লিট ইনসাইড

করোনায় কবি নুরুল হকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:১০ এএম, ২৩ জুলাই, ২০২১


Thumbnail

করোনায় এবার মৃত্যুবরণ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি নূরুল হক। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিকেল সোয়া ৪টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) মদন উপজেলার বালালি গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

কবি নূরুল হক ১৯৪৪ সালে মদন উপজেলার বালালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পাস করেন। ষাটের দশকে কবিতা লেখা শুরু করলেও মাঝে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আশির দশক থেকে ফের লেখালেখি শুরু করেন।

কবির কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, `শাহবাগ থেকে মালোপাড়া`, `সব আঘাত ছড়িয়ে পড়েছে রক্তদানায়`, `একটি গাছের পদপ্রান্তে`, `মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত গল্প ও অন্যান্য কবিতা`, `এ জীবন খসড়া জীবন`।

এদিকে, কবি নূরুল হকের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা এক বিবৃতিতে বলেন, নূরুল হক আমাদের কবিতাজগতের এক স্বতন্ত্র নাম। গত শতকের ষাটের দশকে বাংলাদেশের কবিতায় তাঁর উজ্জ্বল আবির্ভাব। 



মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

ভাষা সৈনিক একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই

প্রকাশ: ০৯:৫৬ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ভাষা সৈনিক একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্র আর নেই

রণেশ মৈত্র আর নেই।  একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীন সাংবদিক ও কলামিষ্ট এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আজ (সোমবার ২৬ সেপ্টেম্ব) ভোর ৩ টা ৪৭ মিনিটে ঢাকা পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোকগমন করেন।
 
তার মৃত্যুর খবরে বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাবনা প্রেসক্লাবের সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ তার পরলোকগমন নিশ্চিত করে বলেন, তার সন্তান অষ্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তিনি পৌঁছানোর পর পারিবারিক সিদ্ধান্তে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। 

একুশে পদকপ্রাপ্ত এই প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনীতিক রণেশ মৈত্র মহান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন জনস্বার্থের আন্দোলনে সব সময় সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে তিনি পাবনা জেলার অন্যতম সংগঠক ছিলেন। সেই বছরেই তিনি ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

নিজ জীবন সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়েই রণেশ মৈত্র দেশের অসহায়, শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেন। ১৯৫০ সালে পাবনা জিসিআই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৫ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯৫৯ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫১ সালে সিলেট থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নওবেলাল পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমেই তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু। এরপর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সত্যযুগে তিন বছর সাংবাদিকতার পর ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে ডেইলি মর্নিং নিউজ এবং ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত দৈনিক অবজারভারে পাবনা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে দি নিউ নেশনের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯৩ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দি ডেইলি স্টারের পাবনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। পরে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়ে একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে দেশের শীর্ষ পত্রপত্রিকায় কলাম লিখে সারাদেশে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন।

সম্প্রতি তিনি মফস্বল সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

ভাষা সৈনিক   রণেশ মৈত্র  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

‘শিল্পকলা পদক’ পাচ্ছেন ২০ জন গুণী ব্যক্তি

প্রকাশ: ১০:৩৪ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘শিল্পকলা পদক’ পাচ্ছেন ২০ জন গুণী ব্যক্তি

নাটক, সঙ্গীত, নৃত্য,আবৃত্তি, চিত্রকর্মসহ শিল্পের সব শাখায় বিশেষ অবদান রাখায় এবার ২০১৯ ও ২০২০ সালের ‘শিল্পকলা পদক’ পাচ্ছেন বিশ গুণী ব্যক্তিত্ব। বৃহস্পতিবার ( ২২ সেপ্টেম্বর)  বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ পদক বিতরণ অনুষ্ঠান। 

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) ‘শিল্পকলা পদক’ ২০১৯ ও ২০২০ এর বিষয়ে জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কক্ষে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, করোনা মহামারির কারণে ‘শিল্পকলা পদক’ এর অনুষ্ঠান স্থগিত থাকায় এ বছর ২০১৯ ও ২০২০ দু’বছর এর পদক একসঙ্গে দেওয়া হবে। ২০১৯ সালে দশজন ও ২০২০ সালে দশজন সহ মোট বিশ জনকে এ পদক দেওয়া হবে।
 
পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে. এম খালিদ। স্বাগত বক্তৃতা রাখবেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি। 

একাডেমি সূত্র জানায়, দেশের শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের অবদানকে সম্মান ও স্বীকৃতি জানাতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ২০১৩ সাল থেকে ‘শিল্পকলা পদক’ দেওয়া হয়। নীতিমালা অনুযায়ী ১৬ সদস্যের কমিটি প্রতিবছর পদকের জন্য গুণীজন নির্বাচন করে থাকেন। পদক দেওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত ক্ষেত্র ১২টি- কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি, যাত্রাশিল্প, চলচ্চিত্র ও লোকসংস্কৃতি, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন/সংগঠক এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক। 

তালিকাভুক্ত ক্ষেত্র থেকে নির্বাচিত ১০টি ক্ষেত্রে প্রতিবছর ‘শিল্পকলা পদক’ দেওয়া হয়। মনোনীত ব্যক্তি/ব্যক্তির প্রত্যেককে ১টি করে স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং নগদ ১ লাখ টাকার চেক দেওয়া হবে।

‘শিল্পকলা পদক’   পাচ্ছেন   ২০ জন   গুণী ব্যক্তি  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

কুসুমকুমারী দাশ এর জন্মদিন

প্রকাশ: ১০:১৪ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কুসুমকুমারী দাশ এর জন্মদিন

আজ কুসুমকুমারী দাশ এর জন্মদিন (২১ সেপ্টেম্বর ১৮৭৫)। তার রচিত "আদর্শ ছেলে", যার প্রথম চরণ "আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে", বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় কবি।

তিনি খুব বেশি লিখে যাননি কিন্তু যেটুকু রেখে গেছেন তাতে তার প্রতিভার ছাপ সুস্পষ্ট। কুসুমকুমারী দাশ শুধু যে একজন কবি ছিলেন তা নয়। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। নিপুণভাবে গৃহকর্ম সম্পন্ন করার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করতেন। ব্রাহ্ম সমাজের মহিলা সদস্যও ছিলেন তিনি। কুসুমকুমারী বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন মহিলাকে স্বাবলম্বী হতে এবং মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকতে শিখিয়েছেন। কবি নেতৃত্ব দিতে পারতেন। বাংলা ১৩১৯ থেকে ১৩৩৮ পর্যন্ত তিনি ব্রাহ্মসমাজের আধ্যাত্মিক নেতার দায়িত্ব পালন করেন। কুসুমকুমারী দাশ বরিশাল মহিলা সমাজের সভানেত্রীও ছিলেন। আসলে নানা গুণের সমাবেশ ঘটেছিল তার মধ্যে।

কুসুমকুমারী দাশ বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন। এসবের মধ্যে আছে কাব্যকুমারী, পৌরাণিক আখ্যায়িকা, কুসুমকুমারী দাশের কবিতা এবং দৈনন্দিন দিনলিপি। এসব লেখায় তার মুন্সিয়ানা সহজেই চোখে পড়ে। তার কবিতায় বার বার এসেছে ধর্ম, নীতিবোধ, দেশাত্মবোধ।

কুসুমকুমারী দাশ প্রবন্ধ লিখে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে কলকাতার রাসবিহারী এভিনিউতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। অনেক গুণী এই কবির কথা বাংলা সাহিত্য অনেকদিন মনে রাখবে। কারণ তিনি যে সময় কাব্যচর্চা বা লেখালেখি করতেন সে সময়ের মেয়েরা অনেক পিছিয়ে ছিল। তার লেখা বা কবিতার আরো প্রসার হোক এই প্রত্যাশা করি।

কুসুমকুমারী দাশ   জন্মদিন  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন আজ

প্রকাশ: ০৯:৪৬ এএম, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন আজ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তার জন্ম ১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ সালে এবং মৃত্যু ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি শরৎচন্দ্র রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক পান৷ এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে 'ডিলিট' উপাধি পান ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে।

শরৎচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। ব্যক্তিমানুষের মন পল্লীর সংস্কারাচ্ছন্ন মানসিকতার আঘাতে কতটা রক্তাক্ত হতে পারে, তারই রূপচিত্র এঁকেছেন তিনি তাঁর রচনায়। তবে তাঁর উপন্যাসে ব্যক্তিবর্গের ইচ্ছাভিসার ও মুক্তি সর্বদাই সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় বলে তাঁকে রক্ষণশীলও বলা হয়ে থাকে। তবে নারীর প্রতি সামাজিক নির্যাতন ও তার সংস্কারবন্দি জীবনের রূপায়ণে তিনি বিপ্লবী লেখক, বিশেষত গ্রামের অবহেলিত ও বঞ্চিত বাঙালি নারীর প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধ ও শ্রদ্ধা তুলনাহীন। সামাজিক বৈষম্য, কুসংস্কার ও শাস্ত্রীয় অনাচারের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। কাহিনী নির্মাণে অসামান্য কুশলতা এবং অতি প্রাঞ্জল ও সাবলীল ভাষা তাঁর কথাসাহিত্যের জনপ্রিয়তা ও খ্যাতির প্রধান কারণ। বাংলাসহ ভারতীয় বিভিন্ন ভাষায় তাঁর অনেক উপন্যাসের চিত্রনাট্য নির্মিত হয়েছে এবং সেগুলি অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, যথা: দেবদাস, শ্রীকান্ত, রামের সুমতি, দেনা-পাওনা, বিরাজবৌ ইত্যাদি। শরৎচন্দ্র চিত্রাঙ্কনেও দক্ষ ছিলেন। বার্মায় বসবাসকালে তাঁর অঙ্কিত ‘মহাশ্বেতা’ অয়েল পেইন্টিং একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।

কথাশিল্পী   শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়   জন্মদিন  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

সৈয়দ মুজতবা আলী'র জন্মদিন আজ

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সৈয়দ মুজতবা আলী'র জন্মদিন আজ

সৈয়দ মুজতবা আলী। একজন বিংশ শতকী বাঙালি সাহিত্যিক। আজ তার ১০১৮ তম জন্মবার্ষিকী।  পাণ্ডিত্যে পরিপুষ্ট এই ব্যক্তির জন্ম ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ সালে।

তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তিনি তার ভ্রমণকাহিনির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শেষ করে ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মুজতবা আলী কাবুলের শিক্ষা দপ্তরে অধ্যাপনা করেন। সেখানে তিনি ইংরেজি ও ফরাসি ভাষার শিক্ষক ছিলেন। ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে বরোদার মহারাজার আমন্ত্রণে তিনি বরোদা কলেজে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এখানে তিনি আট বছর কাটান। এরপর দিল্লির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পঞ্চাশের দশকে কিছুদিন আকাশবাণীর স্টেশন ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন পাটনা, কটক, কলকাতা এবং দিল্লিতে। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি শান্তিনিকেতনে প্রত্যাবর্তন করেন। বিশ্বভারতীর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রিডার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। 

১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ১১ ফেব্রুয়ারি সোমবার ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৭ নং কক্ষে সৈয়দ মুজতবা আলী মৃত্যুবরণ করেন।

সৈয়দ মুজতবা আলী   জন্মদিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন