ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

পরিণত বয়সের যত আলোচিত বিবাহ বিচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ০৫ মে, ২০২১


Thumbnail

বর্তমান সময়ে বিবাহ বিচ্ছেদ একটি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে বিচ্ছেদের পরিসংখ্যানও ভারি হচ্ছে। তবে সাধারণত দেখা যায় অপরিণত বয়সে নানা খেয়ালিপনায় বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তবে একটা পরিণত বয়সে এসে সেরকমটা খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু, এবার সবাইকে চমকে দিয়ে ৬৫ বছর বয়সী বিল গেটস এবং ৫৬ বছর বয়সী মিলিন্ডা গেটস বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন। তাদের এমন অবাক করা কান্ড দেখেই পরিণত বয়সের কিছু আলোচিত বিবাহ বিচ্ছেদ খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।  চলুন জানি, দেশ-বিদেশের পরিণত বয়সের যত আলোচিত বিবাহ বিচ্ছেদ। 

বিল ও মেলিন্ডা গেটস

মেলিন্ডা ১৯৮০ সালে বিল গেটসের মাইক্রোসফটে যোগ দেয়ার পর তাদের মধ্যে প্রথম পরিচয় হয়েছিল। এরপর প্রেম তারপর ১৯৯৪ সালে তারা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিল ও মেলিন্ডা গেটস তাদের বিয়ের সাতাশ বছর পর এসে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, "জুটি হিসেবে এগিয়ে যেতে পারি এটা আমরা আর বিশ্বাস করি না।" এক টুইট বার্তায় তারা ঘোষণা দিয়েছেন, "আমাদের সম্পর্কটি নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা ও কাজের পর আমরা আমাদের বিয়ের সমাপ্তি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" লিওনেয়ার এই দম্পতির তিন সন্তান আছে। বিল ও মেলিন্ডা যৌথভাবে `বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন` পরিচালনা করেন।

জেফ বেজোস-ম্যাকেঞ্জি বেজোস

গেল ২০১৯ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তার স্ত্রী ম্যাকেঞ্জি বেজোস। ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেছিলেন তারা। বিশ্বজুড়েই এই বিচ্ছেদ নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে। কেন বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন এই ধনকুবের জুটি? টুইটারে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা জানালেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি বেজোস-ম্যাকেঞ্জি। তবে বাকিটা জীবন বন্ধু হয়ে থাকার আশা প্রকাশ করেছেন তারা। বিচ্ছেদের সময় তাদের পরিবারে ছিল চার সন্তান।

আঞ্জেলিনা জোলি-ব্র্যাড পিট

একসময় হলিউডের সবচেয়ে সুখী জুটি বললেই চলে আসতো ব্র্যাড পিট-অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নাম। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০১৪ সালে বিয়ে করেছিলেন তারা। কিন্তু বিধি বাম! ১০ বছরের প্রেমের পর বিয়ে স্থায়ী হলো মাত্র ২ বছর! ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন `ব্র্যাঞ্জেলিনা`। এই দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিনজন ছিল দত্তক নেয়া। সন্তানদের অভিভাবকত্ব পেতে আদালতেও গিয়েছিলেন তারা। শেষ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে সমঝোতার মাধ্যমে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয় এই জুটির।

আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার-মারিয়া শ্রিভার

মাচো ম্যান আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের সঙ্গে মারিয়া শ্রিভারের বিয়ে হয় ১৯৮৬ সালে। ২৫ বছর সংসারের পর ২০১১ সালে ডিভোর্সের আবেদন করে বসেন মারিয়া। কারণ হিসেবে তিনি শোয়ার্জনেগারের অবিশ্বস্ততাকে দায়ী করেন। ডিভোর্স আবেদন করার পর কেটে গেছে ১০ বছর। তবে এখনও এই দম্পতির আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়নি।

আলমগীর-খোশনুর

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আলমগীর প্রথমে বিয়ে করেন গীতিকার খোশনুরকে। তাদের কন্যা সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর। কিন্তু খোশনুরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটিয়ে সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন আলমগীর। এখন তাদের সুখের সংসার।

হুমায়ূন আহমেদ-গুলতেকিন

বিচ্ছেদের মাধ্যমে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ও গুলতেকিনের ৩০ বছরের সংসারের ইতি ঘটে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার পরে হুমায়ূন আহমেদ বিয়ে করেন অভিনেত্রী শাওনকে। তাদের বিয়ে মিডিয়ায় রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছিলো।

হুমায়ুন ফরিদী-সুবর্ণা মুস্তাফা

অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী ও সুবর্না মুস্তাফা নাট্যমঞ্চে একসঙ্গে অভিনয় করতেন। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ফরিদী তার প্রথম স্ত্রী মিনুর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে ১৯৮৪ সালে অভিনেত্রী সুর্বনা মুস্তফাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতি দীর্ঘ ২৪ বছর একসঙ্গে সংসার করেন। ২০০৮ সালে সুর্বনা ডিভোর্স দেন হুমায়ুন ফরিদীকে। এর পরপরই বিয়ে করেন নাট্য পরিচালক বদরুল আনাম সৌদকে। সুর্বনার মুস্তফার চেয়ে ১৪ বছরের ছোট বদরুল আনাম সৌদ।

সুচরিতা-জসিম-কেএমআর মঞ্জুর

সুচরিতা প্রথমে বিয়ে করেন চিত্রনায়ক জসিমকে। তাদের মধ্যেও বিচ্ছেদ হয়। এরপর সুচরিতা বিয়ে করেন প্রযোজক কে এম আর মঞ্জুরকে। কিন্তু দীর্ঘ ২৩ বছরের এ সংসারটিও টেকেনি। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যবসায়ী কেএমআর মঞ্জুরের সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

নতুন রাষ্ট্রপতি: চুল কাটাতে গিয়ে পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ফোন

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বের হলেন একটি সেলুনে গিয়ে চুল কাটাবেন। পরদিন তাঁর পাবনা যাওয়ার কথা। সেখানে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, বিভিন্ন  লোকজনের সাথে কথা বলবেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়েই তিনি পাবনা সদর এলাকায় যাতায়াত শুরু করেছেন। আগামী  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেখানে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তাঁর চেষ্টা করার কথা। এই লক্ষ্যে তিনি জনসংযোগ বাড়িয়েছেন। সেলুনে গিয়ে পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন। হোয়াটসঅ্যাপের ফোনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাছে জানতে চাইলেন তিনি কোথায়। উত্তরে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বললেন সেলুনে এসেছেন চুল কাটাতে। প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন। ‘চুল কি বড়ো হয়ে গেছে’? জবাবে  সাহাবুদ্দিন বললেন, ‘হ্যাঁ কিছুটা তো হয়েছে।’ চুপ্পু জানালেন আগামীকাল তিনি পাবনায় যাবেন।

প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন ‘কেন’? চুপ্পু বললেন, সেখানে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও লোকজনদের সাথে কথা-বার্তা বলবেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে বারণ করলেন। বললেন ‘পাবনা যাওয়ার দরকার নেই’। এরপর যে কথাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন সেগুলো সাহবুদ্দিন চুপ্পুর জন্য ছিলো এক রকমের চমক। তিনি বললেন, ‘তোমার কি সিবিআই সব ঠিক আছে’? একজন ব্যক্তি ব্যাংকে ঋণ খেলাপি কি না তা জানা যায় সিবিআই রিপোর্টের মাধ্যমে। মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জানালেন তাঁর সিবিআই ঠিক আছে। শেখ হাসিনা জানতে চাইলেন কোনো ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেছেন কিনা বা ঋণ খেলাপি কিনা। উত্তরে সাহাবুদ্দিন বললেন, ‘না তাঁর কোনো ব্যাংক ঋণ নেই এবং তিনি ঋণ খেলাপিও নন। এরপর প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য জানতে চাইলেন। সাহাবুদ্দিন বললেন, তাঁর ক্রেডিট কার্ড আছে বটে তবে কোনো বিল বকেয়া নেই। কারণ তাঁর ক্রেডিট কার্ডের বিল তাঁর ব্যাংক একাউন্ট থেকে আপনা আপনি কর্তন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘তোমার পাবনা যাওয়ার দরকার নেই, তুমি ঢাকায় থাকো।’

ফোনটা রাখার পর  সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বেশ কিছুক্ষণ ভাবলেন। এখন কোনো নির্বাচন নেই। নির্বাচন বলতে শুধু আছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। তিনি ঘুণাক্ষরেও আঁচ পারেননি যে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যে প্রশ্নগুলো করলেন তাতে দীর্ঘদিন বিচারক হিসেবে থাকা ও দূর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার থাকা মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের বুঝতে অসুবিধা হলোনা নির্বাচন সংক্রান্ত মনোনয়নের জন্যই এই তথ্যগুলো তিনি জানতে চেয়েছেন। তাহলে কি রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে? এই ভাবনা তাকে পেয়ে বসলো। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও কারো সঙ্গেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করলেন না। চুপচাপ নিজের মধ্যেই রাখলেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে অনুভব করতে থাকলেন একধরণের উত্তেজনা।

এরপরের ঘটনা সকলেই জানে। ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী ডেকে পাঠান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদকে। দুইজনকে মনোনয়ন ফরম দিয়ে ওবায়দুল কাদেরকে বলেন তিনি যেনো প্রস্তাবকের ঘরে স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে ড. হাছান মাহমুদকে বলা হয় তিনি যেনো সমর্থকের ঘরে স্বাক্ষর করেন। তখনও তাঁরা জানেন না কার নাম থাকছে রাষ্ট্রপতি হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে বলেন, আগামীকাল সকাল ৯টায় গণভবনে আসতে। নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে এটাই ছিলো সবচেয়ে বড় চমক। মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রেগুলো থেকে এইসব তথ্য পাওয়া গেছে।


সাহাবুদ্দিন চুপ্পু   শেখ হাসিনা   রাষ্ট্রপতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

মধ্যরাতে ফখরুলের সিঙ্গাপুর যাত্রা: সরকারের সাথে সমঝোতা?

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আকস্মিকভাবে কাউকে না জানিয়েই বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) মধ্যরাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরে গেছেন। তাঁর সিঙ্গাপুর যাবার খবরটি ঘুণাক্ষরেও জানতেন না বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। মির্জা ফখরুলের আকস্মিকভাবে সিঙ্গাপুর যাওয়া সম্পর্কে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছেন। আন্দোলনের মাঝপথে কিভাবে তিনি অসুস্থ হলেন এবং কি চিকিৎসার জন্য তিনি সস্ত্রীক সিঙ্গাপুর গেলেন এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা রয়েছে। যখনই বিএনপি আন্দোলনে যায়, তখনই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেনো সিঙ্গাপুরে যান এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

গতকাল রাত দেড়টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের বিমানে করে সিঙ্গাপুর যান মির্জা ফখরুল। তাঁর পারিবারিক সূত্রগুলো বলছে, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী সেখানে চিকিৎসা করাবেন। কিন্তু মির্জা ফখরুল যে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এই বিষয়টি তিনি গতকাল পর্যন্ত কাউকে জানাননি। শুধুমাত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকে তিনি জানিয়েছিলেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে বিএনপির কোনো কোনো নেতা বলছেন, এই রকম কোন তথ্য তাঁদের হাতে নেই। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর আগেও সিঙ্গাপুরে গেছেন এবং সেখানে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সরকারি আর্থিক সহায়তায় তাঁর চিকিৎসা হয়েছে বলে একাধিক তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশে অবস্থিত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে যে, ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে মির্জা ফখরুল সিঙ্গাপুরে গেছেন এবং সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার দূতাবাস বহন করেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ সরকার বহন করেছে।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে যখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতির সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, সেই সংলাপে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় মির্জা ফখরল তাঁর শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন এবং তাঁর সঙ্গে সরকারের লোকজনকে যোগাযোগ করার নির্দেশও দেন। এরপরই নির্বাচনের আগে মির্জা ফখরুল সিঙ্গাপুর সফর করেন। সেখানে তৎকালীন রাষ্ট্রদূত তাকে প্রটোকল দেন এবং এই চিকিৎসার যাবতীয় ব্যায়ভার সরকার বহন করে।

বিএনপির মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে যে একদিকে সরকার পতনের আন্দোলনের কথা বলা হবে, অন্যদিকে সরকারি সহযোগীতা নিয়ে চিকিৎসা করা হবে এটি কোন ধরণের রাজনীতি? অনেকেই মনে করছেন মির্জা ফখরুলের সাথে সরকারের একটি গোপন সমঝোতা রয়েছে এবং এই সমঝোতার অংশ হিসেবেই তিনি এখন সিঙ্গাপুরে গেছেন। বিএনপির বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নিয়ে আসার জন্য সরকার পর্দার আড়ালে নানারকম চেষ্টা করছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিঙ্গাপুর গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারের দু’টি লাভ হবে। প্রথমত, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলকে নির্বাচনী মহাসড়কে টেনে তোলার চেষ্টা করবেন। দ্বিতীয়ত, নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ধরণের বিভ্রান্তি এবং হতাশা তৈরী হবে। আর এ কারণেই মির্জা ফখরুলের এই সময়ে সিঙ্গাপুর যাওয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে আগেই বিএনপি তাঁদের আন্দোলনের কর্মসূচি আকস্মিকভাবে স্থগিত করে। আর এর প্রেক্ষিতেই এখন প্রশ্ন উঠেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বেই কি তাহলে সরকারের সাথে কোনো সমঝোতা হচ্ছে?


মধ্যরাত   ফখরুল   সিঙ্গাপুর যাত্রা   সরকার   সমঝোতা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

রোজিনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে প্রথম আলো

প্রকাশ: ০৭:০১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রোজিনাকে ব্যাবহার করে আন্তর্জাতিক মহলে সরকারকে বিতর্কিত করার নতুন ষড়যন্ত্র মেতেছে প্রথম আলো। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলায় নারাজির আবেদন করা হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলকে দিয়ে বিবৃতি ব্যাবসার নেমেছে এই গণমাধ্যমটি। রোজিনা ইসলামকে দিয়ে বিভিন্ন রকম পুরষ্কার গ্রহণ করানোর পর এখন তাকে সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কক্ষ থেকে নথি চুরির ঘটনার কারণে রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই ব্যাপারে পুলিশ যে প্রতিবেদন দিয়েছিল সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদি নারাজি আবেদন দেয় এবং তার নারাজি আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে দেন দরবার চলছে। এমনকি গতকাল রোজিনা মার্কিন দূতাবাসেও গিয়েছিলেন।

আইনের দৃষ্টিতে একটি চুরি চুরিই। সে যেই করুক না কেন, সেটি অপরাধ। সাংবাদিকতা এবং চুরি দুটি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়। একটির সাথে আরেকটির সম্পর্ক নেই। কিন্তু রোজিনা একজন ভালো সাংবাদিক। তিনি অনেক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করেছেন এটি যেমন সত্য, পাশাপাশি এটিও সত্য যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কক্ষ থেকে তিনি যে নথি চুরি করেছেন সেটি অনৈতিক এবং আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এই অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখন এটি আদালতের বিষয় যে তিনি দোষী নাকি নির্দোষ। সরকারের যেমন মামলা করার অধিকার আছে, তেমনি আদালত স্বাধীন। তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে এই মামলার ব্যাপারে তারা কি রায় দেবে। কোনটার উপরই প্রভাব বিস্তার করা উচিত নয়।

কিন্তু রোজিনার ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ করছি যে, আদালতের উপর প্রভাব বিস্তার করার জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। রোজিনার ইস্যুটিকে একটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ইস্যু বানানো হচ্ছে। কিন্তু সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ইস্যুর সাথে এটির কোন সম্পর্ক নেই। কোন প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্য রোজিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নি। বরং রোজিনার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তাহলে কি সাংবাদিক হলে চুরি করা জায়েজ? এই ধারণা যদি প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে অনেক চোর এসে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করবেন এবং সেই পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করবে। এটিই কি প্রথম আলো চায়? 

বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন আছে। কোন ব্যাক্তি কিংবা সাংবাদিকের কোন তথ্য প্রয়োজন হলে সেই তথ্য পাবার একটি সুনির্দিস্ট বিধি ব্যাবস্থা তথ্য অধিকার আইনে রয়েছে এবং কোন সরকারি প্রতিষ্ঠান যদি তথ্য না দেয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য অধিকার কমিশন গঠিত হয়েছে। কিন্তু সেই পথে না গিয়ে একাকী কক্ষে ঢুকে তথ্য চুরি করা কোন সাংবাদিকতার রীতি নয়। আর এ কারণেই এটিকে সাংবাদিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় ধরা যায় না। 

আমরা অতীতেও দেখেছি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাংবাদিক অন্য অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে স্বাভাবিক মামলা হয়েছে। এটির সাথে সাংবাদিকতার কোন সম্পর্ক নেই। রোজিনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কোন বাধা প্রদান করা হয়নি বরং তিনি আইনের লঙ্ঘন করেছেন এবং ফৌজদারি অপরাধ সংগঠিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার ন্যায় বিচার চেয়েছে সরকার। 

কাজেই রোজিনার বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা করে প্রথম আলো মূলত সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হনন করছে এমনটি প্রমাণের চেষ্টা করছে যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রথম আলোর বিরাজনীতিকরন প্রক্রিয়ারই একটি অংশ বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

ফোনালাপ ফাঁস: বিএনপি নেতা আসিফ নিখোঁজ নাকি আত্মগোপনে?

প্রকাশ: ১২:৪৪ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গত শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবু আসিফের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন তার স্ত্রী মেহেরুন্নিছা। তবে প্রায় দুদিন হলেও এখনো পর্যন্ত নিখোঁজের বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি কিংবা কোথাও কোনোরকম লিখিত অভিযোগও করেননি। তবে কি তিনি আসলেই নিখোঁজ নাকি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছেন তা নিয়ে একধরণের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসিফের স্ত্রী এবং বাসার কেয়ারটেকারের মাঝে একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। যেখানে আসিফের স্ত্রী কেয়ারটেকারকে আসিফের জন্য জামা কাপড় গোছানোর জন্য নির্দেশ দিতে শোনা যায়।

আসিফের স্ত্রী বলেন, 'ইউসুফ (কেয়ারটেকার) স্যারের (আসিফ) কতগুলো জামাকাপড়, গেঞ্জি, প্যান্ট, শীতের কাপড়, জুতা মোজা ব্যাগে ভরে দিয়ে দে তারাতারি। আরে তারাতারি দে। কেউ যেন না জানে স্যার কই গেছে। ক্যামেরা বন্ধ করে দে। ক্যামেরার লাইন বন্ধ কর বাসার। স্যার গেলে আরও ১০ মিনিট পর ক্যামেরার লাইন বন্ধ করবে।'

এমন কথোপকথন ফাঁস হবার পর বিএনপি নেতা আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে গিয়েছেন বলেই ধারণা করছেন অনেকে।

আবু আসিফ আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও এই আসন থেকে পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য বহিষ্কৃত উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। আবু আসিফ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭১১৫৬১১৫৮) একাধিকবার যোগযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা উকিল আব্দুস সাত্তার ভুইয়া জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। তিনি এখন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ না করলেও উকিল আব্দুস সাত্তার ভূইয়া সমর্থক গোষ্ঠীর ব্যানারে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, এমপি, জেলা ও উপজেলার নেতারা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।



বিএনপি   বিএনপি নেতা আসিফ   ফোনালাপ ফাঁস   নিখোঁজ   আত্মগোপন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

বিএনপি-জামায়াতকে অর্থ সহায়তা বন্ধ করলো আইএসআই

প্রকাশ: ১০:০২ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

দেউলিয়া হওয়ার পথে পাকিস্তান। ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের রুপির সর্বোচ্চ দর পতন ঘটেছে। এখন এক ডলারে ২৬৮ রুপি মিলছে। সেটিও দুষ্প্রাপ্য। আইএমএফ এর বেল আউট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যেয়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। আগামী মাসে বিদ্যুতের ভয়াবহ সংকট শুরু হবে দেশটিতে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকার কারণে আমদানি এখন বন্ধের উপক্রম। দেউলিয়া হওয়ার পথে থাকা পাকিস্তান এখন নিজেরাই অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। এই অবস্থায় ২০২৩ সাল থেকে আইএসআই বিভিন্ন সহযোগী দেশের বিভিন্ন রকম সংগঠনকে যে অর্থ সহায়তা দিত তা বন্ধ করে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানুয়ারি মাস থেকে এই অর্থ সহায়তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলেই পাকিস্তানের গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

এর ফলে হরকাতুল জিহাদ সহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন সংগঠন গুলোর কার্যক্রম গুটিয়ে যাবে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের ব্যাপাব হলো আইএসআই এর অর্থ যে সকল রাজনৈতিক দলগুলো পেত তাদের তালিকায় বাংলাদেশের দুটি রাজনৈতিক দলও রয়েছে। একটি হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, অন্যটি  জামায়াতে ইসলামী। এই দুটি দলই নিয়মিত ভাবে আইএসআই থেকে মাসোহারা পেত। আইএসআই ভারতের বিভিন্ন ইসলামী এবং জঙ্গি সংগঠনকে অর্থায়ন করতো, সেখানে যেন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তৈরি হয়। এমনি লশকর-ই তৈয়ব বলে একটি সংগঠনকে অর্থ দানের কথাটি আইএসআই প্রধান সরাসরি স্বাকীর করেছিলেন। এমনকি আইএসআই এর সাবেক প্রধান এটিও বলেছেন যে, এই সমস্ত জঙ্গি সংগঠনগুলোতে অর্থ দেওয়ার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। 

শুধু ভারতে বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠন বা জঙ্গি সংগঠনগুলোকে নয়, বাংলাদেশের বেশ কিছু সংগঠনকে অর্থ সহায়তা দিত আইএসআই। তার মধ্যে অন্যতম হলো বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলাম। বিএনপিকে অর্থায়নের কথা আইএসআই সাবেক প্রধান আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, ২০০১ এর নির্বাচনের আগে আইএসআই বিএনপিকে অর্থ সহায়তা দিত। বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় পুন:প্রতিষ্ঠিত করা, পাকিস্তানের প্রতি সহানুভতি সৃষ্টি করা এবং ভারত বিদ্বেষ বাংলাদেশের মধ্যে জাগ্রত করার জন্যই এই রাজনৈতিক দল দুটিকে অর্থায়ন করা হতো বলে জানা গছে। এই অর্থায়নের মাধ্যমে এই দুটি দলকে ভারত বিরোধী তৎপরতার জন্য ব্যবহার করা হত। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই অর্থায়ন কমতে শুরু করে। তবে কিছুদিন আগেই আইএসআই বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে বিবেচনা করে বিপুল অর্থায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটিয়ে সরকারকে দুর্বল করে তোলার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এই পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় আইএসআই। 

বাংলাদেশের সঙ্গে এখন চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো হওয়ার কারণে আইএসআইকে বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার জন্য চীন অর্থ সহায়তা দিচ্ছে না। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন পাকিস্তানকে সামরিক গোয়েন্দা খাতে ব্যয় হ্রাসের পরামর্শ দিয়েছে। ফলে আইএসআই ১৯৪৭ এর পরে সবচেয়ে বড় অর্থ সংকটে ভূগছে। এ কারণেই তারা নতুন বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন নতুন সংগঠনে আর্থিক সহায়তা বা অনুদান বন্ধ করছে। এর ফলে বিএনপি এবং জামায়াত নতুন করে অর্থ সংকটে পড়তে যাচ্ছে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বিএনপি   জামায়াত   আইএসআই  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন