ইনসাইড ওয়েদার

সমুদ্র বন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত নেমেছে ৩ নম্বরে

প্রকাশ: ০৯:২৪ পিএম, ১৪ মে, ২০২৩


Thumbnail

মোখা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রম করার পর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত থেকে দেশের সকল সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখতে বলা হয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কারণে কক্সবাজারকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছিল বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

রোববার (১৪ মে) রাত আটটা আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায়। 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব অনেকটাই কমে গেছে। বেলা তিনটার দিকে দেশের উপকূলীয় এলাকা পার হয় মোখা। ধীরে ধীরে কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে।

এর আগে বেলা ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব বাড়তে শুরু করে সেন্টমার্টিন টেকনাফের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে। বিকেল চারটার পর এর প্রভাব কমতে থাকে। 

এর আগে শনিবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে এক সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান কক্সবাজারকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেন। 

ঘূর্ণিঝড় মোখা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

মঙ্গলবার যেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে আজ মঙ্গলবার (২৮ মে) দিনভর বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর আগে সোমবার (২৭ মে) সারাদেশে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস এর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এর সাথে তীব্র বজ্রপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এছাড়াও দেশের বাকি বিভাগগুলোতে সারাদিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে।

রিমালপরবর্তী সময়ে দেশে তিন হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। সোমবার (২৭ মে) রাতে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মোঃ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ‘সন্ধ্যা ৬ থেকে আগের ২৪ ঘন্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ২৩৫ মিলি মিটার। ঢাকায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৫১ মিলিমিটার, যা এ মৌসুমের সর্বোচ্চ বর্ষণ।’

দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কুতুবদিয়ায়। সেখানে প্রায় ১৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও সাতক্ষীরায় ১৭২ মিলিমিটার, খুলনায় ১৬৩ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৫১ মিলিমিটার, বরিশালে ১৪৭ মিলিমিটার, সন্দ্বীপে ১৪৬ মিলিমিটার, চাঁদপুর ফেনীতে ১৩৯ মিলিমিটার, সীতাকুণ্ডে ১১৩ মিলিমিটার, মাইজদীকোর্টে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এসব স্থানের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানেও ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি লক্ষ্য করা গেছে। আবহাওয়া অফিসের বিভিন্ন স্টেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মোট হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


আবহাওয়া   মঙ্গলবার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত

প্রকাশ: ০৭:৫৭ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

সারাদেশে ঘূর্ণিঝড় রেমাল ও রেমাল পরবর্তী সময়ে দেশে প্রায় ৩ হাজার ৩৩৫ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ।

সোমবার (২৭ মে) রাতে আবহাওয়া অফিস এই তথ্য জানায়।

আবহাওয়াবিদ মোঃ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ‘সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে ২৩৫ মিলি মিটার। ঢাকায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৫১ মিলিমিটার, যা মৌসুমের সর্বোচ্চ বর্ষণ।’

দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কুতুবদিয়ায়। সেখানে প্রায় ১৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও সাতক্ষীরায় ১৭২ মিলিমিটার, খুলনায় ১৬৩ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৫১ মিলিমিটার, বরিশালে ১৪৭ মিলিমিটার, সন্দ্বীপে ১৪৬ মিলিমিটার, চাঁদপুর ফেনীতে ১৩৯ মিলিমিটার, সীতাকুণ্ডে ১১৩ মিলিমিটার, নোয়াখালীতে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এসব স্থানের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানেও ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি লক্ষ্য করা গেছে। আবহাওয়া অফিসের বিভিন্ন স্টেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩ হাজার ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আগামী তিন দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার (২৮ মে) সব বিভাগে বজ্রসহ মাঝারি থেকে ভারি এবং কোথাও কোথাও অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।’

বুধবার (২৯ মে) বৃষ্টিপাত আরেকটু কমে যাবে। কোথাও কোথাও হালকা, কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। দিন রাতের তাপমাত্রা থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রংপুর, ময়মনসিংহ সিলেট বিভাগে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে উপকূল আশপাশের ১৯ জেলা। এগুলো হলো- সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর যশোর। এবং এসব জেলার প্রায়  ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।


বৃষ্টিপাত   ঘূর্ণিঝড়   রেমাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

মঙ্গলবার আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ২৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

উপকূলে ঝড়, বৃষ্টি, জোয়ার আর জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল বর্তমানে যশোর পূর্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশেই বৃষ্টি ঝরছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) রাজধানী ঢাকাসহ বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) দুপুর ১২টার পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় ঢাকায় ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশেই আজ বৃষ্টি হচ্ছে। আগামীকালও কিছু কিছু জায়গায় থেমে থেমে বৃষ্টি হবে। তবে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে।

এর আগে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জানান, রেমালের কেন্দ্রভাগ বিকেল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ঢাকার দিকে আসবে। এটি এখন অনেকটা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে ঢাকায় আরও বৃষ্টি হবে। সেই সাথে ঝোড়ো বাতাস বইবে।

তিনি বলেন, ঢাকার ওপর দিয়ে এটা পর্যায়ক্রমে সিলেট হয়ে বাংলাদেশের বাইরে যাবে ৷ তবে ঘূর্ণিঝড়টি রাজধানীর ওপর দিয়ে গেলেও তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, রংপুর বিভাগের কয়েকটি জায়গা ছাড়া প্রায় সারাদেশেই বৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ১২৫ মিলিমিটার, সাতক্ষীরায় ৯৩, পটুয়াখালী ৭২, মোংলায় ৬৭, খুলনায় ৬৫, খেপুপাড়ায় ৫৮, যশোরে ৫৩, বরিশালে ও ভোলায় ৪১, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ এবং কুমারখালীতে ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে অধিদপ্তর।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে রিমালের অগ্রভাগ বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করে। মধ্যরাতের মধ্যে এর কেন্দ্র স্থলভাগে উঠে আসে। সে সময় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উপকূল অতিক্রম করতে আরও পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগবে। পশ্চিমবঙ্গের সাগর আইল্যান্ড ও মোংলার মাঝখান দিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ থাকলেও মূল কেন্দ্র বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে। আজ সকাল ৯টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি গভীর স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর   তাপমাত্রা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল স্থল নিম্নচাপে পরিণত

প্রকাশ: ১১:১৭ এএম, ২৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রবল ঘূর্ণিঝড়রেমালদুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসাবে বর্তমানে যশোর তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে আরও দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে।

পায়রা মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

কক্সবাজার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। 

আজ (সোমবার) সকাল ১০টায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল সংক্রান্ত আবহাওয়ার সর্বশেষ ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।


ঘূর্ণিঝড় রেমাল   নিম্নচাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশ: ০৯:১৯ এএম, ২৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শেষ করেছে। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে এটি প্রবল থেকে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। ঘূর্ণিঝড়টির পুরো প্রভাব শেষ হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি রোববার (২৬ মে) রাত আটটার দিকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এরপর উপকূল থেকে শুরু করে সারা দেশে বৃষ্টি শুরু হয়।

সোমবার (২৭ মে) সকাল আটটার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে।

এটি এখন খুলনা কয়রার দিকে আছে। এখনো এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অবস্থায় আছে। তবে দুই ঘণ্টার মধ্যেই এটি সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পুরোপুরি শেষ হতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা লাগতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আজ সারা দেশেই বৃষ্টি হবে।

রোববার (২৬ মে) রাত আটটার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলাসহ উপকূলের বিভিন্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   উপকূল   অতিক্রম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন