যৌক্তিক হবে। 

টিপু মুনশি বলেন, বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে একটি যৌক্তিক মজুরি বোর্ড গঠন করা দরকার। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। 

পোশাক শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আপনাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে এর কিছু শ্রম মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্ত। আমি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে শ্রম মন্ত্রণালয়কে বলতে পারব এবং মালিকপক্ষকেও বলতে পারব খুব শিগিগরই মজুরি বোর্ড গঠন করে এখনকার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটা যৌক্তিক বেতন ঠিক করা দরকার।  

ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের সাথে আমি একমত, ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে। কিন্তু সেটা যৌক্তিক হতে হবে। আপনাদের মনে রাখতে হবে, যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন সেই ফ্যাক্টরি আপনাদের অন্ন দেয়। আবার ফ্যাক্টরির মালিকদেরও আপনাদের প্রয়োজন। তাই দুজনকেই যৌক্তিকভাবে পাশাপাশি থেকে নিজ দরকারে কাজ করে যেতে হবে।  

শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক শ্রমিক নেতা আছেন সভাপতি হওয়ার পর কাজ করতে চান না। এটা ঠিক না। তাদের শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আরও আন্তরিক হতে হবে। শ্রমিকদের জন্য কাজ করতে হবে। নেতা হওয়া মানে ঘুরে বেড়ানো না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল ইসলাম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য শামসুন নাহার, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী  সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জোবায়দা পারভীন প্রমুখ। 

পণ্যের দাম   বাণিজ্যমন্ত্রী   ট্যারিফ কমিশন   নিত্যপ্রয়োজনী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন