ইনসাইড ওয়েদার

লঘুচাপের ফলে বৃষ্টির আভাস, ডিসেম্বরের শুরুতে বাড়বে শীত

প্রকাশ: ০৮:৩৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail লঘুচাপের ফলে বৃষ্টির আভাস, ডিসেম্বরের শুরুতে বাড়বে শীত

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ এবং তার আশেপাশের এলাকায় আজ একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ লঘুচাপের প্রভাবে ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর দেশে শীতের প্রকোপ আরো বাড়বে বলে জানা গেছে।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শীতও বাড়বে।

শাহীনুল ইসলাম বলেন, দুই থেকে তিন দিন পর দেশের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস রয়েছে। এর প্রভাবে ডিসেম্বরের ৬-৭ তারিখের দিকে দেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এখনো লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়নি।

এদিকে,  উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝিতে দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, তাপপ্রবাহের পাশাপাশি জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তিতে ভুগবে মানুষ। তবে স্বস্তির সংবাদ হলো, তবে আগামী দুই-তিনের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এ সময়ে তাপমাত্রাও বাড়বে। আগামী ১৫-১৬ এপ্রিল তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ চলতে পারে বলে জানান তিনি। 

আগামী ১৪ এপ্রিল (রোববার) পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৈশাখের শুরুতেই তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে দেশব্যাপী। পরে ১৬-১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক।

চলতি এপ্রিল মাসের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ শুরু হয়। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়ে যায়। তবে গত রোববার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কমে যায়। এ মাসে দেশের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

প্রকাশ: ০৮:৪৮ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। তবে দুদিন নেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। এরমধ্যে দেশের ১৪ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বিস্তার হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে সারা দেশেই বাড়তে পারে তাপমাত্রা।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। তবে দুদিন নেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। যদিও এ সময় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

রাঙ্গামাটিতে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। এ ছাড়া ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৬ এবং সর্বনিম্ন ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, ফেনী ও বান্দরবান জেলা এবং বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ তাপপ্রবাহ বিস্তার লাভ করতে পারে। এ ছাড়াও সারা দেশে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এ প্রবণতা শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এর পর থেকে রোববার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে বর্ধিত ৫ দিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এ সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, ‘বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়া পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এ সময়ে তাপমাত্রাও বাড়বে।’

তিনি আরও জানান, ‘আগামী ১৫-১৬ এপ্রিল তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ চলতে পারে।’

আগামী ১৪ এপ্রিল রোববার পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৈশাখের শুরুতেই তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে দেশব্যাপী।

পরে ১৬ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক।

এদিকে, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, বান্দরবান, পাবনা, ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কোথাও কোথাও প্রশমিত হতে পারে।

রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যস্থানে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।


আবহাওয়া   আবহাওয়া অফিস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

ঈদের দিন সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর

প্রকাশ: ১১:১৮ এএম, ১১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সুসংবাদ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, আজকের দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো থাকবে। শুষ্ক আবহাওয়ায় এবারের ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে আবহাওয়া ঠান্ডা অবস্থায় থাকবে। ঈদের দিন তাপমাত্রার তেজ থাকবে না। আবহাওয়া সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) আফরোজা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঈদের দিন বিকেলের দিকে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মানুষের ঈদ আনন্দ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তিনি আরও বলেন, পাবনা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, বান্দরবান এবং পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কিছু কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

আজও ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর

প্রকাশ: ১০:৩৩ এএম, ১১ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আজ দেশব্যাপী উদযাপন হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে ছুটি। তবে গতকালের মতো আজ ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান সপ্তম। আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে এ সময় ঢাকার স্কোর ১৫৯। বায়ুর এই মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

এখন ঈদের ছুটিতে রাজধানী প্রায় ফাঁকা বললেই চলে। কারণ রাজধানীতে এখন নামমাত্র যানবাহন চলছে, কারখানাও বন্ধ। তারপরও ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর।

গতকাল বায়ুদূষণে ঢাকা ছিল চতুর্থ। স্কোর ছিল ১৮২।

বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে।

আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বে বায়ুদূষণে প্রথম অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি। আইকিউএয়ারের সূচকে শহরটির স্কোর ২৭৫। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে যথাক্রমে নেপালের কাঠমান্ডু ও ভারতের কলকাতা। শহর দুটির স্কোর যথাক্রমে ১৯৯ ও ১৯৪। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তাকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু ধরা হয়। ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।

ঢাকার বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে আইকিউএয়ার যে পরামর্শ দিয়েছে, তার মধ্যে আছে, ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে। ঘরের বাইরে ব্যায়াম না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বায়ুদূষণ বেশি হলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন সংবেদনশীল গোষ্ঠীর ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে আছেন বয়স্ক, শিশু, অন্তঃসত্ত্বা ও জটিল রোগে ভোগা মানুষ। তাদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া দরকার বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।


ঢাকা   বায়ু   অস্বাস্থ্যকর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ওয়েদার

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থানে ঢাকা

প্রকাশ: ০৮:২৯ এএম, ১০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

প্রতিদিনই কোনো না কোনো কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেড়ে চলেছে বায়ুদূষণের মাত্রা। ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে নেই স্বস্তির খবর।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থাতে রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। তবে সবচেয়ে বেশি দূষণ নেপালের কাঠমন্ডু শহরের বাতাস।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৮৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা, যা অস্বাস্থ্যকর বায়ু হিসেবে বিবেচিত। ২২১ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের র্শীষে রয়েছে নেপালের কাঠমন্ডু শহর। ২১৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এছাড়া ১৯২ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি শহর।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। অন্যদিকে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।


ঢাকা   বিশ্ব   দূষিত   শহর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন