লিট ইনসাইড

এক পলকে একটু দেখা!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:৩৬ পিএম, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দেশে ফিরতেই চারিদিক থেকে বায়ুর চাপের মতনই চাপ ভর করতে লাগল পলনের  উপর।এই চাপ দূর করার মন্ত্র জানা বাল্যকালের সুখ দুঃখের বন্ধু দিবাকরের বাসার দিকে ছুটল পলেন।
পারিবারিক চাপের বর্ণনা শেষ করে বলল,এবার বল তো কি করি? এ বছর বিয়া করার চিন্তা করে দেশে আসি নাই,বুঝলি?
দিবাকর বলল-তো সমস্যা  কি?সবাইকে নিয়ে মিটিং করে তোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে  দে।
সে করার আর সময় কই?মনে হয় আমার দিদিমা কিছুদিনের মধ্যেই মারা যাবেন!মুখের কোনরূপ পরিবর্তন ছাড়াই বলল পলেন।
মানে কি? কি হইছে উনার?
বিয়া খাওয়ার রোগ হইছে মনে হয়!বলে কিনা নাতী বউ না দেখে মরলে নাকি শান্তি  পাইবে না।
ও,এই রোগ সব দিদিমা-দাদু,ঠাকুরমা-ঠাকুর দাদারই আছে।এর নাম হল`ব্লাক মেইল"রোগ!নাতি-নাতনীদের বিয়ের বয়স হইলেই এই রোগ তাদের ঘাড়ে ভর করে।বুঝলি?লম্বা এক সান্ত্বনার বানী শোনালো দিবাকর।
ঘটনা সত্য! দিবাকরকে সাপোর্ট দিল পলেন।শুনছি আমার বাবার দিদিমাও এই বইল্যা আমার বাবারে বিয়েতে রাজী করাইছিল।এরে কয় রাজ কপাল!
তবে কি করবি?আমার বন্ধু মোহননের একটা বোন আছে,যাবি নাকি দেখতে?
তোর কি মনে হয় এমনিই ঘর থেকে বের হইছিনি?তবে আগে থেকে বলিস না কিছু।ভয় পাই,বুঝলি?বলেই হেসে ফেলল পলেন।
 বাসা থেকে বের হতেই কোথা থেকে একটা শাটল উড়ে এসে পলেনের মাথায় পড়ল।আরে...এটা আবার কে মারল রে?মাটি থেকে শাটল তুলে নিল পলেন।
শাটলটা দেখেই দিবাকর তাকালো ছাঁদের দিকে।দিবাকরদের বাড়িটা দুইতলা।শাটলটা যে ছাঁদ থেকে এসেছে,সেটা বুজতে বাকি রইলনা।শাটলটা হাতে নিতেই উপর থেকে কেউ বলল,দাদা শাটলটা দিয়ে যা!
পলেন ছাঁদের দিকে তাকালো।একটা  মুখ দেখতে পেল।দুই হাতে রেলিং ধরে নিচের দিকে ঝুঁকে আছে মেয়েটা।
দিবাকর বলল,নিচে এসে নিয়ে যা।আমি বের হচ্ছি।শাটলটা নিচে রেখে বলল,এ হচ্ছে আমার বোন দেবযানী।তোর মনে নেই ওর কথা,মেয়েরা হঠাৎ বড় হয়ে যায়।আমার সাত বছরের ছোট। চল।এদিকে আবার দেরি হয়ে যাবে।
দিবাকর কথা বলার আগেই চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিল পলেন।কিন্তু তখন বুঝতে পারেনি আঘাতকারী তারই বন্ধুর একমাত্র বোন।দেবযানীর সুন্দর মুখটা দ্বিতীয়বার দেখার ইচ্ছা হলেও তাকানোর সাহস হল না।
মোহনদের বাড়ি থেকে ফিরতে বেশ দেরিই হল।দিবাকর আরো দুইটা মেয়ের সংবাদ দিবে,তাই আপাততঃ চুপ থাকাই উত্তম ভেবে বাড়িতে পাত্রী  দেখার বিষয়টা চেপে গেল।
এই যে শুনছেন?মেয়েলি কন্ঠ শুনে পিছনে তাকালো পলেন।হাত দুটো পিছনের দিকে নিয়ে আর্মিদের মত দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটি।
অবশ্যই শুনছি।আমি কালা নই,বুঝেছেন?
সে ভগবানের অশেষ দয়া আপনার উপর।মেয়েটি বলল।
মনে করিয়ে দেবার জন্য বুঝি ভগবান আপনাকে নিচে পাঠিয়েছেন?প্রশ্ন করল পলেন।
ভগবানের কি আর কোন কাজ নেই নাকি?
ও আচ্ছা,যখন ভগবানের কোন মাথা ব্যথা নেই আমাকে নিয়ে,তখন আপনার কি এত দরদ যে,আপনি আসমান থেকে নেমে এলেন?দুই হাত বুকের কাছে আড়াআড়ি রেখে প্রশ্ন করল পলেন।
মেয়েটি এতটুকুও রাগল না।কথায় হেরে গেলে মেয়েরা রেগে যায় আর সত্য কথা যত দ্রুত বলেই বিদায় হয়।কিন্তু এর বেলায় বিপরীত ই মনে হল।
জ্বি না,আমি আসমান থেকে আসিনি!ওই বাড়ির ছাঁদ থেকে নেমে এসেছি।চোখের ইশারায়  দুইতালা বাড়ির দিকে দেখাল।
খুব চেনা মনে হল বাড়িটা।
চিনতে পারেন নি তো?বাম হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল,আমার শাটল দিন!
মেয়েটাকে কেমন যেন মনে হতে লাগল!
কি হল?চিনতে পারছেন না?তখন তো ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে ছিলেন।মনে হয়েছিল,শাটল না হয়ে যদি ক্রিকেটের বল হত,বেশ হত!অদ্ভুত ভঙ্গিতে বলল মেয়েটা।
ও,আচ্ছা এবার চিনেছি,তারমানে তুমি দিবাকরের বোন,তাই না?
জ্বি,না,দিবাকর আমার দাদা।বুঝলেন?
হা হা হা শব্দে হেসে উঠল পলেন।তুমি দেবযানী,এটাই সত্যি।
সে যে ই হই,বলব কেন?
তা ঠিক।আমি ড্যাবড্যাব করে তাকাইনি,এটাও সত্যি।
তাকিয়েছেন,আর দ্বিতীয়বার ও তাকাতে চেয়েছিলেন।
দেখ,দেবযানী, আমি হিসেব করেই বলে দিতে পারব,কত সেকেন্ড তাকিয়ে ছিলাম,বুঝেছ?
ও,তাই নাকি?তাহলে বলে ফেলুন।
২৪ সেকেন্ড এর বেশি তো নয়-ই!
প্রমাণ দিন,আপনি সত্য বলেছেন!
দেখ দেবযানী, আমরা যখন কোন কিছু দেখি,তখন একটানা ২৪ সেকেন্ডের বেশি দেখি না।২৪ সেকেন্ড  =১ পলক।কি বুঝলে?
দেবযানীর মুখে অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠল।ডান হাতটা সামনে নিয়ে এল।হাতে পানির বোতল দেখতে পেল।দেবযানী  যত্ন করে বোতল টা খুলে ডান হাতের তালুতে পানি ঢেলে পলেনের উপর ছিটিয়ে দিল ভু...ল...ভু...ল...ভু...ল...বলেই দৌঁড়ে পালিয়ে গেল।
পানির ঝাপটা পরতেই পলেনের ঘুম ভেঙ্গে গেল!বাইরে দারুণ বৃষ্টি হচ্ছে।জানালা দিয়ে বৃষ্টির ঝাপটা আসছে।
সকালে দিবাকরকে ফোন দিল পলেন।
কিরে রাতে কি ঘুম হয়নি?
হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করল দিবাকর।
ঘুম তো হইছে রে দোস্ত,কিন্তু মাঝরাতের বৃষ্টি ঘুম কাইরা নিছে!পাল্টা হাসিতে উত্তর  দিল পলেন।
তবে,পাত্রী দেখা শেষ?কাজ হইছে মনে হচ্ছে!
হুম,তা বলতে পারিস এক প্রকার শেষ-ই।আমার পরিবারকে তোর বাড়িতেই পাঠাবো ভাবছি।
মানে কি রে?দিবাকর অবাক হল।
মানে হল,গতকাল শাটলের যে আঘাত পাইছি,সেটা মনে ওই খেলোয়াড় ই সাড়াতে পারবে!দোস্ত তুই ভরসা....
দেবযানীর কথা বলছিস?আমার বোন অনেক চঞ্চল, জেদী আর অভিমানীরে!দেখলি না,তোর মাথায় শাটল লেগেছে,অথচ সরি পর্যন্ত  বলল না।
তুই রাজী কি না বল?পলেনের কন্ঠে উৎকন্ঠা ধরা পরল।
তুই আসবি না?
না,আমার দেখা শেষ!যা করার তোরা করবি।শুভ দৃষ্টিতে দেবযানীর সাথে দেখা হবে আমার।
বোনটাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম রে।তোর হাতে দিতে পারব সেটা ভাবিনি।ওকে,পাঠিয়ে দে তো পরিবারকে।শুভকামনা রইল!
শুভদৃষ্টি শুভই হলো।দেবযানীকে মনে হল যেন স্বর্গের দেবী।যতটা কল্পনায় ছিল,তার চেয়ে ও সুন্দরী।সুন্দরী মেয়েরা জেদী আর  অভিমানী না হলে সৃষ্টির মধ্যে বুঝি অপূর্ণতা থেকে যেত।
বাসর ঘরটা দারুণ সাজিয়েছে!দেবযানী খাটের উপর বসা ছিল।পলেনকে ঘরে ঢুকতে দেখেই খাট থেকে নেমে টেবিল থেকে লাল কাপড়ে ঢাকা একটা ট্রে এনে বিছানার উপর রাখল দেবযানী।
লাল কাপড়টা সরিয়ে নিতেই চোখ কপালে উঠে গেল পলেনের।দুটো র্যাকেট আর একটা শাটল রাখা।হায়রে সাধের বাসর!শেষে কিনা ব্যাট মিন্টন খেলেই রাত পার করতে হবে!মনে পরল- দেবযানী বড্ড জেদী আর অভিমানী!কাজেই স্মরণীয় সুন্দর রাতে এমন সুন্দরী বউকে না রাগানোই মঙ্গল!
পলেন হাত বাড়িয়ে র্যাকেটটা তুলে নিতেই দেবযানীর মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠলো।



মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বিশ্বের সেরা এবং আকর্ষণীয় পাচ মসজিদ

প্রকাশ: ১১:০২ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বিশ্বের এমন পাঁচটি মসজিদ সম্পর্কে জেনে নিন:


১. মসজিদুল হারাম, মক্কা, সৌদি আরব:

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ দেখতে যায়, এমন মসজিদের তালিকায় সবার প্রথমে আছে পবিত্র নগরী মক্কার মসজিদুল হারাম। প্রতিবছর প্রায় ৮০ লাখ মানুষ এই মসজিদে যান। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। একসঙ্গে ১৫ লাখ মানুষ এখানে প্রবেশ করে ঘুরে দেখতে পারেন। মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র তিন স্থানের একটি এই মসজিদুল হারাম। মুসলমানদের কিবলা পবিত্র কাবাশরিফ এখানেই অবস্থিত।

তবে যে কেউ চাইলেই মসজিদুল হারামে প্রবেশ করতে পারেন না। অমুসলিমদের জন্য মক্কা নগরীতে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ।


২. শেখ জায়েদ মসজিদ, আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত:

২০০৭ সালে স্থাপিত এই মসজিদ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদগুলোর একটি। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঝাড়বাতি ও সবচেয়ে বড় গালিচাও আছে এই মসজিদে।

আরব আমিরাতে বসবাসকারীদের বেশির ভাগই প্রবাসী, যাঁরা মূলত শ্রমজীবী হিসেবে বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে যান। এই বৈচিত্র্যময়তাই মসজিদটির নকশার মূল ভিত্তি। ব্রিটিশ, ইতালীয় ও আমিরাতি স্থপতিরা মিসর, মরক্কো, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের মসজিদের নকশা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শেখ জায়েদ মসজিদের নকশা এঁকেছেন।

প্রতিবছর মসজিদটি দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। শুধু ২০১৭ সালেই এসেছেন প্রায় ৫৮ লাখ দর্শনার্থী। নামাজের সময় ছাড়া অন্য সময় অমুসলিম দর্শনার্থীরাও মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন। তবে শুক্রবার অমুসলিম দর্শনার্থীদের এই মসজিদে প্রবেশ নিষেধ।


৩. আয়া সোফিয়া, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক:

ইউরোপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় শহরগুলোর একটি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল। আর ইস্তাম্বুল বা গোটা ইউরোপের অন্যতম সুন্দর মসজিদ আয়া সোফিয়া। ৩৬০ খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দে স্থাপিত এ স্থাপনা শুরুতে মসজিদ ছিল না। ১৪৬৩ সালে সুলতান মেহমেদ এটিকে মসজিদ হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

১৯৩৪ সালে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করে তৎকালীন তুরস্ক সরকার। কিন্তু ২০২০ সালে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এটিকে আবার নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের কাছে উন্মুক্ত করে দেন। ১৯৮৫ সালে আয়া সোফিয়াকে বিশ্ব ঐতিহ্যর স্বীকৃতি দেয় ইউনেসকো।


৪. আল–আকসা মসজিদ, পূর্ব জেরুজালেম, ইসরায়েল:

মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর শুরুর দিককার অন্যতম নিদর্শন জেরুজালেমের আল–আকসা মসজিদ।

বলা হয়ে থাকে, খোলাফায়ে রাশিদিনের অন্যতম খলিফা হজরত উমর (রা.)–র শাসনামলে ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয় মসজিদটির নির্মাণকাজ। তবে বর্তমানে আল-আকসা বলতে পুরো চত্বরটাকেই বোঝানো হয়। ‘হারাম আল শরিফ’ নামে পরিচিত এই চত্বরের চার দেয়ালের মধ্যে আছে কিবলি মসজিদ, কুব্বাতুস সাখরা (ডোম অব দ্য রক) ও বুরাক মসজিদ। মূল আল–আকসা বা কিবলি মসজিদ হলো ধূসর সীসার পাতে আচ্ছাদিত গম্বুজওয়ালা একটি স্থাপনা। তবে পর্যটকের কাছে আল–আকসা নামে বেশি প্রসিদ্ধ সোনালি গম্বুজের স্থাপনা কুব্বাতুস সাখরা।

জেরুজালেমের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় উঠে আসে ১৯৮১ সালে। এখানে প্রায় চার লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন । তবে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। কোনো মুসল্লিকে তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকতে দিচ্ছে না। পবিত্র স্থানটির দায়িত্বে থাকা ইসলামিক ওয়াক্‌ফ বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


৫. দ্বিতীয় হাসান মসজিদ, কাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো:

আলজেরিয়ার জামা এল জাযের মসজিদের মিনার সবচেয়ে উঁচু, ৮৭০ ফুট। তারপরেই কাসাব্লাঙ্কার দ্বিতীয় হাসান মসজিদের মিনার, উচ্চতা ৬৮৯ ফুট। মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসানের তত্ত্বাবধানে নির্মিত মসজিদটির নকশাকার ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনসু।

আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শৈলান্তরীপের মাথায় মসজিদটির অবস্থান। মেঝের একটা অংশ স্বচ্ছ কাচের বলে আটলান্টিকের নীল পানি দেখতে পান নামাজে যাওয়া মুসল্লিরা। দেয়ালে মার্বেলের চোখধাঁধানো কারুকাজ। ছাদ অপসারণযোগ্য বলে নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরা রাতের আকাশও দেখতে পান।

দ্বিতীয় হাসান মসজিদের মিনার থেকে একটি লেজাররশ্মি মুসলমানদের কিবলা কাবাঘরের দিকে তাক করা। অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্য জগৎ–খ্যাত এই মসজিদে একসঙ্গে ১ লাখ ৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায় করার সুবিধা আছে।


মসজিদ   সেরা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

মুখের ঠিকানা

প্রকাশ: ১২:১৬ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪