লিট ইনসাইড

বিশিষ্ট রম্যলেখক আতাউর রহমান আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬:১৫ পিএম, ২৮ অগাস্ট, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক ও রম্যলেখক আতাউর রহমান আর নেই। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আতাউর রহমানের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। 

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ছয়টায় তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আতাউর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার বাদ মাগরিব গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ মাদ্রাসা মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে নিজ গ্রামে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, স্ত্রীসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪২ সালে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের নগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আতাউর রহমান। ২০০২ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। আমলা, লেখক, শিক্ষক, কূটনীতিক ও অসাধারণ বক্তা সিলেট অন্তপ্রাণ জনপ্রিয় এই লেখকের ২৪ বই প্রকাশিত হয়েছে।



মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বাণিজ্য মেলা শেষ হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি

প্রকাশ: ০৩:৩০ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা চলছে। তবে নির্ধারিত সময় ৩১ জানুয়ারিই শেষ হচ্ছে মেলার কার্যক্রম, ফলে বাণিজ্যমেলার সময় আর বাড়ছে না।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও মেলার পরিচালক মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বাণিজ্যমেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তবে নির্ধারিত সময় ৩১ জানুয়ারিই মেলা শেষ হচ্ছে। মেলার সময় আর বাড়ছে না। শেষদিনে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। 

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ব্যাপক হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় বাণিজ্য মেলা বন্ধ করা এবং বইমেলার মতো আয়োজন পেছানোর সুপারিশ করে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। তবে এরপরও বাণিজ্যমেলা কার্যক্রম চলমান ছিলো।

গত শুক্রবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পাঁচ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নির্দেশনায় বলা হয়, বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনসহ সবধরনের জনসমাবেশে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি মনিটর করবে।

এর আগে গত ১০ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাণিজ্য মেলা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বইমেলায় করোনা আতঙ্কে প্রকাশকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

প্রকাশ: ০৮:৫২ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

অপেক্ষার প্রহর কদাচিৎ মধুর-তিক্ত দুটোই হলেও বইমেলার ক্ষেত্রে অপেক্ষাটা মধুরই হয়। মাসব্যাপী এই গ্রন্থমেলার মধুর স্বাদ পেতে সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন বইপ্রেমীরা। কেননা এই মেলা লেখক-পাঠক-প্রকাশকের মিলনমেলা। আর মাত্র কয়েকদিন পরই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ তো বটেই, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানও বইপ্রেমীদের পদচারণে মুখরিত থাকবে। যারা নিয়মিত বই পড়েন না, তারাও অন্তত একবারের জন্য হলেও আসবেন নতুন কোনো বই এসেছে কি না সেই খোঁজ নিতে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এই মেলা শুধু বইয়ের প্রচার কিংবা বিক্রি নয়, এটি আজ পরিণত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসবে।

বইমেলাকে ঘিরে এবার প্রকাশকরাও বেশ ব্যস্ত। অন্তত গতবারের তুলনায় এবার বেশি বই প্রকাশের কথা জানিয়েছেন বেশ কিছু প্রকাশক। তবে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের মতো এবারও বইমেলায় অংশগ্রহণেচ্ছু প্রকাশকরা দুশ্চিন্তায় আছেন।

একাধিক প্রকাশক জানিয়েছেন, সংক্রমণ আরও বাড়লে মেলা হবে কি না, হলেও জমবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সংক্রমণ বাড়া অব্যাহত থাকলে ভয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বইমেলায় অনেকেই আসবেন না। বিশেষ করে এরই মধ্যে মেলা দু'সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ায় তা আরও বেশি করে ভাবাচ্ছে প্রকাশকদের। তবে আশাও ছাড়তে চাইছেন না তারা।

অন্বেষা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, কোভিডের কারণে গতবার যেহেতু আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম, সে কারণে এবারের মেলা নিয়ে আমাদের একটু বেশি প্রত্যাশা ছিল। তবে এবারও করোনার থাবা আমাদের প্রত্যাশাকে হতাশার ছায়ায় ঢেকে দিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা গেলে এবারের মেলায় করোনা কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারবে না বলেই আমি মনে করি।

এবার বেশি বই প্রকাশের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে প্রায় সবাই এবার বেশি বই প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়েছেন। আমার প্রকাশনা সংস্থা থেকে এবার ৫০টির মত নতুন বই প্রকাশ হবে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ১২ খণ্ডে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ’ এর সংকলনগ্রন্থ।

অন্যপ্রকাশের নির্বাহী পরিচালক মাযহারুল ইসলাম বলেন, মেলার দর্শনার্থী, পাঠক, ক্রেতা ও বিক্রেতা সবাইকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা উচিত। এবারের মেলায় আমাদের প্রতিষ্ঠান অন্যপ্রকাশ নতুন শতাধিক বই প্রকাশ করছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার সম্পাদিত ‘কিংবদন্তী’ বইটি আমাদের বিশেষ বইয়ের তালিকায় রয়েছে। মৃত্যুর আগেই স্যার বইটি সম্পাদনা করে গেছেন।

আগামী প্রকাশনীর ওসমান গণি বলেন, গতবছর প্রকাশকরা বইমেলা থেকে তাদের খরচও ওঠাতে পারেননি। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিও জটিল। এমন অবস্থায় মেলা করে খুব একটা লাভ হবে তা ভাবার নেই। মেলা নিয়ে প্রকাশকদের ভাবা উচিত। এই অবস্থায় মেলা না করাই ভালো এবং গতবারের মতো টাকা না ওঠার বিষয় আছে। পরপর দু'বছর প্রকাশকদের এভাবে ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়া উচিত না। বিশেষ করে মেলা শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন নির্দেশনা যেমন- আজ চারটা পর্যন্ত, আজ তিনটা পর্যন্ত নিয়ম বেঁধে দেওয়া সুখকর নয়। আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতে কলকাতা বই মেলাও একবার বন্ধ ছিল। তাতে খুব বড় ক্ষতি হয়নি- এ বিষয়গুলো আমাদের ভাবা উচিত।

তিনি বলেন, এটা ঠিক যে বইমেলাকে কেন্দ্র করে অনেক নতুন বই আসে, প্রকাশ হয়। তবে যারা প্রকৃত প্রকাশক তারা সারাবছরই বই প্রকাশ করেন। আমার প্রকাশনী থেকেও প্রায় ৪০টি নতুন বই প্রকাশ হয়েছে।

এদিকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের মতো এবারও বিশাল আয়তনজুড়ে মেলার অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। উদ্যানের পূর্ব ও পশ্চিম এবং দক্ষিণ দিকে শ্রমিকরা মাটিতে বাঁশের খুঁটি গেড়ে ছোট ও বড় স্টলের ফ্রেম তৈরি করছেন। গোটা উদ্যান জুড়ে বৃহৎ কর্মযজ্ঞ।

এর আগে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অমর একুশে বইমেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় তা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। দুই সপ্তাহ পর কোভিড পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। আর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিতব্য বইমেলাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনার টিকা সনদ ও কোভিড টেস্টের সনদ প্রদর্শন করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বইমেলা   প্রকাশক   করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বাণিজ্য মেলা বন্ধ এবং বই মেলা পেছানোর সুপারিশ

প্রকাশ: ০৫:৫৮ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনাভাইরাসের প্রকোপ  দিন দিন বেড়ে যাওয়ার ফলে সংক্রমণ ঠেকাতে বাণিজ্য মেলা বন্ধের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। একইসঙ্গে আসন্ন বইমেলাও আরো পিছিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারকে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে আরও কঠোর হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি)  কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনাভাইরাস   বাণিজ্য মেলা   বই মেলা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

মাইকেল মধুসূদন দত্তের আজ ১৯৮ তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

অমিত্রাক্ষর  ছন্দের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকি আজ। এই মহা কবি ১৮২৪ সালের আজকের এ দিনে তিনি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের নাম জাহ্নবী দেবী এবং পিতা জমিদার রাজ নারায়ণ । তাঁর বাবা পেশায় ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল।

মধুসূদন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের যুগপ্রবর্তক কবি। তিনি তার কাব্যের বিষয় সংগ্রহ করেছিলেন প্রধানত সংস্কৃত কাব্য থেকে, কিন্তু পাশ্চাত্য সাহিত্যের আদর্শ অনুযায়ী সমকালীন ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালির জীবনদর্শন ও রুচির উপযোগী করে তিনি তা কাব্যে রূপায়িত করেন এবং তার মধ্য দিয়েই বাংলা সাহিত্যে এক নবযুগের সূচনা হয়।  

তাঁর মায়ের হাত ধরেই তা শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। এরপর ছোটবেলায় নিজ গ্রামের এক পাঠশালায় মাওলানা লুৎফর রহমানের কাছে শিশু মধুসূদন তার শিক্ষা জীবন শুরু করেন। পাশাপাশি গৃহশিক্ষক হরলাল রায়ের কাছে বাংলা ও ফারসি ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন তিনি। আর জাহ্নবী দেবীই শিশু মধুসূদনকে রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে পরিচিত করে তোলেন। সাগরদাঁড়িতে বাল্যকাল অতিবাহিত করে ১৩ বছর বয়সে তিনি কলকাতায় যান। কৃতী ছাত্র হিসাবে তার সুনাম ছিল। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি নারী শিক্ষা বিষয়ে প্রবন্ধ লিখে স্বর্ণ পদক লাভ করেছিলেন।

মধুসূদন মহাকবি হওয়ার স্বপ্নে বিলেত যাওয়ার সুবিধার জন্য ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। এতে তাকে ত্যাজ্যপুত্র করা হয়। বিভিন্ন পত্রিকায় ছদ্মনামে কবিতা লিখতে থাকেন। কয়েকটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ও সম্পাদকীয় বিভাগেও কাজ করেন। একই বছর বিয়ে করেন রেবেকা ম্যাকটাভিসকে। তাকে হিন্দু কলেজ থেকে বিতাড়িত করা হয়। পরে তিনি শিবপুরের বিশপ কলেজে ভর্তি হন। 

মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় মহাকাব্য রচনা এবং বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের পথিকৃৎ। নাটক, প্রহসন, মহাকাব্য, পত্রকাব্য, সনেট, ট্র্যাজেডিসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার অমর সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উন্নত মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করার পর তার নামের সঙ্গে 'মাইকেল' যুক্ত হয়। তিনি ‘পদ্মাবতী’ নাটক, ‘তিলোত্তমাসম্বব কাব্য’, ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ ও ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নামে দুটি প্রহসন, ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’, ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক, ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য ও চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেন। বাংলা সাহিত্যে গাম্ভীর্যপূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক তিনি। 

তার মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণের পৌরাণিক কাহিনী থেকে সংগৃহীত হলেও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাহিত্যের ভাবনার সংমিশ্রণে মধুসূদনের এ এক অপরূপ সৃষ্টি।

শেষ জীবনে অর্থাভাব, ঋণগ্রস্থ ও অসুস্থতায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন দূর্বিষহ উঠেছিল। এরপর সকল চাওয়া পাওয়াসহ সকল কিছুর মায়া ত্যাগ করে ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন কলকাতায় তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে মহাকবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১৫ জন

প্রকাশ: ০৭:২৭ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

২০২১ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ১১ বিভাগে ১৫ গুণীজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে।

আজ রোববার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- কবিতায় আসাদ মান্নান ও বিমল গুহ, কথাসাহিত্যে ঝর্না রহমান ও বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রবন্ধ বা গবেষণায় হোসেনউদ্দীন হোসেন, অনুবাদে আমিনুর রহমান ও রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, নাটকে সাধনা আহমেদ, শিশুসাহিত্যে রফিকুর রশীদ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় পান্না কায়সার, বঙ্গবন্ধু-বিষয়ক গবেষণায় হারুন-অর-রশিদ, বিজ্ঞান বা কল্পবিজ্ঞান বা পরিবেশ বিজ্ঞানে শুভাগত চৌধুরী, আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা বা ভ্রমণকাহিনিতে সুফিয়া খাতুন ও হায়দার আকবর খান রনো এবং ফোকলোর বিভাগে আমিনুর রহমান সুলতান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করবেন।’

বাংলা একাডেমি   সাহিত্য পুরস্কার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন