ইনসাইড ওয়েদার

লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

প্রকাশ: ১১:৩৯ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগামী তিনদিনের মধ্যে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম তথ্য জানান। 

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা তুলে ধরে তিনি জানান, আগামী তিনদিনের মধ্যে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

তিনি জানান, শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

সন্ধ্যায় খেপুপাড়া অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড় 'রেমালে'র কেন্দ্র

প্রকাশ: ০৪:৩২ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল'র কেন্দ্র সন্ধ্যা ৬টার পর খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২৬ মে) আবহাওয়ার ১২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক  এ তথ্য জানিয়েছেন। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি রোববার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৩১৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র অতিক্রমের পর এর নিম্নভাগ অতিক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮-১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (১৮৯ মিমি/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হলো।


বঙ্গোপসাগর   ঘূর্ণিঝড়   রেমাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

রেমালের পর আসবে যেসব ঘূর্ণিঝড়

প্রকাশ: ০৪:২৩ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেশের উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। দেওয়া হয়েছে ১০ নম্বর বিপদ সংকেত।

গত বছরের অক্টোবরেই এসেছিল ঘূর্ণিঝড় হামুন। তাণ্ডব চালিয়েছিল ঝড়টি। হামুন ছাড়াও এসেছিল আইলা, আমফান, ইয়াস মোখা।

এসব ঝড়ের পর এবার আসছে ‘রেমাল এগুলো ছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে আরও বেশ কিছু ঘূর্ণিঝড় আসবে যেসব ঝড়ের নাম আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঝড়গুলোর নাম হলো- আসনা (পাকিস্তান), ডানা (কাতার), ফেঙ্গাল (সৌদি আরব), শক্তি (শ্রীলঙ্কা), মন্থ (থাইল্যান্ড), সেনিয়ার (সংযুক্ত আরব আমিরাত) দিত্ত্ব (ইয়েমেন)

ঘূর্ণিঝড় রেমাল রোববার (২৬ মে) দিবাগত মধ্যরাতে চূড়ান্তভাবে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়। রাত ১২টায় উপকূল অতিক্রম করবে ঝড়ের অগ্রভাগ। পেছনের অংশ পার হতে রাত ৩টা বেজে যাবে। সময় তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাতে পারে ঝড়টি।


রেমাল   ঘূর্ণিঝড়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

পূর্ণ শক্তি ধারণ করছে রেমাল, উপকূল ছাপিয়ে জোয়ারের পানি লোকালয়ে

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমাল ক্রমশ আগ্রাসী রূপ নিয়ে ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে। প্রতি মুহূর্তে বদলাচ্ছে উপকূলীয় এলাকাগুলোর আবহাওয়া পরিস্থিতি। ধারণা করা হচ্ছে মধ্যরাতের মধ্যেই পূর্ণ শক্তি নিয়ে উপকূলে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় রোমাল।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বয়ে যাচ্ছে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া। জেলায় জেলায় ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টিও হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে শক্তি বাড়িয়ে আরও আগ্রাসী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। এরই মধ্যে নদীর পানি বেড়ে উপকূল ছাপিয়ে ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে।

এদিকে রেমালের রক্তচক্ষুর সর্বনাশা তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের ১৮ টি জেলায় এই ঘূর্ণিঝড় রেমাল তাণ্ডব চালাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী জেলা রয়েছে অন্যতম বিপজ্জনক অবস্থায়। এছাড়া সুন্দরবনের বাসিন্দারাও রয়েছে শঙ্কায়

এটি অতিক্রমের সময় থেকে ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে অতি ভারি বৃষ্টিতে জেলায় ভূমিধসের শঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

অবস্থায় উপকূলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে মাইকিং করছে স্থানীয় প্রশাসন। ইতোমধ্যে বরগুনার কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে, দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দারা। 

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের প্রভাবে ১০ নম্বর মহাবিপদের সংকেতের মধ্যে মোংলায় নিরাপদ আশ্রয়ের দিক ছুটতে থাকেন ধারণক্ষমতার চারগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার। এতে ট্রলারটি পাড়ের কাছাকাছি জায়গায় ডুবে যাওয়ায় অধিকাংশ যাত্রীরাই সাঁতরে তীরে উঠলেও শিশুসহ দুজন নিখোঁজ রয়েছে।

২২ মে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে পরদিন নিম্নচাপে রূপ নেয়। ২৪ মে রাতেই পরিণত হয় গভীর নিম্নচাপে। এরপর গভীর নিম্নচাপটি পর্যায়ক্রমে ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আছড়ে পড়ার পর প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার মতো প্রভাব থাকবে রেমালের।


পূর্ণ শক্তি   আগ্রাসী রূপ   উপকূলীয় অঞ্চল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ঢাকায় এখনো রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া!

প্রকাশ: ০১:০২ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমালকে কেন্দ্র করে দেশের পায়রা মোংলা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু ভিন্ন অবস্থা দেখা গেছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায়। সকাল থেকে রোদ আর ভ্যাপসা গরমে এখনও অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে।

রোববার (২৬ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, আগারগাঁও, মগবাজার, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট এলাকায় রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ বিরাজ করছে। একইসঙ্গে ভ্যাপসা গরমও অনুভব করা গেছে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল এখনও আমাদের উপকূল থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। আস্তে আস্তে ঢাকার আবহাওয়া পরিবর্তন হবে। এজন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এখন কিন্তু উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো বাতাস বইছে। দুপুরের পর থেকে মোটামুটি ঢাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে থাকবে।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি- এর মাধ্যমে তথ্য জানায়।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   রৌদ্রোজ্জ্বল   আবহাওয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর প্রভাবে দেশের অন্যতম ব্যস্ত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখনো ফেরি চলাচল করলেও যেকোন মুহূর্তে তা বন্ধ করে করে দেয়া হবে।

বিআইডব্লিউটির দৌলতদিয়া ঘাটের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ট্রাফিক সুপারভাইজার মোঃ শিমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফেরি এখনো চলাচল করছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ করে দেওয়া হবে ফেরি চলাচল।

এর আগে, শনিবার (২৫ মে) রাতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ঢাকা নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার জাহাঙ্গীর আলম খানের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসন্ন ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে নৌপথ উত্তাল হওয়ায় যাত্রীসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাত ১০টা থেকে ঢাকা নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথের সব লঞ্চকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

এদিকে গভীর নিম্নচাপ এবং সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ভবনের ষষ্ঠ তলায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণকক্ষে যোগাযোগ করার জন্য টেলিফোন নম্বর +৮৮০২২২৩৩৫২৩০৬ মোবাইল নম্বর ০১৯৫৮৬৫৮২১৩।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   নৌ চলাচল   বন্ধ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন