ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

কাল চলে যাচ্ছেন আহমেদ কায়কাউস

প্রকাশ: ১১:৪৪ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস আজ তার শেষ কর্মদিবস পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে আজ তার চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তার যোগ দিতে আগামীকাল ওয়াশিংটনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ড. আহমদ কায়কাউসের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সিনিয়র সচিব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। এবং প্রধানমন্ত্রীর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। আগামীকাল এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জনপ্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। 

ড. আহমেদ কায়কাউস ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ড. আহমদ কায়কাউস প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বিশেষ করে তার পরিচ্ছন্ন ইমেজ এবং দক্ষতার জন্য তিনি বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। তাছাড়া ড. আহমদ কায়কাউস প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পেশাদারিত্ব এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।


আহমেদ কায়কাউস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

গ্রামীণ কল্যাণ নিয়ে ইউনূসের ভয়ঙ্কর জালিয়াতি

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

জালিয়াতি করে অবশেষে গ্রামীণ কল্যাণেও ফেঁসে যাচ্ছেন ড. ইউনূস। রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে ড. ইউনূস প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন, আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং জাল জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিজের কুক্ষিগত করেছেন। বাংলা ইনসাইডার এর অনুসন্ধানে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। 

সম্প্রতি গ্রামীণ ব্যাংক তার নিজস্ব সম্পত্তি হিসেবে গ্রামীণ কল্যাণ দখলে নিয়েছে। আর এটিকে জবরদখল হিসেবে অভিহিত করেছেন ড. ইউনূস। ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণ ব্যাংক তাদের বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের আলোকে গ্রামীণ কল্যাণ এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাদের নিজস্ব চেয়ারম্যান পদে নিয়োগদান করেন। আর ড. ইউনূস দাবি করেছেন যে গ্রামীণ কল্যাণের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নেই। 

আসলে কে সত্য? 

বাংলা ইনসাইডার এ বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। বিশেষত গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূস ডয়েচ ভেলে-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, এখন গ্রামীণ কল্যাণের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের কোন সম্পর্ক নেই। একই ভাবে ড. ইউনূসের পক্ষে ৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি গত রোববার এক বিবৃতি পাঠিয়েছেন। তাতে তারা অভিযোগ করেছেন যে ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জবরদখল করার প্রচেষ্টা সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবাদ এর প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। গ্রামীণ টেলিকম ভবনে অবস্থিত গ্রামীণ কল্যাণ এবং গ্রামীণ টেলিকম সহ এ সব প্রতিষ্ঠান জবর দখলের প্রচেষ্টা হিসাবে এতে অনধিকার এবং জোরপূর্বক প্রবেশ, ভবনটির সামনে রাজনৈতিক সমাবেশ করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করছেন। 

এই ৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ড. ইউনূসের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এসব অলাভজনক প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন আনার এখতিয়ার গ্রামীণ ব্যাংকের নেই বলে ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোন আইনগত দাবি থাকলে তা আদালতের কাছে উপস্থাপন করার উদ্যোগ গ্রামীণ ব্যাংক গ্রহণ করতে পারত বলে তারা উল্লেখ করেছেন। একই বক্তব্য ড. ইউনূস দিয়েছেন। অর্থাৎ ড. ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণের আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন করেছেন। 

আমরা অনুসন্ধান করার চেষ্টা করি গ্রামীণ কল্যাণ কীভাবে গঠিত হয়েছিল

১৯.১২.১৯৯৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের ৩৪ তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাতাগোষ্ঠীর প্রাপ্ত অনুদান ও ঋণের অর্থ দিয়ে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড এর অর্থ দিয়ে ২৫.০৪.১৯৯৬ তারিখে গ্রামীণ ব্যাংকের ৪২ তম বোর্ড সভায় গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য ও কর্মীদের কল্যাণের কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর আওতায় গ্রামীণ কল্যাণ নামক একটি প্রতিষ্ঠান তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনটি দেয় গ্রামীণ ব্যাংক। তাহলে ওই গ্রামীণ কল্যাণ কার প্রতিষ্ঠান? উত্তর, আইনগত দিক থেকে যদি উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়, খুব সহজ সোজা সাপ্টা উত্তর গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠান। 

গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভায় গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং গ্রামীণ কল্যাণে গ্রামীণ ব্যাংকের সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড হতে মোট ৬৯ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ যে প্রতিষ্ঠানটিকে টাকা দিয়ে তৈরি করা হল সেই গ্রামীণ কল্যাণ আসলে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কিছু নয়। 

শুধু তাই নয়, পাঠক লক্ষ করুন, মেমোরেন্ডাম এবং আর্টিকেল অনুযায়ী গ্রামীণ কল্যাণের নয় সদস্যের পরিচালনা পরিষদের দুইজন সদস্য গ্রামীণ ব্যাংক হতে মনোনয়ন দেওয়ার বিধান ছিল। এছাড়াও উল্লেখ ছিল যে, গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান হবেন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে মনোনীত প্রতিনিধি। 

এখন প্রশ্ন হল যে, এটি গ্রামীণ কল্যাণের আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন। ড. ইউনূস দাবি করেছেন যে, এই আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন তিনি পরিবর্তন করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভায় যে আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করা হচ্ছে সেই আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশন গ্রামীণ ব্যাংকের অগোচরে রাতের অন্ধকারে ড. ইউনূস পরিবর্তন করেছেন কীভাবে? 

এবার আসুন আসল তথ্য অনুসন্ধান করে দেখি। যখন ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থেকে বয়সজনিত কারণে অপসারিত হন, তখনই তিনি জানতেন যে, গ্রামীণ কল্যাণ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লি:, গ্রামীণ শিক্ষা ইত্যাদি তার কর্তৃত্বে আর থাকবে না এই সময় তিনি প্রতারণামূলকভাবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভুল প্রলোভন দেখিয়ে এই কোম্পানির সদস্যদের দিয়ে একটি বোর্ড সভা করেন। এই বোর্ড সভা করে আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন করেন। অথচ এই আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন করতে গেছে গ্রামীণ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। কারণ গ্রামীণ ব্যাংকের ৪২ তম বোর্ড সভায় এই আর্টিকল অফ অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদিত হয়েছিল। গ্রামীণ ব্যাংক একমাত্র সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রাখে আইন অনুযায়ী যে গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিনিধি গ্রামীণ কল্যাণে থাকবে কিনা। গ্রামীণ কল্যাণকে যদি ছেড়ে দিতে হয় তাহলে গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ড. ইউনূস এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কোন এখতিয়ার রাখে না। এটি হল এক অদ্ভুত জালিয়াতি এবং প্রতারণা। এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রামীণ কল্যাণ কেবল অবৈধ ভাবেই ছিল না বরং ড. ইউনূস রাষ্ট্রীয় সম্পদ কুক্ষিগত করেছিলেন, প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং এজন্য তার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে প্রতারণার মামলা হওয়া উচিত বলে মনে করেন আইনজ্ঞ বিশেষজ্ঞ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

কোকোর সম্পত্তি তারেকের কুক্ষিগত: মামলা করবেন সিঁথি

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী যখন পালিত হচ্ছে, ঠিক সেই সময় জিয়া পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে চলছে তুমুল গণ্ডগোল। বিশেষ করে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সব সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। এই অভিযোগে সিঁথি তার আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আইনগত নোটিশ পাঠিয়েছেন তারেক জিয়ার কাছে। 

এর আগে সিঁথি ঢাকায় এসেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার কাছে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু খালেদা জিয়া সেই সময় ছিলেন অসুস্থ। সে কারণে তিনি এ ব্যাপারে কোন সুরাহা দিতে পারেননি। তাছাড়া এই সম্পত্তির বিষয় সম্পর্কে বেগম খালেদা জিয়াও ততটা অবহিত নন।

একাধিক সূত্র বলছে, বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যান আরাফাত রহমান কোকো এবং মালয়েশিয়া তার বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদ ছিল। দেশে বিভিন্ন দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাধ্যমে যে সম্পদ করেছিলেন তার একটি বড় অংশই প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো পাঠিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায়। সেখানে মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতির মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায় সেই টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। মালয়েশিয়া ছাড়াও সিঙ্গাপুরে আরাফাত রহমান কোকোর বেশ কিছু বিনিয়োগ ছিল। এই বিনিয়োগের পরিমাণ বাংলাদেশি টাকায় এক হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি বলে জানা গেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মালয়েশিয়ায় আরাফাতের একটি ট্র্যাভেল এজেন্সি, দুটি অ্যাপার্টমেন্ট, পাঁচটি দোকান এবং আরও কিছু সম্পদ রয়েছে। এই সম্পদগুলো কোকো মারা যাওয়ার পর কিছুদিন বিএনপির মালয়েশিয়ায় থাকা ওই নেতার হেফাজতে ছিল। এই সময় কোকোর স্ত্রী শর্মিলা সিঁথি সম্পত্তিগুলো নিজের নামে নেওয়ার জন্য চেষ্টা তদবির করেন। কিন্তু এসময় তারেক জিয়া কোকোর সন্তানদের উচ্চশিক্ষার কথা বলে তাকে লন্ডনে নিয়ে আসেন এবং সিঁথি লন্ডনে আসার পর তারেক মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে ঐ সম্পদগুলো গ্রহণ করেন। এর বিনিময়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিএনপির ওই নেতাকে ২০১৮ নির্বাচনে মনোনয়নও দিয়েছিলেন তারেক। এরপর সিঁথি যখন সম্পত্তিগুলোর অধিকার চান এবং সম্পত্তিগুলোর হালহকিকত জানতে চান তখন তারেক জিয়া বলেন, এগুলো সব বিক্রি করার প্রক্রিয়া চলছে। বিক্রি হলে সম্পত্তি বিক্রির টাকা সিঁথিকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে এবং সিঁথি যেন বাকি জীবন সন্তানদের ভরণপোষণ এই টাকা দিয়ে করতে পারেন সেজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিঁথি প্রথম এই বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু বছরের পর বছর চলে গেলেও সিঁথিকে কোন টাকা দেওয়া হয়নি। বরং একটা পর্যায়ে তারেক সিঁথির জন্য যে ভরণপোষণের খরচ দিতেন সেই খরচও বন্ধ করে দেন।

লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়ার এই সিদ্ধান্তের পর বেগম খালেদা জিয়ার অনুরোধে ২০১৬ সাল থেকে সিঁথির যাবতীয় ভরণপোষণের ব্যবস্থা করছেন সৌদি আরবে পলাতক মোসাদ্দেক আলী ফালু। ফালু কোকোর ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন। সেই সূত্রে বিভিন্ন ব্যবসা থেকে যে লভ্যাংশের টাকা সিঁথিকে পাঠানো হয় এবং সেটি দিয়ে সিঁথি চলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে গত সিঁথি তার প্রয়াত স্বামীর সম্পত্তি পাওয়ার জন্য দেন দরবার করেন। এরপর তিনি লন্ডনে অবস্থানরত একজন আইনজীবীর মাধ্যমে তারেক জিয়াকে একটি উকিল নোটিশ পাঠান। কিন্তু তারেক জিয়া এই উকিল নোটিশের কোন জবাব দেননি। এরপর সিঁথি ঢাকায় আসেন, বিষয়টি বেগম খালেদা জিয়াকে জানানোর। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াও বিষয়টির কোন সুরাহা করতে পারেনি।

জানা গেছে, সিঁথি এই বিষয়টি নিয়ে খুব শিগিগির আইনের আশ্রয় নিবেন এবং এই মালয়েশিয়া আদালতে তিনি আইনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন। এজন্য একজন আইনজীবীরও শরণাপন্ন হয়েছে সিঁথি এমন তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শর্মিলা রহমান সিঁথি   বিএনপি   খালেদা জিয়া   তারেক জিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

দলের নেতৃত্ব ছেড়ে উপদেষ্টা পদ নিতে পারেন তারেক

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর তারেক জিয়ার কর্তৃত্ব এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। দেশে বিদেশে তারেক জিয়ার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই ভাবে প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে বিএনপিকে পুনর্গঠন করা যায়? বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্য বিএনপির খোলনলচে পাল্টে ফেলার দাবি উঠেছে দলের ভিতর থেকেই। 

নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তারেক জিয়ার প্রশংসায় যারা পঞ্চমুখ ছিলেন তারাই এখন তারেক জিয়ার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে বিদেশে থেকে দল পরিচালনা করা যায় কিনা এই প্রসঙ্গটি উঠেছে। একই ভাবে বিদেশি কূটনীতিকরা বলছেন, একজন দণ্ডিত ব্যক্তি এবং যিনি দেশে অবস্থান করছেন না, তিনি যদি দলের নির্বাহী প্রধান হন তাহলে সেই দল পরিচালনা করা কতটুকু গণতান্ত্রিক এবং কতটুকু শোভন। আর এই সমস্ত প্রেক্ষাপটে তারেক জিয়ার বিএনপিতে অবস্থান নড়বড়ে হয়ে গেছে। তিনি এখন বিএনপির জন্য একটি দায়ে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির নীতি নির্ধারক মহলে কথাবার্তা হচ্ছে এবং আলাপ আলোচনা হচ্ছে। তারেক জিয়া নিজেও গতকাল বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে দলের স্বার্থে প্রয়োজনে সরে যাওয়ার কথা বলেছেন। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গতকাল রাতে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হয়েছিলেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। তিনি সেখানে তার নিজের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন। বিদেশ থেকে তিনি বাংলাদেশের অনেক বাস্তবতা বোঝেননি। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো নির্বাচনের পরে যে আচরণ করছেন তাতেও তারেক জিয়া হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে একাধিক বিএনপি নেতা জানিয়েছেন। আর এরকম বাস্তবতার সাময়িক সময়ের জন্য হলেও বা দেশে না ফেরা পর্যন্ত সময়ে তিনি নেতৃত্ব যিনি বাংলাদেশে আছেন এ রকম কারও হাতে তুলে দিতে চান।

উল্লেখ্য, এই বৈঠকে বিএনপি নেতারা বলেছেন, যেহেতু এখনও দলের শীর্ষ তিনজন নেতা কারা অন্তরীণ আছেন, কাজেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাদের মুক্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস এবং আমীর খসরু মাহমুদের জামিনের আবেদন গুলো এখন প্রক্রিয়াধীন আছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আমীর খসরু মাহমুদের একটি মামলায় জামিন শুনানি বাকি আছে। সেখানেও তারা জামিন পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আর এই জামিন পেলে স্থায়ী কমিটির সকল সদস্যকে নিয়ে তারেক জিয়া এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত নেবেন। 

তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠ একজন তরুণ নেতা বলেছেন, তিনি আপাতত দায়িত্ব ছাড়তে চাচ্ছেন। বিএনপির তিনি কোন আলঙ্কারিক পদ উপদেষ্টা বা প্রধান উপদেষ্টা এ রকম কোন দায়িত্ব গ্রহণ করতে চাইছেন। 

মূল বিষয়টা হচ্ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার গ্রহণযোগ্যতা সংকট রয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি কূটনীতিকরা তার সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। নির্বাচনের পর তারেক জিয়া একাধিক কূটনীতিকের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ করতে চাইলেও তারা এড়িয়ে গেছেন। তাছাড়া লন্ডনে অবস্থানরত এই দণ্ডিত নেতা এখন বুঝতে পেরেছেন তিনি যে কৌশলগুলো প্রয়োগ করছেন সেই কৌশলগুলো কার্যত ব্যথ। এই সমস্ত কৌশল দিয়ে আন্দোলন করা যাবে না। আর বাস্তবতা হলো ভারত সহ প্রভাবশালী দেশগুলো বিএনপিকে গণতান্ত্রিক ধারায় সম্পৃক্ত হতে তারেক জিয়ার নেতৃত্বকে বাদ দেওয়া পরামর্শ দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষিতে বিএনপিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নাটকীয় ঘটনা ঘটেতে পারে। বিএনপির নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে তারেক জিয়া হয়তো ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিএনপির উপদেষ্টা হবেন। আর আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের জন্য একজন কার্যকর নেতা নির্বাচন করা হবে। আর এটি যদি করা হয় তাহলে হবে বিএনপির জন্য একটি বড় চমক।

বিএনপি   তারেক জিয়া   রাজনীতির খবর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

পদত্যাগ করলেন কায়কাউস: মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জন

প্রকাশ: ০৫:৫১ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনের প্রধান কার্যালয়ে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ড. আহমদ কায়কাউস। গত ৮ জানুয়ারি তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর তাকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলেও এক বছর পর তিনি পদত্যাগ করলেন।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, আজ তার পদত্যাগ পত্রের সার সংক্ষেপ অনুমোদিত হয়েছে। এখন এটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায়। প্রধানমন্ত্রী অনুমতি দিলে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে তার এই পদত্যাগ পত্র গৃহীত হবে বলে জানা গেছে।

ড. আহমদ কায়কাউস টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী হতে পারেন এমন গুঞ্জন রয়েছে। 

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনের আগে ড. আহমদ কায়কাউস ঢাকায় এসেছিলেন এবং সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এরপরই তিনি বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করলেন।

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, ড. আহমদ কায়কাউস টেকনোক্রেট কোটায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম অথবা বর্তমান  মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।


ড. আহমদ কায়কাউস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮: সেদিন কী হয়েছিল

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত বিতর্কিত সমালোচিত ঘটনা। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারেননি সেই নির্বাচনে আসলে কী হয়েছিল। কেউ একটি রাতের ভোটের উদাহরণ সরজমিনে দেখাতে পারেননি। কিন্তু বিভিন্ন মহলে বারবার আলোচনা হচ্ছে যে ৩০ ডিসেম্বর আসলে কোন ভোট হয়নি। ২৯ ডিসেম্বর রাতেই সব ভোট দেওয়া হয়েছে। আর এরকম প্রচারণার মধ্য দিয়েই ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের দিনকে রাতের ভোট হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করা হয়। 

আওয়ামী লীগের অনেক নেতারাও ইদানিং বলেন যে, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন সব কিছু ঠিকঠাক মতো হয়নি। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো চেয়ারম্যান কাজী জাফরউল্লাহ বলেছেন, কিছু অনিয়ম তো হয়েছে, না হলে এই কথাগুলো আসবে কেন? আসলে কী হয়েছিল? বাস্তবতা কী ছিল? ৩০ ডিসেম্বর সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে ছিল, সেই মুহূর্তটিকে কেন প্রশ্নবিদ্ধ করা হল। 

বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ২০১৮ নির্বাচনই প্রথম নির্বাচন যেখানে ১৯৭৩ এর ২০১৮ নির্বাচনই প্রথম নির্বাচন যেখানে দলীয় সরকারের অধীনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছিল। এই নির্বাচন এমন একটি প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে আওয়ামী লীগের হারার কোনো সম্ভাবনা ছিল না। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশগ্রহণ করলেও তারা তাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছিল এবং তারাও জানত যে এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় আসবে না। তাহলে কী হয়েছিল? 

এই প্রসঙ্গে বাংলা ইনসাইডার দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করেছে, গবেষণা করেছে এবং এই অনুসন্ধানের প্রেক্ষিতে বহু লোকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং এই সমস্ত কথা বলার প্রেক্ষিতে দেখা গেছে যে, কিছু কিছু জায়গায় অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বা অনিয়মের চেষ্টা করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে জামালপুর-৩ আসনের কথা। সেখানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মির্জা আজম। ২৯ ডিসেম্বর রাতের বেলা তার কাছে একজন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করেন। ফোন করে তাকে বলেন যে, ভোটের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। রাতেই সবগুলো কেন্দ্রে তার জন্য একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট প্রদান করা হবে। মির্জা আজম একজন জনপ্রিয় নেতা। তিনি তার আগে পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি এ ধরনের প্রস্তাবে হতবাক হয়ে যান। তিনি ঊর্ধ্বতন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন করেন এবং তাকে এধরনের কোন রকম অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটানো থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ফলে ওই আসনে আর কোনো অনিয়ম বা অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। ২৯ তারিখে সেখানে কোন ভোট গ্রহণের ঘটনাই ঘটেনি। ৩০ ডিসেম্বর লোকজন শান্তিপূর্ণভাবে সেখানে ভোট দিয়েছেন এবং স্বাভাবিক ফলাফল হয়েছে। দেশের অধিকাংশ স্থানে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে কিছু কিছু স্থানে অতি উৎসাহীরা জামালপুরের ঘটনার মত ঘটনা ঘটিয়েছে। এর বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে এখন। তবে কেউই সঠিক ভাবে বলতে পারেনি কার নির্দেশে বা কারা এটি করেছে। 

বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে, আমলাদের একটি অংশ, পুলিস প্রশাসনের একটি অংশ এবং কয়েকজন অতি উৎসাহী রাজনীতিবিদরা ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে একটি বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে আলোচনা করা হয় যে ভোটে একটি নীরব বিপ্লব হতে পারে। বিএনপির পক্ষে একটা নীরব বিপ্লব হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ রকম ঘটনা ঘটলে তা হবে লজ্জাজনক। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মতো যেন ঘটনা না ঘটে সেজন্য সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে আলাপ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

বিজয় দিবস উপলক্ষে অফিসার্স ক্লাবে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন আমলারা এই বৈঠকে মিলিত হন বলে বাংলা ইনসাইডারের হাতে নিশ্চিত তথ্য রয়েছে। এই বৈঠকের পরপরই আমলারা সিদ্ধান্ত নেন যে, কিছু কিছু আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হবে এবং কিছু সুনির্দিষ্ট আসনে আগে থেকেই কিছু ভোট প্রদান করে জয় নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা ছিল কয়েকটি আসনের ক্ষেত্রে। পরবর্তীতে এটি সারা বাংলাদেশে সব জায়গায় নির্দেশনা আকারে চলে যায়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে, কেউ কারও কোন কথা শুনছেন না। ৩০০ আসনে এরকম জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু অতি উৎসাহী সরকারি কর্মকর্তা ভূমিকা রাখেন। 

তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, ১৬৭টি কেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, যেখানে কোন রকম কারচুপি হয়নি। যেভাবে জিতে ছিলেন জামালপুরের মির্জা আজম। ঠিক সেভাবে ১৬৭ আসনে সত্যিকারের ভোট হয়েছে। বাকি আসনগুলোর ভোটের ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়ম হয়েছে। আর এই অনিয়ম যারা করেছেন তারা সকলেই সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। রাজনৈতিক শক্তিকে অন্ধকারে রেখে, রাজনৈতিক শক্তিকে বোকা বানিয়ে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই ঘটনা ঘটিয়েছিল মুষ্টিমেয় একটি গোষ্ঠী। সেই গোষ্ঠী আসলে আওয়ামী লীগের শুভাকাঙ্ক্ষী ছিল কিনা সেই প্রশ্ন অনেকের মধ্যে।


২০১৮ নির্বাচন   একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন