লিভিং ইনসাইড

শীতে সুস্থ থাকতে সকালের নাস্তায় যা খাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:১৫ এএম, ০৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সারাদিনের খাবারের মধ্যে সকালের নাস্তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর সামনে আসছে শীতকাল। এ সময়ে সকালের খাবারে রাখতে পারেন বৈচিত্র‌্য। এজন্য তালিকায় রাখতে পারেন শাক-সবজি ও ফল। শীতকালের সবজি ও ফলের জন্য অনেকেই সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে। যদি কোন ফল বা সবজিতে চিকিৎসকের বাধা নিষেধ না থাকে তবে সুষম পুষ্টির জন্য সব ফল, সবজি খাওয়া যেতে পারে। তবে রান্নায় কম তেল,মশলা দেওয়া ভালো। এছাড়া অনেক সবজি সিদ্ধ করেও খাওয়া যায়।  

অনেকেই শীতের শুরু থেকে ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভোগেন। তাদেরকে শীতকালের শুরুতে সতর্ক হতে হবে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই। তবে ঠান্ডা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। রাতে ঘুমের আগে যদি এক গ্লাস গরম দুধ খেতে পারেন তাহলে খুব ভালো। পাশাপাশি, ঠান্ডা থেকে বাঁচতে মধু, তুলসী পাতা, গোলমরিচ, রসুনের ব্যবহার করেন অনেকে। তবে সবটাই করতে হবে শরীর বুঝে। শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে ব্রেকফাস্টে কী খাবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক। 

চা- শীতের সকালে গ্রিন টি, তুলসি টি, অথবা আদা চা-এর উপকারিতা রয়েছে। এতে যেমন ক্লান্তি দূর হয় তেমনি শরীরও সতেজ থাকে।

রুটি- লাল আটার রুটিতে রয়েছে ফাইবার এবং ভিটামিন বি । ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরে উষ্ণ ভাব এনে দেয়। ভিটামিন বি শরীরকে উষ্ণ রাখে।

ডিম-ডিম খেতে সবাই ভালবাসে। সিদ্ধ হোক বা পোচ প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবার প্রতিদিন সকালের নাস্তায় রাখেন। ডিমে প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ রয়েছে।

মিক্সড ভেজিটেবল-মিক্সড ভেজিটেবলে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবার থাকে যা বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। ত্বকের লাবণ্য ফিরে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

স্যুপ- প্রতিদিন সকালে না হলেও শীতের দিনে যে কোনও একটা সময়ে স্যুপ খান। এতে শরীরে শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ঠান্ডা দূর করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখে। আবার শীতকালে গরম গরম স্যুপ খেতেও ভালো লাগে। 

মৌসুিম ফল-প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল অবশ্যই রাখুন। যাদের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা আছে তারা কলা খেতে পারেন।

মধু-শীতকালে মধুর কোনও বিকল্প নেই। গলার খুসখুস কমানোর পাশাপাশি মধু ঠান্ডা দূর করে। সেই সাথে শরীর উঞ্চ রাখে মধু।

দুধ- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ অবশ্যই রাখুন। দুধে যে প্রোটিন থাকে তা শরীরের জন্য উপকারী।

কর্নফ্লেক্স- সকালের নাস্তায় মাঝে মধ্যে কর্নফ্লেক্স খান। তার মধ্যে ফল মিশিয়েও খেতে পারেন।

ব্রাউন ব্রেড-সাদা ব্রেডের থেকে ব্রাউন ব্রেড অনেক বেশি উপকারী। তাই সাদা ব্রেড ভুলে ব্রাউন ব্রেড খান।

ওটস-ওটস খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। ওটস অনেক ভাবেই খেতে পারেন। দুধ দিয়ে, খিচুড়ি করে যেটা ভাল লাগে সেভাবেই খেতে পারেন।

মাখন-সকালের ব্রেকফাস্টে অবশ্যই মাখন খান। মাখন দিয়ে হালকা টোস্ট করে খেতে পারেন।



মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

ঢাকায় শুরু হচ্ছে ব্যতিক্রমী ভৈষা দই মেলা

প্রকাশ: ০৩:২৫ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ঢাকায় শুরু হচ্ছে ব্যতিক্রমী ভৈষা দই মেলা

দুধ হতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে মহিষের দুধের কাঁচা দইয়ের সুখ্যাতি সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়ভাবে এটি ‘ভৈষা দই’ নামে পরিচিত। এই টক দই গুড়, মিষ্টি অথবা চিনি দিয়ে খাওয়া হয়। যা ভোলা সহ দেশের দক্ষিণ উপকূলের মানুষের ঐতিহ্যের একটি অপরিহার্য অংশ। ঈদ, পূজা, পার্বণসহ এই অঞ্চলের যেকোন সামাজিক অনুষ্ঠান এই দই ছাড়া এক প্রকার অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। 

ব্যতিক্রমী এই ভৈষা দইকে দেশের সকল অঞ্চলের মানুষের কাছে পরিচিত করতে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান পরিবার উন্নয়ন সংস্থা  (এফডিএ) সরকারের পল্লী কর্ম – সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) মাধ্যমে পরিচালিত সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আওতায় রাজধানী ঢাকায় আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘দই মেলা ২০২২’।

ঢাকার লালমাটিয়া, মিরপুর ২, খিলগাঁও, গাবতলি, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার অরগানিক পণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে আগামি ০২ – ০৩ জুলাই ২০২২ চলবে এই ভিন্নধর্মী দই মেলা। যেখানে ১ কেজি পরিমাণ ভৈষা দই এর বাজারমূল্য ২৫০ টাকা থেকে ৩০% ছাড়ে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করা হবে। আগ্রহী গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফেজবুক পেজ থেকে অগ্রিম অর্ডার যেমন করতে পারবেন, তেমনি মেলার ২ দিন সরাসরিও সংগ্রহ করতে পারবেন।  এছাড়াও, মেলায় ভোলার চরফ্যাশনে উৎপাদিত খাঁটি গাওয়া ঘি বাজারজাত করা হবে। 

এ বিষয়ে এফডিএ পরিচালিত সাস্টেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর ব্যবস্থাপক মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা চাই আমাদের এই অঞ্চলের এই পণ্যটি দেশের সকল মানুষের কাছে পরিচিতি পাক। এই পণ্যটি যেহেতু স্বাস্থ্যসম্মত এবং কোন প্রকার মিশ্রণ ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা হয় সেহেতু, এই পণ্যটি সকল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ গ্রহণ করবে বলে আমার বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, সাস্টেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর মাধ্যমে ভোলা জেলাকেন্দ্রিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) চরফ্যাশনে উৎপাদিত দুগ্ধ পণ্যকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত ও বাজারজাতকরণে কাজ করছে। সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব খামার তৈরি, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পণ্য প্রক্রিয়া এবং বাজারজাতকরণে প্রান্তিক খামারি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সংস্থাটি। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে আর্থিক ও সব ধরনের কারিগরি সহায়তা।

ব্যতিক্রমী ভৈষা দই মেলা   ঢাকা  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বর্ষায় ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

প্রকাশ: ০৯:৫১ এএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail বর্ষায় ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

বর্ষাকালে প্রকৃতি আরো সবুজ, সতেজ ও সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে এই মৌসুম  নোংরা পানির সংস্পর্শ, আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি ও ঘরের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ পায়ে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আঙুলের ফাঁক সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। পায়ে ইতিমধ্যে কোনো সংক্রমণ থাকলে এ সময় অবস্থা আরো শোচনীয় হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষায় অবশ্যই পায়ের যত্ন নিতে হবে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীরা মোটেই অবহেলা করতে পারবেন না। এখানে বৃষ্টির দিনগুলোতে পায়ের সুস্থতায় করণীয় উল্লেখ করা হলো।

>> খালি পায়ে হাঁটা নয়: বৃষ্টিতে খালি পায়ে হাঁটা আনন্দদায়ক হতে পারে, কিন্তু এটা পায়ে সমস্যা বয়ে আনতে পারে। তাই পায়ের সুস্থতা বজায় রাখতে খালি পায়ে বাইরে বের হবেন না। ঘরেও স্যান্ডাল পরা ভালো, যদি নিচতলায় বসবাস করেন।বাইরে যেতে জুতা পরার আগে পায়ে অ্যান্টিফাঙ্গাল পাউডার ছিটাতে পারেন। এতে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

>> পা শুষ্ক রাখুন: ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে পা সহজেই ছত্রাকের শিকার হতে পারে। বাইর থেকে এসে যত দ্রুত সম্ভব পা ধুয়ে মুছে নিন। বর্ষায় এন্টিসেপ্টিক দিয়ে পা ধোয়াই ভালো।

>> ময়েশ্চারাইজারের অতি ব্যবহার নয়: ত্বকের যত্নে শীত ও গ্রীষ্মে আপনি হয়তো ঘনঘন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন, তবে বৃষ্টির দিনগুলোতেও এমনটা করবেন না। বৃষ্টির সময় এমনিতেই পরিবেশ অত্যধিক আর্দ্র থাকে। তাই এসময় দিন-রাতে ঘনঘন ময়েশ্চারাইজিং করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

>> হালকা গরম পানিতে পা ভেজান: বৃষ্টির মৌসুমে পায়ের যত্নে কুসুম গরম পানিতে পা ডোবানো সহায়ক হতে পারে।এটাকে আরো কার্যকর করতে লবণ মেশাতে পারেন। এতে করে পায়ে কেবল আরামই পাবেন না, ছত্রাক সংক্রমণও প্রতিরোধ হবে। গরম পানিতে টি ব্যাগ ডুবিয়েও পা ভেজাতে পারেন। কিছুক্ষণ পর পা শুকিয়ে নিন।

>> ম্যাসাজ ও স্ক্রাব করুন: পায়ে নিয়মিত ম্যাসাজ করলে সমস্যার ঝুঁকি কমে। জলপাই তেল বা নারকেল তেলকে হালকা গরম করে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের মৃতকোষ অপসারণে স্ক্রাব করতে পারেন।এতে পা কোমল ও মসৃণ থাকবে। চিনি/লবণের সঙ্গে বেবি অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাবের পেস্ট তৈরি করুন। এরপর সারা পায়ে পেস্ট মেখে বৃত্তাকারে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। অতঃপর ঝামা পাথর ত্বকে হালকা ঘষে সাধারণ ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন এবং পা মুছে নিয়ে ফুট ক্রিম লাগাতে পারেন।

>> ক্ষত নিয়ে বাইরে নয়: অন্য মৌসুমের তুলনায় বর্ষাকালে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগতে পারে। অবহেলায় সংক্রমণও সৃষ্টি হতে পারে। তাই পায়ে উন্মুক্ত ক্ষত থাকলে বৃষ্টির সময় বাইরে বের হবেন না, কারণ নোংরা পানির ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু ক্ষতকে সহজেই সংক্রমিত করতে পারে। পায়ের সুরক্ষায় কর্ম থেকে ছুটি নিয়ে নিন। ছুটি না পেলে সর্বোচ্চ সতর্কতা সহকারে বের হতে হবে, যেমন- ব্যান্ডেজ দিয়ে ক্ষত ঢেকে নিন।

>> রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন: বর্ষাকালে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অন্য সময়ের তুলনায় বেশি, বিশেষ করে পায়ে কাটাছেঁড়া বা সংক্রমণ থাকলে। অন্যথায় এটা এমন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে যে পা কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকবে না। পায়ের ক্ষত না শুকানো বা সংক্রমণ সেরে না ওঠা পর্যন্ত ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ে নোংরা পানি বা কাদামাটির সংস্পর্শ কখনোই ভালো কিছু নয়।

বর্ষাকাল   ছত্রা্‌ সংক্রমণ   প্রতিরোধ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

খুশখুশে কাশি ও জ্বর হলে যা করবেন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail খুশখুশে কাশি ও জ্বর হলে যা করবেন

চলছে বর্ষা মৌসুম। এ সময় হুটহাট বৃষ্টি চলে আসে, আবার প্রচণ্ড গরমও পড়তে পারে। প্রকৃতির এই খামখেয়ালি আচরণের প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরে। এসময় সর্দি-কাশি এবং জ্বর দেখা দেয় ঘরে ঘরে। আর্দ্রতা ও স্যাঁতসেঁতে ভাবের জন্য অ্যালার্জিও বেড়ে যেতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোনোভাবে একটু দুর্বল হলেই অসুখ-বিসুখ আক্রমণ করে!

ঋতু পরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথার মতো সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। এসময় বাতাসে দানা বাঁধে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া। যে কারণে এ সংক্রান্ত অসুখও বেশি দেখা দেয়। ভ্যাপসা গরমের কারণে জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা, কাশি শরীরে আসন গেড়ে বসে। এক্ষেত্রে ঘরোয়া প্রতিকার আপনাকে আরাম ও সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে-

আদা খাবেন যে কারণে

সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলাব্যথা সারাতে আদার ব্যবহার বেশিরভাগেরই জানা। এ ধরনের সমস্যায় আদা ভীষণ উপকারী। আদা চায়ের সঙ্গে যোগ করতে পারেন কিছুটা মধু। এভাবে পান করলে তা আপনার শরীর উষ্ণ রাখার পাশাপাশি সর্দি-কাশি দূর করতে সাহায্য করবে। এক চা চামচ আদার রস সামান্য লবণ যোগ করে খেলেও উপকার পাবেন।

ভেপার ব্যবহার

প্রথমে পরিষ্কার চাদর বা তোয়ালে দিয়ে কান, গলা, মাথা ঢেকে নিন। এর পর গরম পানি ভাপ নিন। গরম পানিতে ব্যাকটেরিয়া নিরোধক কোনো ওষুধ মিশিয়ে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে সেটি মেশাতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে। অথবা মেশাতে পারেন ক্যামোমাইল বা ইউক্যালিপটাস তেল। ভাপ নিলে কমবে পোস্ট নেজাল ড্রিপিং। এর ফলে কমবে কাশিও। ভাপ নেওয়ার সময় ফ্যান বন্ধ রাখবেন। ভাপ নেওয়া শেষ হওয়ার পর মিনিট দশেক ফ্যানের নিচে থাকবেন না।

আপেল সাইডার ভিনেগার

আপেল সাইডার ভিনেগারের অনেক রকম গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো, এটি গলার মিউকাসকে ভাঙতে এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকরী। সর্দি-কাশির সমস্যায় প্রতিদিন খালি পেটে হালকা গরম পানিতে ২ চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার যোগ করে খাবেন। এতে ঠান্ডার সমস্যা দূর হবে অনেকটাই।

​মধু খান ঘুমাতে যাওয়ার আগে

বর্ষায় ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখ থেকে বাঁচতে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মধু খেতে পারেন। হালকা গরম পানি বা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাবেন। এটি ঠান্ডার প্রকোপ ও কাশি কমাতে দারুণ কার্যকরী। তবে মধু যেন খাঁটি হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

খুশখুশ   কাশি   জ্বর  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বর্ষায় রুক্ষ ঠোঁটের যত্ন

প্রকাশ: ১০:৪৩ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail বর্ষায় রুক্ষ ঠোঁটের যত্ন

চলছে বর্ষাকাল।বর্ষা অনেকেরই প্রিয় ঋতু হলেও এই সময় বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশি, পেটের গন্ডগোল ছাড়াও ত্বকেরও নানা সমস্যা দেখা দেয়। তার মধ্যে অন্যতম ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া। শীতে ঠোঁট ফাটার প্রবণতা বেশি হলেও বর্ষায় এই সমস্যা মারাত্মক আকারে দেখা দেয়। বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ফলে আর্দ্র আবহাওয়ায় ঠোঁট রুক্ষ ও ফ্যাকাশে হয়ে যায়। রুক্ষ ঠোঁট নিজেরও অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠে।

বর্ষায় ঠোঁটের রুক্ষতা দূর করতে কী ভাবে সুরক্ষা নেবেন?

এসপিএফ যুক্ত প্রসাধন ব্যবহার করুন
বর্ষায় ঠোঁটের যত্ন নিতে এসপিএফ যুক্ত প্রসাধন আছেন। সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ঠোঁট সুরক্ষিত রাখতে এসপিএফ আছে এমন লিপ বাম বেছে নিন।

ঠোঁট মালিশ করুন
বর্ষায় ঠোঁট নরম ও মসৃণ রাখতে মালিশ করা প্রয়োজন। ঠোঁট শরীরেরও অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ। ফলে রাসায়নিক উপাদান আছে এমন কোনও প্রসাধনী ঠোঁটে ব্যবহার না করাই ভাল। ঠোঁট নরম রাখতে হোহোবা অয়েল কিংবা অলিভ অয়েল দিয়ে হালকা হাতে মালিশ করে নিন।

ঠোঁট উপযোগী প্রসাধনী বাছুন
বর্ষা বলে নয়, সারা বছরই ঠোঁটের যত্নে এমন কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন যেগুলির উপকরণের তালিকায় প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে। ভিটামিন এ, বি, ডি, ই, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ঠোঁটের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। কারণ এই উপাদানগুলি ঠোঁটের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। প্রসাধনী ব্যবহারের পাশাপাশি ঠোঁটের জেল্লা ধরে রাখতে বেশি করে জল খাওয়াও প্রয়োজন।

বর্ষা   রুক্ষ ঠোঁট   যত্ন  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

৫ ভুলের কারণে গরমে ডায়রিয়া হতে পারে

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ৫ ভুলের কারণে গরমে ডায়রিয়া হতে পারে

ডায়রিয়া একটি জলবাহিত রোগ। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় বলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুরা এতে তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কম থাকে। তবে বড়দের ক্ষেত্রেও সময় মতো চিকিৎসা শুরু না করলে এই অসুখ মারাত্মক আকার নিতে পারে।

গরমে পিপাসা মেটাতে অনেক সময় বাইরের বিভিন্ন রং-বেরঙের পানীয় পান করেন। এর মাধ্যমেও শরীরে ডায়রিয়ার জীবাণু শরীরে ঢুকতে পারে। তবে এই অসুখ থেকে দূরে থাকতে কতগুলো নিয়ম মানতেই হবে। জেনে নিন করণীয়-

চিকিৎসকদের মতে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে এই অসুখ এড়ানো সম্ভব। রান্নাঘর থেকে খাওয়ার জায়গা পরিষ্কার রাখুন। বাসন মাজার জন্য পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন। মুখ ধোয়ার সময় ব্যবহার করুন পরিষ্কার পানি।

ডায়রিয়া এড়াতে সারা বছরই পরিষ্কার পানি খান। রাস্তাঘাটের যে কোনো জায়গা থেকে পানি খাবেন না। প্রয়োজনে বোতলবন্দি বা ফোটানো পানি খান।

গরমে কোনো খাবার বেশিক্ষণ বাইরে ফেলে রাখবেন না। গরম অবস্থাতেই টাটকা খাবার খান। খাবার ঠান্ডা হলে তাতেও কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। যা ডায়েরিয়ার কারণ হতে পারে।

ডায়রিয়া থেকে বাঁচতে রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে ফুচকা, চটপট, পানিপুরি কিংবা ভেলপুরি একেবারেই খাবেন না। যেসব খাবারে টকজল বা স্যুপের আকারে পানি সরাসরি পেটে যায়। তাই সেসব এড়িয়ে চলুন।

এ সময় পাতে মৌসুমী ফল রাখুন। তবে রাস্তার কাটা ফল খাবেন না। আস্ত ফল কিনে ভালো করে ধুয়ে খান। গরমে বাইরে থেকে লেবুর পানি কিংবা যে কোনো ধরনের পানীয় পান করবেন না।

ডায়রিয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন